ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা


ধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা

টাঙ্গাইলের মধুপুরে কফি হাউজের আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগে এক যুবককে কারাদন্ড এবং মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নঈম উদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, মধুপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘কানন’ মিষ্টির দোকানে মশা-মাছি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকায় ৫০ হাজার টাকা এবং ধনবাড়ী মিষ্টি ঘর-এ ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলার বিপ্রবাড়ি এলাকায় ‘চাঁদের হাসি’ নামক একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারের অভিযোগে মো. রাকিব (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ওই রেস্টুরেন্টকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মধুপুরের বিভিন্ন এলাকায় কফি হাউজের নামে গড়ে ওঠা এসব রেস্টুরেন্টে মাদক বেচাকেনা সহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। অনেক শিক্ষার্থী স্কুল ফাঁকি দিয়ে এসব জায়গায় আড্ডা দেয়। আজকের অভিযানেও বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় পাওয়া গেলে তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের জানানো হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.
নঈম উদ্দিন বলেন, ‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও মাদক কারবারের অভিযোগে এই জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযান পরিচালনার সময় মধুপুর থানা-পুলিশের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, ভূমিকে শুধু উৎপাদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের অস্তিত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন কোনোটিই সম্ভব নয়।’

মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ে বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস একটি আন্তর্জাতিক দিবস নন; এটি ভূমি, পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘রেইঞ্জল্যান্ড: রিকগনাইজ, রেসপেক্ট, রেস্টোর’ পৃথিবীর চারণভূমি ও প্রাকৃতিক তৃণভূমি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক স্থলভাগ কোনো না কোনো ধরনের চারণভূমি ইকো সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত, যা কোটি কোটি মানুষের জীবিকা, খাদ্যব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পানি চক্র এবং কার্বন সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ মরুভূমির দেশ না হলেও মরুময়তা, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে নির্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার, মাটির উর্বরতা হ্রাস, লবণাক্ততার বিস্তার, নদীভাঙন, বন উজাড় এবং দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমি অবক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত জমি, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষয়প্রাপ্ত পাহাড়ি ভূমি এবং নদী অববাহিকার ভঙ্গুর ইকো সিস্টেম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, গবেষণা অনুযায়ী দেশে মাঝারি থেকে অতি তীব্র মাত্রার ভূমি অবক্ষয়ের পরিমাণ ২০০০ সালের ১০ দশমিক ৭০ মিলিয়ন হেক্টর থেকে ২০২০ সালে বেড়ে ১১ দশমিক ২৪ মিলিয়ন হেক্টরে পৌঁছেছে।

অর্থাৎ গত দুই দশকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর ভূমি অবক্ষয়ের শিকার হয়েছে। একই সময়ে খরাপ্রবণ এলাকার পরিমাণ ১ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন হেক্টর থেকে বেড়ে ১ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন হেক্টরে উন্নীত হয়েছে, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ভূমি ও পানি সম্পদের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে।

বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চলসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরার প্রভাব কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ ও জীবিকার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ ১৯৯৪ সালে মরুকরণ মোকাবেলায় জাতিসংঘ কনভেনশন’ (ইউএনসিসিডি)-এ স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করে এবং সেই থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের নানা উদ্যোগের মধ্যে সামাজিক বনায়ন, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী কর্মসূচি, টেকসই কৃষি, সমন্বিত মৃত্তিকা উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, জৈব সার ব্যবহার, সংরক্ষণ কৃষি এবং জলবায়ু-সহনশীল ফসলের জাত সম্প্রসারণ উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খরা মোকাবিলায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

বৈশ্বিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অধিকতর অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান বিনিময়ের আহ্বান জানান।

এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি ভূমি পুনরুদ্ধার, খরা মোকাবিলা এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকার ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবক্ষয়প্রাপ্ত বনভূমি, জলাভূমি, চরাঞ্চল ও অন্যান্য ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার, খরা মোকাবিলায় আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিজ্ঞানভিত্তিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে ছেলের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা ও ভগবানপুর গ্রামে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আফছার আলী গোয়ালের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন আদা এবং নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামের মৃত হজ্জম উদ্দীনের ছেলে আবু আসাদ।

