সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৭ এম
ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় অন্তত চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছে আরো ১২ জন। আলজাজিরা সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গাজা সিটির উত্তরের তাওয়াম এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি সেবা বিভাগের একজন কর্মকর্তা।
এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আরো একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নাসের হাসপাতাল জানিয়েছে, দিনের শুরুতে খান ইউনিসের কেন্দ্রীয় এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এর আগে গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়, যাতে একজন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি অস্থায়ী তাঁবুতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়, এতে আরো একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায় বলে আলজাজিরা জানিয়েছে।
এদিকে, ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে পরিচালিত একটি লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ান নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, হামাসের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে তাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানান, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ও ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খান ইউনিসে হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ানকে হত্যা করা হয়েছে। ইসরায়েলি নেতৃত্ব দাবি করে, হামাসের অর্থের প্রবাহ ও সংগঠনের কার্যক্রমে আবু আলওয়ানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নেতানিয়াহু ও কাটজ বলেন, হামাসের নেতৃত্ব ও অর্থের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাজায় হামাসের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।
তারা আরো বলেন, হামাসের কমান্ডার ও সদস্যদের খুঁজে বের করা হবে এবং সংগঠনটির অর্থের উৎসগুলোকে লক্ষ্য করা হবে। একই সঙ্গে হামাসের অবকাঠামো ধ্বংস করার কাজও চলবে বলে জানান তারা। ইসরায়েলি নেতৃত্বের ভাষ্য, হামাসকে আবার শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। গাজায় হামাসের অস্তিত্ব না থাকা পর্যন্ত তাদের অভিযান বন্ধ হবে না। আবু আলওয়ান নিহত হওয়ার ঘটনা গাজায় হামাসের অর্থনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বড় ধরনের অভিযানগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা আজ সোমবার শুরু হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষা দুপুর ১টায় ইংরেজি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষার কোড ২২০২ এবং প্রতিটি পরীক্ষা দুপুর ১টায় শুরু হবে। পরীক্ষার সময়কাল প্রশ্নপত্রে উল্লেখ থাকবে।
সূচি অনুযায়ী, আজ প্রথম পরীক্ষায় ইংরেজি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিভিন্ন তারিখে বাংলা, ইংরেজি, আরবি, সংস্কৃত, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, ইসলামী শিক্ষা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, মনোবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ব্যাবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। ব্যাবহারিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় যথাসময়ে জানানো হবে। পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ কলেজে যোগাযোগ করে ব্যাবহারিক পরীক্ষার তারিখ ও সময় জেনে নিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সব তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে প্রশ্নপত্রের ট্রাংক ট্রেজারি থেকে বের করা যাবে না। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধুলো, ধোঁয়া এবং ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বায়ুমান স্কোর ১৭৬ নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। এই বাতাসের মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ১৬০ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দুবাই। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, যার স্কোর ১৬৩। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ, স্কোর ১৬১ নিয়ে। ঢাকার স্কোর ১৬০, যা চতুর্থ অবস্থানে এবং ভারতের কলকাতার স্কোর ১৫৬, যা পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে এটি ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অন্যদিকে, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে এটি ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে ধরা হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইন করার চেষ্টা বিজিবি প্রতিহত করেছে। তিনজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের প্রচেষ্টা রুখে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ভোরে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) আওতাধীন চুয়াডাঙ্গা জীবননগর মাধবপুর সীমান্তে বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর সীমান্ত পিলার ৭০/২ আর এর নিকটবর্তী গেট দিয়ে ভারতের ১৯৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের রামনগর ক্যাম্পের সদস্যরা ওই পুরুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় বিজিবির টহলদল তাদের নজরে আসলে তারা বাংলাদেশে প্রবেশের মুখে বাধা প্রদান করে।
৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বিজিবির বাধার কারণে বিএসএফের পুশ-ইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের কাছে অবস্থান করছে। এই বিষয়ে ইতোমধ্যে ১৯৪ বিএসএফকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হয়রানি ও নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অডিও রেকর্ডের ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন না করেই তাঁকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে তাঁর অধ্যাপক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সিন্ডিকেটে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন এই শিক্ষক। এছাড়াও পদোন্নতির সাথে আরো পাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বহিরাঙ্গন দপ্তরের পরিচালক পদও।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর ই-মেইলে অভিযোগ দেন। অভিযোগে ওই শিক্ষককের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, যৌন হয়রানি এবং নম্বর টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল খারাপ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক ও এক ছাত্রীর কথোপকথনের কণ্ঠসদৃশ তিনটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান এবং গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলামকে রাখা হয়।তদন্ত কমিটি অডিওগুলো পর্যালোচনা করে।
পর্যালোচনায় অডিওতে অন্য একজন শিক্ষার্থীর সম্পৃক্ততার আভাস পাওয়া গেছে উল্লেখ করে অডিওগুলোর সত্যতা যাচাই ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পৃথকভাবে তদন্তের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্দেশ্যে আরেকটি কমিটি গঠন করে। তবে শেষ পর্যন্ত অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। কমিটির দাবি মামলা ছাড়া ফরেনসিক পরিক্ষা করার কোনো নিয়ম নেই।
এ বিষয়ে ২০২৫ সালের বিভিন্ন প্রতিবেদনে ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছিল।
ফরেনসিক পরীক্ষা না হওয়ার বিষয়ে কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফরেনসিক রিপোর্ট করতে হলে আগে মামলা থাকা লাগে। জীবন স্যারের নামে কোনো মামলা নেই। বিষয়টি সিন্ডিকেটকে জানানো হয়েছে—এখন কী করা দরকার, সেটি সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে মামলা ছাড়া ফরেনসিক পরীক্ষা করানোর সুযোগ নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো আইনি অভিযোগ নেই।শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের লেখা রয়েছে।
পরবর্তীতে সিন্ডিকেট সভায় অডিওগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন না হলেও ড. তানজিউল ইসলাম জীবনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তাহলে মামলা ছাড়া কোনো ফরেনসিক করতে বলা হলো এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীকে একাধিকবার ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