নীলফামারী রিপোর্টার রায়হান আলী
১১:১৫ পি.এম
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রমের জন্য পৌরসভাসহ ইউনিয়ন সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা বিএনপি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ‘প্রেসক্রিপশন’ অনুযায়ী, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহল।
শুক্রবার ২১ আগস্ট ২০২৬ এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে ফ্যামিলি কার্ডের ইউনিয়ন সুপারভাইজার হিসেবে যাদের নাম পাওয়া গেছে, তারা হলেন: জলঢাকা পৌরসভায় আবু সাঈদ সাকিল, যাকে জলঢাকা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; খুটামারা ইউনিয়নে ইমতিয়াজ চৌধুরী সুমন, যাকে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে আছমা আক্তার, যিনি ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি রবিউল ইসলাম জনির স্ত্রী বলে দাবি করা হয়েছে; গোলনা ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান, যাকে বিএনপি নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; শৌলমারী ইউনিয়ন রাশেদুজ্জামান বিএনপি নেতা মহসিন আলীর ছেলে হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; গোলমুন্ডা ইউনিয়নে ফজলুল হক, যাকে বিএনপির কৃষক দলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং খুটামারা ইউনিয়নে রোকনুজ্জামান বাবু, যাকে বিএনপি নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট কমিটি উপজেলা বিএনপি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের সুপারিশকে গুরুত্ব দিয়ে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের তালিকা প্রস্তুত করেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব ছিল কি না, তা দেখলে বোঝা যাচ্ছে সত্যতা কতটুকু।
এদিকে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও ফ্যামিলি কার্ড শুমারি স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিতকরণ নির্বাচন কমিটির সদস্য সচিব কামরুজ্জামানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী। তাদের অভিযোগ, নিয়োগ যদি আগে থেকেই নির্দিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক সুপারিশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণ প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ ও ভাইভা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। ভাইভায় অংশ নেওয়া কয়েকজন প্রার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য যদি রাজনৈতিক পরিচয়ই যোগ্যতার প্রধান মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভাইভা নেওয়ার অর্থ কী? তাদের দাবি, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ দেওয়া হলে সাধারণ প্রার্থীদেরও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ সৃষ্টি হতো।
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বাছাইয়ে যদি কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠে, তাহলে পুরো কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিয়েই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কারণ, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পরিবার, আয়-ব্যয় ও আর্থসামাজিক অবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তাদের মতে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব হলো দল-মত নির্বিশেষে যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কাজ করা। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যদি কোনো রাজনৈতিক সুপারিশ বা প্রভাবের সুযোগ থাকে, তবে তা শুধু প্রার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করবে না, বরং সরকারি কর্মসূচির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিযোগকারীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকাশিত ফলাফল, ভাইভায় প্রাপ্ত নম্বর, যোগ্যতার মানদণ্ড এবং নির্বাচনের ভিত্তি জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজন হলে পুনর্মূল্যায়নেরও দাবি জানান। তবে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বক্তব্য জানা সম্ভব হলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৭৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মোসাঃ সালমা আক্তার (৩৮) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা নাগাদ আমতলী থানাধীন হলদিয়া ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ড পশ্চিম চিলা এলাকায় সালমা আক্তারকে তার স্বামীর বসতঘর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আমতলী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাদকদ্রব্য উদ্ধারে আমতলী থানা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার এলাকা জুড়ে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মামলার বাদী ও আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল মামুন হাওলাদার। তার সঙ্গে পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে পশ্চিম চিলা এলাকার একটি বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে ওই ঘর থেকে ৭৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার কারণে গাঁজা রাখার অভিযোগে সালমা আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া সালমা আক্তার পশ্চিম চিলা এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক খানের স্ত্রী এবং মোহাম্মদ আলীর মেয়ে। তিনি হলদিয়া ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ড পশ্চিম চিলা এলাকায় বসবাস করেন। আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইয়াকুব হোসেন বলেন, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আমতলী থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর তাকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক ব্যবসা, পরিবহন, সংরক্ষণ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে মনোনীত করা হয়েছে।
এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য মনোনীত ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি নিম্নরূপঃ
১. বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড
২. বেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট
৩. জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি
