ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তারুণ্যের উচ্ছ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনার দীপ্তিতে ফুটে ওঠে নজরুল বর্ষ


তারুণ্যের উচ্ছ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনার দীপ্তিতে ফুটে ওঠে নজরুল বর্ষ

বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টির আলোয় নতুন প্রজন্মকে আলোকিত করার প্রত্যয়ে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হকের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, ১০ যাত্রী আহত

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এ. কে. এম. রায়হানুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাস চন্দ্র সেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল হক রিপন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরজামাল খসরু, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এস. এম. হাফিজুর রহমান, ওসি মো. আল-আমীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন এবং আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।


আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় নজরুলসংগীতের সুরে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনার দীপ্তিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে

দিনাজপুর, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যেও কোটায় নামিয়ে আনতে দেশের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে আগামী বছর থেকে স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা মূলকভাবে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা হবে এবং শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য আটটি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হবে।

আজ দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক  প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ক এক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি সমন্বিত সরকারি মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা রংপুরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩৬৩ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে নজরুলবর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


কেরানীগঞ্জে নজরুলবর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সংস্কৃতিজন, শিক্ষানুরাগী, গণমাধ্যমকর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও অবদান নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। তারা বলেন, নজরুলের সাম্য ও চেতনার বাণী নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা বেগম, একাডেমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হালিমা আক্তার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল সাত্তার বেগ, সমাজসেবা কর্মকর্তা শিবলী জামান, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা তাইবুর রহমান ও নয়াবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মালেক মিয়া।

আলোচনা সভা শেষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তিসহ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নজরুলবর্ষ উপলক্ষে ঘোষিত দেশব্যাপী এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ৩১ আগস্ট শুরু হয়ে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ : শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, শিপ রিসাইক্লিং দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের গ্রিন সার্টিফায়েড শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডের সংখ্যা অন্তত তিন অঙ্কে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমানে দেশে এ ধরনের প্রায় ৩১টি ইয়ার্ড বিদ্যমান রয়েছে। আরো কিছু ইয়ার্ড বর্তমানে গ্রিন সার্টিফিকেশনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

আজ রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে শিল্প মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ কথা বলেন।

‘বাংলাদেশ নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃব্যবহার প্রকল্প’-এর আওতায় টিএসডিএফ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিপ রিসাইক্লিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। এক সময় টনের হিসাবে ভারতকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে, তবুও বৈশ্বিক জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

শিপ রিসাইক্লিংকে দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের স্টিল শিল্পের কাঁচামালের গুরুত্বপূর্ণ উৎস জাহাজ থেকে পাওয়া স্ক্র্যাপ। তবে খাতটির বিকাশকে দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণের মাধ্যমে শিল্পটিকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই করাই সরকারের লক্ষ্য।

গ্রিন সার্টিফায়েড ইয়ার্ডের সংখ্যা শতাধিক করতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণের বাধ্যবাধকতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।

জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় জাহাজ ভাঙার সময় বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক উপাদান ও বর্জ্য তৈরি হয়। যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হলে এসব বর্জ্য পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, এ কারণে বর্জ্য নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও নিষ্পত্তিতে ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত টিএসডিএফ শিপ রিসাইক্লিং শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্যের বড় অংশ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে অন্যান্য শিল্প ও ইলেকট্রনিক বর্জ্যসহ বিভিন্ন উৎসের বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগও তৈরি হবে।

এ অবকাঠামো শিল্প খাতকে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত মানের সঙ্গে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার, শিল্প মালিক, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিপ রিসাইক্লিং খাতকে আরো নিরাপদ, আধুনিক ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করা সম্ভব।

শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপান মেরিন সায়েন্স কোম্পানির আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সুমিইয়োকি অটসুকি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ বছরেও চালু হয়নি সাড়ে ৩০ কোটি টাকার ম্যাটস ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


৪ বছরেও চালু হয়নি সাড়ে ৩০ কোটি টাকার ম্যাটস ভবন

নির্মাণের প্রায় ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও বান্দরবানের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এখনও চালু হয়নি। এর ফলে ভবনের অনেক কক্ষ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ছাত্র-ছাত্রীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এই ক্যাম্পাসটি তিন একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এবং এখানে ৮টি ভবন রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এখানে স্টাফ কোয়ার্টার, শিক্ষক ডরমেটরি, ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কর্তৃপক্ষ এখনও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করতে পারেনি এবং ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। অভ্যন্তরীণ সড়ক ও এলাকা জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ময়লা আবর্জনায় ভরে গেছে। বিদ্যুতের বাতি বসানোর জায়গায় পাখির বাসা বাঁধা। যদিও এসব ভবনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পদচারণার কথা ছিল, বর্তমানে ক্যাম্পাসের সবকটি ভবনই পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে গরু-ছাগল ও লাকড়ি সংগ্রহকারীদের দেখা যাচ্ছে। ফলে জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসটিতে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে সরকারের এই বিশাল সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

২০২১ সালে বান্দরবানের রেইচা এলাকায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্জন ক্যাম্পাসের সবকটি ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ক্যাম্পাসে নাইটগার্ড হিসেবে একজন বৃদ্ধ রয়েছেন। পাশাপাশি গরু-ছাগল ও কিছু লাকড়ি সংগ্রহকারী মানুষের পদচারণা দেখা গেছে। এর বাইরে অন্য কোনো মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়েনি। জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসটিতে বিদ্যুতের আলো না থাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোনো ভবনেই আসবাব দেখা যায়নি।

বৃদ্ধ নাইটগার্ড জানিয়েছেন, তিনি তিন বছর ধরে ভবনটিতে কর্মরত আছেন। কার্যক্রম না চলার কারণে ভবনের অনেকগুলো কক্ষ এবং সরকারি সম্পদ এভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মতে, ম্যাটসটি নির্মিত হলেও এখনো কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। তবে ট্রেনিং স্কুলটি চালু হলে পাহাড়ের শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকায় ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সের সুযোগ পাবে। তাদের মতে, এই এলাকার অনেক ছেলে-মেয়ে এখানে পড়ালেখার সুযোগ পেলে দেশের স্বাস্থ্য সেবায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালুর জন্য দাবি জানান ছাত্র-ছাত্রীরা।

অভিভাবকদের মতে, ম্যাটসটি নির্মিত হলেও কার্যক্রম শুরু হয়নি। পাহাড়ের ছেলে-মেয়েরা অনেক আশা নিয়ে রয়েছে যে তারা নিজ জেলায় কর্মমুখী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। তবে যারা মেডিকেলে পড়াশোনা করবেন, তারা সেই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘ ৪ বছরের প্রতিষ্ঠানটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা চরম হতাশায় ভুগছেন। তবে ম্যাটসের বর্তমানে কোনো গুরুত্ব নেই। স্থানীয় অভিভাবকরা মনে করেন, যদি এটি মেডিকেল কলেজ হিসেবে চালু করা হয়, তাহলে তা অধিক কার্যকর হবে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অংসাহ্লা মারমা বলেছেন, তিন বছর আগেই কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়নি। ফলে পাহাড়ি এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত চালু হলে পাহাড়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বাহিরে গিয়ে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাই দ্রুত প্রতিষ্ঠানটি চালুর দাবি জানান স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি।

অপরদিকে কক্সবাজার স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের উপসহকারী জাকিয়া নাসরিন মুঠোফোনে জানান, ২০২১ সালে ম্যাটসের অবকাঠামো নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও জনবল নিয়োগ ও আসবাবপত্র না থাকায় হস্তান্তর হয়নি।

বান্দরবানে কর্মরত স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল রউফ জানিয়েছেন, ম্যাটস নির্মাণের বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%