ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা


১৬ বছরের সাব্বিরের জীবন বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা

সাব্বির হোসেনের বয়স মাত্র ১৬ বছর। যেখানে সহপাঠীদের সঙ্গে বই-খাতা হাতে স্বপ্নের ডানা মেলার কথা, সেখানে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে নিয়তির কঠিন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তিনি। জীবন ও মৃত্যুর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এই তরুণকে বাঁচানো সম্ভব, যদি দ্রুত তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা যায়। চিকিৎসকরা আশাবাদী, বলেছেন, সঠিক সময়ে কেমোথেরাপি পেলে সাব্বির নতুন জীবন ফিরে পেতে পারেন। কিন্তু অর্থের অভাবে সব চেষ্টা থমকে গেছে; স্বজনদের নীরব হাহাকার এখন আশার আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে।

সাব্বির ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের বকশিপুর গ্রামের হতদরিদ্র আলমসাধু চালক সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। তিনি হরিণাকুন্ডু লাল মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের ৯০১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর বেডে বিশিষ্ট রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সম্প্রতি পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি মরণব্যাধি একিউট লিউকেমিয়া (এএমএল) বা ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত।

চিকিৎসকদের মতে, সাব্বিরের বয়স কম হওয়ায় নিয়মিত কেমোথেরাপি দেওয়া হলে তিনি সুস্থ হয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। তবে ক্যানসারের সুচিকিৎসার খবর পরিবারটির জন্য আনন্দের হলেও, চিকিৎসার ব্যয়ভার তাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিন এনে দিন খাওয়া একজন বাবার পক্ষে ক্যানসারের মতো জটিল রোগের খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব। ধারদেনা করে প্রাথমিক চিকিৎসার কিছু টাকা জোগাড় করা গেলেও, মূল কেমোথেরাপি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা শুরু করার মতো কোনো সঙ্গতি পরিবারের নেই।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে মাদক নিয়ে প্রতিবেদন করায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম

ছেলের এই ক্রমশ ক্ষয়ে যাওয়া দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মমতাময়ী মা মিতা খাতুন। তিনি সন্তানকে বাঁচানোর আকুল আকুতি নিয়ে এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। অন্যদিকে, সাব্বিরের দুই বোন খাদিজা ও হাজেরা এবং বড় ভাই মিথুন বাড়িতে দিন-রাত চোখের পানি ফেলছেন। ভাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে এই একটিমাত্র আশায় দিন কাটছে তাদের।

একটি সম্ভাবনাময় উদীয়মান জীবনকে অকালে ঝরে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং এই অসহায় পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে সমাজের দানশীল, হৃদয়বান ও বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রবাসী ভাইদের প্রতি করুণ আকুতি জানিয়েছেন অসুস্থ সাব্বিরের মা। আপনার বা আমাদের সামান্য সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তা ১৬ বছরের তরুণ সাব্বিরকে আবার নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে। সাহায্য ও যোগাযোগের ঠিকানা: রোগীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাঠাতে যোগাযোগ করুন: মোবাইল / বিকাশ: ০১৭১১-২০৪৮০৪ (রোগীর পরিবার)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় করলেন বিভাগীয় কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় করলেন বিভাগীয় কমিশনার

 

নড়াইলের লোহাগড়ায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অফিসিয়াল কাজের অগ্রগতি ও বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন এবং অগ্রগতি বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা প্রশাসক ডঃ মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।

সভায় প্রধান অতিথি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন বলেন, "সরকারি কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ ও সরকারি প্রকল্পগুলি গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। কাজের মান, সেবার মান বাড়াতে হবে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।"

মতবিনিময় সভায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুনমুন সাহা, এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মোঃ জসিম, উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাসুম খান, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ আলী আকবর, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুশান্ত কুমার মজুমদার, আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসাইন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অনিমেষ কুমার বিশ্বাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিনা খাতুন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষ রোপন করেন এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফেরত আনা ও পরিবারকে ক্ষতিপূরণ-পুনর্বাসনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফেরত আনা ও পরিবারকে ক্ষতিপূরণ-পুনর্বাসনের দাবি

 

