মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৫৫ পি.এম
কুষ্টিয়ার মিরপুরে টিকটক গ্রুপের মাধ্যমে পরিচয় গড়ে উঠে সমকামী প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের ফলস্বরূপ চার কিশোরী একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকার হেমায়েতপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে দুই জোড়া কিশোরী ‘বিয়ে’ করে একসঙ্গে বসবাস শুরু করে। নিখোঁজের ছয় দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের উদ্ধার করেছে মিরপুর থানা-পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার তিন কিশোরী ৫ অক্টোবর পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হলে মিরপুর থানা অনুসন্ধান শুরু করে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, টিকটকের মাধ্যমে মিরপুরের এক কিশোরীর পরিচয় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার এক কিশোরীর সঙ্গে হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে সমকামী প্রেমের সম্পর্ক। একইভাবে মিরপুরের আরও দুই কিশোরীর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হয়।
চার কিশোরী একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে ৫ অক্টোবর মিরপুরের তিন কিশোরী বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢাকার দিকে চলে যায়। সেখানে তারা নারায়ণগঞ্জের কিশোরীর সঙ্গে মিলিত হয়।
পুলিশ জানায়, চার কিশোরী ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেয়। সেখানে দুই কিশোরী নিজেদের মধ্যে ‘বিয়ে’ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্বামী-স্ত্রীর মতো একসঙ্গে থাকার দাবি করে। অপর দুই কিশোরীও একই বাসায় অবস্থান করছিল।
মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাকিলাদহ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইউসুফ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করেন। শনিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী চার কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, "মিরপুর থেকে নিখোঁজ তিন কিশোরীকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার হেমায়েতপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।" একই সময় নারায়ণগঞ্জের একজনকেও উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের টিকটক গ্রুপের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। একসঙ্গে থাকার উদ্দেশ্যেই তারা বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। পরে তাদের উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরের গাংনীতে ক্রাউন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় আব্দুস শুকুর (৫৫) নামের এক ভ্যানচালকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে গাংনী থানাধীন মঠমুড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান ব্রিকফিল্ডের সামনে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস শুকুর উপজেলার বামন্দি ইউনিয়নের বাদিয়াপাড়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন মালিথার পুত্র ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে আব্দুস শুকুর ভ্যান গাড়ি নিয়ে ছাতিয়ান ব্রিকফিল্ডের সামনের সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা মেহেরপুর গামী 'ক্রাউন পরিবহন' (রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো হ ১১-১০২৬) নামে একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বামন্দির একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার মশান বাজার এলাকায় পৌঁছালে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় এক ভ্যানচালকের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘাতক বাসটিকে হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে সরকারি অর্থে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে ব্যবহারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায় ১৩ কোটি টাকা খরচ করে নির্মিত সেতুটির দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক নেই। এর ফলে, যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষেরও নদী পার হওয়ার জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি কাঠের সিঁড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে।
ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও নদের ওপর সেতুটি নির্মাণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। সেতুর দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১৩ মিটার। নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে।
কিন্তু সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ না থাকায় এটি এখনো কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও জনগণ এর কোনো সুফল পাচ্ছে না। বরং সেতুর অবকাঠামো ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সেতুটি চালু না হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়ক ধরে অনেক দূরের পথ ঘুরে যেতে হয়। এই বিকল্প পথ সময়সাপেক্ষ এবং নিরাপত্তার দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ।
পাহাড় ও বনের ভেতর দিয়ে যাওয়া এই সড়কের দৈর্ঘ্য ১৭ কিলোমিটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলাতেও এখানে বনদস্যুদের উৎপাত চলে। যাত্রীবাহী যানবাহন আটকে মানুষকে জিম্মি করার ঘটনা এখানে নতুন নয়। অনেক সময় যাত্রীদের গভীর বনে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। দস্যুদের গুলিতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
এই ঝুঁকির কারণে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অর্থাৎ রাতে হঠাৎ কারও অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে এলাকার মানুষের হাতে তেমন কোনো বিকল্পই থাকে না।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সংযোগ সড়ক ছাড়াই সেতুটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। মানুষ সেতুতে ওঠানামা করছেন কাঠের সিঁড়ি দিয়ে। স্থানীয় কৃষক সাদেকুর রহমান জানান, মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য গত জুলাই মাসে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই সিঁড়িটি তৈরি করা হয়েছে। এলাকার উৎপাদিত ফসল এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগীদেরও ঝুঁকি নিয়ে এই সিঁড়ি দিয়ে সেতুতে তুলতে হয়।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সিঁড়িটি ভেঙে গেলে পারাপার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তিন ইউনিয়নের মানুষের সুবিধার জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু বানালেও তা কোনো কাজে আসছে না।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন শিক্ষার্থীরা। ঈদগড়ের স্কুলশিক্ষার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, প্রতিদিন দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই সিঁড়ি দিয়ে সেতু পার হয়ে ঈদগাঁও ও রামু সদরের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যান। বৃষ্টি হলে ভেজা কাঠের সিঁড়ি পার হওয়া বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। তার প্রশ্ন, এত দিনেও কেন সেতুটি চালু হলো না। একটি আনুষ্ঠানিক সংযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রতিদিন শিশু-কিশোরদের এভাবে ঝুঁকি নিয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে, এটি প্রশাসনের জন্যও ভাবনার বিষয়।
