বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৮ পি.এম
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমাজের প্রতিটি স্তরে সততা, জবাবদিহি এবং নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি একই সঙ্গে ইভটিজিংসহ অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধের জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘শিক্ষাঙ্গন থেকে জাতীয় ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি আধুনিক, মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের পথিকৃৎ। তাদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে একটি আধুনিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। তাই পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলি, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে দক্ষ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিসিএস কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন পেশার যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে হবে।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের সাহস, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কায়সার কামাল বলেন, শিক্ষাঙ্গন শুধু জ্ঞান অর্জনের স্থান নয়; বরং সুনাগরিক, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। সঠিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার অভাবে কিশোর গ্যাং ও মাদকাসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা বিস্তার লাভ করছে। এসব সমস্যা থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
মাতৃভাষার পাশাপাশি বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের প্রতিও শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করলেই চলবে না, তাদের আচরণ, দায়িত্ববোধ ও অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে উৎসাহিত করা জরুরি। শিক্ষাঙ্গণে সুস্থ বিতর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং গঠনমূলক মতবিনিময়ের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে জাতীয় ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিক্ষার্থীদের চিন্তা, মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশ গঠনের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষাঙ্গন থেকেই জাতীয় পর্যায়ের ইতিবাচক চিন্তা, সৃজনশীল উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে হবে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের সাফল্যের দিকে তোমাদের বাবা-মায়ের পাশাপাশি গোটা জাতি তাকিয়ে আছে। নিজেদের যোগ্য, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো। আসুন, সবাই মিলে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলি।’
জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপ মো. জি কে গউছ, পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ এবং প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মজীদ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) আবারও মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সময়সীমা দেড় মাস বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর তারিখ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিআরটিএ তাদের ফেসবুক পেজে একটি বিবৃতির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকার কর্তৃক মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর আগে, মোটরসাইকেলের পেছনের অংশের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে। এজন্য মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত মাপ ও নকশা অনুসরণ করে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মালিকদের নিজেদের উদ্যোগে এ নম্বরপ্লেট বসাতে হবে। পূর্বে জানানো হয়েছিল, মোটরসাইকেল চালকদের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ১৬ অক্টোবর বিআরটিএ একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।
সেই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহারের বিধান রয়েছে। এখন থেকে পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে।
সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেটের আকার মোটরসাইকেলের ধরন অনুযায়ী নির্ধারণ করেছে বিআরটিএ। স্কুটারের জন্য নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্যদিকে, স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এ ক্ষেত্রেও অক্ষর ও সংখ্যার ফন্টের উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে।
এসব মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় লেখা যাবে। যেমন: ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন। এক পর্যায়ে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে, যার ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরের দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দুপুরের পর গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পুলিশ যখন তাদের মহাসড়ক থেকে সরাতে চেষ্টা করে, তখন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুরে শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিকেলের দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতার ইসরাইলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ এবং ভোটের ফল প্রভাবিত করার জন্য অর্থায়নের অভিযোগকে ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন হিসেবে নাকচ করেছেন।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে আল-আনসারি উল্লেখ করেছেন, ‘কাতার ইসরাইলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে কিংবা নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করেছে—এমন অভিযোগ আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে অস্বীকার করছি।’
তিনি আরও বলেন, ইসরাইলের কিছু রাজনীতিক এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত গণমাধ্যমকর্মীরা কাতারের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলছেন। এর আগে কাতারের বিরুদ্ধে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইসরাইলের রাজনৈতিক বামপন্থিদের প্রভাবিত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। সর্বশেষ প্রচারে আরব ভোটারদেরও প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে।
আল-আনসারি মন্তব্য করেন, ‘কাতারকে নিয়ে এসব অভিযোগ একই সঙ্গে হাস্যকর ও বিপজ্জনক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হাল্ট প্রাইজের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. নাজমুল হোসেন গাজী এবং ডেপুটি ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হয়েছেন তাওহীদ আহমেদ।
কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ খান, নাবিয়ান বিন খালিদ, ফারজানা জাহান, তাসমিয়া ইসলাম তিশা, ওবায়দুর রহমান ও রুহিন হোসেন রুমি।
এছাড়া ২৪ ব্যাচ থেকে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রুকাইয়া আফিয়া নেহা, শাহরিয়ার ইসলাম শিহাব, আহনাফ তাহমিদ, জান্নাতুল ফেরদৌস মহিমা, আব্দুল মুকিত সৌরভ, ইথুন কুমার সাহা, আশরাফুল আলম, মুজাহিদ ইসলাম ও সাউদিয়া জামান সিনথী।
২৫ ব্যাচ থেকে সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাহমিদুল ইসলাম, ফারিহা জান্নাত, সাইফ রসুল খাঁন, মাইশা পারভিন, মোহাইমিনূর হাসান সানী, মো. ফাহিম ফয়সাল, মাহফুজ আহমেদ, মাসরুরুল হাসান তানজিম ও সাবিত হাসান অর্ক।
অন্যদিকে, ২৬ ব্যাচ থেকে জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গালিব মোঃ আবদুল্লাহ্, মো. নাদিম হাসান, রাহুল কাঞ্জিলাল, মো. নাইমুল ইসলাম কাব্য, মো. ফারহান লাবীব, ওয়াসিয়া মুরসালাত মেধা ও আবিদ হাসান তালুকদার।
নতুন কমিটির ক্যাম্পাস ডিরেক্টর মো. নাজমুল হোসেন গাজী বলেন, "হাল্ট প্রাইজ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বের বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজে বের করার একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম।" হাল্ট প্রাইজের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর লক্ষ্য হলো, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু করার সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে উৎসাহিত করা।
তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা এমন কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করুক, যা পরিবেশ রক্ষা, টেকসই উন্নয়ন এবং সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই মেধা ও সক্ষমতা রয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমন কিছু উদ্যোগ উঠে আসবে, যা ভবিষ্যতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