বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:২১ এম
জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে হামলার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় দেশে থাকা ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বুধবার পুলিশ মহাপরিদর্শককে বিষয়টি জানিয়ে এ সংক্রান্ত চিঠিটি দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট এবং তীব্র তাপদাহের কারণে বিদ্যুত্ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পাওয়া সরবরাহ কমেছে। এর জন্য সারা দেশ, বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে জনরোষ চরমভাবে বেড়ে যাচ্ছে এবং কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র অফিসগুলো হামলার শিকার হচ্ছে।
এছাড়া চিঠিতে জানানো হয়েছে, দেশের ৫ কোটি ২০ হাজার গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৪ কোটির মতো গ্রাহক বিদ্যুৎ সেবা পেয়ে থাকে via পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এভাবে মোট গ্রাহকদের ৮০ শতাংশ এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় উৎপন্ন হয়। উল্লেখ্য, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না, বরং চাহিদার প্রেক্ষিতে বিদ্যুতের বরাদ্দ অনুযায়ী সরবরাহ করে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন জানায়, গত কয়েকদিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর গড় চাহিদা প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও তাদের বরাদ্দ পাচ্ছে গড় ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। এর ফলে দৈনিক গড়েই কোথাও ৮, ১০ কিংবা ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং ঘটছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে এবং তারা পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে উপকেন্দ্র এবং দায়িত্বরত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে ভুগছেন।
এ অবস্থায় চিঠিতে বাংলাদেশ পুলিশের মনোযোগ আকর্ষণ করে দেশের প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড উপকেন্দ্র ও অফিসগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের জন্য স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে গৃহকর্মীর প্রেমের বলি বাড়ির মালিক দম্পতি। সূত্রে জানা যায়, গৃহকর্মীর সঙ্গে ‘শারিরীক সম্পর্কের চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে বাড়ির মালিক-সহ ৩ খুন দাবি পুলিশের গৃহকর্মীর সঙ্গে ‘শারিরীক সম্পর্কের’ চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে বাড়ির মালিক-সহ ৩ জন খুন হন। তারা হলেন বাড়িওয়ালা আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম। ইতিমধ্যে সিলেট নগরেতে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী খুনের ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগষ্ট ২০২৬ইং) বিকাল ৩টার দিকে নগরীর রায়নগর এলাকা থেকেই বাবুল মিয়া (৪০) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়।
পুলিশ বলছে, গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বাবুল মিয়ার। দ্রুততার সঙ্গে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে বলেও দাবি পুলিশের। বাবুল রায়নগরের রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়া কলোনির মৃত নূর মিয়ার ছেলে। তিনি রংমিস্ত্রির কাজের পাশাপাশি কসাইয়ের কাজও করতেন।
সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বলেছেন, ঘটনার পর সন্দেহ ভাজন হিসেবে বাবুল মিয়াকে আটক করা হয়। সে বাসার রংমিস্ত্রির কাজ করত, মাঝে মাঝে কসাইয়ের কাজও করত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, ওই বাড়িতে কাজ করত। সে সুবাদে কাজের মেয়ে তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে বাবুল ওই বাসাতে প্রবেশ করে। তাহমিনা তাকে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকায়। তারপর দরজা বন্ধ করে দেয়।
পুলিশ কমিশনার বলেন, পরে বাবুল গৃহকর্মীকে নিয়ে একটি কক্ষে প্রবেশ করে। তাদের মধ্যে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন নিয়ে কথা কাটা-কাটি হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে বাবুল ছুরি দিয়ে মেয়েটিকে আঘাত করে।
তিনি বলেন, শব্দ পেয়ে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। তাদের চিৎকার শুনে গৃহকর্তা আব্দুস সাত্তার এগিয়ে আসেন। তখন তাকেও ছুরি মেরে হত্যা করে বাবুল। পরে সে বারন্দা দিয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, বাবুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশের একটি ঝোপঝাড় থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১ নম্বর বাসা থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে মহানগর পুলিশ। তারা হলেন- বাড়ির মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাদের কাজের মেয়ে তাহমিনা (১৮)।
আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পত্তির চার সন্তারে মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান আমেরিকায় থাকেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ট্রোকের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) প্রথম বর্ষের ছাত্র জাহিদুল ইসলাম সাইমন মারা গেছেন।
দৈনিক আমার দেশ থেকে খবর অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় তার মৃত্যু ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম বলেন, “হ্যাঁ, সাইমন আজ সন্ধ্যায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে। এভাবে তার চলে যাওয়া মেনে নেওয়া কষ্টকর।” তিনি আরও জানান, মারা যাওয়ার পর সাইমনের লাশ চট্টগ্রামের বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) সাইমন স্ট্রোক করার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনীতি
জ্বালানি সংকটের ৬টি কারণ তুলে ধরে ১৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেছেন, "বিএনপি সরকারের ‘পরিকল্পনাহীনতা এবং জ্বালানী ক্রয়ের সিদ্ধান্তহীনতা থেকেই’ বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং ‘এই অন্ধকার সরকারের তৈরি’।"
বুধবার তিনি গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তাঁর তথ্য ও প্রস্তাবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন।
নাহিদ ইসলামের বিবৃতিটি নিম্নরূপ: বিএনপি ভবিষ্যৎ সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিল, এটি জনগণের সরকারের হবে। কিন্তু বাস্তবে অলিগার্কদের সরকার গড়ে উঠেছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি বলেছিল, 'লুটপাট নয়, উৎপাদন; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা।' তারা দাবি করেছিল, এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। এখন ছয় মাস পর তাদের প্রতিশ্রুতি ভেঙে সরকার বিপরীত পথে অগ্রসর হচ্ছে। তারা বেসরকারিকরণের নামে জ্বালানী আমদানি ও বিদ্যুৎ বিতরণে অলিগার্ক বসানোর চেষ্টা করছে।
এক. ইশতেহারের উল্টো পথে
বিএনপি ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে অবিলম্বে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ সব কালাকানুন বাতিল করার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কারণ পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার এই আড়ালে কুইক রেন্টাল ও আইপিপির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছিল। অথচ, বর্তমানে বিএনপি তাদের দেয়া প্রতিশ্রুতিই মানছে না।
গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস সরকারের কাছে বড় পরিমাণে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বাজারজাতের অনুমতি চায়। এরপরই ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বিপিসিকে মাত্র ৪ দিন সময় দিয়ে ১০ আগস্টের মধ্যে 'বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬' র খসড়া জমা দিতে বলেছে। এ প্রেক্ষিতে বিপিসির চেয়ারম্যানকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি নীতিমালার জন্য চারদিনের সময় কি বিএনপির সুসাশনের নমুনা? ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে ১০ দিনে নামিয়ে এনেছে। ফলে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা অংশ নিতে পারবে না এবং দরদাতা সংকট তৈরি হবে। পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়বে, সিন্ডিকেটের দরজা খুলে যাবে।
দুই. ইতিহাস ফিরে আসছে
বিএনপি সরকারের সঙ্গে লোডশেডিং শব্দটি আবারও সমার্থক হয়ে উঠেছে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদেও এমন অসঙ্গত উন্নয়ন দেখা গিয়েছিল। দুই দশক পরেও তারা শিক্ষা নেয়নি।
তিন. টাকার অভাব? তথ্য বলছে ভিন্ন কথা
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের জন্য অর্থের যোগান নেই। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে দেশের গ্রস রিজার্ভ প্রায় ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২.৯ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।
বাস্তবে ডলার আছে। সমস্যা হলো ক্রয়ের টাইমলি শিডিউল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্ধারিত শিডিউল ছাড়া জ্বালানি সরবরাহ হতে পারে।
চার. উৎপাদিত সংকট
বিষয়টি হচ্ছে, বিপিসিকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং ক্রয় শিডিউলের অনুমোদন সময়মতো পরিশোধ করা হয়নি।
প্রশ্ন হচ্ছে, পছন্দের সরবরাহকারীর ব্যাপারে চাপ দিতে গিয়েই কি আমদানির শিডিউল বিপর্যস্ত হয়েছে? সরকারের পক্ষে বেসরকারি অলিগার্ক হাতে লাইসেন্স তুলে দেওয়া হবে।
পাঁচ. যুদ্ধের একমুখী অজুহাত টেকে না
