ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাড়িতে ঢুকে পড়া ৪ ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা উদ্ধার


বাড়িতে ঢুকে পড়া ৪ ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা উদ্ধার

পটুয়াখালীতে একটি বসতবাড়ি থেকে প্রায় ৪ ফুট লম্বা একটি পদ্ম গোখরা উদ্ধার করে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিমলের বসতবাড়ি থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) উদ্যোগে উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এবং অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী টিমের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতবাড়ির আঙিনায় হঠাৎ বিষধর পদ্ম গোখরা দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সাপটিকে জীবিত উদ্ধার করেন। এ সময় উদ্ধার অভিযানটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমলেও সবাইকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন জোরারগঞ্জ থানার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম

বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) কুয়াকাটা টিমের সদস্য কেএম বাচ্চু বলেন, "লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী চলে এলে আতঙ্কিত হয়ে সেটি হত্যা না করে বন বিভাগ বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। প্রতিটি বন্যপ্রাণী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।"

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এর যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, "মানুষের সচেতনতা বাড়লে বন্যপ্রাণী হত্যা অনেকাংশে কমে আসবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী টিমের সদস্য রাকায়েত আহসান বলেন, "উদ্ধার অভিযানের পুরো সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। পরে সাপটিকে তার স্বাভাবিক আবাসস্থল গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়, যাতে এটি নিরাপদ পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে।"

এ বিষয়ে মহিপুর থানা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, "বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সাপসহ সব বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত। তাই লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে হত্যা না করে বন বিভাগ অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।"

আরও পড়ুন: গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিটি মাদরাসায় চারটি ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ এম


প্রতিটি মাদরাসায় চারটি ফুটবল দল গঠনের নির্দেশনা

দেশের প্রতিটি মাদরাসায় চারটি করে ফুটবল দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল ও আলিম স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে চারটি দল গঠন করে বোর্ডে তথ্য পাঠাতে হবে।

সুতরাং, একই সঙ্গে আন্তঃশ্রেণি ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজন এবং নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন।

একই দিন ও একই সময়ে সারা দেশে টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এ কারণে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন এবং দলকে প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি।

শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে দাখিল (ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি) পর্যায়ে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী দল এবং আলিম (প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ) পর্যায়ে একটি ছাত্র ও একটি ছাত্রী দল গঠন করতে হবে।

গঠিত দলগুলোর জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষক বা প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ছাড়া খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলগত চেতনা ও সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। টুর্নামেন্ট-সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনাও যথাযথভাবে অনুসরণ করায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানে ফুটবল দল গঠন করে [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে তথ্য পাঠাতে হবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, ক্রীড়ানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগীদের সম্পৃক্ত করে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তামিল ভিলেন বাস্তবে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হয়ে দিল্লির রাজপথে; মোদি' সরকারের দিন শেষ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


তামিল ভিলেন বাস্তবে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হয়ে দিল্লির রাজপথে; মোদি

এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জীবন্ত কিংবদন্তি তামিল সিনেমার এক পরিচিত রূপ জননন্দিত ভিলেন প্রকাশ রাজ রূপালী পর্দায় নায়িকার পিতার চরিত্রে কঠোর ভূমিকায় যেমন অভিনয় করেন তেমনি আজকে সমস্ত ভারতের সন্তানদের অভিভাবক হিসেবে দিল্লির মসনদ কাঁপাতে ছাত্রদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে আন্দোলনকারী ছেলে মেয়েদের সাথে দিল্লির জন্তর মন্ত্ররের মাটিতে এসে দাঁড়িয়েছেন।

তিনি যন্তর-মন্তরে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেন। ভারতীয় মিডিয়া 'ইন্ডিয়া টুডে'র প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ রাজ বলেন যে,
তিনি আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান এবং  তিনি নিজের বিবেকের তাগিদে সেখানে গিয়েছেন। রয়টার্সের প্রকাশিত আলোকচিত্রেও ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে সিজেপির অবস্থান কর্মসূচিতে প্রকাশ রাজকে অংশ নিতে দেখা যায়।

