মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৪ পি.এম
সিলেটের গোয়াইনঘাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কেয়ার বাংলাদেশ সহযোগিতা করে এবং বাস্তবায়নে ছিল ইএসডিও।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাঁধন কান্তির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।
আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নুরুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. সারওয়ার আহমদ, গোয়াইনঘাট উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সাদিকুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন, পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুক আহমদ এবং লেঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাহেদ আহমদ।
এ সময় ইএসডিওর প্রকল্প বাস্তবায়নে লেঙ্গুড়া ও রুস্তমপুর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটরসহ ইএসডিওর পক্ষে প্রীতি রানী সরকার এবং মাসুদ রানা কেয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি ও করণীয় তুলে ধরে একটি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আগাম প্রস্তুতি এবং দুর্যোগকালীন সময়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরতে দিবসটি উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসটি বাগেরহাটের ফকিরহাটে উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে একটি র্যালি এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া প্রদর্শন করেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ফকিরহাট উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে র্যালিটি উপজেলা পরিষদ সম্প্রসারতি কমপ্লেক্স ভবন চত্বর থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আট্টাকা কেরামত আলী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ফকিরহাট ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো: শাহাজাহান মিয়া এবং আরও অনেকে।
এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাখাওয়াত হোসেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: গোলাম মোস্তফা, সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, সমবায় কর্মকর্তা মিলন কুমার দাশ, সহকারী প্রোগ্রামার মো: আলমগীর হোসেন, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আনন্দ কুমার কুন্ডু, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী আবুল আলা মাসুমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যগণ, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, রেড ক্রিসেন্টের সদস্য এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, দুর্যোগ প্রশমন করার জন্য প্রতিরোধ ও প্রস্তুতি উভয়ই অপরিহার্য। সকলের সহযোগিতা থাকলে যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা রজনীকান্ত। যদিও তিনি দীর্ঘ অভিনয়জীবনে খ্যাতি ও সাফল্য অর্জন করেছেন, তবুও তার মনে পড়ে বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করার দিনগুলো। স্মৃতিচারণার পাশাপাশি, অভিনেতা জানিয়েছেন, অভিনয়কে ভালোবাসার পাশাপাশি বাসের কন্ডাক্টরের কাজ তার কাছে ছিল আরো বেশি প্রিয়।
আসন্ন সিনেমা জেলার ২-এর প্রচার অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের শুরুর দিকের কথা বলতে গিয়ে ৭৫ বছর বয়সী রজনীকান্ত এ কথা জানান। বেঙ্গালুরুতে বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে কাটানো পাঁচ বছরকে তিনি জীবনের বিশেষ সময় বলে উল্লেখ করেন।
রজনীকান্ত বলেন, "আমি অবশ্যই অভিনয় ভালোবাসি। কিন্তু বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করাটা আরো বেশি ভালোবাসতাম। সেই পাঁচ বছর সত্যিই দারুণ ছিল। এখনো সেই দিনগুলো খুব মনে পড়ে।"
খ্যাতি ও তারকাখ্যাতির সঙ্গে নিজেকে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে না পারার কথা জানান এই অভিনেতা। তার ভাষ্য, এখনো নিজেকে বাসের কন্ডাক্টর হিসেবেই ভাবতে ভালো লাগে। এ কারণেই মাঝে মাঝে বেঙ্গালুরুতে যান তিনি। সেখানে বাসটি দেখলে তার ভালো লাগে। আর কন্ডাক্টরের খাকি পোশাক দেখলে অজান্তেই চোখে পানি চলে আসে।
কন্ডাক্টর থেকে সুপারস্টার
চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করার আগে বেঙ্গালুরু ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসে বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন রজনীকান্ত। পরে অভিনয়ে এসে নিজস্ব স্টাইল, পর্দায় উপস্থিতি ও অভিনয়দক্ষতা দিয়ে তিনি দর্শকের মনে জায়গা করে নেন। একসময় তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হন।
তবে এত সাফল্যের পরও জীবনের শুরুর দিনগুলোর প্রতি তার টান কমেনি, সাম্প্রতিক বক্তব্যে তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।
১৫ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে ‘জেলার ২’
এদিকে, রজনীকান্ত অভিনীত জেলার ২ সিনেমাটির হিন্দি সংস্করণও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম ও কন্নড় ভাষায় মুক্তির কথা রয়েছে সিনেমাটির।
নেলসন দিলীপকুমার পরিচালিত অ্যাকশনধর্মী সিনেমাটিতে রজনীকান্তকে আবারও অবসরপ্রাপ্ত জেলর টাইগার মুথুভেল পান্ডিয়ানের চরিত্রে দেখা যাবে। এতে আরও অভিনয় করেছেন মোহনলাল, শিব রাজকুমার, জ্যাকি শ্রফ, মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান, এস জে সূর্য ও সুরজ ভেঞ্জারামুডু। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে সান পিকচার্স। সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোকে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করেছে। ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা দ্রুত জানানো, টিকিট পুনঃবুকিং ও অর্থ ফেরতের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া এবং বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয় থেকে সোমবার (১৩ অক্টোবর) জারি করা নির্দেশনায় এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রমে বিঘ্ন ও সীমিত পরিচালনার পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বেবিচকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দর বন্ধ, ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল কিংবা সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের দ্রুত অবহিত করতে হবে। এ জন্য এসএমএস, টেলিফোন, ইমেইল, ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কার্যকর যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে হবে।
