মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৫ পি.এম
দেশজুড়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
মিছিলটি পূর্ব রূপসার আকতার হোসেন সড়কস্থ নৈহাটী ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে ব্যাংকের মোড় হয়ে বাসটার্মিনাল প্রদক্ষিণ করে ঘাট এলাকায় পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মো. ইউনুছ গাজী। উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. লাবলু শেখের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদান করেন খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুর রহমান মোল্লা, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, নৈহাটী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল ইসলাম দিদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপি নেতা শেখ জাহিদুল ইসলাম রবি, জেলা যুবদল নেতা মঞ্জুর আরেফিন, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালালউদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ গাজী, আব্দুল বারিক শেখ, সাব্বির হোসেন, সোহেল শেখ, আ. হান্নান মীর, আলী আকবর রাজু, মো. ইউনুস সরদার, ফরহাদ শেখ, শ্রমিক দল নেতা মো. হুমায়ুন কবির, মো. হালিম শেখ, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আউয়াল শেখ, মো. মতিয়ার রহমান, মো. মিজানুর রহমান, মো. খলিল শেখ, রানা শেখ, জাকির শেখ, বিল্লাল শেখ, মো. নাসির, খলিল শিকদার, মো. বাদশা হাওলাদার, মো. মহব্বত বেপারি, মো. খোকন বেপারি, শহিদুল ইসলাম, মো. আসাদুল ইসলাম, মুজিবর সানা, রাশেদ রানা, শরিফুল ইসলাম গাজী, ফারুক হোসেন, জাহিদ শেখ, হোসেন আলী বুলু শেখ, মো. বেল্লাল শেখ, মো. মাসুদুর রহমান, এম আবুল বাসার, মাসুম সরদার, মামুন শেখ, রাজন, শাহিন শিকদার, আমির হোসেন, হাসান, আলামিন, রমজান শেখ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় দেবহাটা থানা একাদশ ১-০ গোলে উপজেলা প্রশাসন একাদশকে পরাজিত করে।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় দেবহাটা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত এই খেলায় অংশগ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন ফুটবল একাদশ এবং দেবহাটা থানা ফুটবল একাদশ। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ৪টি দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। নকআউট পর্বে দেবহাটা চেয়ারম্যান একাদশ এবং দেবহাটা সাংবাদিক একাদশ পরাজিত হয়।
ফাইনাল খেলাটি বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো দর্শকের সামনে অত্যন্ত চমৎকার ও মনোমুগ্ধকরভাবে উপভোগ করা হয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ২৩ মিনিটে দেবহাটা থানার ৪নং জার্সিধারী সোহেল রানার মনোমুগ্ধকর গোলে দেবহাটা থানা ১ গোলে জয়লাভ করে।
এই খেলাটি উপভোগ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা, দেবহাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ অপু, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা রেফারিজ এসোসিয়েশনের সদস্য ফারুক হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী রেফারি তাওসিফ রহমান সাগর এবং নাজির হোসেন। ধারাভাষ্যকার হিসেবে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা রিসোর্স কর্মকর্তা মহিতোষ কর্মকার এবং চন্ডিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দাকোপ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার হোসেন এবং কার্যনির্বাহী কমিটির দপ্তর সম্পাদক প্রবীর রায় বাপ্পি গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতি প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শামীম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জি.এম রেজা, সহ সভাপতি স্বাপন কুমার রায়, আজগর হোসেন ছাব্বির, কোষাধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র ঘোষ, সহ সম্পাদক গাজি আবুল বাশার, নির্বাহী সদস্য জাহিদুর রহমান সোহাগ, জয়ান্ত রায়, সাবেক সভাপতি মহিদুল ইসলাম ভূইয়া শিপন, গোবিন্দ বিশ্বাস, শচীন্দ্রনাথ মন্ডল, জুবায়ের রহমান লিংকন, কুমারেশ বিশ্বাস, দীপক কুমার সরদার, খান মনিরুল ইসলাম মনি, পারুল বেগম, দীপক রঞ্জন রায়, তুষার দাস, জি.এম আজম, মামুনুর রশীদ, রুহুল আমীন, গাজি সরোয়ার হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পাইকগাছায় প্রায় ১শ ভূমিহীন পরিবার তাদের দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা রেকর্ডীয কৃষি খাস জমিতে হঠাৎ করে সরকারি সাইনবোর্ড টাঙানো হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। এসব ভূমিহীন পরিবারগুলো তাদের বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জমিতে কৃষিকাজ ও মৎস্য চাষসহ বাড়ীঘর বেধে বসবাস করলেও বর্তমানে তারা অজানা আশঙ্কায় ভূগছেন!
জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এসব বন্দোবস্তকৃত জমিতে সরকারি ভিপি সম্পত্তি উল্লেখ করে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলে বন্দোবস্ত গ্রহিতাদের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। এ অবস্থায় প্রতিকার পেতে পাইকগাছা, পারিশামারি, কাঠামারি, কাঁকড়াবুনিয়া ও দক্ষিণ কাঠামারি মৌজার ৫৯ ভুক্তভোগী খাস বন্দোবস্ত গ্রহিতা মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বিকে গভীরভাবে তদন্ত করে এবং কাগজপত্রের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামূল হক, আহবায়ক কমিটির সদস্য তুষার কান্তি মন্ডল, আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সানা ও জিএম রেজাউল করিম, এ্যাড. কালিপদ মন্ডলসহ বন্দোবস্ত গ্রহিতারা।
জানা গেছে, বিগত ৮০ ও ৯০ দশকে উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের ভিলেজ পাইকগাছাসহ আশ-পাশ গ্রামের ভূমিহীন কৃষকরা পারিশামারি, কাঠামারি, কাঁকড়াবুনিয়া সহ ৫টি মৌজায় প্রায় ২শ একর খাস জমি বন্দোবস্তপ্রাপ্ত হন। সেই থেকে এ পর্যন্ত সকল বন্দোবস্ত গ্রহিতারা কৃষিকাজ, মৎস্য চাষ এমনকি বাড়ি ঘর বেধে বসবাস করছেন। এ জমি নিয়ে ইতোপূর্বে কোথাও কোন অভিযোগ বা আপত্তি হয়নি। এ প্রসঙ্গে ভিলেজ পাইকগাছার বাসিন্দা বন্দোবস্ত গ্রহিতা কৃষক মো, শফি গাজী, আঃ মজিদ হাজরা, রফিকুল ইসলাম, মিজানুর মালী, হালিমা বিবি জানান, "আমরা বিভিন্ন মৌজায় বিভিন্ন সময়ে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমি কেউ ৬ বিঘা, কেউ সাড়ে ৪ বিঘা বা ৩ বিঘা বন্দোবস্তপ্রাপ্ত হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে আছি। যার নামজারি ও বর্তমান জরিপে রেকর্ড ও অনলাইনে কর-খাজনাও পরিশোধ করেছি। কিন্তু হঠাৎ করে এসিল্যান্ড অফিস থেকে এসব বন্দোবস্তকৃত জমি ভিপি সম্পত্তি বলে সাইনবোর্ড দিলে বিপদে পড়েছি।"
জানা গেছে, এসব বন্দোবস্তকৃত জমি পূর্বে ১নং খাস খতিয়ান, জলমহাল ও সরকারি ভিপি তালিকাভুক্ত ছিল। কিন্তু ১-২-৮৯ সালে সরকারি নিয়ম নীতি মেনে ভিপি অবমুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে মিস কেসের মাধ্যমে ৯২ এর (ক) ধারায় এ সম্পত্তি ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত হলে ভূমিহীনদের নামে বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, "ভয় পাবার কিছু নেই।" তিনি ভূমি অফিসের রেকর্ডপত্র ও বন্দোবস্ত দলিল এবং অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন। তিনি এই পরিদর্শন করেন আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের নির্দেশে সোমবার রাত ৮টার দিকে তিনি ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র নদীর তীব্র পানির চাপে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, "জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভাঙন সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এসেছি।" তিনি আরও বলেন, "বাঁধের যে অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।" তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার কথা জানান। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজ্বী আবু দাউদ ঢালী, সার্ভেয়ার মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীন এবং স্থানীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