সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৩ পি.এম
বাগেরহাটে জেলা ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের বাদোখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চারা বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন ধরনের ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি গাছের পরিচর্যা ও পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার কাজও করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইমন শেখ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ মুস্তাইনবিল্লাহ, বিএনপি নেতা আকরাম খান, ছাত্রদল নেতা ঋত্বিক হালদার রোহিত ও সাহারিয়া জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, এই তথ্যটি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
ইসি সানাউল্লাহ আরও জানান, ৭ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, একাধিক প্রশাসনিক দায়িত্ব ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষকতার পাশাপাশি ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় তিনি নিয়মিত তদারকি করছেন না।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাফেটেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। সম্প্রতি ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের প্লেটে কুকুরকে মুখ দিতে দেখা গেছে বলেও জানান তারা। এছাড়া ক্যাফেটেরিয়ার ভেতর ও আশপাশের পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে নোংরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টয়লেট ও হাত ধোয়ার স্থানগুলোও অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
তাদের দাবি, ক্যাফেটেরিয়ার মতো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকি করা পরিচালকের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে এসব বিষয়ে কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক চার্লস ডারউইন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক। একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখতার ইলাহী হলের সহকারী প্রভোস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একাধিক প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকায় ক্যাফেটেরিয়া পরিচালনায় তিনি প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারছেন না।
ক্যাফেটেরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর দিপু বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া এভাবে চলতে পারে না। খাবারের নিম্নমান ও নোংরা পরিবেশের কারণে প্রতিদিন স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে। পরিচালক পদে থেকে যদি তিনি দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে প্রশাসনের উচিত এ পদে দায়িত্ব পালনে সক্ষম কাউকে দায়িত্ব দেওয়া।
এ বিষয়ে জানতে ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক চার্লস ডারউইনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, তিনি যেহেতু দায়িত্বে আছেন, অবশ্যই এ বিষয়ে তার দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। আমি এ বিষয়ে ভিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে তাকে জানাব।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, উনার সঙ্গে আজকেই ক্যাফেটেরিয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। আশা করি, পরবর্তীতে তিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।
ক্যাফেটেরিয়ার পরিবেশ দ্রুত উন্নত করা, খাবারের মান নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বহনকারী একটি প্রোবক্স গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে পাঠানো হবে। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমী বাজারের চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার সোনাইছড়ি এলাকার রফিকুল ইসলাম (৫৭), কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার রাজগঞ্জ এলাকার মইনুল ইসলাম (২৮), সীতাকুণ্ডের জাহানাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান (২৫), কোম্পানীগঞ্জের চর এলাহী ইউনিয়নের চরকলমী এলাকার নুর নবী (৩৯), একই এলাকার নুর মোহাম্মদ (৩২) এবং গাড়িচালক সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকার আজিজুল মোস্তফা (৩৫)।
পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমী বাজার চৌরাস্তা এলাকায় রাত্রিকালীন টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এ সময় এসআই সুমন চন্দ্র দাসের সন্দেহ হলে একটি সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়িটিতে চালকসহ ছয়জন ছিলেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে তালা ভাঙার কাটার ও কয়েকটি গামছা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে রফিকুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ ও আজিজুল মোস্তফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা হয়েছে। জব্দ করা সিলভার রঙের প্রোবক্স গাড়িটি থানায় রাখা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সাইদুল ইসলাম শাহীন হত্যা মামলার রায়ে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের জেলা ও দায়রা জজ মো. শওকত আলী এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ছয় আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। হাজতি আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে জেল হাজত থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর পাঁচ আসামি নূরউদ্দিন ওরফে সমীর, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগম হাজিরা দাখিল করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজ আলমের ছেলে। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূর উদ্দিন ওরফে শমীর একই ওয়ার্ডের নূর নবীর ছেলে।
রায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নূর উদ্দিন ওরফে মো. শমীরকে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সিরাজ আলম ওরফে সিরাজুল ইসলাম, কাজুলী বেগম, রোকসানা বেগম ও আফরোজা বেগমের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩২৩/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সলিম উল্লাহর বসতবাড়ির সামনে সীমানার করই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের বিষয়ে সালিশি বৈঠক চলাকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মামলার বাদীর ছেলে সাইদুল ইসলাম শাহিনকে গলায় লোহার রড ঢুকিয়ে এবং এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সাইদুল ইসলাম শাহিনের মৃত্যু হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