ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় তৈরি পোশাক জব্দ করা হয়,


শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় তৈরি পোশাক জব্দ করা হয়,

 

শেরপুরের সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১১ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের ভারতীয় তৈরি পোশাক জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতের দিকে ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পোশাক জব্দ করে ৩৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবি।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হলদীগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় চোরাই পথে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় তৈরি পোশাক জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব পোশাকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা।
তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর অবস্থান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: নারায়ণ জেলার গার্মেন্টস সেক্টরে আন্দোলনের শিথিল রাখার অঙ্গীকার জেলা প্রশাসক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে আর্থিক সংকটের কারণে ২৬৮ কর্মচারীকে ছাঁটাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


ইবিতে আর্থিক সংকটের কারণে ২৬৮ কর্মচারীকে ছাঁটাই

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন ২৬৮ জন ডে-লেবার ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সংকট এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই সিদ্ধান্তটি গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত হয়। প্রশাসনের দাবি, এসব কর্মচারীর বেতন-ভাতা বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে এই ব্যয় বহনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নেই। এমনকি নিয়মিত কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঋণ নিতে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরে জনবল সংকট থাকলেও প্রয়োজনীয় নিয়োগের জন্য ইউজিসির অনুমোদন এবং অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এই কারণে বিশেষ বিবেচনায় চুক্তিভিত্তিক এবং থোক বরাদ্দের আওতায় এসব কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে কিছু কর্মচারী পোষ্য কোটায় নিয়োগ পেয়েছিলেন। নিয়োগের পর থেকে অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করলেও স্থায়ী নিয়োগ পাননি।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, "ইউজিসির চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট সভায় কর্মচারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে অর্থের সংকট রয়েছে। সরকার কিংবা ইউজিসি থেকেও তাদের বেতন-ভাতা বহনের জন্য বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় তাদের বেতন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।"

তিনি আরও জানান, "এসব কর্মচারীর বেতন দিতে প্রতি মাসে প্রায় ২১ লাখ টাকা প্রয়োজন। গত মাসেও ঋণ করে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করতে হয়েছে। কাজ করার পরও বেতন না পাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে বড় ধরনের ঘাটতি থাকায় ধার করে এ ব্যয় দীর্ঘদিন চালানো সম্ভব নয়।"

ছাঁটাই হওয়া কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের বিষয়ে উপাচার্য জানান, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের গত তিন মাসের বকেয়া বেতন দেওয়া হবে। তবে চাকরি হারানোর পর তাদের কর্মসংস্থানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা বা ভবিষ্যৎ নিয়োগের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীতের আগেই খেজুরের রস আহরণের প্রস্তুতি, বাড়তি আয়ের আশায় গাছিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


শীতের আগেই খেজুরের রস আহরণের প্রস্তুতি, বাড়তি আয়ের আশায় গাছিরা

শীতের আগমনের পূর্বে যশোর ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে খেজুরের রস আহরণের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। গাছিরা জানাচ্ছেন, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই খেজুরের রস পাওয়া যাবে। সংসার চালানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের আশায় রস ও তা থেকে তৈরি গুড় বিক্রির পরিকল্পনা করছেন তারা।

খেজুরের রস আহরণের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে শীতের আমেজ শুরু হয়। এ দিক থেকে যশোর অঞ্চলে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের প্রস্তুতি শীতের আগমনী বার্তা প্রদান করছে। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৩ লাখ ১৩ হাজার গাছ থেকে রস সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে গাছ ছাঁটা ও ছোলার কাজ শুরু করেছেন গাছিরা।

গাছ ছোলার ১৪ দিনের মধ্যে রস সংগ্রহের নল বসানো হয়। ইতিমধ্যে সেই কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ফলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গাছিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাদের প্রত্যাশা, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই খেজুরের রস পাওয়া যাবে। এরপর রস বিক্রির পাশাপাশি তা থেকে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করবেন তারা। আগামী চার থেকে পাঁচ মাস রস ও গুড় বিক্রির আয়েই তাদের সংসার চলবে। দাম ভালো পেলে বাড়তি আয়েরও আশা করছেন তারা।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা এলাকার গাছি আব্দুল মাজেদ জানান, প্রতিবছর রস ও গুড়ের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে তিনি এবার ৩০০টি গাছ তোলার পরিকল্পনা করেছেন। বর্তমানে গাছ ছাঁটা ও পরিষ্কারের কাজ চলছে। রস ও গুড় বিক্রির টাকা দিয়ে আগামী চার মাস সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার খরচ মেটাবেন। চলতি বছর প্রতি কেজি গুড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রির আশা করছেন। সে হিসাবে খরচ বাদ দিয়ে তিন লাখ টাকা সঞ্চয় করা সম্ভব হবে।

নূর আলম নামে আরেক কৃষক জানান, তার ৭০টি গাছ রয়েছে। গত বছর গুড় বিক্রি করেছিলেন ৫০০ টাকা দরে। সন্ধ্যার রস বিক্রি হয়েছিল ৪০০ টাকা এবং সকালের রস ৩০০ টাকা দরে। এবার দাম আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি। সে অনুযায়ী তিন লাখ টাকার বেশি বিক্রি হতে পারে। খরচ বাদে যা থাকবে, সেটাই লাভ। রস ও গুড়ের ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় নতুন একটি বাগানও করেছেন, যেখানে রয়েছে আরও ৯৮টি গাছ।

