ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

সব মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত


সব মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

সরকারি সেবা এবং প্রশাসনে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বর্তমান সরকারের প্রথম সচিব সভায় এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভাটি বিকেল সাড়ে ৪টায় সচিবালয়ে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেষ হয়। বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অন্তত ৬১ জন সচিব উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রস্তাবটি গ্রহণ করে দুদককে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দুদক সূত্র জানায়, শিগগিরই এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে কমিটি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হবে। দুদকের পক্ষ থেকে কমিটিগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


বিদ্যুতের সুইচ ভারতের হাতে, যে কোনো সময় বন্ধ করতে পারে: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়া এবং ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের শঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে, যা তারা যে কোনো সময় বন্ধ করে দিতে পারে।

তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল ‘পতিত স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’- এর প্রতিবাদে।

রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট ও গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দেশীয় বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ গোষ্ঠী সরকারকে প্রতিনিয়ত সমালোচনা ও চক্রান্তে লিপ্ত রেখেছে।

পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও সেখানে সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা ছিল। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং বিমসটেকের প্রধান হিসেবে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। তারেক রহমান দেশের মর্যাদা রক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের চরম সমালোচনা করে রিজভী অভিযোগ করেন, ‘যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরদিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্টের ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসে। অথচ এর সুইচ রয়েছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ ও চালু করতে পারে।’

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?’

শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বহু অপরাধী ভারতে পালিয়ে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে একটি ঘটনায় সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চরম প্রশ্ন জেগেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে রিজভী দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। তিনি জানান, সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি চলমান সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে এবং মধুর ক্যান্টিনকে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানাতে চাইছে। তিনি তাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, এই দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যে কোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈষম্য মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনে সরকারগুলোর প্রতি সাবেক বিশ্বনেতাদের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


বৈষম্য মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনে সরকারগুলোর প্রতি সাবেক বিশ্বনেতাদের আহ্বান

ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সম্পদের চরম বৈষম্য মোকাবিলার লক্ষ্যে একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্যানেল গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য বর্তমান বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ৩৭ জন সাবেক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান।

বুধবার প্রকাশিত একটি খোলা চিঠির মাধ্যমে সাবেক এই বিশ্বনেতারা এ আহ্বান জানান। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

এই নেতাদের মধ্যে সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎস এবং সাবেক ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ-পিয়ের রাফার্যাঁ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তারা উল্লেখ করেন, বৈষম্যের যে ‘সংকট’ বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবিলায় জরুরি নীতিগত পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

এএফপির কাছে প্রাপ্ত চিঠিতে সাবেক নেতারা বলেন, ‘বিশ্বের একের পর এক দেশে বৈষম্যের সংকট রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছে যাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন।’

তারা আরও জানান, ২০০০ সাল থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির প্রতি এক ডলারের মধ্যে মাত্র এক সেন্ট পেয়েছে মানবজাতির দরিদ্রতম অর্ধেক মানুষ। বিপরীতে, সবচেয়ে ধনী এক শতাংশ মানুষ পেয়েছে ৪১ সেন্ট।

সাবেক নেতারা আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরে প্রথমবারের মতো একজন ট্রিলিয়নিয়ারের আবির্ভাব ঘটেছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের প্রতি চারজন মানুষের একজন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।

তারা বলেন, ‘সবচেয়ে ধনী ও সবচেয়ে দরিদ্র মানুষের মধ্যকার ব্যবধান যে অনেক বেশি বেড়ে গেছে, তা নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই।’

সাবেক বিশ্বনেতারা তাদের উত্তরসূরিদের ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ইনইকুয়ালিটি (আইপিআই) বা আন্তর্জাতিক বৈষম্যবিষয়ক প্যানেল গঠনের উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এ বিষয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তারা।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তঃসরকার প্যানেল (আইপিসিসি)-এর আদলে এই নতুন সংস্থা গঠনের সুপারিশ করেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্টিগলিৎজ। তিনি একটি জি-২০ প্রতিবেদনে এ সুপারিশটি করেন।

ওই প্রতিবেদনে বৈশ্বিক ‘বৈষম্যজনিত জরুরি পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, ক্রমবর্ধমান বৈষম্য গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি—দুটোকেই দুর্বল করছে।

বুধবারের খোলা চিঠিতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সাবেক নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মালাউইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট জয়েস বান্দা, পর্তুগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট আনিবাল কাভাকো সিলভা এবং সেশেলসের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস মিশেল।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাড়তে থাকা বৈষম্য গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাকে ক্ষয় করছে এবং সমাজের প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্যকে দুর্বল করছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে সমতাভিত্তিক দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যপূর্ণ দেশগুলোতে গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি সাত গুণ বেশি।

