আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৩০ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবের দ্বিতল ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে এ কাজের উদ্বোধন করেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না, মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুছ সাদাৎ নোমান, সহ-সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ, প্রগতির আলোর সম্পাদক আনোয়ার সাদাৎ ইমরানসহ প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক ও সুধীজন।
ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা ভবনের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় অতিথিরা মধুপুর প্রেসক্লাবের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সাংবাদিকদের পেশাগত কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাংবাদিক, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ সদর উপজেলার ফতেপুর (১ম) উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়া শেফালি বেগম ৩৪ বছরের দীর্ঘ একনিষ্ঠ ও নিঃস্বার্থ সেবা শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরে গেছেন। তাঁর বিদায় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় চত্বরে এক অভূতপূর্ব ও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা সাধারণত কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিদায়বেলায়ও দেখা যায় না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি রাজকীয় এক ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে নিজের বাড়িতে ফিরে গেছেন।
শেফালি বেগম ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর কোনো সংসার বা সন্তান ছিল না। বিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণ ও শিক্ষার্থীরাই ছিলেন তাঁর আপন পরিবার। দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দাপ্তরিক ও সেবামূলক দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষার্থীদের টিফিনের খোঁজ নেওয়া, মায়ায় জড়িয়ে তাদের ভুলত্রুটি শুধরে দেওয়া এবং অসুস্থ হলে মায়ের মতো পরম যত্নে সেবা করার কারণে তিনি সবার কাছে ‘শেফালি খালা’ নামে পরিচিত ছিলেন। শিক্ষকরা কাজের তাড়া কিংবা নিজের ক্লান্তি— কিছুই তাঁর এই সেবামূলক মানসিকতায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
শেফালি বেগমের অবসরের দিনে বিদ্যালয়ে এক শোকাতুর ও শ্রদ্ধাবনত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তাঁর এই ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বর্ণাঢ্য বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও নওগাঁ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর-ই আলম মিঠুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম, পরিচালনা কমিটির সদস্য লিটন হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে শ্রদ্ধার স্মারক হিসেবে শেফালি বেগমের হাতে সংবর্ধনা উত্তরীয়, নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
বিদায়ি বক্তৃতায় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম মিঠু বলেন, "শেফালি বেগম আমাদের বিদ্যালয়ের শুধু একজন কর্মচারী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম এক স্তম্ভ। পদের দিক থেকে কেউ বড় বা ছোট হতে পারে, কিন্তু তার কর্তব্যপরায়ণতা এবং মমত্ববোধ আমাদের সবার চেয়ে অনেক উঁচুতে। তার এই নিঃস্বার্থ সেবার ঋণ বিদ্যালয় কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।"
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে মানবিক ও চোখ জুড়ানো দৃশ্যটি তৈরি হয় বিদায়ের ঠিক পরপর। প্রথা ভেঙে শেফালিকে অত্যন্ত মর্যাদা ও ভালোবাসার সঙ্গে একটি সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় শত শত শিক্ষার্থী তার পথজুড়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে সম্মান জানান। বিদায়ের এই ক্ষণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কান্না এবং ভালোবাসায় এক অবিস্মরণীয় ও আবেগাপ্লুত দৃশ্যের অবতারণা হয়।
ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এই অনন্য উদ্যোগটি সমাজে এক বড় বার্তা দিয়ে গেল—কাজের ছোট-বড় দিয়ে মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় না। সততা, নিষ্ঠা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করতে পারলে প্রাতিষ্ঠানিক পদের গণ্ডি পেরিয়েও এমন রাজকীয় সম্মান পাওয়া সম্ভব। ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসে শেফালি বেগম চিরকাল মায়াবী এক মায়ের প্রতিচ্ছবি এবং এক সুমহান অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে থাকবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের কারণে চলতি বছরে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলোর বরফ দ্রুত গলতে শুরু করেছে। এর ফলে হিমবাহগুলো দ্রুত সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রকাশিত সুইস গ্লেসিয়ার মনিটরিং নেটওয়ার্ক (গ্ল্যামোস) এবং সুইস একাডেমি অব সায়েন্সেসের সুইস কমিশন ফর ক্রায়োস্ফিয়ার অবজারভেশনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলোর ৫ শতাংশের বেশি বরফ গলে গেছে।
