শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
শারদীয় দুর্গাপূজার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের হাজারী গলিতে বিক্রি হচ্ছে নীল শাপলা, যা অনেকের কাছে নীল পদ্ম নামেও পরিচিত। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও পৌরাণিক আখ্যানে দুর্গাপূজায় নীল পদ্মের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তবে প্রকৃত নীল পদ্ম অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় পূজার্চনায় অনেক ক্ষেত্রে নীল শাপলা ব্যবহার করা হয়।
গ্রামবাংলার পুকুর ও জলাশয়ে একসময় প্রাকৃতিকভাবে ফুটত নানা রঙের শাপলা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে নীল শাপলার সহজলভ্যতা কমে যাওয়ায় এর কদর বেড়ে গেছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ফুলটির চাহিদা বৃদ্ধি পায়। পদ্মফুলের পাশাপাশি চুলেরও চাহিদা রয়েছে।
প্রতিবছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুদূর কক্সবাজার থেকে নীল শাপলা নিয়ে চট্টগ্রামে আসেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। হাজারী গলিতে বড় আকারের প্রতিটি নীল শাপলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর ছোট আকারের শাপলার দাম ৩০ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা, চেইন অব কমান্ড অনুসরণ এবং পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
ব্রিফিং প্যারেডে কমিশনার ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের সময় করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। তিনি পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক সদস্যকে নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
তিনি দায়িত্ব পালনকালে চেইন অব কমান্ড যথাযথভাবে অনুসরণ এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিএমপি কমিশনার আরও গুরুত্বারোপ করেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে। যাতে পূজারিরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন এবং নগরবাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ব্রিফিং প্যারেডে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, দুর্গাপূজায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
আজ শুক্রবার, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার কোন্ডা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও শিব মন্দির ও দুর্গা মন্দিরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত উপহার ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "দুর্গাপূজা ঘিরে নানা ধরনের রটনা, গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা রয়েছে।" তিনি সকলকে এসব বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরাও পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় এবং সার্বিক সহযোগিতায় সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "সরকার ও প্রধানমন্ত্রী পূজার সুষ্ঠু উদযাপনে বিশেষ নির্দেশনা ও অনুদান বরাদ্দ দিয়েছেন।" সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি নিজ তহবিল থেকেও মন্দিরগুলোতে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী ‘এমডিআইসি স্টেম ফেস্ট ২০২৬-২৭’ শুরু হয়েছে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা, সৃজনশীল চিন্তা, উদ্ভাবনী দক্ষতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশ করা। এতে রাজধানীর ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আট শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে মানারাত ক্লাবস ফর কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজের (এমসিসিএ) উদ্যোগে কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
স্টেম ফেস্টের আহ্বায়ক ও মানারাত সায়েন্স ক্লাবের ইনচার্জ ড. মো. মাকসুদুল আলম বলেন, “শিক্ষার্থীরা শুধু প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করবে, এমনটি নয়; বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করা এবং অর্জিত জ্ঞান মানবকল্যাণে প্রয়োগ করার মানসিকতাও গড়ে তুলবে—এটাই প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানে মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব উল আলম বলেন, “আমি আশা করি এবং প্রার্থনা করি, একদিন মানারাত থেকে একজন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পাবেন। আসুন, আমরা সেই স্বপ্ন দেখি। এ জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রব বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির ওপর মানবসভ্যতার সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভরশীল। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, আবিষ্কার ও গবেষণার মধ্য দিয়েই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। যারা আজ নিজেদের প্রকল্প ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করছে, তারাই আগামী দিনে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি উল্লেখ করেন, “বিজ্ঞান শুধু নতুন কিছু আবিষ্কারের মাধ্যম নয়, এটি নিয়মতান্ত্রিক চিন্তা ও অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া। মানবসভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে সহজ করেছে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। মহাকাশ গবেষণা, জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতের অগ্রগতি মহাবিশ্বের অজানা রহস্য জানার সুযোগ তৈরি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবান, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আজ জেলায় শুরু হয়েছে নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে।
উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করতে প্রশাসন অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এদিকে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পূজাকে কেন্দ্র করে মণ্ডপগুলোতে চলছে নানা আয়োজন।
আজ শুক্রবার সকালে মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকের বোল, কাঁসর ঘণ্টা, শাখের ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপগুলো।
সকালে বিভিন্ন মন্দিরে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এবারের আগমন ঘটেছে দেবী দুর্গার ঘোড়ায়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহালয়া, বোধন ও সন্ধিপূজা এই তিন পর্ব মিলে দুর্গাপূজা। দেবীপক্ষের শুরু হয় যে অমাবস্যায়, সেদিন মহালয়া হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, সেদিন কন্যারূপে মর্ত্যে আসেন দুর্গা।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বান্দরবান জেলা জুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের পাশাপাশি পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের সঙ্গে উৎসব উদযাপনে অংশ নিচ্ছেন শিশু থেকে বয়োবৃদ্ধ সকলেই।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্লব দাশ রাজেশ্বর জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে জেলা সদরের রাজারমাঠে দুর্গাপূজা উদযাপন করা হচ্ছে। এ আয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলায় এবারে ৩৩টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