ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বোলারদের দাপটে ডারবান টেস্টের নিয়ন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া


বোলারদের দাপটে ডারবান টেস্টের নিয়ন্ত্রণে অস্ট্রেলিয়া

প্রথম দিনের ব্যাটিংয়ে ধাক্কা খাওয়ার পর, বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ডারবানে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৮৪ রানে অলআউট করে প্যাট কামিন্সের দল প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড অর্জন করেছে। এরপর, দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫.৪ ওভার ব্যাট করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩৩ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া। উইকেটে নিক ম্যাডিনসন ১৭ এবং ট্রাভিস হেড ১০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার তুলনায় অস্ট্রেলিয়া ১৩৯ রানে এগিয়ে গেছে।

দিনের শুরুতে ২৭ রানে এক উইকেট নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সূর্যের আলোতে ভালো ব্যাটিংয়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের সামনে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি স্বাগতিকরা। ডেভিড বেডিংহ্যাম ও এইডেন মার্করামের ৮৪ রানের জুটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভালো অবস্থানে নিয়ে গেলেও, এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। মার্করাম ৩৭ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন। এরপর, নাথান লায়নের বলে মাত্র ৩ রান করে অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ফিরে যান।

অস্ট্রেলিয়ার চার মূল বোলারই অন্তত দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। সবচেয়ে সফল ছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, যিনি ১৫ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন। নিয়মিত ১৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে বল করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন কামিন্স। ওয়ান মুল্ডার ও ট্রিস্টান স্টাবসের জুটি যখন দক্ষিণ আফ্রিকাকে সামলানোর চেষ্টা করছিল, তখনই কামিন্সের বাউন্সারে ভেঙে যায় সেই প্রতিরোধ। ১৪৩ কিলোমিটার গতির একটি বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন মুল্ডার। এরপর শর্ট বলের কৌশলে স্টাবসকেও ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচে পরিণত করেন কামিন্স।

আরও পড়ুন: ওমানে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুবাদের জয়ে শুরু

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন বেডিংহ্যাম। টেস্টে প্রথমবার তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে তিনি বেশ স্বচ্ছন্দ ছিলেন। তবে অর্ধশতক থেকে মাত্র এক রান দূরে থাকতে তার ইনিংস শেষ হয়। শেষ দিকে কেশব মহারাজ ও সিমন হারমার ৫২ রানের জুটি গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আরও কিছুটা এগিয়ে নেন। পরে মহারাজ স্টার্কের বলে কভারে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। হারমার ও আনরিখ নরকিয়া শেষ উইকেটে আরও ৩৫ রান যোগ করলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার ঘাটতি পূরণ করার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের দাপটের সঙ্গে ফিল্ডিংয়েও আলো ছড়িয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে চারটি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি। এর মাধ্যমে টেস্টে উইকেটকিপার নন—এমন ফিল্ডারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্যাচের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন স্মিথ, পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের জো রুটকে। তার নেওয়া ক্যাচগুলোর কয়েকটি ছিল দুর্দান্ত। টেম্বা বাভুমার রিভার্স সুইপে নেওয়া ক্যাচের পর ডেভিড বেডিংহ্যামকে প্রথম স্লিপে ডাইভ দিয়ে অসাধারণভাবে ধরেন তিনি। পরে কাইল ভেরেইনের রিভার্স সুইপের চেষ্টায় এক হাতে অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিয়ে দিনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত তৈরি করেন স্মিথ।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া স্বস্তির শুরু পেয়েছে। বিশেষ করে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া নিক ম্যাডিনসন নিজের ওপর থেকে চাপটা সরিয়ে নিয়েছেন প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে। মার্কো ইয়ানসেনের প্রথম বলেই পুল করে চার মারেন তিনি। একই ওভারে আরও একটি বাউন্ডারি হাঁকানোর পর ওয়ান মুল্ডারের বলে ডিপ স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছক্কাও মারেন ম্যাডিনসন। ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বরের পর টেস্টে এটিই তার প্রথম রান। ২০১৬ সালের শেষ দিকে তিনটি টেস্ট খেলার পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে ফিরেছেন এই ব্যাটার।

দিন শেষে ১৭ রানে অপরাজিত ম্যাডিনসনের সঙ্গে ১০ রানে অপরাজিত হেড। তবে টানা তৃতীয় দিনের মতো আলোস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। প্রথম দিন ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ তুলতে না পারলেও দুর্দান্ত বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখন অস্ট্রেলিয়ার হাতে। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিডের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও লিড বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে তাদের। তবে ডারবানের আলোস্বল্পতা চতুর্থ ও পঞ্চম দিনেও খেলার সময় কমিয়ে দিলে অস্ট্রেলিয়ার জন্য সেটিই বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের সময় রাবেয়া খাতুনকে হত্যা, সাগরের স্বীকারোক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