শুধু ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বের তথ্য জানানো নয়, পরিবর্তিত সময়সূচি, পুনঃবুকিংয়ের সুযোগ, অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া এবং যাত্রীদের করণীয় সম্পর্কেও সুস্পষ্ট তথ্য দিতে হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত না করে কোনো যাত্রীকে বিমানবন্দরে যেতে বলা যাবে না।
এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বেবিচক পৃথক নির্দেশনা দিয়েছিল। ওই নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, বিমানবন্দরটি ১২ অক্টোবর ২০২৬ বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। রিয়াদে সরাসরি বা ট্রানজিট ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলোকে তখন যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে ১২ অক্টোবর জারি করা আরেক নির্দেশনায় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বিরাজমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য বিঘ্নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। তবে নির্দেশনায় সৌদি আরবের সব বিমানবন্দর সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার কথা বলা হয়নি।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত না হয়ে বা নির্দেশনা পাওয়ার আগেই যেসব যাত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন, তাদের যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে বসার ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, হালকা খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে।
বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীকে অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না। তাদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল আচরণের পাশাপাশি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে হবে।
ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত সহায়তা
ফ্লাইট বিঘ্নের কারণে কোনো যাত্রীর সৌদি আরবে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি বা অভিবাসনসংক্রান্ত সহায়তার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাস এবং অন্যান্য উপযুক্ত সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের বিষয়ে যাত্রীদের সহায়তা করতে হবে।
তবে নির্দেশনায় ভিসার মেয়াদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি বা নবায়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। এ ধরনের বিষয় সৌদি কর্তৃপক্ষের বিধিবিধান ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
সমন্বয়ের জন্য ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ
ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্ন মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিমান সংস্থাকে পর্যাপ্ত সহায়ক কর্মীসহ একজন দায়িত্বশীল ফোকাল পয়েন্ট বা সমন্বয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে বেবিচক।
মনোনীত কর্মকর্তার নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা অবিলম্বে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওই কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে যাত্রী সহায়তা, ফ্লাইটের সর্বশেষ তথ্য এবং পরিচালনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করতে হবে।
বেবিচকের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনা দুটিতে স্বাক্ষর করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ। এগুলোর অনুলিপি বিমানবন্দরের এয়ারলাইন অপারেটরস কমিটির (এওসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিতরণ তালিকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, এয়ার আরাবিয়া, এয়ার এশিয়া ও এয়ার চায়নার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী ও দেশটি হয়ে ট্রানজিট নেওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে টিকিট পুনঃবুকিং, অর্থ ফেরত এবং ভিসাসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জেনে নেওয়া জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এমপি যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে তিনি এক বিবৃতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে অবিলম্বে তাদের বিচারের দাবি জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা আবারও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির নির্মম, সহিংস ও অমানবিক চরিত্রকে উন্মোচিত করেছে। আমরা ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীদের এমন অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"
তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে উল্লেখ করেন, "এ দেশের জনগণের কাছে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার দুই বছর পরও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর চরিত্রে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসেনি। তাদের মধ্যে অতীতের অপকর্মের জন্য ন্যূনতম অনুশোচনার কোনো লক্ষণও নেই।"
এনসিপির এই আহ্বায়ক দেশে-বিদেশে সক্রিয় এই নেটওয়ার্ককে সম্পূর্ণভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "জুলাই গণহত্যাসহ ফ্যাসিস্ট আমলের গুম, খুনে জড়িতদের বিচার শেষ করে দ্রুত রায় কার্যকর করতে হবে। এ ছাড়া গণহত্যা ও সন্ত্রাসের দায়ে অবিলম্বে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে।"
সবশেষে, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "জাতির ক্রান্তিকালে দেশের হাল ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া অর্থনীতি পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা। তাদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