ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিমন্ত্রী নুর সাদিক কায়েমের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন


প্রতিমন্ত্রী নুর সাদিক কায়েমের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে, তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন এবং নিয়মিত মিছিল ও মিটিংয়ে অংশ নিতেন। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনার বাইরে থাকলেও, সম্প্রতি সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগের মিছিলে অংশ নেওয়ার একটি ছবি সামনে এনে তার কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মিছিলে হামলা করার জন্য ছাত্রলীগ মিছিল নিয়ে আসছে। তারা আমাদের মিছিল প্রতিহত করবে। ওই মিছিলে লাল কালি দিয়ে একটা ছবি মার্ক করা। আব্দুল কাদের পোস্ট দিয়েছে—লাল মার্ক করা একটা ছেলে আছে, সাদিক কায়েম। যিনি আজকে ডাকসুর ভিপি।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি। ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আওয়াজ উঠাতে হবে। আর আজকের ডাকসুর ভিপি ও জামায়াতের নেতারা ওই আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের, যেটা বলে লুঙ্গির নিচে, গামছার নিচে ছিল, তারা আসতো আমাদের পিটাইত। এটা তো প্রমাণ তাই না? গণঅভ্যুত্থানের পর ক্রেডিট ছিনতাই করে তারা বিপ্লবী হয়ে গিয়েছে।’

আরও পড়ুন: রিজভী: ভারতের আগ্রাসন ও আ. লীগের ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে

তিনি বলেন, ‘জামায়াত-শিবিরের একটি ফরমূলা আছে। আপনি সমস্যায় আছেন, আপনাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে হেল্প করে এটার প্রমাণ রাখবে। তারা যেখানেই যার সঙ্গে দেখা হোক, ছবি তুলে প্রমাণ রাখে।’

নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, ‘আজকে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের নিয়ে লিখবে, কথা বলবে, এগুলো জবাব দিতে হবে আমরা মনে করি না। জামায়াত-শিবির ঘৃণার সমাজে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। জামায়াত-শিবির এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ভাইরাসের মতো আমাদের দেশে ক্ষতি করেছে। আজকে যে ওসমান হাদির কথা আমরা বলছি, ওসমান হাদি গোটা দেশের লক্ষ লক্ষ তরুণদের, বিপ্লবী সংগ্রামী তরুণদের মন জয় করতে পেরেছে তার কথাবার্তার মাধ্যমে। বিশেষ করে জুলাই ঐক্যকে সমন্বিত রাখার জন্য; রাজনৈতিক ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য আলাপ করেছিল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক, ভৌগোলিক সমস্যা নিয়ে জোরাল কথা বলতো, যেটা অনেকে বলতো না। এই কথাগুলো আমরা বলে আসছি। কিন্তু অভ্যুত্থানের পরে পরিচিত ছাত্রনেতারা দল গোছাতে, নিজেরা বিয়ে-শাদি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘টেলিভিশনের টকশোতে বলেছিলাম—ওসমান হাদি নিজের পরিচয়েই পরিচিত। তাকে যে কবি নজরুলের পাশে কবর দেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে এটা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলবে—কেন কবি নজরুলের পাশে কবর দেওয়া হলো। তার জন্য প্রয়োজনে আলাদা একটা স্থান নির্ধারণ করা যেত।

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে পারিবারিক বিরোধে দুই আপন ভাই নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় সাংবাদিকতায় গৌরবোজ্জ্বল ৪০ বছর: ১০ সাংবাদিককে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


খুলনায় সাংবাদিকতায় গৌরবোজ্জ্বল ৪০ বছর: ১০ সাংবাদিককে সংবর্ধনা

খুলনা, ১১ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা প্রেসক্লাবের প্রবীণ সদস্যদের ৪০ বছরের সাংবাদিকতা পেশার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য পথপরিক্রমায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানকে সম্মান জানাতে একটি বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংকুয়েট হলে এ জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান এবং নারী উদ্যোক্তা শামিমা সুলতানা শিলু।

এ অনুষ্ঠানটি খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ারের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিকতা শিল্পে প্রবীণ সদস্যদের চার দশকের ত্যাগ, নিষ্ঠা এবং সমাজ গঠনে তাদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে এ বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্লাবের মোট ১০ জন প্রবীণ সাংবাদিককে সম্মাননাস্বরূপ ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণী সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ-উল-হক, দ্য নিউ নেশন পত্রিকার খুলনা ব্যুরো প্রধান মুনির উদ্দিন আহমেদ, খুলনা গেজেট পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘চরচা’র বিশেষ প্রতিনিধি শেখ আবু হাসান, এনটিভি’র খুলনা ব্যুরো প্রধান মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, ইউএনবি’র শেখ দিদারুল আলম, দৈনিক সময়ের খবরের নিউজ এডিটর মাসুদুর রহমান রানা, নতুন দিগন্তের খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. আনিসুজ্জামান, নয়া দিগন্ত’র খুলনা ব্যুরো প্রধান মো. এরশাদ আলী এবং সাপ্তাহিক কোলাহল পত্রিকার সম্পাদক মো. জাকির হোসেন।