ধর্ষণের সময় রাবেয়া খাতুনকে হত্যা, সাগরের স্বীকারোক্তি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ধর্ষণের সময় এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে, যার নাম রাবেয়া খাতুন। শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করার অভিযোগে সারোয়ার জাহান সাগর নামের এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত আসামি সারোয়ার জাহান সাগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার ইসলামপুর এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।

অন্যদিকে, হত্যাকাণ্ডের শিকার রাবেয়া খাতুন ভোলা সদর উপজেলার চররমেশ এলাকার শামসুদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন।

ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, আসামি সাগরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে জানা যায়, রাবেয়া খাতুন উপজেলার নাওড়া এলাকার চা দোকানি রানার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি পার্শ্ববর্তী জলসিঁড়ি প্রজেক্টের শ্রমিকদের রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ৪ অক্টোবর রাতে রান্নার কাজ শেষ করে নাওড়ায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। ১২ নম্বর সেক্টরের ১০৭ নম্বর সড়কের পাশে পৌঁছালে সাগর তার বুকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর সময় রাবেয়া চিৎকার করলে সাগর তার নাক ও মুখ চেপে ধরে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধে রাবেয়া খাতুনের মৃত্যু ঘটে।

পরের দিন, ৫ অক্টোবর দুপুরে স্থানীয়রা রাবেয়া খাতুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় রাবেয়া খাতুনের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওসি আরও জানান, মামলার পর রূপগঞ্জ থানা পুলিশ জলসিঁড়ি প্রজেক্ট এলাকা থেকে সারোয়ার জাহান সাগরকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠায়। আদালতে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আসামি সাগর নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে সিজেএম অ্যালামনাইদের উদ্যোগে ক্যারিয়ার আড্ডা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


বেরোবিতে সিজেএম অ্যালামনাইদের উদ্যোগে ক্যারিয়ার আড্ডা অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতি, দক্ষতা উন্নয়ন ও পেশাগত সম্ভাবনা সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে সিজেএম অ্যালামনাইদের নিয়ে ‘ক্যারিয়ার আড্ডা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের গ্যালারি রুমে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ও সিজেএম জিনিয়াস অ্যালামনাই কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাসুদুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রংপুর বিভাগীয় অ্যালামনাইয়ের আহ্বায়ক মো. তুহিন রানা।

ক্যারিয়ার আড্ডায় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, সরকারি-বেসরকারি চাকরির প্রস্তুতি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হওয়ার কৌশল, যোগাযোগদক্ষতা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষাজীবন থেকেই নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে মাসুদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধু একাডেমিক পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। শিক্ষার্থীদের নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণের পাশাপাশি সেই লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকতে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি যোগাযোগদক্ষতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সমসাময়িক বিষয়ে ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সফলতার জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। একজন শিক্ষার্থী যত আগে নিজের আগ্রহ ও সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন হবে, ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতি নেওয়া তার জন্য তত সহজ হবে।’

আলোচনা পর্বে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও চাকরির প্রস্তুতিসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের আগ্রহ, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এবং কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।

সেমিনারে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আশিক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে আমাদের অনেকের মধ্যেই নানা প্রশ্ন ও দ্বিধা থাকে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে সরাসরি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। আজকের আলোচনা আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির বিষয়ে নতুনভাবে ভাবতে সহায়তা করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে এবং সময়ের সঠিক ব্যবহার কীভাবে করা যায়—এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত এমন আয়োজন হলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।’

অনুষ্ঠান পরিচালনাকালে রংপুর বিভাগীয় অ্যালামনাইয়ের আহ্বায়ক মো. তুহিন রানা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী জ্ঞান ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। অভিজ্ঞ অ্যালামনাইদের সঙ্গে বর্তমান শিক্ষার্থীদের সংযোগ তৈরি করাই আমাদের এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হোক। আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার গঠনে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।’

ক্যারিয়ারবিষয়ক আলোচনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, আলোচনায় এমপির আত্মীয়দের নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, আলোচনায় এমপির আত্মীয়দের নাম

=ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জেলার একটি সংসদীয় এলাকার সংসদ সদস্যের ছেলে, বোনজামাই ও ভাগ্নের স্ত্রীর নামে সার ডিলারশিপ পাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কৃষকদের কাছে সার সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ডিলার নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব কিংবা পারিবারিক সম্পর্ক কোনো ভূমিকা রেখেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের একাংশের মতে, কৃষি উপকরণ সরবরাহের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত সার ডিলার নিয়োগে নির্ধারিত নীতিমালা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতে বিষয়টি পরিষ্কার করা।

তবে অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিরা কী প্রক্রিয়ায় ডিলারশিপ পেয়েছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না এবং অভিযোগের পক্ষে কী ধরনের নথিপত্র রয়েছে—এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য, অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তি এবং সার ডিলার নিয়োগের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মারছা পরিবহনের বেপরোয়া গতি, দুর্ঘটনা ও অনাচার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো: রনি সিকদার, চীফ রিপোর্টার

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মারছা পরিবহনের বেপরোয়া গতি, দুর্ঘটনা ও অনাচার!