৪. মেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস
৫. আনেসা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল
৬. আত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড
৭. আর্থ-স্মার্ট বাংলাদেশ লিমিটেড
৮. খান জাহান আলী ওভারসিজ
৯. মেসার্স আল-শুক্তো ওভারসিজ
১০. মাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড
১১. রিফা ইন্টারন্যাশনাল
১২. ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল
১৩. এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল
১৪. আল-হায়াত ওভারসিজ
১৫. ভালুকা ওভারসিজ
১৬. ব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কনট্র্যাক্টিং লিমিটেড
১৭. চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল
১৮. কান্ট্রি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি
১৯. গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড
২০. জুয়েল রিংকু এন্টারপ্রাইজ
২১. মেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল
২২. ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিংক
২৩. নেবার অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড
২৪. তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল
২৫. দ্য অ্যাংকর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় চালুর প্রক্রিয়ার মধ্যেই এ তালিকা সামনে এসেছে।
গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছিল, মালয়েশিয়া সব খাতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় চালু করতে সম্মত হয়েছে এবং আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’-তে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহ প্রকাশের ঘটনা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, নয়াদিল্লি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি এ বিষয়ে উল্লেখ করেন, ‘পশ্চিম এশিয়ার ঘটনাবলির ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে নয়াদিল্লি’ উল্লেখ করে এ পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন।
এএনআইয়ের খবরে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে, ত্রিপক্ষীয় এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার আগ্রহ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রণধীর জয়সওয়াল আরও উল্লেখ করেন, ‘আমরা পশ্চিম এশিয়ায় ঘটে চলা ঘটনাবলির ওপর নিবীড়ভাবে নজর রাখছি। এ মুহূর্তে আমার এটুকুই বলার আছে। তবে এই নির্দিষ্ট চুক্তিটির প্রভাব ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর কী পড়তে পারে, তা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জোর দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ভারত দেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এর আগে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে ঢাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপরই ভারতের পক্ষ থেকে এ আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পেল।
একই ব্রিফিংয়ে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পিত ভারত সফর নিয়ে পৃথক একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল জানান, এ মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। সফরসূচি চূড়ান্ত হলে তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ রাষ্ট্রপ্রধান পল বিয়া দীর্ঘ ১০ সপ্তাহেরও বেশি সময় দেশের বাইরে থাকার পর দেশে ফিরে এসেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ৯৩ বছর বয়সী এই প্রেসিডেন্ট তার দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য এবং দেশ পরিচালনার সক্ষমতা বিষয়ে চলা জল্পনার মধ্যে দেশে ফেরেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার দশকেরও বেশি সময় আগে ক্ষমতায় আসার পর বিদেশে এটিই তার সবচেয়ে দীর্ঘ সফর। তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে একটি ভাড়া করা বিমানে রাজধানী ইয়াউন্ডের এনসিমালেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। উল্লেখ্য, তিনি গত ৭ জুন ক্যামেরুন ত্যাগ করেছিলেন। সে সময় দেশটির বেসামরিক মন্ত্রিসভা জানিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ‘ইউরোপে সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত সফরে’ যাচ্ছেন।
ফার্স্ট লেডি চান্তাল বিয়াকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে বিমানবন্দরে পৌঁছান পল বিয়া। পরে তিনি সরকারী বাসভবন ইউনিটি প্যালেসের উদ্দেশে গাড়ির বহরে রওনা হন। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শাসক দল ক্যামেরুন পিপলস ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের শত শত সমর্থক তাকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন। পল বিয়া গাড়ির আধখোলা জানালা দিয়ে হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে অভিবাদন করেন। এসময় সমর্থকদের হাতে দলীয় পতাকা ও প্রেসিডেন্টের প্রশংসাসূচক ব্যানার দেখা যায়।
পল বিয়ার দীর্ঘ অনুপস্থিতি তার স্বাস্থ্য এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছিল। যদিও কর্তৃপক্ষ বারবার জানিয়ে আসছিল, তিনি শিগগিরই দেশে ফিরবেন।
এদিকে, তার অনুপস্থিতি ক্যামেরুনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠিয়েছে। দেশটিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এখনো ব্যাপকভাবে প্রেসিডেন্টকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়। বিরোধী নেতারা তার অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে অন্য কারও হাতে দেয়ার বিষয়ে সাংবিধানিক পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে পরিষদ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
ক্যামেরুনের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের মৃত্যু, পদত্যাগ বা স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কারণে যদি পদ শূন্য হয়, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট না থাকলে সিনেটের প্রেসিডেন্ট অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন।
গত এপ্রিলে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ পুনর্বহাল করা হলেও পল বিয়া এখনো এ পদে কাউকে নিয়োগ দেননি। ফলে সমালোচকদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