এখন দেশের সেরা লোডশেডিং চলছে। ১০ আগস্ট ২০২৬ রাত ১টায় ৩,৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড হয়। ৪১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। সরকার দায় চাপাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ওপর, কিন্তু তথ্য বলছে যুদ্ধের আগেও পরিস্থিতি খারাপ ছিল।
ছয়. মহেশখালীর আগুন এবং জাতীয় সক্ষমতার প্রশ্ন
২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগে। ১৫ দিন ধরে দৈনিক ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। এখানে প্রশ্ন রয়েছে যে, স্বাধীন তদন্ত হয়েছে কি না এবং জাতীয় সক্ষমতার প্রশ্নও উঠে এসেছে।
এলপিজির অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে রয়েছে। বর্তমানে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলছে।
প্রধানত, মানুষ নিয়মিত শুল্কের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা তোলা দৃষ্টিতে যথেষ্ট স্ত্রী হতে পারে। বিএনপি সরকারের হাতে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানী সমস্যার কার্যকর কোনো সমাধান নেই। বিদ্যালয় শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে এই পরিস্থিতিও সম্পর্ক রাখে।
বিএনপি'র পরিকল্পনা ও নীতি বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের নতুন সমস্যা সূত্র।
তাকে তাৎক্ষণিকভাবে (আগামী ৩০ দিন) কিছু প্রস্তাব দেনঃ
১. তড়িঘড়ি বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া স্থগিত করুন।
২. আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ১০ দিন থেকে ৪২ দিনে ফিরিয়ে আনুন।
৩. বিপিসির সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর ক্রয় শিডিউল অবিলম্বে অনুমোদন করুন।
৪. মহেশখালী দুর্ঘটনার স্বাধীন কারিগরি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করুন।
৫. জাতীয় নিরাপত্তার সাথে যুক্ত থাকার পরিপ্রেক্ষিতে, জ্বালানির অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের উন্নয়ন করা হবে।
এছাড়া ভূমিকা রেখেছিল ব্যাপক সিদ্ধান্তের গুরুত্ব দেশের ইতিহাসে।
জনগণের স্বার্থে অপরাধের জন্য কোনো পদক্ষেপ কোনো গোষ্ঠীর প্রতি নয়, সরকারের প্রথম দায় জনগণের প্রতি।
সুতরাং, বিএনপি সরকার যতটা চেষ্টা করছে জনগণের ব্যবস্থাপনা সে তেমন সফল হতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয়ের নামে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ‘এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ফর ওমেন (ইসিডব্লিউ)’ নামের একটি কথিত এনজিও। গ্রাহকেরা ঋণ নিতে এসে অফিসে তালা ঝুলতে দেখে বিপাকে পড়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের গ্রাহক মো. মুস্তাকিম হাওলাদার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে চার-পাঁচজন ব্যক্তি, একজন মহিলাসহ, নিজেদের ইসিডব্লিউ এনজিওর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া এলাকার সৌদি প্রবাসী শিহাব বেপারীর তিনতলা ভবনের নিচতলা ভাড়া নেন। এরপর তারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সহজ শর্তে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহক সংগ্রহ করতে থাকেন।ঋণ পাওয়ার আগে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে জমা নেন তারা। বুধবার (১২ আগস্ট) গ্রাহকদের ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ নিতে এসে গ্রাহকরা অফিসে তালা ঝুলতে দেখে বিস্মিত হন। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে খুঁজে পাননি। সবগুলো নম্বর বন্ধ পাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা সদরপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন। ঢেউখালী ইউনিয়নের দুর্জয় খার ডাঙ্গী গ্রামের গ্রাহক জোসনা বেগম জানিয়েছেন, ‘আমি ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। বুধবার আমাকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। সেই টাকা দেওয়ার জন্য আমি ধার করে সঞ্চয়ের টাকা জোগাড় করেছিলাম।’ ভাষাণচর ইউনিয়নের হাওলাদার ডাঙ্গী গ্রামের সাহিনুর বেগম বলেছেন, ‘আমি ১৫ হাজার টাকা জমা দিয়েছি। ঋণ দেওয়ার কথা বলে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। এখন অফিস বন্ধ।’ ভবনের মালিক শিহাব বেপারীর স্ত্রী বলেন, অফিস ভাড়া দেওয়ার সময় অভিযুক্তদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে তারা জানান, শুক্রবার ঢাকা থেকে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে অফিস উদ্বোধন করবেন। ওই সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অগ্রিম ভাড়ার টাকা দেওয়া হবে। কিন্তু তার আগেই তারা অফিসে তালা দিয়ে চলে গেছেন। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেছেন, এই ঘটনার জন্য একজন গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