ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা


এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনা

দেশের তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পেশাদার ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি)। এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এর লোগো উন্মোচন করেছেন। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক আয়োজন উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবিজি চেয়ারম্যানের বাসভবনে একটি বর্ণাঢ্য ‘ক্যাপ্টেনস মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো, যা তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য একটি সম্ভাবনাময় মঞ্চ তৈরি করছে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’-এ রাতের ফ্লাডলাইটের আলোয় একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে রাজধানীর ‘এবিজি স্পোর্টস সিটি’তে এই মেগা আসর শুরু হবে। এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়- আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB), সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU), ফেয়ারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

তরুণদের পেশাদার ক্রীড়া চর্চায় উৎসাহিত করতে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং রানার্স-আপ দলের জন্য ৫ লাখ টাকা প্রাইজমানি ঘোষণা করা হয়েছে। এই আকর্ষণীয় প্রাইজমানি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: হ্যারি ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড, ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪২৯ রান

অনুষ্ঠানে এবিজি স্পোর্টস সিটির ডিরেক্টর ইমরুল হাসান, অ্যাডভাইজার বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, টি স্পোর্টসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভির উল ইসলাম, অপারেশন্স ম্যানেজার সালমান হাসান ও ইকরাম হোসেন রাফিসহ ক্রিকেট ও ফুটবলের ২০টি দলের অধিনায়ক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী অধিনায়কেরা জানান, পেশাদার পরিবেশে নিজেদের মেধা ও দক্ষতা প্রমাণের এমন সুযোগ তাঁদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তাঁরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভবিষ্যৎ তারকা তৈরিতে অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফ্রিকার নারীদের স্বার্থে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ এম


আফ্রিকার নারীদের স্বার্থে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি

আফ্রিকার নারীদের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও অবৈতনিক শ্রমের গুরুত্ব বিবেচনায় বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্যান-আফ্রিকান মানবাধিকার কর্মী ক্রিস্টাল সিমিওনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নির্ধারণের সময় শুধুমাত্র সরকারি আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবেচনা করা যথেষ্ট নয়; বরং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি ও পরিচর্যা খাতে এর প্রভাব এবং নারীদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ কেমন পড়ছে, সেটাও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তিনি আফ্রিকার দেশগুলোর ঋণসংকট মোকাবিলায় নতুন নীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন, যা কাঠামোগত পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ঋণের চাপের কারণে সামাজিক খাতে ব্যয়ের সুযোগ কমে যাচ্ছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে মাথাপিছু গড় সুদ পরিশোধের ব্যয় ৭০ ডলার। এর বিপরীতে শিক্ষাখাতে মাথাপিছু ব্যয় ৬০ ডলার এবং স্বাস্থ্য খাতে ৩৯ ডলার। যখন সরকার ঋণ পরিশোধের চাপ সামলাতে ব্যয় সংকোচনের পথে যায়, তখন জনসেবা সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। এই প্রভাব নারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ে, কারণ পরিবারের পরিচর্যা, অসুস্থ সদস্যদের সেবা এবং ঘরোয়া কাজের বাড়তি দায়িত্ব প্রায়ই তাদেরই নিতে হয়।

কেনিয়াতে নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রতিদিন গড়ে ৩ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট বেশি অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যার কাজে ব্যয় করেন। অর্থাৎ অর্থনীতির কার্যক্রম সচল রাখতে নারীদের শ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও জাতীয় আয়-ব্যয়ের প্রচলিত হিসাবের বড় অংশে এই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।

এখানে অবৈতনিক শ্রম বলতে রান্না, শিশু ও বয়স্কদের পরিচর্যা, পরিবারের অসুস্থ সদস্যদের সেবা এবং অন্যান্য গৃহস্থালি কাজকে বোঝানো হয়েছে; যেগুলোর জন্য সাধারণত কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। এসব কাজের অর্থনৈতিক মূল্য হিসাবের বাইরে থাকলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নারীদের অবদানও আড়ালে থেকে যায়।