এ সময় বক্তারা উল্লেখ করেন, "সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ার।" প্রবীণ সাংবাদিকরা তাদের দীর্ঘ পথচলায় সততা, সাহস ও বস্তুনিষ্ঠতার যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা তরুণ সাংবাদিকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, প্রবীণ এ কলম সৈনিকরা প্রতিকূল পরিবেশেও সত্যের পক্ষে আপসহীন ভূমিকা পালন করে সমাজ গঠনে যে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন, তা খুলনা তথা দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। প্রবীণদের এ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের সাংবাদিকতাকে আরও সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান তারা।

এছাড়া, প্রবীণ সদস্যদের পাশাপাশি ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যদেরও সম্মাননাস্বরূপ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন, ক্লাবের নির্বাহী সদস্য মো. মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও মো. আনিস উদ্দিন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে খুলনা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রবীণ সাংবাদিকদের এ গৌরবোজ্জ্বল মুহূর্তকে উদযাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুনদের জন্য লাকি চার্ম তৌসিফ মাহবুব, সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


নতুনদের জন্য লাকি চার্ম তৌসিফ মাহবুব, সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি

বর্তমানে তৌসিফ মাহবুব একটি ব্যস্ত সময় পার করছেন। নাটকের পাশাপাশি, তিনি এখন ওয়েবেও কাজ করছেন। সম্প্রতি তাঁর নতুন নাটক ‘ছুঁয়ে দিলাম তোমায়’ অনলাইনে মুক্তি পেয়েছে। এই নাটক নিয়ে তিনি ইমরুল নূরের সঙ্গে কথা বলেছেন।

নাটকটি মুক্তির পর কেমন সাড়া পাচ্ছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, "এক দিনে সাড়ে তিন মিলিয়নের মতো ভিউ হয়েছে দেখলাম। দর্শকরা বেশ পছন্দ করছে। বেশির ভাগই ইতিবাচক মন্তব্য। কেউ কেউ অভিনয় নিয়ে মন্তব্য করছে, আবার কেউ গল্পের শেষটার প্রশংসা করছে। যেহেতু একটু ফ্রি ছিলাম, গত রাতে ইউটিউবে নাটকের প্রায় দেড় হাজার কমেন্ট পড়েছি। এখন পর্যন্ত শতভাগ কমেন্টই ইতিবাচক। একটাও নেতিবাচক কমেন্ট নেই। এর মধ্যে কেউ হয়তো তটিনীর ভক্ত আবার কেউ আমার। এটা সত্যি একটা বড় পাওয়া। দিনশেষে আমরা তো দর্শকের জন্যই কাজ করি। তারা যখন কোনো কাজ দেখে প্রশংসা করে কিংবা নিজেদের মতামত জানায় সেটাই আমাদের আগামী দিনে আরো ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়। আগের কাজটার চেয়ে পরের কাজটা কিভাবে আরো ভালো করা যায়, সেটার দিকে সব সময় খেয়াল রাখি।"

নাটকটিতে তটিনী ছাড়াও একজন নবাগতাকে দেখা গেছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, "হ্যাঁ, নীহা চৌধুরী। মডেলিং করে, তবে অভিনয়ে নতুন। কোনো কাজে সহশিল্পী কে থাকবে, সেটা আমার সিদ্ধান্ত থাকে না, পরিচালকের সিদ্ধান্ত। গল্পের প্রয়োজনেই তার আগমন। সম্প্রতি এক ইন্টারভিউয়ে তাকে বলতে শুনলাম, ছোটবেলা থেকে আমার নাটক দেখে বড় হয়েছে। আমার সঙ্গে পর্দা শেয়ার করা নিয়ে নাকি নার্ভাস ফিল করছিল। গল্প নিয়ে যখন কথা হচ্ছিল তখন ওর চরিত্রটা নিয়ে ওর মনে অনেক প্রশ্ন ছিল, চরিত্রটি নেগেটিভ কি না! আশা করি, কাজটি করার পর সে তার উত্তর পেয়ে গেছে। দর্শকের রেসপন্সই সব বলছে।"

