ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এল ক্লাসিকোতে ফের অনুপস্থিত থাকছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ


এল ক্লাসিকোতে ফের অনুপস্থিত থাকছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ

এল ক্লাসিকোর আগে রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনার মাঠের বাইরের সম্পর্কের তিক্ততা আরও প্রকাশ্যে এসেছে। রোববার ক্যাম্প ন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ উপস্থিত থাকবেন না। নেগ্রেইরা-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই ক্লাবের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে পেরেজ এবারও বার্সেলোনায় যাচ্ছেন না, এমনটি জানিয়েছে মুণ্ডো দেপোর্তিভো।

পেরেজের অনুপস্থিতির পাশাপাশি, ম্যাচের আগে দুই ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের ঐতিহ্যবাহী মধ্যাহ্নভোজও অনুষ্ঠিত হবে না। এল ক্লাসিকোর পূর্বে দুই ক্লাবের কর্মকর্তাদের মধ্যে এই বৈঠক দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত একটি আনুষ্ঠানিকতা ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের অবনতির কারণে সেই রীতিও এবার বাদ পড়ছে।

মুণ্ডো দেপোর্তিভোর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদের একজন সহসভাপতি এবার ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে বিশেষ অতিথিদের আসনে উপস্থিত থাকবেন। ক্যাম্প ন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এল ক্লাসিকোয় পেরেজের এটি তৃতীয়বারের মতো অনুপস্থিতি হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বার্সেলোনার মাঠে লিগের এল ক্লাসিকোয় তিনি উপস্থিত ছিলেন। এরপর থেকে দুই ক্লাবের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের অবনতির সময়েই তাঁর অনুপস্থিতি দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: ১৫ নভেম্বর পেশাদার ফুটবলে ফিরছেন রোনালদিনহো, খেলবেন র‍্যাভেনার হয়ে

বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদের এবারের এল ক্লাসিকো অনুষ্ঠিত হবে ২৫ অক্টোবর, ক্যাম্প ন্যুতে। নেগ্রেইরা-কাণ্ডকে ঘিরে দুই ক্লাবের মধ্যে চলমান বিরোধের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের বাইরেও নানা বিষয়ে দুই পক্ষের দূরত্ব বেড়েছে। ফলে বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটির আগে পেরেজের অনুপস্থিতি এবং দুই ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী মধ্যাহ্নভোজ বাতিল হওয়া সেই টানাপোড়েনেরই আরেকটি প্রকাশ হিসেবে সামনে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ৪,৮৯৬ পূজামণ্ডপে ২০ হাজার পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


চট্টগ্রাম রেঞ্জের ৪,৮৯৬ পূজামণ্ডপে ২০ হাজার পুলিশের নিরাপত্তাব্যবস্থা

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১টি জেলার ৪ হাজার ৮৯৬টি পূজামণ্ডপে নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় ২০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েনসহ সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে রেঞ্জ পুলিশ। বডি ওর্ন ক্যামেরা, বিশেষ টহল, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, অপরাধবিরোধী অভিযান এবং একাধিক স্তরের তদারকির মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএমের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিচালিত হয়। ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনে তিনি রেঞ্জের ১১টি জেলা পরিদর্শন করেন। অতিরিক্ত ডিআইজিদের নেতৃত্বে চারটি তদারকি দল গঠন করা হয় এবং প্রতিটি জেলা ও রেঞ্জ অফিসে মনিটরিং সেল চালু করা হয়।

রেঞ্জ পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পূজা শুরুর এক মাস আগে থেকেই সম্ভাব্য অপরাধ প্রতিরোধ, প্রতিমা তৈরির স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং অনলাইনে গুজব ছড়ানো ঠেকাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসব প্রস্তুতি ও সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে রেঞ্জের ১১টি জেলায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিটি পূজামণ্ডপে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের জন্য একটি বড় ধরনের ব্যবস্থাপনাগত চ্যালেঞ্জ ছিল। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু পুলিশ সদস্য মোতায়েন নয়, প্রতিটি পূজামণ্ডপকে সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় আনা হয়।

নিরাপত্তা পরিকল্পনায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্ট্যাটিক পুলিশ ফোর্স, বডি ওর্ন ক্যামেরা, স্বেচ্ছাসেবক ও স্ট্যান্ডবাই জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়। মোবাইল পেট্রল, মোটরসাইকেল পেট্রল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনো এলাকায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার মাঠপর্যায়ে পুলিশের দায়িত্ব পালন নথিবদ্ধ করা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় পূজামণ্ডপের কার্যক্রম ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সচল রাখার প্রস্তুতির অংশ ছিল স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় চট্টগ্রাম রেঞ্জজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। এর পাশাপাশি ছয় প্লাটুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং ১৫ প্লাটুন রিজার্ভ রেঞ্জ ফোর্স (আরআরএফ) সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত টহল, গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে এ জনবল মোতায়েন করা হয়। স্ট্যাটিক ফোর্সের পাশাপাশি মোবাইল ও মোটরসাইকেল পেট্রল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে বিস্তৃত এলাকায় সক্রিয় রাখা হয়। প্রয়োজনে দ্রুত অতিরিক্ত সহায়তা দিতে প্রস্তুত রাখা হয় স্ট্রাইকিং ফোর্স।

