বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৮ এম
সাতক্ষীরা পৌর এলাকার একটি গৃহবধূর নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালিয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের একটি দল। জমি জবরদখল ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এই তাণ্ডব চালানো হয়। হামলাকারীরা শুধু বাড়ি ভাঙচুর ও টাকা-স্বর্ণালঙ্কার লুট করেনি, বরং ওই নারী ও তাঁর ভাইকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে এবং প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কামালনগর বউ বাজারের পাশে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছাঃ আরিফা খাতুন (৩৯) সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আমলী ১ নম্বর আদালতে একটি সি.আর. মামলা দায়ের করেছেন (আরজি তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)। মামলাটিতে দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ৩২৩, ৩৭৯, ৩০৭, ৩২৫, ৩৫৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৫০৬ (২য় অনুচ্ছেদ), ৩৪ ও ১১৪ ধারায় আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কামালনগর এলাকার মোঃ রফিকুল ইসলাম (মন্টু) (৪২), মহাসিন আলী (৪০), মুজিবর রহমান (৪৫), আক্তার হোসেন (চঞ্চল) (৪০) এবং আব্দুস সবুর (৪৫)। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী এ হামলায় অংশ নেয় বলে জানা গেছে।
আরিফা খাতুন জানান, তিনি ও তাঁর বোন ২০১৩ এবং ২০২২ সালে কামালনগর এলাকায় ৮.২৫ শতক জমি খরিদ করেন (কোবলা নং-১০৪৪ ও ৩০১৬)। তাঁর স্বামী ব্যাংকে চাকরি করেন, ফলে তিনি অধিকাংশ সময় বাইরে থাকেন। এই সুযোগে আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছিল এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা না দিলে জমিতে ঘর তুলতে বা বসবাস করতে দেবে না বলে তাঁরা ক্রমাগত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল।
৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে, যখন আরিফা খাতুন তাঁর নির্মাণাধীন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, আসামীরা মারাত্মক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ছাদের সেন্টারিংয়ের বাঁশ, খুঁটি ও কাঠ ভাঙচুর শুরু করে। ভুক্তভোগী বাধা দিলে রফিকুল ইসলাম, মহাসিন আলী ও আক্তার হোসেন সরাসরি পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
আতঙ্কিত হয়ে আরিফা খাতুন ছাদের রড কেনার জন্য ব্যাগে থাকা ৮০,০০০ টাকা রফিকুল ইসলামের হাতে দিয়ে মিনতি জানান। কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীরা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রফিকুল ইসলামের নির্দেশে তাঁকে পিচের রাস্তার ওপর ফেলে অমানুষিক মারধর করা হয়। রফিকুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে আরিফা খাতুনের মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তিনি সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে রডের আঘাত তাঁর পিঠের মেরুদণ্ডে লাগে। এরপর মহাসিন আলী বাঁশ দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ সময় বোনকে বাঁচাতে ভাই মনিরুজ্জামান এগিয়ে এলে আক্তার হোসেন ও আব্দুস সবুর তাঁকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত ও ফোলা জখম করে। আহত আরিফা খাতুন কোনোমতে উঠে দাঁড়ালে আসামীরা তাঁকে আবার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে মহাসিন আলী তাঁর বুকের ওপর উঠে দাঁড়ায় এবং আব্দুস সবুর হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর গলার ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে।
তাণ্ডব চলাকালে আসামীরা আরিফা খাতুনের গলা থেকে ১ ভরি ওজনের সোনার চেইন (আনুমানিক মূল্য ২,০০,০০০ টাকা) এবং কানের ৮ আনার সোনার দুল (আনুমানিক মূল্য ৯০,০০০ টাকা) জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া মহাসিন আলী তাঁর পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে এবং আসামীরা দড়ি দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে মুখ চেপে ধরে চরম নির্যাতন চালায়।
পরে মনিরুজ্জামানের আর্তচিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা হুমকি দেয় যে-‘এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি ৪,২০,০০০ টাকা চাঁদা না দিলে আরিফা খাতুন ও তাঁর সন্তানকে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলা হবে’।
ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরিফা খাতুন ও তাঁর ভাইকে রাত আনুমানিক ৭টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, গৃহবধূর মেরুদণ্ডের হাড়ে আঘাত লাগায় এক্স-রে এবং মাথায় মারাত্মক আঘাত থাকায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর ব্রেনের সিটি স্ক্যান করানো হয়। মনিরুজ্জামান ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং আরিফা খাতুন ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবার সাতক্ষীরা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। সুস্থ হয়ে আরিফা খাতুন আদালতে সি.আর. মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে এ ঘটনায় গভীর আতঙ্ক ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি। আসামীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আরিফা খাতুন ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছে যে, পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বয়সের কারণে তিনি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বিছানা থেকে ওঠা তাঁর পক্ষে সহজ হচ্ছে না। শরীরে রোগ-শোক বাসা বেঁধেছে, তবে ঘরে থাকতে তিনি রাজি নন। সকাল হলেই তিনি বেরিয়ে পড়েন। খবরপত্র বিলি করতে তিনি ঘুরে বেড়ান। পাশাপাশি, সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাঙ্গনে তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার হিজলা গ্রামের মৃত ফজজুল হক কাজীর পুত্র সোহরাব হোসেন কাজী (৮৮) একজন গুণী ব্যক্তি।
সোহরাব হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, তিনি ১৯৬২ সালে নাজিপুরের মালিখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর নওয়াপাড়া থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন এবং খুলনা দৌলতপুর কলেজ থেকে ডিগ্রী অর্জন করেন। ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ পাস করার পর তিনি চিতলমারী উপজেলার বোয়ালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। কর্মজীবনে তিনি হিজলা, চরবড়বাড়িয়া, কালশিরা ও চারুপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ কমিউনিস্ট (সিপিবি) পার্টির সদস্য হন। বর্তমানে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির কন্ট্রোল কমিশনের সদস্য। বাগেরহাট জেলা কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সভাপতি হিসাবেও তিনি মনোনীত হন।