পুরানো ছবি

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চালকদের অসদাচরণ ও সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ; বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং মালিক-ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নির্ধারণের জোরালো দাবি।নিজস্ব প্রতিবেদকদেশের অন্যতম ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ যোগাযোগপথ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় আবারও মারছা পরিবহনের বেপরোয়া গতি ও চরম অনিয়মের কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার (৯ মে ২০২৬) চুনতি এলাকার ‘ফোর সিজন’ রেস্টুরেন্টের সামনে মারছা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহনটির চালকদের নিয়ন্ত্রণহীন বেপরোয়া গতি, যাত্রী নিরাপত্তায় চরম অবহেলা, নির্ধারিত ভাড়ার কয়েক গুণ অর্থ আদায় এবং সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বাসের স্টাফদের অনাকাঙ্ক্ষিত অসদাচরণের নানা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একই সঙ্গে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধারা লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় পরিবহনটির মালিকপক্ষ ও পরিচালনা কর্তৃপক্ষের আইনি দায় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

প্রাথমিক তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারছা পরিবহনের একটি বাস অন্যটিকে বিপজ্জনকভাবে ওভারটেকিং করতে গিয়ে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুটি বাসেরই সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী আঘাত পান এবং মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি না ঘটলেও যাত্রীদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলার দায়ে চালক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আইনানুগ তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ লঙ্ঘন ও অপরাধের বিবরণ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী মোটরযান চালনা, ভাড়া আদায়, যানবাহনের ফিটনেস এবং পরিচালনা সংক্রান্ত বেশ কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম রয়েছে। মারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আইনটির বিভিন্ন ধারায় সরাসরি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়:১. বেপরোয়া গতি ও নিয়ন্ত্রণহীন চালনা (ধারা ৯৮ ও ৮৪) আইনের ৯৮ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, কোনো চালক যদি নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করে, বেপরোয়াভাবে বা ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের মাধ্যমে মোটরযান চালনা করে দুর্ঘটনা ঘটান বা সড়ক ব্যবহারকারীদের বিপন্ন করেন, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। চুনতির দুর্ঘটনায় মারছা পরিবহনের চালকদের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন আইন বিশ্লেষকরা। ২. সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় (ধারা ৩৪ ও ৮০) আইনের ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ ব্যাতিরেকে কোনো পরিহন মালিক বা চালক নিজ ইচ্ছামত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। আইনের ৮০ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত দাবি বা আদায় করা হলে অনধিক ১ (এক) মাসের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে।

যাত্রী সোহাগের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার প্রায় তিন গুণ অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট চালক, হেলপার ও কাউন্টার পরিচালকের বিরুদ্ধে এ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।৩. যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিট ব্যত্যয় (ধারা ২৫ ও ৭৫) আইনের ২৫ ধারায় ফিটনেস সনদের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফিটনেসবিহীন বা কারিগরি ত্রুটিযুক্ত যান মহাসড়কে নামালে আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী চালক বা মালিকের বিরুদ্ধে অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যাবে। চুনতিতে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত বাস দুটির ফিটনেস সনদ হালনাগাদ ছিল কি না, তা বিআরটিএর মাধ্যমে যাচাইয়ের জোর দাবি উঠেছে।৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত বা অযোগ্য চালক নিয়োগ (ধারা ৪, ৬৬ ও ১১৮)আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী বৈধ লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি অযোগ্য বা ড্রাইভিং লাইসেন্সহীন চালককে যানবাহন চালানোর দায়িত্ব দেয়, তবে আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী সরাসরি পরিবহন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা মালিকপক্ষের বিরুদ্ধেও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে আইনানুগ ব্যবস্থার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে।লভ্যাংশ মত্ততা বনাম পরিচালনা কর্তৃপক্ষের আইনি দায়একটি পেশাদার পরিবহন সংস্থা কেবল টিকিট বিক্রি ও লভ্যাংশ বণ্টনে তাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রাখতে পারে না। ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর আলোকে চালকদের পেশাগত যোগ্যতা, কর্মঘণ্টা ও মানসিক সতেজতা নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের আইনি দায়িত্ব।অভিযোগ উঠেছে, মারছা পরিবহনের পরিচালনা পর্ষদ চালকদের অতিরিক্ত ট্রিপ মারতে বাধ্য করে এবং দীর্ঘ পথ একটানা গাড়ি চালানোর ফলে চালকরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরিশ্রান্ত ও ঘুমন্ত চোখে স্টিয়ারিং ধরার কারণে বারবার এমন দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কেবল চালকের ওপর দোষ না চাপিয়ে পরিবহনটির শীর্ষ ব্যবস্থাপনা কমিটি, রুট নিয়ন্ত্রক ও মালিকদেরও আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।ট্রিপের নামে চরম হয়রানি: ভুক্তভোগী সোহাগের অভিজ্ঞতায় অনাচারমারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী যাত্রী সোহাগ। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, বাসে ওঠার আগে যে ভাড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছিল, যাত্রাপথে সেই কথা ভঙ্গ করে তাঁর কাছ থেকে অন্যায়ভাবে মূল ভাড়ার প্রায় তিন গুণ অর্থ দাবি করা হয়।এই অতিরিক্ত অর্থ দাবির প্রতিবাদ জানালে বাসের সুপারভাইজার ও চালক তাঁর সঙ্গে চরম কটূক্তি ও দুর্ব্যবহার করেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে পরিবহনটির কর্মীরা আইন ও যাত্রী অধিকারের কোনো পরোয়া করে না। এই অভিযোগের রসিদ ও বাসের নম্বরসংক্রান্ত তথ্য হাইওয়ে পুলিশ ও বিআরটিএর তদারকি সেলে জমা দিয়ে তদন্তের জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।যাত্রীসেবার নামে শিডিউল বিপর্যয় ও সাধারণ ভোগান্তিমারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে সময়সূচি বা সিডিউল না মানার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