স্থানীয়রা মনে করেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। ঈদগড় ও গর্জনিয়ার বাসিন্দা আবুল কালাম ও আবদুর রহিমের মতে, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং ঠিকাদারের অবহেলার কারণে সেতুটি পাঁচ বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে। ব্যবহার না হওয়ায় সেতুর বিভিন্ন অংশ নষ্ট হতে শুরু করেছে। এতে জনগণের করের টাকায় তৈরি একটি সম্পদ অযত্নে ক্ষয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের ডাকাতি কমে আসবে। তখন হাজারো মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন, যাতায়াত খরচও অনেক কমবে। অর্থাৎ সেতুটি শুধু যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবেই নয়, এলাকার নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সংযোগ সড়ক না হওয়ার কারণ হিসেবে স্থানীয় প্রতিনিধিরা বেশ কয়েকটি বাধার কথা বলছেন। ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জানান, সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর পড়েছে। এতে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ওপর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যান। এতে প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে।
ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সেতুটি দ্রুত চালুর জন্য তৎপরতা চলছে। তাঁর ভাষ্য, সেতু চালু করা এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আগের দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর আশ্বাস, নতুন ঠিকাদার নিয়োগের পর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
তবে এলাকাবাসীর কাছে এই আশ্বাস নতুন নয়। পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করা মানুষের মনে প্রশ্ন, নতুন দরপত্রের প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কত সময় লাগবে। জমি-জটিলতার সমাধান না হলে নতুন ঠিকাদারও একই বাধার মুখে পড়তে পারেন। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দরপত্র আহ্বান যথেষ্ট নয়।
জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি আগে নিষ্পত্তি করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি। না হলে ১৩ কোটি টাকার এই সেতু আরও কিছুদিন কাঠের সিঁড়ির ওপর ভর করেই কোনোরকমে টিকে থাকবে, আর ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হবে হাজারো মানুষকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, সরকার প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা বিশেষ আদালত গঠন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) ৩০ বছর উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, "আমাদের শ্রম আদালত রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শ্রমিকদের জন্য বিশেষ শ্রম আদালত গঠন করা হয়েছে, শ্রমিক আইন করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রবাসীরা বিদেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর পর যখন পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা ফেরত চাইতে যান, কিংবা তাদের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়, তখন বছরের পর বছর তারা (প্রবাসীরা) আমাদের আইনজীবীদের পকেটে টাকা দেন, মামলা করতে থাকেন, তাদের জীবন শেষ হয়ে যায় মামলা টেকঅ্যাপ (বিচারক কর্তৃক শুনানির জন্য কোনো নির্দিষ্ট মামলার কার্যক্রম) করতে গিয়ে।"
তিনি আরও বলেন, "প্রবাসীদের জন্য আমরা বিশেষ আদালত গঠন করব বিশেষ করে ডিভিশনাল হেডকোয়ার্টারে। যে আদালত শুধুমাত্র প্রবাসীদের যেকোনো ধরনের সম্পদ সহায়তা দিতে পারবে, যেকোনো ধরনের প্রবাসী মামলা এই আদালত দেখবে, বিশেষায়িত আদালত।"
তিনি উল্লেখ করেন, "এই পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি এবং আশা করি এটা আমরা অচিরেই শুরু করতে পারব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিল ও উরুগুয়ের ম্যাচের উন্মাদনা কাটতে না কাটতেই কলকাতায় আবারও একটি বড় চমক সামনে আসছে। শহরের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় দ্বৈরথ ‘এল ক্লাসিকো’। রাজ্য ক্রীড়া দপ্তরের এই বিশাল উদ্যোগে ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৫ নভেম্বর যুবভারতীতে মুখোমুখি হবে স্প্যানিশ দুই পরাশক্তি রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। তবে এখানে বর্তমান দলের তারকারা অংশ নেবেন না, বরং শীতের শুরুতে কলকাতার মাঠে প্রদর্শনী ম্যাচে দেখা যাবে দুই ক্লাবের একঝাঁক কিংবদন্তি ফুটবলারকে। এই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেন পর্তুগালের কিংবদন্তি তারকা লুই ফিগো, যিনি অন্যতম মূল আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
বিশ্ব ক্লাব ফুটবলের অন্যতম রোমাঞ্চকর লড়াই হিসেবে পরিচিত এই ‘এল ক্লাসিকো’। রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনা ম্যাচের উন্মাদনা শুধু স্পেনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বজুড়ে। লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ঐতিহাসিক দ্বৈরথ পেরিয়ে এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও লামিনে ইয়ামালদের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। ভারতে এই দুই ক্লাবের বিশাল ভক্তশ্রেণি রয়েছে। এবার তারা ঘরের মাঠেই প্রিয় ক্লাবের সাবেক সুপারস্টারদের চোখের সামনে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
ভারতে লিজেন্ডদের ‘এল ক্লাসিকো’ এবারই প্রথম হচ্ছে না। এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে নবি মুম্বাইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই দলের সাবেক তারকারা; যেখানে রিয়াল ২-০ গোলের জয় পেয়েছিল। তবে কলকাতার এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে উভয় দলের কোন কোন কিংবদন্তি মাঠে নামবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সাধারণত রিয়াল মাদ্রিদের লেজেন্ডস স্কোয়াডে লুই ফিগো, ইকের কাসিয়াস, পেপে এবং রবার্তো কার্লোসদের মতো মহাতারকাদের দেখা যায়। অন্যদিকে বার্সেলোনা লেজেন্ডসে রিভালদো, রোনালদিনহো ও কার্লেস পুয়োলদের মতো বিশ্বজয়ী তারকারা রয়েছেন। বিশ্বজুড়ে তাদের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে। সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের কথা মাথায় রেখে ম্যাচটির টিকিটের মূল্য হাতের নাগালেই রাখা হবে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