রাজনীতির সুষ্ঠ ধারার পাশাপাশি অবহেলিত জনপদে শিক্ষার আলো ছড়াতে তিনি আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করেছেন। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অবদানও অসামান্য। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি পার্টির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক একতা পত্রিকা নিয়মিতভাবে লোকের হাতে পৌঁছে দেন। জীবনের আয় উপার্জনের অর্থ তিনি সমাজের বিভিন্ন কাজে ব্যয় করেছেন। জীবনের শেষ সময়ে আর্থিক সংকট থাকা সত্ত্বেও তিনি থেমে নেই। শিক্ষাগুরু সোহরাব হোসেনের কর্মকাণ্ড অনেককে অনুপ্রাণিত করছে। একই সঙ্গে এই বয়সে এসে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে পত্রিকা বিক্রি করা বিষয়টি অনেকের কাছে ভাবনার উদ্রেক করেছে।
চিতলমারী উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান জানান, সোহরাব হোসেন স্যার একজন গুণী মানুষ। সমাজে তাঁর অবদান অনেক। তিনি নৈতিক আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেন। একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি মানুষ গড়ার কারিগর ছিলেন এবং রাজনীতির আদর্শিক দিক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তিনি এখন অনেকের কাছে অনুকরণীয় বলে অভিমত দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রায় সংঘবদ্ধ হয়ে নাশকতার উদ্দেশ্যে কাজ করার অভিযোগে বিএনপি নেতার দায়ের করা মামলায় ইউপি সদস্যসহ তিনজন নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নেতা গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার চাঁদআলী ব্রীজ এলাকা ও অন্যান্য স্থান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আসামীরা হলেন কয়রা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান কহিনুর (৪৫), মোঃ আজহারুল ইসলাম (৪০) এবং জহির উদ্দীন সরদার (৫৩)।
মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের সাতহালিয়া গ্রামের মোঃ সহিদ হোসেন এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের ৩৬ জন নেতাকে আসামী করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ১৬০ থেকে ১৭০ জনকেও আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কয়রা থানা পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশন দখল করে জনসাধারণের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্যে থানা এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম ও জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা চাঁদআলী ব্রীজ এলাকায় জড়ো হন। এসময় মোঃ সহিদ হোসেনসহ আরও কয়েকজন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সেখানে জড়ো হতে দেখা যায়। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর উক্ত লোকজন ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পালানোর সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এজহার সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছে চাঁদআলী ব্রীজের এলাকায় জড়ো হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা জানান যে, সংগ্রাম মোড়ের পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশন ধ্বংস করে জনগণের জনজীবনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটানোর চেষ্টা করার জন্য তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। আসামীরা সকলেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য। তারা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য এধরনের কাজ করেছে। কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল আলম বলেন, "কয়রায় নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগের মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার রূপসায় স্থানীয় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমানকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা মামলায় আরও দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে খুলনা জেলা গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় ওসি ডিবি অনুপ কুমার চৌধরী'র নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার কাজদিয়া কলেজ মাঠ থেকে তাদের আটক করা হয়। তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, আসামিদেরকে জেলা গোয়েন্দা হেফাজতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার তদন্তকারী অফিসার মোল্লা লুৎফর রহমান কর্তৃক গ্রেফতারকৃত মনির গাজীর ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর সুত্র অনুযায়ী কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য উপজেলার নৈহাটী ইউনিয়নের মো. হোসেন সরদারের ছেলে আশরাফুল সরদার (২৬) ও টিএসবি ইউনিয়নের তালতলা এলাকার হাসান খানের ছেলে রিফাত খান (১৯)কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯ টায় ডিবি পুলিশের ওসি তত্বাবধানে ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আহমেদ হোসেনের নেতৃত্বে অত্র মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মোল্লা লুৎফর রহমান, সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স নিয়ে উক্ত কাজদিয়া কলেজ মাঠ এলাকা হতে গ্রেফতার করেন।
এছাড়া এর আগে সন্ত্রাসী মনির গাজী তালতলার তার বসত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আটক করে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী অফিসার এসআই মোল্লা লুৎফর রহমান বলেন, দুই আসামি সন্ত্রাসী আশরাফুল ও রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতে এই দুইজনের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২ জুন সন্ধ্যায় আনুমানিক রাত সাড়ে ১০ টায় বিনয় মেম্বরের বাড়ির সন্নিকটে একটি চায়ের দোকানের সামনে হত্যার উদ্দেশ্য রূপসা উপজেলার টিএসবি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ শাহিনুর রহমানকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানাধীন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণের কাজ পরিদর্শন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনকালে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক প্রস্তুতি, প্রতিমা নির্মাণের অগ্রগতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলা হয়। একই সঙ্গে আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), লোহাউনি-হলিছড়া চা বাগানের ম্যানেজার, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের প্রতিনিধি, বিট অফিসার, গ্রাম পুলিশ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কুলাউড়া থানা এলাকায় এবারও শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