পুলিশ জানায়, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া পুলিশ বক্স সংলগ্ন নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাখাওয়াত হোসেন বিয়ের পর থেকেই ছেলের বউয়ের উপর কু নজর দেয়। সর্বশেষ ৮ জুন, স্বামী রাজমিস্ত্রীর কাজে বাইরে থাকার সময় শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেন ঘরে ঢুকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ভুক্তভোগী বাধা দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যান। এই ঘটনাটি নানাবিধ কারণে বারবার সংঘটিত হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ জানানো হয়। ১৬ জুন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই বিষয়ে সালিস চলাকালীন পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে অভিযুক্ত শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ওই রাতেই ছেলের বউ থানায় একটি ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর নানীর দায়ের করা এজাহার অনুযায়ী, ১৬ জুন রাত আনুমানিক ৮:৩০ টার দিকে অভিযুক্ত মো. আবু আসাদ ওই প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। নানী চিৎকার শোনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এরপর, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। পরে বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের প্রত্যেক জেলা-উপজেলা হাসপাতালের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে।

আজ বিকেলে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এই তথ্য শেয়ার করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোতে কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও ডায়ালাইসিস সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য যে বাজেট ব্যবস্থা করেছেন, আমরা আশা করি প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিসের সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হবো। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ কম খরচে ডায়ালাইসিসের সেবাও পাবেন। ইতোমধ্যে আমরা ১০ টি হাসপাতালে এই লক্ষ্য পূরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

এছাড়া, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মঞ্জুর মোর্শেদ, রাজবাড়ির জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, এবং রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. মো. আব্দুল হান্নান এই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সৌরশক্তিকে কাজে লাগানো। বাস্তবতা হচ্ছে, সোলারের যে যুগটা শুরু হয়েছিল সেটা হঠাৎ থমকে গেছে।

গ্রামের হাট-বাজারের ছোট-বড় দোকানগুলোতে সোলারের প্রচলন অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি মন্তব্য করেন, এ সেক্টরে কারিগরিভাবে দক্ষ জনবলের অভাব এবং সোলার এনার্জির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের অসহযোগিতা দায়ী।

আজ বুধবার দুপুরে, নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ কেসিসি’র সোলার এনার্জি পার্কের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব: সমস্যা, সম্ভাবনা এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক এ কথা বলেন।

‘প্রকৃতিতে বাঁচি-প্রকৃতি বাচাই’ শিরোনামের নাগরিক সংগঠন পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ এই সেমিনারের আয়োজন করে। বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর লক্ষ্য নিয়ে সংস্থাটি এখানে সেমিনারটি আয়োজন করে।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, বিকল্প এনার্জি ছাড়া চলা সম্ভব নয়। এটি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আমাদের উপলব্ধি করিয়েছে। চায়নার একটি কোম্পানি খুলনায় সোলার প্যানেল ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি করতে চায়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এই আগ্রহ কাজে লাগাতে হবে।

বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। একইসাথে তিনি সবুজ শহর বিনির্মাণের পাশাপাশি সোলার শহর বিনির্মাণ আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তিনি জানান, সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট জ্বালানির মধ্যে বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুতের হার তুলে ধরে সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানিতে জটিলতা এবং এর উচ্চমূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জ্বালানির অভাবে বহু শিল্প-কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। পানি ও সেচের অভাবে দেশের কৃষি ও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে কার্বন নিঃসরণের কারণে আমাদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হচ্ছি। তবে বর্তমান সরকারের সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনকে খুবই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে রিনিউয়্যাবল এনার্জি খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সোলার যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্কমুক্ত করার কথাও বক্তারা উল্লেখ করেন।

পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এ্যাড. কুদরত-ই-খুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইয়াহিয়া, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী মো. সাবিরুল আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. সালাহ উদ্দিন মিনা, ওজোপাডিকো’র সহকারী প্রকৌশলী নন্দলাল চন্দ্র সরকার, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, কেসিসি’র সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাহিদ হোসেন শেখ ও জেট নেট বিডি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ’র নির্বাহী পরিচালক মেরিনা যুথি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%