যশোর সদর উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামের কৃষক সজন আলী জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে গাছ তোলা ও ছাঁটার কাজ চলছে। তালবাড়িয়া, ঘুরুলিয়া ও সুলতানপুরসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকা গুড়ের জন্য পরিচিত। তবে গাছ কাটা, রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির লোকের সংকট রয়েছে। এ কারণে বাইরে থেকে লোক এনে কাজ করাতে হচ্ছে। তবুও গুড়ের দাম মোটামুটি ভালো। গত বছরের তুলনায় এবার আরও বেশি দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি। সব মিলিয়ে ১০০টি গাছ রয়েছে। সব খরচ বাদ দিয়ে লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

সুলতানপুর গ্রামের তোফায়েল মন্ডল জানান, শীতের মৌসুম শুরু হওয়ায় এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তিনি এবার ১৫০টি গাছ ছোলা ও ছাঁটার কাজ করছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে নল বসানো হবে। ১৫ দিনের মধ্যেই রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি শুরু করা সম্ভব হবে। রস ও গুড় বিক্রির আয়েই শীতের চার মাস সংসার চালাতে হয়। গত বছর ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে গুড় বিক্রি করেছিলেন। এবার প্রতি কেজি গুড় ৮০০ টাকার কমে বিক্রি করবেন না। এ আয় দিয়ে ভালোভাবে সংসার চালাতে পারবেন।

এদিকে যশোর কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর জেলায় ১২১ কোটি টাকার গুড় বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সরাসরি লাভবান হবেন কৃষক পরিবারগুলো। পাশাপাশি উৎপাদিত গুড়ের আয় বাড়াতে বিদেশে রফতানির প্রস্তুতিও চলছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সমরেণ বিশ্বাস জানান, প্রতিবছর জেলায় প্রচুর পরিমাণে খেজুরের গুড় ও পাটালি উৎপাদিত হয়। সারা দেশের মধ্যে খেজুরের গুড় ও পাটালি উৎপাদনে যশোর প্রথম। ইতিমধ্যে সরকার খেজুরের গুড়কে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ মৌসুমে ১৫ হাজার ১১৪ জন কৃষক রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির কাজ করছেন। তাদের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন গুড় উৎপাদন সম্ভব হবে। চলতি বছর ১২১ কোটি টাকার গুড় বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার উৎপাদিত গুড় ও পাটালি যশোরের বাজার ছাড়িয়ে অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে।

তিনি আরও জানান, গুড় বিদেশে রফতানির প্রক্রিয়াও এরইমধ্যে শুরু হয়েছে। বিসিক গুড়ের সিরাপ ও গুড়ের নির্যাস বিদেশে রফতানির জন্য বিএসটিআইয়ের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসন এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন পেলেই বিদেশে রফতানির পথ খুলবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এসব পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ওই বাজার ধরতে পারলে অন্তত ১০ কোটি টাকার গুড় রফতানি সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলাতেও জোরেশোরে চলছে খেজুরের রস আহরণের প্রস্তুতি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জেলায় ৭৫ কোটি টাকার গুড় বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান সরকার ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মোংলা বন্দরে জেটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের পর এক বক্তব্যে এই তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রফতানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বৈশিক ব্যবস্থায় জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ চেইন কার্যকর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, খাদ্য, কাচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে দেশের একটি পরিপূরক হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে নিরাপত্তা আরও সমৃদ্ধ করবে।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এই উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফবিসিসিআই ও ল্যাবএইড গ্রুপের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ পি.এম


এফবিসিসিআই ও ল্যাবএইড গ্রুপের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার ও ল্যাবএইড গ্রুপের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এফবিসিসিআই-এর সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এই চুক্তির আওতায় ল্যাবএইডের ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালগুলোতে বিশেষায়িত চিকিৎসা এবং করপোরেট স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ মূল্যছাড়ের সুবিধা পাবেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. ফজলুল হক এবং ল্যাবএইড গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ শামীম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে অবস্থিত ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার এবং ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল চট্টগ্রামে সুবিধাগুলো প্রযোজ্য হবে। বিশেষ করে আউটডোর ডায়াগনস্টিকস, উন্নত মেডিকেল ইমেজিং এবং ইনডোর বেড চার্জে বিশেষ ছাড় পাবেন সুবিধাভোগীরা।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মো. আলমগীর এবং সিনিয়র অতিরিক্ত মহাসচিব শাহ মো. আব্দুল খালেক। অন্যদিকে ল্যাবএইডের পক্ষে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের সিইও ডা. সম্বিত কুমার দাস, চিফ বিজনেস অফিসার মাসুদ আহমেদ এবং এইচআর অ্যান্ড এডমিন বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ কাউসার জাহান উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ল্যাবএইড গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ শামীম মন্তব্য করেন, "ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাঁদের ও তাঁদের পরিবারের জন্য মানসম্মত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এফবিসিসিআই-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।"

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই ও ল্যাবএইড উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, সমঝোতা স্মারকটির ফলে দেশের ব্যবসায়ী সমাজের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবার পথ আরও প্রশস্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%