শুধু প্রকাশ রাজ নয় সাহিত্য, শিল্পী, সংস্কৃতি ও সংগীত জগতের অনেকেই ইতিমধ্যেই মোদির উগ্র জাতীয়তাবাদী হিন্দুত্ববাদ, একনায়ক ও স্বৈরশাসনের বিরোধীতার প্রতীক হিসেবে মাঠে নামা এই ককরোচ জনতা পার্টির ছাত্র - ছাত্রীদের পাশে এসে নিজেদেরকে সর্বভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক হিসেবে সমর্থন জানিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সিনেমার পর্দায় যাকে দর্শক ভয় পেতে শিখেছে, বাস্তবের রাজপথে কখনো কখনো সেই মানুষটিই ক্ষমতাকে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি করে বসেন। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ সেই বিরল ব্যতিক্রমদের একজন। চলচ্চিত্রে তিনি বহুবার কঠোর পিতা, নির্মম প্রতিপক্ষ কিংবা ক্ষমতার উদ্ধত প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 
অথচ বাস্তব জীবনে তাঁকে দেখা যাচ্ছে  ক্ষমতার কাছেই প্রশ্ন তুলতে,আর সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বাস্তবেই আজ তাকে সহ অন্যান্য অনেক শিল্পীকে দেখা যাচ্ছে দিল্লির জন্তর মন্তরে সন্তানদের বাস্তবিক পিতা ও অভিভাবক হতে সিনেমার রূপালী পর্দা থেকে তাদের দুঃখ বেদনায় পাশে এসে মাঠে দাঁড়াতে।

গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি নির্বাচন নয়; প্রশ্ন করার স্বাধীনতা। আর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা তখনই প্রকাশ পায়, যখন সমালোচনার জবাব যুক্তি দিয়ে নয়, পরিচয়, আনুগত্য কিংবা আবেগের দেয়াল তুলে দেওয়া হয়।

যে রাষ্ট্র নিজের সমালোচককে শত্রু ভাবতে শুরু করে, সে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নিজের ছায়াকেই ভয় পেতে শেখে। ইতিহাসের পাতায় এমন উদাহরণ নতুন নয়। ক্ষমতা যত দীর্ঘস্থায়ী হয়, ততই তার চারপাশে প্রশংসার প্রতিধ্বনি জমে ওঠে; আর সেই প্রতিধ্বনি একসময় বাস্তবতার শব্দকে ঢেকে দেয়।

প্রকাশ রাজের মতো ভারতের বিখ্যাত তামিল সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি শিল্পীরা যখন প্রকাশ্যে ভিন্নমত জানান, তখন বিষয়টি কোনো একক অভিনেতার অবস্থান থাকে না। এটি একটি বড় প্রশ্নের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়—রাষ্ট্র কি ভিন্ন কণ্ঠকে সহ্য করার আত্মবিশ্বাস রাখে? নাকি সমালোচনা শুনলেই তাকে ষড়যন্ত্রের অভিধানে স্থান দেওয়া হয়?

ক্ষমতা প্রায়ই মনে করে জনপ্রিয়তা স্থায়ী। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, জনসমর্থনকে স্থায়ী সম্পদ ভেবে যারা আত্মতুষ্ট হয়েছে, তারাই একদিন জনমতের আদালতে সবচেয়ে কঠিন বিচারের মুখোমুখি হয়েছে। ক্ষমতার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ বিরোধী দল নয়; মানুষের জমে থাকা প্রশ্ন।

ভারতের চলচ্চিত্র জগতের শিল্পী, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা যখন নাগরিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা সাংবিধানিক মূল্যবোধ নিয়ে সরব হন, তখন সেটিকে শুধু রাজনৈতিক আনুগত্যের চশমায় দেখলে ভুল হবে। শিল্পের ভাষা অনেক সময় রাজনীতির ভাষার চেয়ে গভীর হয়। একটি সংলাপ যেমন দর্শকের মনে থেকে যায়, তেমনি একজন শিল্পীর নৈতিক অবস্থানও জনপরিসরে দীর্ঘ প্রতিধ্বনি তৈরি করতে পারে।

ক্ষমতার করিডোরে বসে হয়তো মনে হতে পারে—কিছু শিল্পীর বক্তব্যে কী-ই বা আসে যায়! কিন্তু ইতিহাস বলে, পরিবর্তনের সূচনা প্রায়ই সংসদের ভেতরে নয়, সমাজের বিবেকের ভেতরে হয়। সেই বিবেককে কখনো জাগিয়ে তোলেন একজন কবি, কখনো একজন অভিনেতা, কখনো একজন সাধারণ নাগরিক।

গণতন্ত্রে সরকারকে সম্মান করা যেমন জরুরি, তেমনি সরকারের সমালোচনা করার অধিকারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রশ্নহীন আনুগত্য গণতন্ত্রের শক্তি নয়; সেটি ক্ষমতার আরাম। আর যে গণতন্ত্রে প্রশ্ন করার মানুষ কমে যায়, সেখানে করতালির শব্দ যত বাড়ে, নীরবতার ঝুঁকিও তত গভীর হয়।