নির্ধারিত সময়ে কাউন্টার থেকে গাড়ি না ছাড়া, মাঝপথে দীর্ঘক্ষণ অপ্রয়োজনীয় বিরতি দেওয়া এবং যাত্রীদের অভিযোগ আমলে না নেওয়া তাঁদের প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রী অধিকার রক্ষায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যটন রুটে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকরা প্রতিনিয়ত জিম্মি হচ্ছেন।হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবিসচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা অবিলম্বে নিমোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও বিআরটিএর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন:১. আইনি তদন্ত ও মামলা দায়ের: চুনতিতে সংঘর্ষে লিপ্ত মারছা পরিবহনের বাসের চালকদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের ও গ্রেফতার নিশ্চিত করা। ২. অতিরিক্ত ভাড়ার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: যাত্রী সোহাগের মতো ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে কাউন্টারগুলোতে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা আদায়। ৩. ফিটনেস ও লাইসেন্স স্ক্রিনিং: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলকারী মারছা পরিবহনের সকল বাসের ফিটনেস সনদ এবং চালকদের লাইসেন্স সরেজমিনে পুনঃপরীক্ষা করা। ৪. মালিকপক্ষের দায় নির্ধারণ: দুর্ঘটনায় মালিকপক্ষ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হলে ধারা ১১৮ অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।কর্তৃপক্ষের উত্তর অনুপস্থিতদুর্ঘটনা, বেপরোয়া চালনা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং আইন লঙ্ঘনের এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মারছা পরিবহন কর্তৃপক্ষের কোনো দায়িত্বশীল প্রতিনিধির আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আজ রবিবার পরিবহন কর্তৃপক্ষের একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিভিন্নভাবে আইনি জটিলতার হুমকি দেন এবং ক্ষমতার দাপট দেখান। এ সময় তিনি তাঁর নাম নিজাম নম্বর 0183xxx4326 উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

এদিকে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী মারসা পরিবহনের একটি বাস থেকে অতীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।

পূর্বের ঘটনা: ২৮ আগস্ট ২০২৩

২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট ঢাকা-কক্সবাজার রুটের মারসা পরিবহনের একটি বাসে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসচালক মো. হানিফ (৫৪) ও হেলপার মো. রানা (২৭)। হানিফ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকার মৃত আব্দুল মোন্নাফের ছেলে এবং রানা বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের একটি দল ২৮ আগস্ট ভোরে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় অভিযান চালায়। এ সময় মারসা পরিবহনের একটি বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮৪৭৬) থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয় এবং বাসটির চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তৎকালীন উপপরিচালক মো. মাসুদ হোসেন জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে রাজধানীতে মাদক পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসে অভিযান চালানো হয়।

তৎকালীন ডিএনসির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হেলপার রানা এর আগেও কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবা পৌঁছে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

মানবাধিকার সংগঠনের বক্তব্য: এ বিষয়ে মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ সিটিজেন লিগ্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল হেলাল গণমাধ্যমকে বলেন, “নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য পরিবহনসংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে। কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা শ্রমিক আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জনস্বার্থে পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”

” চলবে............

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%