খুলনায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবসের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বক্তারা জানিয়েছেন, যারা এখনও গুমের শিকার হয়ে ফিরে আসেননি, তাদেরকে অবিলম্বে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি, গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ এবং তাদের পরিবারকে পূণর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যদি গুমের শিকার ব্যক্তি জীবিত না থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পরিবারকে এই বিষয়টি জানাতে হবে। এই বিষয়ে ব্যর্থ হলে দেশে আবারও ফ্যাসিবাদি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং গুমের সংস্কৃতি পুনরায় ফিরে আসবে। বক্তারা আরও বলেন, প্রস্তাবিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬ এর ১৪ (৩) ও ২১ ধারা সংশোধন করে একটি বিতর্কহীন এবং সুন্দর আইন প্রণয়ন করে তা জাতীয় সংসদে পাশ করতে হবে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে রোববার (৩০ আগস্ট) মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিট মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। সকাল ১১টায় খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন এবং অধিকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত দিবসের বিবৃতি পড়ে শোনান ‘অধিকার’ খুলনা ইউনিটের ফোকালপার্সন সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, মোংলায় কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে মিরাজ শেখ নামে একজন জেলে ও মোটরসাইকেল রাইডারকে গুমের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয় যে, এই ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে এবং মিরাজকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। বক্তারা বলেন, স্বাধীন দেশে গুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে হবে, জনগণকে সংগঠিত করতে হবে। বক্তারা গুমের সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

সমাবেশে আরও জানানো হয়, গত ৩ অগাস্ট মন্ত্রিসভা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬ অনুমোদন করেছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া আইনে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগের তদন্তের ক্ষমতা পুলিশকে প্রদান করা হয়েছিল। গত ২৭ অগাস্ট এই খসড়া আইনের কিছু পরিবর্তন করে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়। এই আইনের ১৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত সংশ্লিষ্ট বাহিনী পরিচালনা করতে পারবে না এবং এই ক্ষেত্রে সরকার উক্ত অভিযোগের তদন্তভার অভিযুক্ত বাহিনী ব্যতিরেকে অন্য কোনো বাহিনী বা আন্ত:বাহিনীর তদন্ত দলের কাছে অর্পণ করতে পারবে। কিন্তু এটি বাস্তবায়নযোগ্য নয়। কারণ পুলিশসহ যেকোনো শৃঙ্খলাবাহিনী কর্তৃক গুমের তদন্ত পক্ষপাতদুষ্ট হবে।

অন্যদিকে, এই আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগটি আদালতে মিথ্যা বিবেচিত হলে অভিযোগকারীর ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে। ফলে এটি বিচারহীনতার পথকে আরও প্রশস্ত করবে এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে গুমের অভিযোগ দায়ের করতে নিরুৎসাহিত করবে।

সমাবেশ থেকে তিনটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- গুমের অভিযোগ তদন্ত করার ক্ষমতা শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে না দিয়ে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর তদন্তভার দিতে হবে এবং তা আইনে উল্লেখ করতে হবে, গুমের শিকার যেসব ব্যক্তি এখনও ফিরে আসেনি, তাদের স্ত্রী-সন্তানরা যাতে গুম হওয়া ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব পরিচালনাসহ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন সে ব্যবস্থা করতে হবে এবং যারা গুমের পর ফেরত এসেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। মানববন্ধনকালীন সমাবেশে বক্তৃতা করেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব ও আমার দেশ-এর খুলনা ব্যুরো প্রধান এহতেশামুল হক শাওন, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি ও মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মো. রাশিদুল ইসলাম, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এসকে তাসাদুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব আল-আমিন, খুলনা থানায় পুলিশের নির্যাতনের শিকার সাবেক ছাত্রদল নেতা এসএম মাহমুদুল হক টিটো, মানবাধিকার কর্মী শেখ আব্দুল হালিম, সাবেক যুবদল নেতা জি এম রাসেল ইসলাম, খুলনা জেলা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ ফারুক, রোটারিয়ান সাখাওয়াত হোসেন স্বপন, গুম থেকে ফিরে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো ইমরান হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল হান্নান, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম, ফটো সাংবাদিক বাপ্পি খাঁন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. রায়হান মোল্লা, সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ ইমরান, মুজাহিদুর রহমান, মিশারুল ইসলাম মনির, হাফেজ মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, স্নিগ্ধা সুলতানা মুন্নি, নাবা আক্তার শারমিন, গালিব হাসান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে পারবে না: খাদ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে পারবে না: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে পারবে না। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের নির্দেশে বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীত গ্রহণ করেছে। কেউ দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাভারের নামাবাজার এলাকায় খাদ্য গুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া দায়িত্ব সরকারের। সেই দায়িত্ব পালন করা আমার মূল কাজ। সবার সহযোগিতা এবং পরামর্শের ভিত্তিতে আগামীতে কাজ করে যাব।