স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সেনেগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আমিনাতা তুরে, নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক, পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিসকো সাগাস্তি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান সেউং-সু-সহ আরও কয়েকজন সাবেক সরকার প্রধান রয়েছেন।

তারা বর্তমান বিশ্বের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা আপনাদের সামনে থাকা জটিল চ্যালেঞ্জগুলোর গুরুত্ব ও চাপ সম্পর্কে অবগত।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা এটাও জানি যে চরম বৈষম্য এসব হুমকিকে আরও তীব্র করে তুলছে এবং আপনাদের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের ওপর গভীর চাপ সৃষ্টি করছে।’

সাবেক নেতারা বলেন, আইপিআই গঠন করা হলে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি হবে। আইপিসিসির মতো এই প্যানেল বৈষম্যের প্রবণতা, এর প্রভাব ও কারণগুলো পর্যবেক্ষণ করতে এবং নীতিনির্ধারণে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন প্রমাণ ও গবেষণা মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবে।

চিঠিতে বলা হয়, আইপিআই-এর মাধ্যমে ‘শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা বৈষম্যসংক্রান্ত তথ্যের ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন। এতদিন এই তথ্যের ঘাটতির কারণে বৈষম্য সংকট মোকাবিলার উদ্যোগগুলো কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোকেমনের ৩০তম বার্ষিকীতে নতুন রূপে আসছে পিকাচু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


পোকেমনের ৩০তম বার্ষিকীতে নতুন রূপে আসছে পিকাচু

পোকেমন ফ্র্যাঞ্চাইজির ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় চরিত্র ‘পিকাচু’-কে এক নতুন ও আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপন করতে যাচ্ছে। আসন্ন ‘পোকেমন টিসিজি : ৩০তম সেলিব্রেশন’ এক্সপ্যানশনে এই মাসকটটির জন্য ৩০টি ভিন্ন রেয়ার কার্ড থাকবে, যা সংগ্রাহক ও ভক্তদের জন্য একটি বড় চমক হিসেবে দেখা যাবে।

‘৩০তম সেলিব্রেশন’ এর আওতায় ‘আল্ট্রা-প্রিমিয়াম কালেকশন’-এ ‘পিকাচু এক্স’ কার্ডটিকে দিন ও রাতের দুটি ভিন্ন থিমে রূপ দেওয়া হয়েছে। ফলে সংগ্রাহকরা উজ্জ্বল দিনের লুক এবং অন্ধকার রাতের লুক—এই দুই ধরনের পিকাচু কার্ড বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

খ্যাতনামা জাপানি শিল্পী ইয়োশিরোটেন এই কার্ডগুলোর ডিজাইন করেছেন। ডিজাইনে ধাতব টেক্সচার, উজ্জ্বল আলো এবং গ্রাফিক উপাদানের ব্যবহারে একটি আধুনিক বা ফিউচারিস্টিক লুক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পিকাচুর পাশাপাশি ‘ডে’ কালেকশনে এসপিওন এক্স এবং ‘নাইট’ কালেকশনে আমব্রেওন এক্স-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগ্রাহকদের সম্পূর্ণ সেট সংগ্রহ করতে চাইলে কালেকশনের দুটি সংস্করণই সংগ্রহ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী আগামী ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ ‘৩০তম সেলিব্রেশন’ সেটটি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে। দীর্ঘ তিন দশক ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মূল আকর্ষণ হয়ে থাকা পিকাচুর এই বৈচিত্র্যময় উপস্থাপন সংগ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জন্য নতুন নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জন্য নতুন নির্দেশ

দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করেছে, যা ভূমি সেবা মাঠ পর্যায়ে অধিকতর গতিশীল, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার উদ্দেশ্যে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা প্রশাসকদের তাদের নিজ নিজ জেলার সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করতে হবে এবং এর নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকার ই-গভর্ন্যান্স চালুসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গতিশীল ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, জনসাধারণ যেন নির্বিঘ্নে ও যথাসময়ে ভূমি সেবা পান, সে জন্য ভূমি সেবা প্রদানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে নিয়মিত ও সময়মত উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।

এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অবিলম্বে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থাপিত ডিভাইসগুলো কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ব্যবহার করছেন কি-না, সেটি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য চিঠির মূল প্রাপক হিসেবে সব জেলা প্রশাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভাগীয় কমিশনার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সিস্টেম এনালিস্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের কাছেও পরিপত্রটির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%