এছাড়া, প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হিমবাহ সংকুচিত হওয়ার হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতিরিক্ত বরফ গলার ঘটনা প্রায় নিয়মিত হয়ে উঠছে। গত পাঁচ বছরে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বরফ হারিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে পানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপের বরফে ঢাকা এলাকাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
গ্লামোসের পরিচালক ম্যাথিয়াস হাস বলেন, ‘আমরা এখন এমন এক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করেছি, যেখানে বরফ গলে হিমবাহগুলো চোখের সামনে মিলিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, শীতে অপেক্ষাকৃত কম তুষারপাত এবং গ্রীষ্মে রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে চলতি বছর ভয়াবহ মাত্রায় হিমবাহের বরফ গলেছে।
গ্লামোসের পরিচালক জানান, এখন প্রায় প্রতিবছরই চরম পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এটি সত্যিই উদ্বেগজনক। তবে ২০২২ সালের মতো রেকর্ড হারে বরফ গলছে না বলে তিনি জানান। ওই বছর উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা ধুলোর মেঘ তুষারের ওপর জমে যাওয়ায় বরফ গলার হার ছিল নজিরবিহীন।
সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হিমবাহ আলেৎশ চলতি বছর সবচেয়ে বেশি বরফ হারিয়েছে। গ্লেসিয়ার দ্য সঁফ্লেরঁ হিমবাহের গড় পুরুত্ব ৪ মিটারের বেশি কমেছে। কয়েক বছর আগে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন ছিল বলে হাস জানান।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো প্রায় ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন লিটার পানি হারিয়েছে। এটি দেশটির পরিবারগুলো এক বছরে যে পরিমাণ খাবার পানি ব্যবহার করে, তার তুলনায় চারগুণের বেশি।
হিমবাহের বরফ গলার একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। গ্রীষ্মকালে পানির সংকট কিছুটা কমাতে এটি ভূমিকা রাখে। তবে হিমবাহের আয়তন ও বরফে ঢাকা এলাকা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সুবিধাও কমে আসছে বলে হাস জানান।
ম্যাথিয়াস আরও বলেন, ‘হিমবাহ কত দ্রুত গলছে, তা আমরা জানি। তাই এতে আমরা অবাক হই না। কিন্তু পাহাড়ের যেসব জায়গায় আগে তুষার ছিল, সেখানে এখন শুধু পাথর দেখা যাচ্ছে। এটা আমাকে কষ্ট দেয়।’
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে তিন পুলিশ কনস্টেবলের পাহারায় থাকা হ্যান্ডকাফ পরা এক রোহিঙ্গা আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পালিয়ে যাওয়া আসামির নাম ইব্রাহিম। সম্প্রতি উখিয়ার থাইংখালী এলাকা থেকে অস্ত্রসহ আরও দুই রোহিঙ্গার সঙ্গে তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, উখিয়ার থাইংখালী এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধির সময় স্থানীয় লোকজন ইব্রাহিমসহ তিন রোহিঙ্গাকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তাদের হস্তান্তর করা হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ইব্রাহিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো ছিল এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিন পুলিশ কনস্টেবল। কিন্তু এমন কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও তিনি বুধবার রাতে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। একজন হ্যান্ডকাফ পরা আসামি তিন পুলিশ সদস্যের পাহারায় থেকেও কীভাবে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে গেলেন-এ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ আটকের অভিযোগ থাকায় তার পলায়নকে সাধারণ কোনো আসামির পলায়নের ঘটনা হিসেবে দেখছেন না স্থানীয়রা।
ইব্রাহিমের পলায়নের ঘটনায় দায়িত্বে থাকা তিন কনস্টেবলের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের মতো জনসমাগমপূর্ণ স্থান থেকে হ্যান্ডকাফ পরা একজন আসামি পাহারা ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে পাহারায় কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পলাতক ইব্রাহিমকে পুনরায় গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উখিয়ার থাইংখালীসহ সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। অস্ত্র, মাদক, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
এ অবস্থায় অস্ত্রসহ আটক একজন রোহিঙ্গা আসামির পুলিশ পাহারায় থাকা অবস্থায় হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে পলায়নের নেপথ্যের কারণ উদঘাটন এবং দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, নিষিদ্ধ লীগ ও জামায়াতের গুপ্তরা বিভিন্ন উপায়ে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ লিখেছেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে প্রায় ৮ মাস হলো। দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে একটা গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করেছে, ফলে এই সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশার বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের অভ্যন্তরের ও বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী জামায়াত-এনসিপি সমন্বিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’
সবশেষে, গণঅধিকার পরিষদের এই মুখপাত্র লিখেছেন, ‘শুধু তাই নয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা নিষিদ্ধ লীগ ও জামায়াতের গুপ্তরা নানাভাবে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ফলে ভেতরে-বাইরে নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশের জন্য ভালো কিছু করা এই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