নতুনদের সঙ্গে কাজ করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "ওই যে বললাম, গল্পের প্রয়োজনেই নতুনরা আসে, আর এটা একদমই পরিচালকের সিদ্ধান্ত। এখন যারা নতুন কাজ করতে আসছে বা করছে সে অনুযায়ী আমি তাদের চেয়ে ১২ থেকে ১৪ বছরের সিনিয়র। রোমান্টিক গল্পে কাজ করতে গেলে দুজনের কেমিস্ট্রির একটা ব্যাপার থাকে। সেদিক থেকে আমি কেন, সিনিয়রদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নতুনদের অনেকে হয়তো নার্ভাস ফিল করে। চেষ্টা করি তাদের কমফোর্ট ফিল করানোর, যেন তারা স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে। একসময় তটিনী নতুন ছিল, এখন পরিপূর্ণ অভিনেত্রী হয়ে উঠেছে। আমি সব সময় চেষ্টা করি নতুনদের সহযোগিতা করার। আরেকটা বিষয় খেয়াল করলাম, নতুনদের জন্য আমি লাকি চার্ম। কারণ তাদের অনেকের মতে আমার সঙ্গে কাজ করলে দর্শক ভালোভাবে গ্রহণ করছে, সঙ্গে আলোচনায় আসছে। এটা তাদের অনেকের কাছেই শুনেছি।

এই মুহূর্তের ব্যস্ততা কী নিয়ে?

তিনি জানান, "এই মুহূর্তে ছুটিতে আছি। তা-ও মাত্র তিন-চার দিনের। টানা ৯০ দিন শুটিং করেছি। এরপর মনে হলো, একটা ছোট্ট ব্রেক নেওয়া দরকার। তারপর স্ত্রীকে নিয়ে সিলেটে ঘুরতে এসেছি। আগামীকালই ঢাকায় ফিরব। ফিরেই আবার শুটিং শুরু করব।"

ভিকি জাহেদের ওয়েব ফিল্মের শুটিং কবে শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ঢাকায় ফিরেই ভিকির কাজটা নিয়ে বসব। দুই দিনের মতো সময় আছে, এই কাজটার প্রস্তুতি নিতে হবে, এরপর ১৫ অক্টোবর থেকেই শুটিং শুরু করব। সাত থেকে ১০ দিনের মতো লাগবে এটা শেষ করতে। এরপর আবার এই মাসের শেষের দিকে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর শুটিং করতে হবে। তিন-চার দিন শুটিং করলেই এবারের মতো সিজনের কাজ শেষ। এটা শেষ করে আবার ভিকির সঙ্গেই ফিরতে হবে, ‘চক্র ৩’-এর শুটিংয়ে। নভেম্বরে এটার শুটিং শুরু করতে হবে, যেহেতু ডিসেম্বরে রিলিজ আগেই ঘোষণা দেওয়া।"

নাটকের পর ওটিটিতে আসা এবং সফলতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কোনো কিছুতে তাড়াহুড়া না করাই ভালো। সবাই যখন ওটিটিতে ব্যস্ত আমি তখনো নাটক করছিলাম। তারপর সময় নিয়ে ভালো একটা প্রজেক্টে ওয়েব করলাম। দর্শকের অভাবনীয় সাড়া পেলাম। সত্যি বলতে আমি দর্শকদের হতাশ করতে চাই না। সিনেমার ক্ষেত্রেও চাই সঠিক সময়ে একটা ভালো কোনো প্রজেক্ট নিয়ে দর্শকদের সামনে আসতে। সম্প্রতি নিকেতনপাড়া থেকে একটি সিনেমার প্রস্তাব এসেছিল। বেশ কয়েক দিন মিটিংও করেছি, কিন্তু শিডিউলের কারণে সেই সিনেমা করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। সিনেমার প্রস্তাব আসছে, কিন্তু সেটা নিয়ে ঠিক তখনই জানাতে পারব যখন সবকিছু ব্যাটে-বলে মিলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়-গাছ কেটে রিসোর্ট, ক্ষত ঢাকতে ইকো শব্দের ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


পাহাড়-গাছ কেটে রিসোর্ট, ক্ষত ঢাকতে ইকো শব্দের ব্যবহার

পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চারদিকে শুধু সবুজের বিস্তৃতি দেখা যায়। দূরে পাহাড়ের সারি রয়েছে। কোথাও মেঘের ভেলা ভাসছে, কোথাও গভীর খাদ। নিচে ঝিরি-ছড়া ও ঝর্ণার কলকল শব্দ শোনা যায়। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই বান্দরবানে পর্যটন ব্যবসার প্রধান সম্পদ। আর এই সম্পদকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বুকে একের পর এক রিসোর্ট, কটেজ ও মাচাংঘর গড়ে উঠছে।

