ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আমি সমাজ বদলাতে আসিনি, মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি: জেমস


আমি সমাজ বদলাতে আসিনি, মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি: জেমস

গিটার হাতে ঘরছাড়া এক তরুণের স্বপ্ন ছিল গান। চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিং থেকে শুরু হওয়া সেই পথচলা তাকে এনে দিয়েছে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। ফারুক মাহফুজ থেকে হয়ে উঠেছেন জেমস—বাংলা রকসংগীতের ‘গুরু’। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তার কণ্ঠ ও গিটারের জাদুতে মেতেছে একের পর এক প্রজন্ম। আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) ৬১ পেরিয়ে ৬২ বছরে পা রাখলেন নগর বাউলখ্যাত এই সংগীত তারকা।

জন্ম নওগাঁয় হলেও জেমসের বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। সেখানেই তার ব্যান্ড সংগীতের প্রতি ভালোবাসা গড়ে ওঠে। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবার কাছে ছেলের মন অন্য কোথাও পড়ে আছে, তা বুঝতে পারেন। একদিন বাবার সঙ্গে অভিমান করে গিটার হাতে ঘর ছাড়েন তরুণ জেমস। আশ্রয় হয় চট্টগ্রামের আজিজ বোর্ডিংয়ে। সেখান থেকেই সংগীতের পথে তার নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ‘ফিলিংস’। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ঝাঁকড়া চুল, বাবরি দোলানো এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠের এই শিল্পী ধীরে ধীরে বাংলা রকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ভক্তদের ভালোবাসায় তিনি পেয়েছেন ‘গুরু’ উপাধি।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ব্যবহার রুখতে আদালতে কৃতি, মন্তব্য দিল্লির হাইকোর্ট

জন্মদিন ঘটা করে উদযাপন করেন না জেমস। তবে বিশেষ দিন উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলের একটি ক্লাবে নিরিবিলি সময় কাটিয়েছেন তিনি। সেখানে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগীতের ভবিষ্যৎ, নতুন প্রজন্মের শিল্পী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং শিল্পের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই রকস্টার।

‘মানুষের এখন পুরো একটি ট্র্যাক শোনারও ধৈর্য নেই’—এমন মন্তব্য করেছেন জেমস। সংগীতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকলেও নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের প্রতিভা নিয়ে তার কোনো প্রশ্ন নেই। তার মতে, গান তৈরির ধরন ও শোনার অভ্যাস বদলে যাচ্ছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা যেমন গানকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে, তেমনি বদলে দিচ্ছে শ্রোতার মনোযোগের ধরনও।

জেমসের ভাষ্য, ‘এ পর্যন্ত যত গান তৈরি হয়েছে, যদি নতুন কোনো গান নাও তৈরি হয়, তবু মানুষ আগামী ২০ বছর অনায়াসেই সেগুলো শুনতে পারবে। আর এখন যেহেতু গান স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে চলে গেছে, তাই এটি খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, মানুষের তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। মানুষের এখন পুরো একটি ট্র্যাক শোনারও আর ধৈর্য নেই।’

প্রযুক্তির পরিবর্তন মেনে নেওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন এই শিল্পী। তার কথায়, ‘পরিবর্তন মেনে নিতে হবে। এআই এখন নিজেই কোড লিখছে, ফলে আলাদা কোডারদের প্রয়োজনীয়তা কমে আসছে। কিন্তু কোনো শিল্পরূপ বিলুপ্তির পথে থাকলেও তা প্রায়শই ভালোবাসা ও আবেগের কারণেই টিকে থাকে।’

আরও পড়ুন: ইনানীর আগুনে শোকের ছায়া, অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৌসিফ

‘লাভের কথা ভেবে গান তৈরি করা যায় না’—এমন বিশ্বাস পোষণ করেন জেমস। তার কাছে সংগীত কেবল পেশা নয়, বরং আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। তার মতে, শিল্পচর্চার মূল প্রেরণা হওয়া উচিত নিজের ভেতরের তাগিদ। লাভের হিসাব কষে শিল্পের পথে এগোলে হতাশ হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যা-ই করা হোক না কেন, তা পুরোপুরি আবেগ ও ভালোবাসা থেকেই করতে হবে। লাভের কথা ভেবে গান তৈরি করা যায় না। যদি প্রাকৃতিকভাবে কিছু আসে, তবে তা ভালো, কিন্তু আপনি যদি লাভের আশা নিয়ে কোনো শিল্পকলা শুরু করেন, তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে।’

নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের প্রতিভা ও আগ্রহের প্রশংসাও করেছেন জেমস। তার মতে, নতুন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু তৈরি করতে পারলে তাতে আপত্তির কোনো কারণ নেই।

জেমস বলেন, ‘এখন তো এআই-এর যুগ। তরুণ সংগীতশিল্পীরা যদি সুন্দর কাজ তৈরির জন্য এআই বা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে, তবে অবশ্যই তা করা উচিত। ভালো কোনো নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে কোনো দোষ নেই।’

আরও পড়ুন: শাহরুখের ছবিতে কাজ করতে না পেরে আজও আক্ষেপ নেহার

‘সংস্কৃতি নদীর মতো’

সংগীত মানুষের জন্য—মানুষের আনন্দ, অনুভূতি আর প্রকাশের মাধ্যম। তাই গান কোথায়, কীভাবে গাওয়া হবে, তা নিয়ে অযথা বাধা দেওয়ার পক্ষপাতী নন জেমস। তার কথায়, সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক গতিতে বিকশিত হতে দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘গান তৈরি হয় মানুষের শোনার ও গাওয়ার জন্য। মানুষ যেখানে খুশি বাজারে কিংবা নদীর ঘাটে গান গাইবে। কারোই এতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। সংস্কৃতি নদীর মতো—একে তার নিজস্ব গতিতে বইতে দেওয়া উচিত।’

সমাজের অনিয়ম কিংবা অসংগতি নিয়ে শিল্পীদের কথা বলার অধিকারও স্বীকার করেন এই গায়ক। তবে সেটি হতে হবে ব্যক্তির নিজস্ব উপলব্ধি ও সচেতনতা থেকে। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জেমস বলেন, ‘আমি একজন বিনোদনকর্মী; আমি সমাজ বদলাতে আসিনি। আমি মানুষকে আনন্দ দিতে এসেছি।’

আরও পড়ুন: রজনীকান্তের প্রতিদিনের রুটিন প্রকাশ করলেন মিরনা মেনন

সমাজের কল্যাণে বড় বড় পরিবর্তনের অপেক্ষায় না থেকে প্রত্যেকের নিজের জায়গা থেকে ভালো কিছু করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। জেমসের ভাষায়, ‘সবার জন্য ভালো করার মতো এমন বড় বড় চিন্তা করার চেয়ে যদি প্রত্যেকে নিজের ও নিজের আশপাশের মানুষের ভালো করার চেষ্টা করে, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সমাজের কল্যাণ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোন খেলায় সবচেয়ে বেশি শারীরিক সক্ষমতা দরকার?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


কোন খেলায় সবচেয়ে বেশি শারীরিক সক্ষমতা দরকার?

খেলাধুলার বিভিন্ন ধরনের জন্য শরীরের ওপর চাপের প্রকারভেদ ভিন্ন। কিছু খেলায় গতি ও শক্তির প্রয়োজন হয়, আবার কিছুতে সহনশীলতা, নমনীয়তা অথবা দ্রুত দিক পরিবর্তনের দক্ষতা প্রয়োজন। তবে, সব ধরনের শারীরিক দক্ষতা একত্রে বিবেচনা করলে, কোন খেলায় একজন খেলোয়াড়কে সবচেয়ে বেশি সক্ষম হতে হয় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রশ্নের উত্তরে ফুটবলকে এগিয়ে রাখা যেতে পারে। কারণ, ফুটবলে একজন খেলোয়াড়কে প্রায় ৯০ মিনিট মাঠে অবস্থান করতে হয় এবং ম্যাচের মধ্যে গড়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৌড়াতে হয়। এর সাথে সাথে প্রয়োজন দ্রুত দৌড়ানো, হঠাৎ গতির পরিবর্তন, লাফানো, দিক পরিবর্তন, শক্তি, ভারসাম্য, ক্ষিপ্রতা এবং নমনীয়তা।