চার দিনে ১১ জেলা পরিদর্শন ডিআইজির

নিরাপত্তা কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএমের সরাসরি মাঠপর্যায়ের তদারকি। ১৬ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনে তিনি রেঞ্জের ১১টি জেলার সবগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়।

বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা ও বিপুলসংখ্যক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকিতে অতিরিক্ত ডিআইজিদের নেতৃত্বে চারটি দল গঠন করা হয়। দলগুলোর দায়িত্ব বণ্টন করা হয় এভাবে—প্রথম দল কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর; দ্বিতীয় দল নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর; তৃতীয় দল চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবান এবং চতুর্থ দল রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দায়িত্ব পালন করে।

এতে রেঞ্জ অফিসের কেন্দ্রীয় তদারকির পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়েও নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

এএসপি থেকে এসপি—সব পর্যায়ে তদারকি

পূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) থেকে পুলিশ সুপার (এসপি) পর্যন্ত কর্মকর্তাদের তদারকির আওতায় রাখা হয়। জেলা ও থানা পুলিশের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় এবং রেঞ্জ অফিসে মনিটরিং সেল চালু করা হয়।

এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের নিরাপত্তা কার্যক্রমের সঙ্গে রেঞ্জ পর্যায়ের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সমন্বয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। দায়িত্ব বণ্টনের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নজরদারি অব্যাহত রাখায় বিপুলসংখ্যক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত কাঠামো তৈরি হয়।

পূজার এক মাস আগে থেকেই অপরাধবিরোধী অভিযান

পূজার দিনগুলোতে শুধু তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সম্ভাব্য অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আগাম উদ্যোগ নেয় চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ। পূজা শুরুর এক মাস আগে থেকেই বিভিন্ন জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসব উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল উৎসবকে কেন্দ্র করে অপরাধের আশঙ্কা কমানো, অপরাধপ্রবণ ব্যক্তিদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখা। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির সময় থেকেই সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে নজরদারি চালানো হয়। ফলে পূজার প্রস্তুতিপর্ব থেকে শুরু করে উৎসব চলাকালীন নিরাপত্তার বিষয়টি পরিকল্পনার আওতায় রাখা হয়।

অনলাইনে গুজব প্রতিরোধে নজরদারি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রেঞ্জের ১১টি জেলার অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও গুজব প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়।

জেলা পুলিশকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া সম্ভাব্য উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তার পাশাপাশি তথ্যপ্রবাহ পর্যবেক্ষণকেও উৎসবের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ করা হয়।

স্থানীয় অংশীজনদের সম্পৃক্ততা

পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক অংশীজনদের সহযোগিতার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থার দৃষ্টান্ত

চট্টগ্রাম রেঞ্জের দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থার বিশেষত্ব ছিল জনবল মোতায়েন, প্রযুক্তির ব্যবহার, বিশেষ টহল, আগাম অপরাধবিরোধী অভিযান, অনলাইন নজরদারি এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের তদারকিকে একই পরিকল্পনার আওতায় আনা।

ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএমের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চার দিনে ১১টি জেলা পরিদর্শন, চারটি তদারকি দলের মাধ্যমে দায়িত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে মনিটরিং সেল চালুর মধ্য দিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের কাঠামো গড়ে তোলা হয়।

রেঞ্জ পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ১১টি জেলার ৪ হাজার ৮৯৬টি পূজামণ্ডপে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়েছে। এ কার্যক্রমে জেলা পুলিশ, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় অংশীজনদের সমন্বিত ভূমিকা ছিল।

আগাম প্রস্তুতি, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, দায়িত্বের সুনির্দিষ্ট বণ্টন এবং ধারাবাহিক তদারকির সমন্বয়ে পরিচালিত এ নিরাপত্তাব্যবস্থা ভবিষ্যতে দুর্গাপূজাসহ বড় ধর্মীয় উৎসব ও বৃহৎ জনসমাগমের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় অনুসরণযোগ্য অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিয়োমান্দে মার্তিন্সের ২৩ বছরের রেকর্ডে ভাগ বসালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


দিয়োমান্দে মার্তিন্সের ২৩ বছরের রেকর্ডে ভাগ বসালেন

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে বুধবার রাতে লাইপজিগের বিপক্ষে মাঠে নেমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন ১৯ বছর বয়সী আইভরি কোস্টের উইঙ্গার ইয়ান দিয়োমান্দে। ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে প্রবেশ করার পর, মাত্র ১৭ মিনিটের মধ্যে গোল ও সতীর্থকে গোল করিয়ে রিয়ালের ৪-১ ব্যবধানের জয়ে সরাসরি অবদান রাখেন তিনি।

এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে, পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার হিসাবে, একই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে গোল ও সহায়তা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম বয়সী আফ্রিকান খেলোয়াড়দের তালিকায় গত ২৩ বছরের বিশেষ কীর্তিতে পৌঁছেছেন দিয়োমান্দে। ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টার মিলানের হয়ে আর্সেনালের বিপক্ষে একই কীর্তি গড়েছিলেন নাইজেরিয়ার ওবাফেমি মার্তিন্স।

দিয়োমান্দে মাঠে নামার পর রিয়ালের আক্রমণে নতুন গতি আসে। তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলের জন্য সহায়তা করেন এবং পরে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন। সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স তাঁর জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

গ্রীষ্মের দলবদলে লাইপজিগ থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর, শুরুতে দিয়োমান্দেকে নিয়ে কিছু সমালোচনা ছিল। তবে সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে তাঁর পারফরম্যান্স দ্রুত বদলে দিচ্ছে সেই চিত্র। লাইপজিগের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া রাতটি ইউরোপের সর্বোচ্চ মঞ্চে তাঁর উত্থানের আরেকটি বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেটফ্লিক্সে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


নেটফ্লিক্সে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশের ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’

বাংলাদেশি ওয়েব কনটেন্টকে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচই। নেটফ্লিক্সের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের দুইটি আলোচিত প্রযোজনা ‘মহানগর’ ও ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ আন্তর্জাতিক এই স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সংগ্রহে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

এই চুক্তির আওতায় আগামী দুই বছরের মধ্যে হইচইয়ের প্রশংসিত সিরিজ এবং নতুন মৌলিক গল্পগুলো হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের জন্য উপলব্ধ হবে। এর ফলে বাংলা ভাষার গল্প এবং নির্মাতাদের কাজ আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও বেশি পরিচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

নেটফ্লিক্সে যুক্ত হতে যাওয়া বাংলাদেশের দুই প্রযোজনার মধ্যে ‘মহানগর’ নির্মাণ করেছেন আশফাক নিপুন। অন্যদিকে, ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’ পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী। আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বাংলাদেশের নির্মাতাদের কাজ তুলে ধরার জন্য এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এছাড়াও, হইচইয়ের তালিকায় রয়েছে ‘ম্যাডাম ইন্সপেক্টর’, ‘সম্পূর্ণা’, ‘লজ্জা’, ‘একেন’, ‘অজানা ছায়া’সহ বেশ কয়েকটি সিরিজ ও চলচ্চিত্র। নতুন মৌলিক কনটেন্টগুলো হইচইয়ের নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে মুক্তির পাশাপাশি নেটফ্লিক্সেও হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় প্রকাশ করা হবে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, হইচই স্টুডিও নতুন কিছু মৌলিক সিরিজ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। পরিচিত গল্পগুলোকে ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করার পাশাপাশি নতুন প্রতিভা ও সৃজনশীল কাজকে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্য রয়েছে। নতুন প্রযোজনাগুলোর বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো ভারত

ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে পরাজিত করেছে ভারত। টস জিতে নিউজিল্যান্ড বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ভারতকে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রানে আটকে দেয়। এরপর ভারত ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩০ রান করে জয় অর্জন করে। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।

নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করে। ৫.২ ওভারে ৫০ এবং পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৬৫ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। টিম সেইফার্ট ৪৯ রানে এবং ফিন অ্যালেন ৮০ রানে ফিরে গেলেও গ্লেন ফিলিপস ও ড্যারিল মিচেল ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফিলিপস ৫১ বলে ৭৪ রান করেন, যেখানে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কা ছিল। বেভন জ্যাকবস ২৫ বলে ৩১ রান করেন। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান সংগ্রহ করে।

নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে মিচেল স্যান্টনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেন। তিনি সঞ্জু স্যামসনকে ৬৭ রানে বোল্ড করেন। কিন্তু ভারতের ব্যাটিংয়ের আক্রমণাত্মক গতির সামনে স্বাগতিক বোলাররা রান আটকাতে ব্যর্থ হন। স্যান্টনারের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের বোলাররা ভারতের ৬টি উইকেট তুলে নিলেও ১৯.৪ ওভারের আগে ২২৫ রানের লক্ষ্য রক্ষা করতে পারেনি।

২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ভারত আরও ভয়ংকর গতিতে শুরু করে। মাত্র ৩.২ ওভারে ৫০ এবং পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৯৪ রান তুলে নেয় তারা। সঞ্জু স্যামসন মাত্র ২৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩৩ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যেখানে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। স্যামসনের বিদায়ের পরও ভারত রান তোলার গতিকে ধরে রাখে।

ভারতের ইনিংসে স্যামসনের পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাটাররাও প্রয়োজন অনুযায়ী অবদান রাখেন। অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মা, ঈশান কিষান, অক্ষর প্যাটেল ও শ্রেয়স আইয়ারের উইকেট হারালেও ভারত লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যায়নি। ১৮তম ওভারে দলীয় ২০০ রান পেরিয়ে যাওয়ার পর শেষ দিকে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় তারা। ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩০ রান করে ভারত ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।

এভাবে বড় সংগ্রহ করেও নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জিততে পারেনি। বিপরীতে সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ৬৭ রানের ইনিংস ভারতের রান তাড়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় এনে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%