পাহাড়ের একটুকরো জায়গা পেলেই সেখানে রিসোর্ট গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। পাহাড়ের চূড়ায়, ঢালে, পাহাড়ের কিনার ঘেঁষে এবং ন্যাড়া পাহাড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো রং-বেরঙের কটেজ গড়ে উঠেছে। এসবের নাম রাখা হচ্ছে ‘ইকো রিসোর্ট’। কিন্তু পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ধারণার সঙ্গে এসব স্থাপনার বাস্তবতার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, অধিকাংশ স্থানে প্রাকৃতিক ঢাল কেটে সড়ক ও প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হয়েছে। আবার অনেক স্থাপনায় পরিকল্পিত বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই। এর ফলে প্রকৃতিকে উপভোগ করতে গিয়ে প্রকৃতির ওপর চাপ বাড়ছে।

কেউ জায়গার কাগজপত্র নিয়ে এসেছে, আবার কারো তাও নেই। জেলা প্রশাসনের কাছে নামমাত্র আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বছরের পর বছর ধরে পর্যটন ব্যবসা চলছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে বছরের পর বছর ধরে ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কটেজ ও রিসোর্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।

এদিকে পাহাড়ের জমি ব্যবহারের ধরনেও বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে। কোথাও রাবার বাগান বা হর্টিকালচারের নামে লিজ নেওয়া পাহাড়ে গড়ে উঠেছে পর্যটন স্থাপনা, আবার কোথাও দখল করা খাস পাহাড়েও নির্মাণ করা হয়েছে রিসোর্ট ও কটেজ।

স্থানীয়দের মতে, বান্দরবানে এখন যেখানে পাহাড়, সেখানেই রিসোর্ট—এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এসব স্থাপনার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারো হাতে জেলা প্রশাসনের কাছে করা আবেদনপত্র রয়েছে, কারো ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স; কেউ আবার বছরের পর বছর ধরে অনুমোদন ছাড়াই ব্যবসা করছেন। ফলে ‘কাগজ আছে, আবার কাগজ নেই’—এমন অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যেই পাহাড়ে রিসোর্ট ব্যবসা বাড়ছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন পাহাড়ে পাঁচ শতাধিক রিসোর্ট, কটেজ ও মাচাংঘর গড়ে উঠেছে। অথচ জেলা প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী অনুমোদিত হোটেল ও রিসোর্টের সংখ্যা ৭৯। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে মাত্র ৩২টির। ফলে বিপুলসংখ্যক স্থাপনার বৈধতা ও অনুমোদন নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

সম্প্রতি বান্দরবান সদর, লামা, আলীকদম, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন পর্যটন এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ভালো ভিউ পয়েন্ট পাওয়া যায়—পাহাড়ের এমন চূড়া বা ঢালই এখন রিসোর্ট ব্যবসার প্রধান লক্ষ্য। কোথাও পাহাড়ের কিনার ঘেঁষে ঝুঁকিপূর্ণ মাচাংঘর, কোথাও ইট-কংক্রিট আবার বাঁশ-কাঠ-ছন দিয়ে কটেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। সামান্য জায়গা পেলেই টংঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

পর্যটকদের কাছে এসব কটেজে রাতপ্রতি ভাড়া পাঁচ হাজার থেকে শুরু করে অবস্থান ও সুযোগ-সুবিধাভেদে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বাঁশ, ছন ও টিনের ছোট মাচাংঘরের ভাড়াও ১২০০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত। এভাবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘিরে কোটি টাকার পর্যটন বাণিজ্য চলছে।

লামার মিরিঞ্জা এলাকায় রিসোর্টের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। মিরিঞ্জা ভ্যালি রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী জিয়াউর রহমান জানান, এলাকায় প্রায় ৮৯টি রিসোর্ট রয়েছে। এসবের অনেকেই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করছেন। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন বা ফায়ার সার্ভিসের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই অনেকের।

লামা রিসোর্ট মালিক সমিতির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন রফিক বলেন, ‘এখানে মোট কতটি রিসোর্ট বা কটেজ রয়েছে, তার হিসাব আমাদের কাছেও নেই। সমিতি থাকলেও কেউ কারো কথা শুনছে না।’

রিসোর্ট গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে জমির ব্যবহার নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। রিসোর্ট ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের তথ্যমতে, মিরিঞ্জা পাহাড় এলাকার অনেক জমি বিভিন্ন সময়ে রাবার প্লান্টেশনের জন্য লিজ নেওয়া হয়েছে। পরে কোনো কোনো জায়গায় জুমঘর বা ছোট কাঠামো নির্মাণ করে পর্যটকদের আকর্ষণ করা শুরু হয়। কোথাও খাস পাহাড় দখল করে রিসোর্ট-কটেজ নির্মাণের অভিযোগও রয়েছে।