আফ্রিকা থেকে বিপুল পরিমাণ পুঁজি বেরিয়ে যাওয়াকে আরেকটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মহাদেশটি থেকে বছরে আনুমানিক ৮৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার পুঁজি বাইরে চলে যায়; এর পেছনে কর ফাঁকি ও অন্যান্য কারণ রয়েছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কর সহযোগিতাবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন নিয়ে চলমান আলোচনা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে। বহুজাতিক কোম্পানি কোথায় নিবন্ধিত বা তাদের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত, শুধু সেটির ভিত্তিতে কর নির্ধারণ না করে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেখানে সংঘটিত হয়, সেখানে মুনাফার যথাযথ কর আরোপের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হলে আফ্রিকার দেশগুলোর রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। সেই অর্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পানি সরবরাহ এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সেবায় ব্যয় করা সম্ভব হবে। তবে এর সুফল নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক সমঝোতা, কর প্রশাসনের সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নীতি বাস্তবায়নের ওপর।

নারীদের অবৈতনিক শ্রমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতে কেনিয়ার পরিসংখ্যান যথেষ্ট। ২০২১ সালে দেশটিতে মোট ৩০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ঘণ্টার অবৈতনিক গৃহস্থালি ও পরিচর্যার কাজের মধ্যে নারীদের অংশ ছিল ২৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ঘণ্টা। কেনিয়ার জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, এই কাজের আর্থিক মূল্য দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান।

এই তথ্যের ভিত্তিতে কেনিয়া জাতীয় ও কাউন্টি পর্যায়ের বাজেটে পরিচর্যাসংক্রান্ত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে একটি জাতীয় পরিচর্যা নীতি প্রণয়ন করেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নিয়মিত অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও এ ধরনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এতে পরিবারের অবৈতনিক শ্রমের পরিমাণ ও অর্থনৈতিক মূল্য দৃশ্যমান হবে এবং ঋণ পরিশোধের নীতির সঙ্গে সামাজিক ব্যয়ের সম্পর্ক আরো স্পষ্টভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

২০২৫ সালে মরিশাসে শিশুখাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। সিমিওনি এটিকে পারিবারিক ব্যয়ের চাপ কমাতে আর্থিক নীতি ব্যবহারের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আফ্রিকার ঋণসংকট মোকাবিলায় আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রস্তাবিত অভিন্ন অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গৃহীত ওই অবস্থানে সার্বভৌম ঋণ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি বাধ্যতামূলক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঋণ পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, ঋণগ্রহীতাদের অংশগ্রহণমূলক এবং শুধু ঋণদাতাদের স্বার্থনির্ভরতা থেকে মুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উন্নয়নশীল দেশগুলোর নতুন ঋণগ্রহীতা প্ল্যাটফর্মের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো ঋণসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আলোচনায় সমন্বিত অবস্থান নেওয়ার সুযোগ পাবে।

তবে প্ল্যাটফর্মটি বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কোনো সংস্থা নয়; এটি মূলত সমন্বয় ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থা। ফলে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক আলোচনায় তাদের অবস্থান কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তার ওপর।

দুটি সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব

সিমিওনি দুটি সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব করেছেন। প্রথমত, আইএমএফের ঋণ টেকসইতা মূল্যায়ন কাঠামোয় এমন পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে ঋণ পরিশোধের জন্য কত অর্থ প্রয়োজন, তার পাশাপাশি সামাজিক সেবা ও পরিচর্যা খাতে এর প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

দ্বিতীয়ত, ঋণ পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত আইএমএফের প্রতিটি কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য, পানি ও পরিচর্যা অবকাঠামোর জন্য ন্যূনতম বাধ্যতামূলক ব্যয়সীমা রাখতে হবে। শুধু সাধারণ সামাজিক ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ যথেষ্ট নয়; এসব খাতে ব্যয় নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

কেনিয়ার রাজস্ব পরিস্থিতির উদাহরণ দিয়ে তিনি সতর্ক করেছেন, দেশটির জাতীয় কোষাগারের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে কর রাজস্বের ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ঋণ ও পেনশন পরিশোধে ব্যয় হয়েছে। এতে নারীদের অবৈতনিক শ্রমের চাপ কমাতে সহায়ক সামাজিক কর্মসূচির জন্য সরকারের হাতে সীমিত অর্থ অবশিষ্ট থাকে।

আফ্রিকার অর্থনৈতিক সমস্যাকে শুধু ঋণের পরিমাণ বা বিনিয়োগের ঘাটতি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়নি। বরং ঋণনীতি, করব্যবস্থা, সরকারি ব্যয় এবং নারীদের অবৈতনিক শ্রমের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আফ্রিকার দেশগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে স্থানীয় বাস্তবতা এবং নিজস্ব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা জরুরি। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা হওয়া উচিত দেশগুলোর উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে সহায়তা করা, এমন শর্ত আরোপ করা নয়, যা জনসেবা ও সামাজিক সুরক্ষাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