ফুটবলে দীর্ঘসময় ধরে দৌড়ানোর সক্ষমতা থাকা যথেষ্ট নয়। ম্যাচ চলাকালীন বারবার দ্রুত গতির দৌড় বা স্প্রিন্ট দেওয়ার প্রয়োজন হয়। এছাড়া, এটি একটি শারীরিক সংস্পর্শের খেলা হওয়ায় শক্তি ও শরীরের নিয়ন্ত্রণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হকি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ধরনের শারীরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। তবে ফুটবলের তুলনায় হকির মাঠ ছোট এবং লাফানোর প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় সামগ্রিক শারীরিক দক্ষতার দিক থেকে ফুটবল এগিয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে, বক্সিং ও কুস্তির মতো কমব্যাট স্পোর্টসে অসাধারণ সহনশীলতা, শক্তি এবং ক্ষমতার প্রয়োজন হয়। তিন মিনিটের একটি রাউন্ডে টিকে থাকতে একজন বক্সার বা কুস্তিগিরকে দীর্ঘ সময় কাজ করার সক্ষমতার পাশাপাশি খুব অল্প সময়ে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা তৈরি করতে হয়। কুস্তিগিরদের জন্য ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের গতিশীলতার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জিমন্যাস্টিকসে শক্তি, নমনীয়তা এবং ক্ষিপ্রতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমাত্রার দৌড় বা সহনশীলতার প্রয়োজন এখানে তুলনামূলকভাবে কম। ম্যারাথন দৌড়বিদদের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন—এখানে দীর্ঘ সময় ধরে শরীরের কর্মক্ষমতা বজায় রাখা মূল বিষয়।

জ্যাভেলিন থ্রো বা বর্শা নিক্ষেপের ক্ষেত্রেও শুধুমাত্র শক্তিশালী হওয়া যথেষ্ট নয়। শরীরকে সঠিক অবস্থানে এনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে নমনীয়তা ও গতিশীলতার প্রয়োজন হয়। তবে, এই খেলায় দীর্ঘ সময় দৌড়ানোর সক্ষমতার ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম।

ওয়েটলিফটিংকে অনেকে শুধু শক্তি ও ক্ষমতার খেলা মনে করেন। কিন্তু স্ন্যাচ এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কের মতো অলিম্পিক লিফটে শক্তির পাশাপাশি অসাধারণ ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের বিভিন্ন পেশির সমন্বয় প্রয়োজন হয়।

সব দিক বিবেচনায়, তাই একক কোনো খেলাকে ‘সবচেয়ে কঠিন’ বলা সহজ নয়। তবে, গতি, শক্তি, সহনশীলতা, ক্ষিপ্রতা, নমনীয়তা এবং শরীরের নিয়ন্ত্রণ—এই সবগুলো সক্ষমতা একসঙ্গে প্রয়োজন হওয়ায় ফুটবলকে সবচেয়ে পরিপূর্ণ শারীরিক দক্ষতার খেলা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমরান সালেহ প্রিন্স: প্রধানমন্ত্রী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


এমরান সালেহ প্রিন্স: প্রধানমন্ত্রী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘আয়রন ম্যান’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র, উন্নয়ন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনকল্যাণে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ, জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের প্রশ্নে তিনি দৃঢ়চেতা এবং আপসহীন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধুরাইল বাজারে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পাঠানো প্রাণসামগ্রী বিতরণকালে এমরান সালেহ প্রিন্স এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অপরাধ, দখল, মাদক, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অপপ্রচার, অনৈতিকতা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কঠোর বার্তা দিয়ে দৃঢ় অবস্থানের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। অপরাধী যতই শক্তিশালী বা প্রভাবশালী হোক না কেন, তার কোনো দল নেই এবং তার কোনো ছাড় নেই।

এমরান সালেহ প্রিন্স আরও জানান, দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা শুধু ত্রাণ দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং দুর্যোগের আগে মানুষকে সতর্ক ও প্রস্তুত করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি সহায়তা দেওয়া এবং দুর্যোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন—এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি।

বর্তমান সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আগাম প্রস্তুতি, দ্রুত উদ্ধার ও পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ময়মনসিংহ ইউনিটকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মডেল ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বিএনপি দুর্যোগ ও দুর্বিপাকে জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। অসহায় মানুষের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভোররাতে আকস্মিক ঘুর্ণিঝড়ে ধুরাইল ইউনিয়নের পাবিয়াজুরি ও গোরকপুর গ্রামে ১৫টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয় এবং ৫৪টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গিয়ে ফেরেননি ১৮ শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা ১ কোটি ৪৯ লাখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গিয়ে ফেরেননি ১৮ শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা ১ কোটি ৪৯ লাখ