পরিবেশবিদ উয়ই সিং মন্তব্য করেন, পাহাড় কাটা, গাছ কাটা ও ঝিরি-ছড়া ভরাটের কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলও ধ্বংস হচ্ছে। রিসোর্টের বর্জ্য নদী-নালা ও ঝিরিতে মিশে যাওয়ায় পানি দূষিত হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার সংরক্ষণ আন্দোলনের বান্দরবান শাখার সভাপতি জুয়ামলিয়ান আমলাই বলেন, গত কয়েক বছরে বড় বড় পাহাড়ের চূড়ায় একের পর এক ‘ইকো’ নামের রিসোর্ট ও কটেজ গড়ে উঠেছে। অনেকেরই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নেই। এভাবে চলতে থাকলে কটেজের নামে পাহাড়ি এলাকা অপরিকল্পিতভাবে ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে উঠবে। দ্রুত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা প্রয়োজন।

রিসোর্টগুলোর বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনাও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক স্থাপনায় পর্যাপ্ত ডাস্টবিন নেই। পর্যটকদের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন ও খাবারের প্যাকেট পড়ে থাকছে পাহাড়ের ঢাল, খাদ ও ঝিরির পাশে। কোথাও বর্জ্য পোড়ানোর অভিযোগও রয়েছে।

লামার ইয়াংছা পাড়ার বাসিন্দা মংচিং মার্মা জানান, রিসোর্টের বর্জ্য ঝিরি ও ছড়ায় গিয়ে পড়ায় তাদের একমাত্র পানির উৎস দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। রান্নাসহ দৈনন্দিন কাজে বাধ্য হয়ে সেই পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

মিরিঞ্জাসহ নতুন পর্যটন স্পটগুলোর অনেক রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণ করা হয়েছে কাঠ, বাঁশ, ছন ও টিন দিয়ে। কিন্তু এসব স্থাপনার অনেকগুলোতেই নেই নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। দুর্গম পাহাড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যাওয়ার মতো সড়কও নেই।

বান্দরবান জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল মান্নান আনসারী বলেন, জেলায় ঠিক কয়টি হোটেল-রিসোর্ট রয়েছে, তার সঠিক তথ্য নেই। তবে ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নবায়ন করেছে প্রায় ৬০টি হোটেল-রিসোর্ট।

সহকারী পরিচালক আরও জানান, কাঠ, বাঁশ, ছন ও টিনের অনেক কটেজে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। দুর্গম পাহাড়ে অগ্নিনির্বাপণ যান চলাচলের উপযোগী সড়ক না থাকায় আগুন লাগলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীব জানান, জেলায় ৩২টি রিসোর্ট পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়েছে। তবে আইনি কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে বাকি রিসোর্টগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির আলোকে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে স্থানীয় পর্যটন খাতকে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এক যুগ পার হলেও পর্যটন স্থাপনা ও ব্যবস্থাপনায় জেলা পরিষদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এখনও নেই।

অসুস্থতার কারণে এবিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিং। তবে পর্যটনশিল্পের বিকাশে নানা প্রতিবন্ধকতার কথা স্বীকার করেন জেলা পরিষদ সদস্য লুসাই মং মারমা। তিনি বলেন, পর্যটনশিল্পের প্রসারে বিদ্যমান বাধা দূর করতে প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে জেলা পরিষদ।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বান্দরবানে পর্যটন করপোরেশন বা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আলাদা স্থানীয় কার্যালয় নেই। ফলে হোটেল-রিসোর্টের বিষয়গুলো জেলা প্রশাসন ও পার্বত্য জেলা পরিষদ দেখভাল করে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, বর্তমানে ৭৯টি হোটেল ও রিসোর্ট অনুমোদন নিয়েছে। বাকি হোটেল-রিসোর্টগুলোকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়ার জন্য অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা ও লক্ষ্মীপূজায় জবিতে ৬ দিনের ছুটি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


দুর্গাপূজা ও লক্ষ্মীপূজায় জবিতে ৬ দিনের ছুটি ঘোষণা

শারদীয় দুর্গাপূজা এবং লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছয় দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটির মধ্যে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজা উপলক্ষে ক্লাস বন্ধ থাকবে। লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বন্ধ থাকবে। এছাড়া, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও দপ্তরগুলোর কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ২৫ অক্টোবর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস, ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও দপ্তর বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়েছে যে, ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%