মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ মন্তব্য করেছেন, দেশের মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে শিক্ষার্থীদের প্রচলিত জ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নতুন উদ্ভাবন ও গবেষণায় মনোনিবেশ করা উচিত।
আজ বিকেলে চাঁদপুরের মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটে মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেছেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে আজকের শিক্ষার্থীরা। তাদের হাত ধরেই দেশ আরও উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। তাই বর্তমান প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পূর্ববর্তী প্রজন্মের অর্জন ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আরও সুন্দর দেশ গড়ে তোলা সবার দায়িত্ব।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একসময় পেশা নির্বাচনের ক্ষেত্রে চিকিৎসক, প্রকৌশলী কিংবা শিক্ষক হওয়ার বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পেত। তবে বর্তমানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এসব খাতে শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করা সম্ভব। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য ও কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্যপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য শুধু প্রাকৃতিক উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকলে চলবে না। পরিকল্পিত উৎপাদন, উন্নত জাত উদ্ভাবন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
কৃষি ও মৎস্য খাতে কীটনাশকসহ বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই এসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। এসব খাতে মেধাবী ও আগ্রহী তরুণদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী মৎস্য ও কৃষি খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে আরও স্বনির্ভর করে গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ বাবুল কৃষ্ণা ওঝা, মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ বি. এম. মোস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মন্ত্রী বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নদী কেন্দ্র চাঁদপুর পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফএম-৯০ ক্ষেপণাস্ত্রের লাইভ ফায়ারিং মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে মঙ্গলবার কক্সবাজারের নিদানিয়ায় অবস্থিত কক্সবাজার এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে (সিএডিএফআর)।
এই তথ্যটি মঙ্গলবার আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
বিমান বাহিনীর ৩০১ স্যাম ইউনিটের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই মহড়া পরিদর্শন করেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। মহড়ার অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি খোঁজখবর নেন এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেন।
মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময়, বিমান বাহিনী প্রধান উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে আধুনিক যুদ্ধবিমান ও উন্নত প্রযুক্তির সরঞ্জামাদি সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বিমান বাহিনীর সদস্যদের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মহড়া পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (রক্ষণাবেক্ষণ), বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের এয়ার অধিনায়ক, ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি, নৌবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিমান সদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঘাঁটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদবীর সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার মদনে গাঁজা সেবনের অভিযোগে পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী আকন্দ হিরাসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পৌরসভার সওদাগরপাড়া বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক অন্য তিনজন হলেন—মদন দক্ষিণপাড়া গ্রামের হুমায়ুন কবির (৩২), কাইকুরিয়া গ্রামের মো. মানিক (৩০) এবং পার্শ্ববর্তী আটপাড়া উপজেলার দেবদার গ্রামের তারেক (২৪)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সেখানে গাঁজা সেবনের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে যান।
মদন পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান জানান, সাধারণ সম্পাদকের আটকের বিষয়টি উপজেলা নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে জানানো হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন করিম জানান, গাঁজা সেবনের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় নিজ বসতঘর থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নায়েকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ওই তরুণীর মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
তরুণীর বাবার অভিযোগ, একই গ্রামের এক যুবক তাঁর মেয়েকে ভয়ভীতি দেখাতেন ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে তাঁর মেয়ে মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন। এসব ঘটনার জেরেই তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তিনি। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তরুণীর বাবা।
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য বাড়িতে নেই বলে জানা গেছে। তাঁদের বাড়ির দরজায় তালা ঝুলতে দেখা গেছে।
অভিযুক্ত যুবকের বড় ভাবি তানিয়া আক্তার বলেন, ওই তরুণীকে নিয়ে তাঁর দেবরের ঘুরতে যাওয়ার বিষয়টি তাঁরা সোমবার রাতে প্রথম জানতে পারেন। পরদিন সকালে তরুণীর মৃত্যুর খবর পান। এরপর থেকে তাঁর দেবরসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁরা কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় মদন থানা-পুলিশ। এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর মৃত্যুর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নানিয়ারচর জোন কর্তৃক মানবিক সহায়তা এবং সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দ্বিমুখ্যাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রদানে উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা করেন।
১৩ অক্টোবর ২০২৬ (মঙ্গলবার) ১১ ঘটিকার সময় নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি এর নির্দেশনায়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নানিয়ারচর জোনের মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম এবং লেফটেন্যান্ট শোয়াইব রহমান সাবিল উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত, লেখাপড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অধ্যবসায় এর মাধ্যমে নিজেদের মানসিকভাবে দৃঢ় এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চর্চাই একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে আদর্শ মানুষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করে। এই জোন সবসময় তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণে জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবে।
এছাড়াও, তিনি শিক্ষকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, শিক্ষকরাই জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ সৌজন্য উপহার গ্রহণ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নানিয়ারচর জোনের এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিকট ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