ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেসি-রোনালদো আবার মুখোমুখি, ২০২৭ সালে এলদেনসে-আলমেরিয়া ম্যাচে


মেসি-রোনালদো আবার মুখোমুখি, ২০২৭ সালে এলদেনসে-আলমেরিয়া ম্যাচে

মাঠের লড়াইয়ে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছেন লিওনেল মেসি এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বহুবার। এবার তারা মাঠের বাইরের একটি নতুন পরিস্থিতিতে মুখোমুখি হতে চলেছেন।

স্পেনের দুটি ক্লাবের মালিকানা কেনার মাধ্যমে এই নতুন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়েছেন মেসি এবং রোনালদো। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের দল ইউডি আলমেরিয়ার মালিকানা ক্রয় করেছেন ‘সিআর সেভেন’।

এখন, একই বিভাগের ক্লাব সিডি এলদেনসের মালিকানা অর্জন করেছেন মেসি। এই ক্লাবটির মালিকানা কেনা নিয়ে আলোচনা অনেক আগে থেকেই চলছিল। গতকাল মালিকানা বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। ক্লাবটি তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘ক্লাব দেপোর্তিভো এলদেনসে আনুষ্ঠানিকভাবে লিও মেসির ক্লাব কেনার ঘোষণা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো এই ক্লাবের ইতিহাসে একটি নতুন ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা হলো।’

আরও পড়ুন: ভিনিসিয়ুসের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মোরিনিওর বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘চুপ থাকো’

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে কাতালান অঞ্চলের ক্লাব ইউই কর্নেলার মালিকানাও ক্রয় করেন মেসি। আর্জেন্টিনার সাবেক অধিনায়ক নতুন ক্লাবটি দ্বিতীয় বিভাগের পয়েন্ট টেবিলে ১৯ নম্বরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, ২২ দলের প্রতিযোগিতায় আলমেরিয়া ৩ নম্বরে রয়েছে। সমান ৭ ম্যাচ শেষে আলমেরিয়ার পয়েন্ট ১৫, যেখানে এলদেনসের পয়েন্ট ৫।

২০২৭ সালের ২ মে এলদেনসে এবং আলমেরিয়া মুখোমুখি হবে। মালিকানা কেনার পর তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হবে সেই দিন। এলদেনসের মাঠে আতিথেয়তা দেবে আলমেরিয়াকে।

স্পেনে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলেছেন রোনালদো এবং মেসি। বার্সেলোনার হয়ে মেসি ৭৭৮ ম্যাচে ৬৭২ গোল করেছেন, অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনালদো ৪৩৮ ম্যাচে ৪৫০ গোল করেছেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হ্যান্ডবল দলের কোচের আইফোন ও ক্রেডিট কার্ড চুরি, উদ্বেগের সৃষ্টি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

 

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার হাড়িয়ায়াকোনা সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাই পথে আনা ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করেছে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ১১লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ টাকা।

(০২ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় চোরাই পথে আনা ভারতীয় কসমেটিকস, জব্দ করা হয়।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি সমাজ বদলাতে আসিনি, মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি: জেমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


আমি সমাজ বদলাতে আসিনি, মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি: জেমস

গিটার হাতে ঘরছাড়া এক তরুণের স্বপ্ন ছিল গান। চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিং থেকে শুরু হওয়া সেই পথচলা তাকে এনে দিয়েছে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। ফারুক মাহফুজ থেকে হয়ে উঠেছেন জেমস—বাংলা রকসংগীতের ‘গুরু’। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তার কণ্ঠ ও গিটারের জাদুতে মেতেছে একের পর এক প্রজন্ম। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) ৬১ পেরিয়ে ৬২ বছরে পা রাখলেন নগর বাউলখ্যাত এই সংগীত তারকা।

জন্ম নওগাঁয় হলেও জেমসের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। সেখানেই তার ব্যান্ড সংগীতের প্রতি ভালোবাসা গড়ে ওঠে। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবার কাছে ছেলের মন অন্য কোথাও পড়ে আছে, তা বুঝতে পারেন। একদিন বাবার সঙ্গে অভিমান করে গিটার হাতে ঘর ছাড়েন তরুণ জেমস। আশ্রয় হয় চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিংয়ে। সেখান থেকেই সংগীতের পথে তার নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ‘ফিলিংস’। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ঝাঁকড়া চুল, বাবরি দোলানো এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠের এই শিল্পী ধীরে ধীরে বাংলা রকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ভক্তদের ভালোবাসায় তিনি পেয়েছেন ‘গুরু’ উপাধি।

জন্মদিন ঘটা করে উদযাপন করেন না জেমস। তবে বিশেষ দিন উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের একটি ক্লাবে নিরিবিলি সময় কাটিয়েছেন তিনি। সেখানে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগীতের ভবিষ্যৎ, নতুন প্রজন্মের শিল্পী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং শিল্পের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই রকস্টার।

‘মানুষের এখন পুরো একটি ট্র্যাক শোনারও ধৈর্য নেই’—এমন মন্তব্য করেছেন জেমস। সংগীতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রতিভা নিয়ে তার কোনো প্রশ্ন নেই। তার মতে, গান তৈরির ধরন ও শোনার অভ্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেমন গানকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, তেমনি বদলে দিচ্ছে শ্রোতার মনোযোগের ধরনও।

জেমসের ভাষ্য, ‘এ পর্যন্ত যত গান তৈরি হয়েছে, যদি নতুন কোনো গান নাও তৈরি হয়, তবু মানুষ আগামী ২০ বছর অনায়াসেই সেগুলো শুনতে পারবে। আর এখন যেহেতু গান স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে চলে গেছে, তাই এটি খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, মানুষের তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। মানুষের এখন পুরো একটি ট্র্যাক শোনারও আর ধৈর্য নেই।’

প্রযুক্তির পরিবর্তন মেনে নেওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন এই শিল্পী। তার কথায়, ‘পরিবর্তন মেনে নিতে হবে। এআই এখন নিজেই কোড লিখছে, ফলে আলাদা কোডারদের প্রয়োজনীয়তা কমে আসছে। কিন্তু কোনো শিল্পরূপ বিলুপ্তির পথে থাকলেও তা প্রায়শই ভালোবাসা ও আবেগের কারণেই টিকে থাকে।’

‘লাভের কথা ভেবে গান তৈরি করা যায় না’—এমন বিশ্বাস পোষণ করেন জেমস। তার কাছে সংগীত কেবল পেশা নয়, বরং আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। তার মতে, শিল্পচর্চার মূল প্রেরণা হওয়া উচিত নিজের ভেতরের তাগিদ। লাভের হিসাব কষে শিল্পের পথে এগোলে হতাশ হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যা-ই করা হোক না কেন, তা পুরোপুরি আবেগ ও ভালোবাসা থেকেই করতে হবে। লাভের কথা ভেবে গান তৈরি করা যায় না। যদি প্রাকৃতিকভাবে কিছু আসে, তবে তা ভালো, কিন্তু আপনি যদি লাভের আশা নিয়ে কোনো শিল্পকলা শুরু করেন, তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে।’

নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের প্রতিভা ও আগ্রহের প্রশংসাও করেছেন জেমস। তার মতে, নতুন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু তৈরি করতে পারলে তাতে আপত্তির কোনো কারণ নেই।

জেমস বলেন, ‘এখন তো এআই-এর যুগ। তরুণ সংগীতশিল্পীরা যদি সুন্দর কাজ তৈরির জন্য এআই বা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে, তবে অবশ্যই তা করা উচিত। ভালো কোনো নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে কোনো দোষ নেই।’

‘সংস্কৃতি নদীর মতো’

সংগীত মানুষের জন্য—মানুষের আনন্দ, অনুভূতি আর প্রকাশের মাধ্যম। তাই গান কোথায়, কীভাবে গাওয়া হবে, তা নিয়ে অযথা বাধা দেওয়ার পক্ষপাতী নন জেমস। তার কথায়, সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক গতিতে বিকশিত হতে দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘গান তৈরি হয় মানুষের শোনার ও গাওয়ার জন্য। মানুষ যেখানে খুশি বাজারে কিংবা নদীর ঘাটে গান গাইবে। কারোই এতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। সংস্কৃতি নদীর মতো—একে তার নিজস্ব গতিতে বইতে দেওয়া উচিত।’

সমাজের অনিয়ম কিংবা অসংগতি নিয়ে শিল্পীদের কথা বলার অধিকারও স্বীকার করেন এই গায়ক। তবে সেটি হতে হবে ব্যক্তির নিজস্ব উপলব্ধি ও সচেতনতা থেকে। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জেমস বলেন, ‘আমি একজন বিনোদনকর্মী; আমি সমাজ বদলাতে আসিনি। আমি মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি।’

সমাজের কল্যাণে বড় বড় পরিবর্তনের অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যেকের নিজের জায়গা থেকে ভালো কিছু করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। জেমসের ভাষায়, ‘সবার জন্য ভালো করার মতো এমন বড় বড় চিন্তা করার চেয়ে যদি প্রত্যেকে নিজের ও নিজের আশপাশের মানুষের ভালো করার চেষ্টা করে, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সমাজের কল্যাণ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোন খেলায় সবচেয়ে বেশি শারীরিক সক্ষমতা দরকার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


কোন খেলায় সবচেয়ে বেশি শারীরিক সক্ষমতা দরকার?

