বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:০৭ এম
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতনের অভিযোগের মধ্যে নাদিয়া নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু ঘটে। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি বিষপান করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নাদিয়া উপজেলার টগড়া গ্রামের মৃত নাছির হাওলাদারের একমাত্র মেয়ে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তাঁর চাচা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হাবিবুল্লাহর সঙ্গে নাদিয়ার বিয়ে হয়।
নাদিয়ার মা অভিযোগ করেন, “আমার মেয়ের স্বামীর আগে থেকেই অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। এ কারণে সে নাদিয়াকে তেমন গুরুত্ব দিত না। স্বামীর পরিবারের লোকজনও আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। এসব অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।” স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাদিয়ার বাবা নাছির হাওলাদার মারা যাওয়ার পর তাঁর সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে হাবিবুল্লাহর সঙ্গে নাদিয়ার বিয়ে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিয়ের পর হাবিবুল্লাহ বিদেশে চলে যান। পরিবারের অভিযোগ, বিদেশে থাকা অবস্থায় তিনি নাদিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন না এবং তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণও করতেন না। এ সময় নাদিয়া শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। স্বামীর আচরণ নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে অভিযোগ করলে তাঁরা নাদিয়াকে সহযোগিতা না করে উল্টো বকাঝকা করতেন বলে অভিযোগ করেন তাঁর মা। পরিবারের দাবি, এ নিয়ে প্রায়ই নাদিয়ার সঙ্গে শ্বশুর-শাশুড়ির ঝগড়া-বিবাদ হতো।
অভিযোগ রয়েছে, হাবিবুল্লাহর অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে দাম্পত্য কলহের পাশাপাশি নাদিয়াকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। কিছুদিন আগে হাবিবুল্লাহ দেশে ফিরে আসার পর আবারও নাদিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। একপর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে নাদিয়া কচা নদীর ওপারে চরখালী এলাকায় তাঁর নানাবাড়িতে চলে যান। সেখানে তিনি বিষপান করেন।
বিষয়টি স্বজনদের নজরে পড়লে তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাদিয়ার মৃত্যু ঘটে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নাদিয়ার মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় ছিল। এ বিষয়ে জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত আলী খান বলেন, “ঘটনাটি এখন পর্যন্ত আমাদের জানা নেই। যেহেতু মরদেহ বরিশালে রয়েছে। মরদেহ আসার পর আমরা খোঁজ নেব। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী-০৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, পায়রা বন্দর অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে, অন্তবর্তী সরকারের সময় কিছু সংকটের কারণে অপারেশনাল কার্যক্রম দ্রুত অগ্রসর হয়নি।
বর্তমানে ড্রেজিং এবং হপার ড্রেজার ক্রয়ের উদ্দেশ্যে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, খুব শীঘ্রই এ প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদন লাভ করবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে প্রচণ্ড ব্যস্ততা বিরাজ করছে, অন্যদিকে মোংলা বন্দরে নাব্যতা সংকট বিদ্যমান। পায়রা দেশের একমাত্র নিরাপদ বন্দর।
যদি ড্রেজিং সমস্যা সমাধান করা যায়, তবে পায়রা বন্দর হবে সবচেয়ে কার্যকরী বন্দর। বর্তমান সরকার পায়রা বন্দরকে কার্যকরী করার জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এর আগে, তিনি বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এসময় পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল সৈয়দ সাইফ-উল ইসলাম, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান এবং কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হুয়ামুন সিকাদারসহ বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, কুয়াকাটার উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কাজটি বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমন আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার সমশ্রেণীর মানুষের সহায়তার জন্য কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্য হল, সরকারের সকল সুবিধা প্রকৃত অসহায়দের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আজ যারা সহায়তা পেয়েছেন, তাদের পরিবার কিছুটা উপকৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এই বক্তব্য তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া বজ্রপাতে নিহত এবং হতদরিদ্র নারীদের সরকারি প্রণোদনার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদান করেন। কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার বিকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, পৌর বিএনপি সভাপতি গাজী মোহাম্মদ ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কলাপাড়ায় বজ্রপাতে নিহত চাকামইয়া ইউনিয়নের খালেক হাওলাদার, সেতারা বেগম এবং ধুলাসার ইউনিয়নের জহিরের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৭৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। এছাড়া, হতদরিদ্র ২৯ নারীর জন্য ১০ হাজার টাকা করে মোট দুই লাখ ৯০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় ২৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ অনন্ত দাস (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কাঠালী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে পাহাড়ী ট্রাভেলসের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভরাডোবা হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই মেহেদী,সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কাঠালী এলাকায় মহাসড়কে পাহাড়ী ট্রাভেলসের একটি গাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় অনন্ত দাসের কাছ থেকে ২৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
ভরাডোবা হাইওয়ে থানার সাব-ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ অনন্ত দাসকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,উদ্ধার করা এসব ভারতীয় সিরাপ বাংলাদেশে ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে মাদকদ্রব্য হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। আটক অনন্ত দাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদক বিরোধী অভিযানে মোঃ সারোয়ার (২৫) নামে এক মাদকসেবীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বোগদহ কলোনী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মোঃ সারোয়ার ওই এলাকার আজম আলীর ছেলে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এসময় কাটাবাড়ি এলাকায় ৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ সারোয়ারকে হাতেনাতে আটক করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খান এর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।
সেখানে অপরাধ স্বীকার করায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত মাদকসেবীকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