নোয়াখালী প্রতিনিধি বার্তা প্রেরক গিয়াস রনি
১১:৩২ এম
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ৭০০ পিস ইয়াবা, ৭ কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ মাদক কারবারি মো. আব্দুল হামিদ (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহব্বতপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া হামিদ একই ওয়ার্ডের হামিদ মিয়ার বাড়ির মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় মহব্বতপুর এলাকায় আব্দুল হামিদের মেকানিক দোকানে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় দোকান তল্লাশি করে ৭০০ পিস ইয়াবা, ৭ কেজি গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় হামিদকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেকানিক দোকানের আড়ালে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন।
জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত মাদক ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এ শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি, নকলা পৌরসভার জালালাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
৩ জুন দুপুরের দিকে জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর বিভিন্ন ক্যাটাগড়িতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের তালিকা বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে ২ জুন বিকেলে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক/শিক্ষিকা, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জেলা বাছাই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন এবং সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সায়েদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্রেষ্ঠ ইন্সট্রাক্টর (পিটিআই), শ্রেষ্ঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক ও কাব শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও শ্রেষ্ঠ কর্মচারী এই দশ ক্যাটাগড়িতে জেলার শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে রয়েছেন, নকলা উপজেলার ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং জালালাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর সাথে শেরপুর সদর উপজেলার শেরপুর পিটিআই’র ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ নোমান সাঈদ, প্রধান শিক্ষিকা মোছা. সাহানাজ পারভীন এবং জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী শেখ আহম্মেদ মুরাদ উল্লেখযোগ্য। নালিতাবাড়ীর সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সাঈদ ও কাব শিক্ষক মুহাম্মদ ছамেদুল ইসলাম, শ্রীবরদী উপজেলার প্রধান শিক্ষক মো. ফরাশ উদ্দিন এবং কাব শিক্ষিকা সীমা রাণী ঘোষ এবং ঝিনাগাতীর সহকারী শিক্ষিকা শামীমা আক্তারও তালিকায় আছেন।
এদিকে, নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হওয়ায় তাকে নানা দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অফিসার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ, নকলা পৌরসভায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলাদাভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনওকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শুভেচ্ছা জানানোর হিড়িক পড়েছে। একইভাবে, জেলার শ্রেষ্ঠ জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালামসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এলাকাবাসী নানা উপায়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নকলা ইউএনও-কে জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসেবে এবং জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নির্বাচিত করায় নির্বাচক মন্ডলীদের প্রতি তাঁদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি ধন্যবাদ জানানো হয়েছে ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম থেকে। তাঁরা এই অর্জনকে অংশীজনসহ নকলা উপজেলাবাসীর জন্য উৎসর্গ করেছেন।
উল্লেখ্য, মো. জাহাঙ্গীর আলম ২০১৮ সালে ৩৬তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের ২ তারিখে তাকে শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয় এবং ৭ তারিখে তিনি নকলায় যোগদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, "বিএনপির বিরুদ্ধে কোন গণহত্যার অভিযোগ নেই। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আছে এবং জামায়াত ইসলামীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আছে। এই দুইটা একই জিনিস, এদের বিরুদ্ধে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সচেতন থাকতে হবে।"
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে চাটখিল উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, "একাত্তরের পরে ২৪-এর যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে এটি ছিল একটা জনমানুষের আন্দোলন। এই কৃতিত্বের দাবিদার আমরা সকলেই। যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘ সতের বছর আন্দোলন, সংগ্রাম লড়াই করেছে। আমাদের নেতা ইলিয়াছ আলী চলে গিয়েছে আজ পর্যন্ত তার কোন হদিস পায়নি। চৌধুরী আলমের মত নেতাকে গুম করে ফেলা হয়েছে।"
"কয়েক হাজারের ওপরে মানুষকে গুম করে ফেলা হয়েছে, হত্যার শিকার হয়েছে। তাদের রক্তের কি কোন মূল্য নেই, তাদের রক্তের কি আমরা কোন শ্রদ্ধা জানাবোনা। আমাদের এত ভাই শহীদ হয়েছে, সতের বছর ধরে আন্দোলন করেছে।"
প্রতিমন্ত্রী অভিযোগ করেন, "৫ তারিখের পরে এসে আমরা বলি নাই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান আমাদের একক কৃতিত্ব। এটা আমরা কোন দিন বলি নাই বলবোও না। কোন কিছুর কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য আমরা লড়াই, সংগ্রাম আন্দোলন করি নাই। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রতি যখন জুলুমের সীমা অতিক্রম করে গিয়েছিল তখনই আমরা সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি, আন্দোলন করেছি।"
"মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনা হবে। জাতীয় জনজীবনে প্রত্যেকটি কাজে আমরা একাত্তরের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা কাজ করে যাব। একটি দল মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে, আরেকটি দল ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের অর্জন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।"
ইশরাক হোসেন বলেন, "২৪ এর গণঅভ্যুত্থানেও বহু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রাজপথে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেছে। গুলির মুখে দাঁড়িয়ে তারা আন্দোলন সংগ্রামকে সফল করার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছে এটা আমাদের মনে রাখতে হবে।"
"আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতৃবৃন্দ একাত্তর সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ করে নাই, তারা ওই পারে ছিল। তারা এটাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে লুটপাট করেছে। এই পার্থক্যটা আমাদের নতুন প্রজম্মকে স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বললে, মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে, একাত্তরকে অসম্মান করলে তাদেরকে আমরা কঠোর জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমরা চাই দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রাম লড়াইয়ের পর আর যেন জাতিকে বিভক্ত করা না হয়। বিগত সতের বছর জাতিকে বিভক্ত করে ফেলা হয়েছিল। এই বিভক্তি দূর করে দেশকে ঐক্যবদ্ধ করে সুখী, সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে।"
চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ.এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, চাটখিল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মনীষ দাশ এবং চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ।
এছাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল, সাবেক আহ্বায়ক দেওয়ান সামছুল আরেফিন শামিম, সদস্য সচিব আহসানুল হক মাসুদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পূর্ব শত্রুতার কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ফলে অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে ইউপি সদস্য কফিল মেম্বার ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ সময় ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। इसी উত্তেজনার জের ধরে সকাল বেলা উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হন।
আহতদের শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির মোল্লা এ বিষয়ে জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, এমনটাই জানান ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তোফাজ্জল হোসেন ভূঁইয়া (৪০) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে। তার কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক।
এর আগে, বুধবার (৩ জুন) বিকেলে আশুলিয়ার ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক তোফাজ্জল হোসেন ভূঁইয়া আশুলিয়া থানার মধ্য গাজিরচট এলাকার মৃত মাইজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি একজন কুখ্যাত ও পেশাদার মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার ইউনিক বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১২তলা এলাকায় মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসআই সৈয়দ আজিজুল হকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করে পালানোর চেষ্টা করার সময় তোফাজ্জল হোসেন ভূঁইয়া নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে ৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক আরও জানান, আটক ব্যক্তি একজন কুখ্যাত ও পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি আশুলিয়ার ইউনিকসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেটের কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