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আর ফিরে না আসা ১৮ শিক্ষকের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা ছিল প্রায় ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৩ টাকা ইতোমধ্যে আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে বকেয়া রয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮ হাজার ১৩০ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসব শিক্ষকের মধ্যে কেউ পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন, আবার কেউ কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন করে কয়েকজনের পাওনা আদায়ের জন্য চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমানে পর্যন্ত চাকরি ছেড়েছেন ৪৪ জন শিক্ষক। তাঁদের মধ্যে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেননি ১৭ জন। উল্লেখ্য, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. মো. মশিউর রহমান ২০১৯ সালে বিদেশ থেকে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেও ২০২৩ সালে চাকরি ছেড়ে দেন। ফলে শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর ফেরেননি এমন শিক্ষকের সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

চলতি বছরের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নথি অনুযায়ী, নয় শিক্ষকের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল আলমের কাছে ৪১ লাখ ৯২ হাজার ৩০৮ টাকা, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেনের কাছে ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬১৮ টাকা এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকারের কাছে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা পাওনা রয়েছে।

এছাড়া সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রহমানের কাছে মোট পাওনা ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ২৬ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ১২ লাখ ৩০ হাজার ২৬ টাকা। পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপা রানী দাসের কাছে পাওনা ১৫ লাখ ৪ হাজার ৬০২ টাকা।

সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জাকির হোসাইনের কাছে মোট পাওনা ৪০ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৬ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৬ টাকা। ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাদিয়া সারওয়ারের কাছে মোট পাওনা ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬৫ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান বকেয়া ২২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯৮ টাকা।

এছাড়া লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. মো. মশিউর রহমানের কাছে ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪ টাকা এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাসনিমা আক্তারের কাছে ২৮ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪ টাকা পাওনা রয়েছে। তাসনিমা আক্তারের বর্তমান বকেয়া ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৮ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, একপর্যায়ে ১৮ শিক্ষকের কাছে মোট পাওনা ছিল ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা। এর মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬১ লাখ ৯২ হাজার ১১৫ টাকা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ কোটি ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮৭ টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৮ লাখ ৬১ হাজার ৯৭২ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৫৯ টাকা আদায় করা হয়।

চার অর্থবছরে মোট ৩ কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩৩ টাকা আদায় হয়েছে। ফলে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত অবশিষ্ট পাওনা ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা।

তবে ২৪ আগস্টের পর আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকার তাঁর পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা জমা দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তাঁকে চিঠি দেওয়া হলে তিনি সুদ মওকুফের আবেদন করে চিঠির জবাব দেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় সুদ ছাড়া বাকি অর্থ পরিশোধের সিদ্ধান্ত দিলে তিনি গত ৭ সেপ্টেম্বর সেই অর্থ পাঠিয়েছেন। তিনি তাঁর সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করেছেন।’

তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের পর বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হয়। ওরভিলা সরকার সেটি না দেওয়ায় তাঁর অর্থ পরিশোধের বিষয়টি অফিসিয়াল রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করতে কিছুটা সময় লেগেছে।

ওরভিলা সরকারের অর্থ পরিশোধের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আদায়কৃত অর্থ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৩ টাকা এবং বর্তমান পাওনা ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮ হাজার ১৩০ টাকা।

সাত শিক্ষক পুরো পাওনা পরিশোধ করেছেন

নথি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি নেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে সাতজন তাঁদের পাওনা পুরোপুরি পরিশোধ করেছেন। তাঁদের মধ্যে পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ৩৪ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬৭ টাকা, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসাইন ৫২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯২ টাকা, আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ফিদা হাসান ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫২ টাকা, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাহিদ শাহ ১৯ লাখ ৯১ হাজার ১৬৯ টাকা, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা হক ৪৭ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬১ টাকা এবং সিএসই বিভাগের প্রভাষক মো. কামরুল হাসান মজুমদার ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫৩ টাকা পরিশোধ করেছেন।

এর সঙ্গে আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ওরভিলা সরকারের পরিশোধ করা ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা যোগ করলে সাত শিক্ষকের পরিশোধ করা অর্থের মোট পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪ টাকা।

ছয় শিক্ষককে নতুন করে চিঠি

গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১১তম সিন্ডিকেট সভায় সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামাল হোসাইন চৌধুরীসহ আরো পাঁচ শিক্ষককে পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

অন্য পাঁচজন হলেন মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল্লাহ, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাসনিমা আক্তার, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপা রানী দাস এবং রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন। তবে শেষ তিনজনের পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘কামাল হোসাইন চৌধুরীসহ আরো পাঁচজন শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