তবে ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সামাজিক ব্যয়ের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নিশ্চিত করা বাস্তব নীতিনির্ধারণে জটিল চ্যালেঞ্জ। এ কারণে প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সমঝোতা, নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান এবং জবাবদিহিমূলক বাজেট ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার সাফল্য শুধু ঋণ পরিশোধ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি কিংবা বাজারে প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে পরিমাপ করা উচিত নয়। সেই ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, জনসেবা এবং নারীদের শ্রমের ওপর কী প্রভাব পড়ছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। আফ্রিকার নারীদের অর্থনৈতিক অবদানকে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে আনতে পারলেই আর্থিক সংস্কার আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনকল্যাণমুখী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমদানি নির্ভর জ্বালানি থেকে বের হতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ এম


আমদানি নির্ভর জ্বালানি থেকে বের হতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

সরকার আমদানি নির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমাতে এবং সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে চায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন সোলার ইকোসিস্টেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে চায়। এ লক্ষ্যে, দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণের উদ্যোগ আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, যারা নিজেদের বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল স্থাপন করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য সরকার সহযোগিতা প্রদান করবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে শুধুমাত্র বাতি জ্বালানোই নয়, বরং ফ্রিজ, টেলিভিশন এবং ওয়াশিং মেশিনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও চালানো সম্ভব। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের বৃদ্ধি আমদানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়েও সহায়ক হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় নারীকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি রহিম সরকার গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


কুমিল্লায় নারীকে পিটিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি রহিম সরকার গ্রেফতার

কুমিল্লার মুরাদনগরে পূর্ব শত্রুতার কারণে রাশিদা বেগম নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রহিম সরকার (৬০) কে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১-এর সিপিসি-২, কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইমরুল হাসান।

গ্রেফতার হওয়া রহিম সরকার মুরাদনগর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বাতেন সরকারের পুত্র।

এসআরবি-১১-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত ২৫ জুন সকালে মহেশপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার কারণে রাশিদা বেগমকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মহেশপুর গ্রামের খোরশেদ আলম ও রহিম সরকারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর আগে রহিম সরকারের পক্ষের সদস্য মাওলা সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার আসামি দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী রাশিদা বেগম ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২৫ জুন সকালে রাশিদা বেগম নিজ বাড়িতে আসেন। পরে গৃহপালিত পশু নিয়ে পিকআপভ্যানে করে বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় তার গাড়ির গতিরোধ করা হয়। এরপর রহিম সরকারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন তাকে পিকআপভ্যান থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার দুই মেয়েকেও মারধর করে আহত করা হয়।

পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাশিদা বেগমের মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় তার মেয়ে বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।

এসআরবি-১১ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রহিম সরকারকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাঙ্গরা বাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


মোহাম্মদপুরে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, বসিলা এবং গাবতলীমুখী সড়কগুলো বন্ধ করে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন অটোরিকশা চালকরা। এই সড়ক অবরোধের ফলে চারপাশের রাস্তায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মোহাম্মদপুর চার রাস্তার মোড়ে অবস্থান নেন চালকেরা।

অটোরিকশা চালক ইমাম হোসেন জানালেন, "আমাদের অবরোধের মূল দাবি একটাই—সড়কে আমাদের গাড়ি চলতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের গাড়ি ডাম্পিং করা হয়। ইউটার্ন নিতে গেলে গাড়ি ডাম্পিং করা হয় এবং পরবর্তীতে যখন আমরা গাড়ি আনতে যাই, তখন গাড়ি ফেরত দেওয়া হয় না। আজ না দিয়ে কাল দেওয়া হবে—এই বলে ঘোরানো হয়।"

অন্যদিকে, রবিউল আলম নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, "সড়ক যে জায়গায় আছে আমাদের গাড়ি সেখানে চলতে দিতে হবে—এটাই আমাদের প্রধান দাবি। আমাদের পুরো শহরে গাড়ি চালানোর প্রয়োজন নেই; আমাদের জন্য নির্ধারিত সড়কে চলাচল করতে দেওয়া হোক। সরকার মিরপুর রোডে অটোরিকশা উঠতে দেয় না, আমরাও সেখানে উঠি না। কিন্তু এখন আমাদের ধানমন্ডি রোডেও উঠতে দেওয়া হচ্ছে না, সেখানে গেলেই গাড়ি ডাম্পিং করা হচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%