প্রকাশ রাজ হয়তো একা কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেবেন না। কিন্তু তিনি একটি সত্য আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছেন—শিল্পী যখন রাজপথে দাঁড়ান, তখন তিনি কেবল একজন অভিনেতা নন; তিনি সমাজের একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্য নিজেই প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়ান।

আর ইতিহাসের গতিপথ অনেক সময় সেই প্রশ্নচিহ্ন থেকেই শুরু হয়। আর এমন শিল্পী, সংগীত, সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের মানুষ যখন যেকোনো আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে পিতা হিসেবে পুত্র-কন্যা সমতুল্য ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে শুধু সমর্থন জানাতে আসেন তখন তারা গোটা সমাজের প্রতিনিধিত্ব করতেই যেনো এসেছেন বলে মানুষ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রাজপথ নেমে এসে স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট, একনায়কের গদিকেও নাড়িয়ে দেয়। 
এমন ঘটনা ইতিমধ্যে অনেক দেখা গেছে শ্রীলংকা, নেপাল, মালদ্বীপ, এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশেও ২৪ সালের জুলাইয়ের বর্ষা বিপ্লবে সন্তানদের সাথে অভিভাবকরা যখনই যোগ দিয়েছেন তখনই সরকারের গদি নড়ে গেছে। ভারতের দিল্লির মসনদ নিয়ে ক্ষমতাশীলদের মধ্যে কি তেমন কিছু হতে চলেছে-এমন প্রশ্ন করা আজকের দিনে মনে হয় অমূলক নয়।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগে পুনর্বহাল পুরোনো বিধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগে পুনর্বহাল পুরোনো বিধান

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা আবারও পরিচালনা পর্ষদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে সরকার। এর জন্য জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের সুপারিশের বিধান বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের পরিপত্র বাতিল করেছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জারি করা নির্দেশমালার সংশ্লিষ্ট বিধান পুনর্বহালের কথা জানানো হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ও স্নাতক (পাস) কলেজে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগের দায়িত্ব আবারও পরিচালনা পর্ষদ পালন করবে।

এতে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।

তবে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের নির্দেশমালার সংশ্লিষ্ট বিধান কার্যকর হবে।

এর ফলে ট্রেড সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, গবেষণা বা ল্যাব সহকারী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নৈশপ্রহরী, আয়া ও অফিস সহায়ক পদে আগের নিয়মেই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা পরিপত্রের মাধ্যমে এসব পদে নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল, কিন্তু নতুন পরিপত্রে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবার দাফন শেষে রাতে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


বাবার দাফন শেষে রাতে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী

বিকেলে বাবার দাফন শেষ করেছেন। রাতেই কাজে ফিরতে হয়েছে। আর পরদিন সকালে বসতে হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়। জীবনের কঠিন বাস্তবতার এমন এক লড়াইয়ের গল্প এখন বাগেরহাটের শিক্ষার্থী ইকনকে ঘিরে।

ইকন বাগেরহাট শহরের মুনিগঞ্জ মেডিকেল স্কুল রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি সদ্য প্রয়াত ইসরাফিল দাড়িয়ার ছোট ছেলে। বাবাকে হারানোর শোক বুকে নিয়েও তাকে এখন সামলাতে হচ্ছে সংসারের দায়িত্ব, চাকরি এবং পড়াশোনা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৪৫ বছর বয়সী ইসরাফিল দাড়িয়া। সকাল ৬টার দিকে তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জোহরের নামাজের পর জানাজা শেষে মরদেহ গোপালগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

ইসরাফিল দাড়িয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। বড় ছেলে ইমনও একসময় বাবার সঙ্গে কাজ করতেন। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর থেকে পরিবারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন ছোট ছেলে ইকন।

ইকন চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তিনি বাগেরহাট খান জাহান আলী ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সংসারের খরচ চালাতে শহরের রেলরোড এলাকায় কৃষি ব্যাংকের একটি টাকা উত্তোলন কেন্দ্রের রাতের পালায় খণ্ডকালীন চাকরি করেন।

বাবার দাফন শেষ করেই মঙ্গলবার রাতে তিনি আবার কর্মস্থলে ফিরে যান। রাত ১০টার দিকেও তাকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। অথচ পরদিন, ২৩ জুলাই তার ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা।

একদিকে বাবাকে হারানোর গভীর শোক, অন্যদিকে মানসিক ভারসাম্যহীন বড় ভাই, সংসারের দায়িত্ব এবং নিজের ভবিষ্যৎ—সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ইকন।

তবে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তার দায়িত্ববোধ, পরিশ্রম এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা স্থানীয়দের মুগ্ধ করেছে। তার এই সংগ্রামের গল্প অনেককে আবেগাপ্লুত করেছে। স্থানীয়রা ইকন ও তার পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%