এ সময় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, খাদ্য পরিদর্শক খন্দকার সেলিম হোসেন, সাভার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান বদির, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল আলম, সাভার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের সামনেই নারীকে লাথি, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


পুলিশের সামনেই নারীকে লাথি, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

রাজবাড়ী শহরে ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে জাকিয়া সুলতানা নামের এক নারী উদ্যোক্তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রাজবাড়ী শহরের কাপড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ জাকিয়া সুলতানাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

ভাইরাল ভি‌ডিওতে দেখা যায়, রাজবাড়ী সদর থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে ওই নারীকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক যুবক এসে তাকে লাথি মারেন। পরে আরও কয়েকজন যুবক এগিয়ে এসে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর ও লাথি মারতে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী কাপড়বাজারের কাদেরীয়া সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাকিয়া সুলতানার আস্থা ফ্যাশন নামে একটি কাপড়ের দোকান রয়েছে। ওই দোকানের নারী কর্মচারী শাজানাজ পারভীন বৃষ্টির সঙ্গে সম্প্রতি তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে প্রচার মাইকসহ কয়েকজন নারীকে নিয়ে জাকিয়া সুলতানা মার্কেটে যান। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যবসায়ী নেতারা সেখানে গিয়ে তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনা তৈরি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে পুলিশ জাকিয়া সুলতানাকে সঙ্গে নিয়ে বাজারের প্রধান সড়কে আসে। এ সময় সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকজন তাকে কয়েকবার লাথি মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, জাকিয়া সুলতানা তার নারী কর্মচারীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন এবং অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দিতেন। এ কারণে তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নারী কর্মচারীরা কয়েক মাস কাজ করার পর অন্যত্র চলে যেতেন বলেও দাবি তাদের। এ বিষয় নিয়ে বাজারে একাধিকবার সালিশ হয়েছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাকিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, ব্যবসার ক্ষতি করার জন্য পাশের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে নানা উপায়ে হয়রানি করছেন। তার ছয়জন কর্মচারীকে প্রলোভন দেখিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জাকিয়া সুলতানা বলেন, ওই কর্মচারী পাশের দোকানে যাওয়ার সময় খারাপ আচরণ করে গেছে। আমাকে যদি অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করা হয়, তাহলে এতদিন কেন কেউ বিষয়টি বলেনি বা প্রশাসনকে জানায়নি? এখন উদ্দেশ্য সফল করতে বৃষ্টি মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমার দোকানে মীম নামে একজন মেয়ে এখনো কাজ করছে। তাকে জিজ্ঞাসা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাজার কমিটির কাছে প্রতিকার চেয়েও পাননি। এ কারণে প্রতিবাদ জানাতে বাজারে গিয়েছিলেন। তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে কারখানাটিও বন্ধ হয়ে যাবে। এতে প্রায় চার হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বেন বলেও দাবি করেন তিনি।

জাকিয়া সুলতানার ভাষ্য, তার কারখানায় উৎপাদিত পণ্য ওই দোকান এবং অনলাইনের মাধ্যমে সারা দেশে বিক্রি হয়। পণ্যের মান ভালো ও দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বিক্রি ভালো হয়। এ কারণে অন্য ব্যবসায়ীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ।

রাজবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক কাজী বেনজীর আহমেদ বলেন, জাকিয়া সুলতানার দোকানের এক কর্মচারীকে বেতন না দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ছিল। তবে ওই ঘটনার পর বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, মূলত ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%