শিক্ষকদের বক্তব্য

প্রতিবেদনের তথ্য যাচাই করতে পাওনা থাকা নয় শিক্ষকের সঙ্গে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন জবাব দিয়েছেন। বাকি ছয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁরা কোনো জবাব দেননি।

ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাহিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য তিনি ব্যাংক হিসাব নম্বর চেয়ে আসছিলেন। গত সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারীর কাছ থেকে হিসাব নম্বর পেয়েছেন। শিগগিরই সেখানে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ সেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ পরিশোধের বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনুমোদিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রার দপ্তরে পদত্যাগপত্র দিয়ে পাওনা অর্থ নির্ধারণের অনুরোধ করেন। পরে ২১ মে তাঁকে পাওনা অর্থের পরিমাণ জানানো হয়। ১৬ জুন এক বছরের মধ্যে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। পরে ১৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে চার কিস্তিতে এক বছরের মধ্যে অর্থ পরিশোধের অনুমতি দেয়। সে অনুযায়ী ১৯ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রথম কিস্তি পরিশোধ করবেন বলে জানান তিনি।

দেবাশীষ সেন বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক দায় এড়িয়ে যাইনি, বরং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পাওনা পরিশোধের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’

বিধিতে যা আছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাছুটির নীতিমালার ৯.১ ধারায় বলা হয়েছে, পূর্ণ বেতনে শিক্ষাছুটি নেওয়া শিক্ষককে ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে ছুটির সমপরিমাণ সময় চাকরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে চাকরি ছেড়ে দিলে বা প্রয়োজনীয় সময় পূর্ণ না করলে শিক্ষাছুটির সময়ে পাওয়া বেতন-ভাতা ব্যাংক সুদসহ ফেরত দিতে হবে। কেউ আংশিক সময় চাকরি করলে অনুপাতে পাওনা নির্ধারণের বিধানও রয়েছে।

পাওনা অর্থ পরিশোধ না করলে জামিনদারের কাছ থেকেও তা আদায় করা যেতে পারে বলে নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের সংখ্যা ও পদ্ধতি নির্ধারণের ক্ষমতা সিন্ডিকেটের হাতে রাখা হয়েছে।

পাওনা আদায়ের বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘পাওনা আদায়ের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এবারের সিন্ডিকেট সভায় ছয়জন শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা সুদ মওকুফ বা কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের আবেদন করতে পারেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেয়।’

তিনি বলেন, ‘কেউ পাওনা অর্থ পরিশোধে রাজি না হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন, সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। দূতাবাসের মাধ্যমে পাওনা অর্থ আদায়ে সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন বলেন, চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া কিংবা নির্ধারিত সময়ের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ না দেওয়া শিক্ষকদের কাছ থেকে পাওনা অর্থ আদায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি রয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক সময় পাওনার পরিমাণ বেশি হওয়ায় একবারে তা পরিশোধ করা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কিস্তিতে অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো পাওনা অর্থ ফেরত আনা।

কোষাধ্যক্ষ আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের উদ্যোগের পরও কেউ অর্থ পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক যে দেশেই থাকুন না কেন, বিশ্ববিদ্যালয় ওই দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। দূতাবাস ওই শিক্ষক যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থ উদ্ধারে সহযোগিতা করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ পদ্ধতি অনুসরণ করার প্রয়োজন হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না’: আমান উল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


‘ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না’: আমান উল্লাহ আমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক ডাকসুর ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, "ইসলামবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না।"

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার কেরাণীগঞ্জের ঢাকা-২ আসনের শরীফ নগর আবাসিক প্রকল্পে শরীফ জামে মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ ইসলামের ওপর ভিত্তি করে চলবে।" একই সঙ্গে তিনি সব ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথাও উল্লেখ করেন।

আমান উল্লাহ আমান বলেন, "প্রধানমন্ত্রী সব ধর্মের প্রতি সম্মান জানিয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের সম্মানীর ব্যবস্থা করেছেন।"

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শরীফ জামে মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্সের চেয়ারম্যান ও শরীফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রজ্জব শরীফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সাবেক সিনিয়র পেশ ইমাম ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সাবেক খতিব মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। এছাড়া শরীফ গ্রুপের পরিচালক রাজিয়া শরীফ জনীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুফতি সাইফুল ইসলাম, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, কেরাণীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী হাসমত উল্লাহ নবী, বিএনপি নেতা মো. আলমগীর খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%