খেলাধুলার বিভিন্ন ধরনের জন্য শরীরের ওপর চাপের প্রকারভেদ ভিন্ন। কিছু খেলায় গতি ও শক্তির প্রয়োজন হয়, আবার কিছুতে সহনশীলতা, নমনীয়তা অথবা দ্রুত দিক পরিবর্তনের দক্ষতা প্রয়োজন। তবে, সব ধরনের শারীরিক দক্ষতা একত্রে বিবেচনা করলে, কোন খেলায় একজন খেলোয়াড়কে সবচেয়ে বেশি সক্ষম হতে হয় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রশ্নের উত্তরে ফুটবলকে এগিয়ে রাখা যেতে পারে। কারণ, ফুটবলে একজন খেলোয়াড়কে প্রায় ৯০ মিনিট মাঠে অবস্থান করতে হয় এবং ম্যাচের মধ্যে গড়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে হয়। এর সাথে সাথে প্রয়োজন দ্রুত দৌড়ানো, হঠাৎ গতির পরিবর্তন, লাফানো, দিক পরিবর্তন, শক্তি, ভারসাম্য, ক্ষিপ্রতা এবং নমনীয়তা।

ফুটবলে দীর্ঘসময় ধরে দৌড়ানোর সক্ষমতা থাকা যথেষ্ট নয়। ম্যাচ চলাকালীন বারবার দ্রুত গতির দৌড় বা স্প্রিন্ট দেওয়ার প্রয়োজন হয়। এছাড়া, এটি একটি শারীরিক সংস্পর্শের খেলা হওয়ায় শক্তি ও শরীরের নিয়ন্ত্রণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হকি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ধরনের শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। তবে ফুটবলের তুলনায় হকির মাঠ ছোট এবং লাফানোর প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় সামগ্রিক শারীরিক দক্ষতার দিক থেকে ফুটবল এগিয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বক্সিং ও কুস্তির মতো কমব্যাট স্পোর্টসে অসাধারণ সহনশীলতা, শক্তি এবং ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। তিন মিনিটের একটি রাউন্ডে টিকে থাকতে একজন বক্সার বা কুস্তিগিরকে দীর্ঘ সময় কাজ করার সক্ষমতার পাশাপাশি খুব অল্প সময়ে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা তৈরি করতে হয়। কুস্তিগিরদের জন্য ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের গতিশীলতার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জিমন্যাস্টিকসে শক্তি, নমনীয়তা এবং ক্ষিপ্রতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমাত্রার দৌড় বা সহনশীলতার প্রয়োজন এখানে তুলনামূলকভাবে কম। ম্যারাথন দৌড়বিদদের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন—এখানে দীর্ঘ সময় ধরে শরীরের কর্মক্ষমতা বজায় রাখা মূল বিষয়।

জ্যাভেলিন থ্রো বা বর্শা নিক্ষেপের ক্ষেত্রেও শুধুমাত্র শক্তিশালী হওয়া যথেষ্ট নয়। শরীরকে সঠিক অবস্থানে এনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে নমনীয়তা ও গতিশীলতার প্রয়োজন হয়। তবে, এই খেলায় দীর্ঘ সময় দৌড়ানোর সক্ষমতার ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম।

ওয়েটলিফটিংকে অনেকে শুধু শক্তি ও ক্ষমতার খেলা মনে করেন। কিন্তু স্ন্যাচ এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কের মতো অলিম্পিক লিফটে শক্তির পাশাপাশি অসাধারণ ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের বিভিন্ন পেশির সমন্বয় প্রয়োজন হয়।

সব দিক বিবেচনায়, তাই একক কোনো খেলাকে ‘সবচেয়ে কঠিন’ বলা সহজ নয়। তবে, গতি, শক্তি, সহনশীলতা, ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের নিয়ন্ত্রণ—এই সবগুলো সক্ষমতা একসঙ্গে প্রয়োজন হওয়ায় ফুটবলকে সবচেয়ে পরিপূর্ণ শারীরিক দক্ষতার খেলা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমরান সালেহ প্রিন্স: প্রধানমন্ত্রী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


এমরান সালেহ প্রিন্স: প্রধানমন্ত্রী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র, উন্নয়ন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ, জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের প্রশ্নে তিনি দৃঢ়চেতা এবং আপসহীন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধুরাইল বাজারে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পাঠানো প্রাণসামগ্রী বিতরণকালে এমরান সালেহ প্রিন্স এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অপরাধ, দখল, মাদক, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অপপ্রচার, অনৈতিকতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কঠোর বার্তা দিয়ে দৃঢ় অবস্থানের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। অপরাধী যতই শক্তিশালী বা প্রভাবশালী হোক না কেন, তার কোনো দল নেই এবং তার কোনো ছাড় নেই।

এমরান সালেহ প্রিন্স আরও জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা শুধু ত্রাণ দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং দুর্যোগের আগে মানুষকে সতর্ক ও প্রস্তুত করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি সহায়তা দেওয়া এবং দুর্যোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন—এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি।

বর্তমান সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম প্রস্তুতি, দ্রুত উদ্ধার ও পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ময়মনসিংহ ইউনিটকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মডেল ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বিএনপি দুর্যোগ ও দুর্বিপাকে জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। অসহায় মানুষের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভোররাতে আকস্মিক ঘুর্ণিঝড়ে ধুরাইল ইউনিয়নের পাবিয়াজুরি ও গোরকপুর গ্রামে ১৫টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয় এবং ৫৪টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%