ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে ৬ বার উদ্যোগ, তবু কেন ক্ষমা চায়নি জামায়াত?


মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে ৬ বার উদ্যোগ, তবু কেন ক্ষমা চায়নি জামায়াত?

জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের নতুন বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় দলের ভূমিকা নিয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রতিটি উদ্যোগই থমকে গেছে। বইটির নাম ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ এবং এতে এসব ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।

রাজ্জাকের বর্ণনায়, প্রথমবারের মতো ১৯৯৪ সালে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধারের পর ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি প্রস্তাব দেন যে, নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার পর গোলাম আযম যেন একাত্তরের বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য দেন। যদিও নীতিগতভাবে প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন, বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গোলাম আযম সাধারণভাবে ক্ষমা চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। তিনি বলেন, ‘অতীতে যদি আমি কোনো ভুল করে থাকি, দয়া করে আমাকে ক্ষমা করবেন।’ রাজ্জাকের মতে, এটি ছিল নিতান্তই দায়সারা।

২০০১ সালে চারদলীয় জোটের নির্বাচনী বিজয়ের পর দ্বিতীয় বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপক– আফতাব আহমেদ, এম মাহবুবউল্লাহ ও আবদুর রবের সহযোগিতায় সাতটির বেশি খসড়া তৈরি করে নেতারা এক বিবৃতিতে ঐকমত্যে পৌঁছান। কিন্তু ঘোষণার ঠিক আগমুহূর্তে তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী মত পরিবর্তন করেন, যা রাজ্জাক উল্লেখ করেছেন। আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাজ্জাককে জানান, তার ধারণা, এই পরিবর্তনটি নিজামী করেছিলেন কোনো প্রবীণ নেতার পরামর্শে, যার নাম কখনো প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: চিফ হুইপের বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের, বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান না হলে সরকারি বরাদ্দ পাবেন না

২০০৫ সালে বিষয়টি দলের ওয়ার্কিং কমিটিতে তোলা হলে কণ্ঠভোটে তা বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রত্যাখ্যাত হয়। বিরোধীরা যুক্তি দেন যে, পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ভুল ছিল না এবং ক্ষমা চাইলে পাকিস্তান অসন্তুষ্ট হবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন এক সাবেক সংসদ সদস্য। রাজ্জাক পরে লিখেছেন যে, ইতিহাস প্রমাণ করেছে সেই আশঙ্কা ভিত্তিহীন ছিল।

২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত একাধিকবার আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি দল। ২০১১ সালে মজলিশে শুরার শেষ উন্মুক্ত অধিবেশনেও রাজ্জাকের প্রস্তাব গুরুত্ব পায়নি। ২০১৬ সালে নেতাদের ফাঁসি কার্যকরের পর নতুন নেতৃত্বের সময়ও একটি খসড়া তৈরি হয়, বিদেশি আইনজীবী টবি ক্যাডম্যানের সহায়তায় একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু সেটিও প্রকাশের মুখ দেখেনি।

রাজ্জাকের মূল্যায়ন হলো, প্রতিবারই দলের ভেতরের প্রভাবশালী একটি অংশ হস্তক্ষেপ করে উদ্যোগ থামিয়ে দিয়েছে। তার মতে, একাত্তরের ভূমিকা আজও জামায়াতের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে রয়ে গেছে—দুই দশকে অর্ধডজনের বেশি খসড়া বিবৃতি তৈরি হলেও একটিও প্রকাশিত হয়নি।

আরও পড়ুন: জামায়াতের ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করার আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে সৌদি আরব: হুথি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ এম


মক্কাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে সৌদি আরব: হুথি নেতা

হুথিদের নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি আরব মক্কাকে রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যবহার করে ইয়েমেনের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক ঘণ্টার ভাষণে তিনি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। আলজাজিরার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, আল-হুথি উল্লেখ করেন যে, সৌদি আরব মক্কাকে ‘নিপীড়নের প্রতীক’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি এটিকে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেন।

সম্প্রতি সৌদি আরব অভিযোগ করেছে যে, আনসার আল্লাহ গোষ্ঠী মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আল-হুথি এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মুসলিম বিশ্বের প্রতি সৌদি আরবের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে ইয়েমেনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

হুথি নেতা জানান, ইয়েমেনে সৌদি আরবের আগ্রাসনের এটি ১২তম বছর। তার দাবি, বর্তমান সংঘাতের এই পর্যায় সৌদি আরবই শুরু করেছে। তিনি বলেন, মক্কা ও অন্যান্য ঘটনার প্রেক্ষিতে সৌদি সামরিক অভিযান চালানোর পর ইয়েমেনে পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হয়েছে।

আল-হুথির ভাষ্য অনুযায়ী, সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি সামরিক অভিযান এবং পরবর্তী সময়ে মোচা দখল ও আনসার আল্লাহর অগ্রযাত্রার মাধ্যমে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। তিনি দাবি করেন, আনসার আল্লাহ দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে মোচা, ধাবাব ও বাব আল-মান্দাবের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

হুথি নেতা আরও বলেন, সৌদি আরব ইয়েমেনকে আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে যেতে বাধ্য করেছে। তার মতে, বর্তমানে ইয়েমেনে হুথিদের সামরিক তৎপরতা একটি দেশের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ, যারা ইয়েমেনকে অধীন ও নিপীড়িত অবস্থায় রাখতে চায়।

আল-হুথি আরও অভিযোগ করেন যে, সৌদি আরবের সামরিক কর্মকাণ্ডের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ‘জায়নবাদীরা’ নেতৃত্ব দিচ্ছে। তার দাবি, তারা সৌদি আরবের ওপর রাজনৈতিক নীতি চাপিয়ে দিচ্ছে এবং সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করছে।

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


সৌদির কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২৪.৩ বিলিয়ন ডলার। খবর আল জাজিরার

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, এই চুক্তি সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদার করবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত এফ-৩৫ বিক্রি হলেও এতে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্য বদলাবে না বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতি তুলে ধরা হয়েছে—মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের তুলনায় ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা এগিয়ে থাকতে হবে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন ইয়েমেনের হুথিরা দাবি করেছে, তারা বুধবার মারিব শহরের আকাশে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।

হুথিরা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে শহরের একটি এলাকায় যোদ্ধাদের পোড়া ধ্বংসাবশেষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের দাবি, সেটি সৌদি চিহ্নযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ।

হুথিদের দাবি, বিমানটি একটি ‘স্থানীয়ভাবে তৈরি’ ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। সত্য হলে, এটি ইয়েমেনে হুথিদের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে।

 

এতদিন ইয়েমেনে সৌদি আরবের সামরিক বাহিনী আকাশপথে তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে ছিল। প্রতিবেশী ইয়েমেনে হামলা চালাতে তারা বিমানশক্তির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য পেতে যেসব আমল করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:০৮ এম


কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য পেতে যেসব আমল করবেন

আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো কাজের সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে বিপদ, দুশ্চিন্তা বা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য বহু দোয়া বর্ণিত হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবী (স.) এই দোয়া সমূহ পাঠ করতেন এবং সাহাবিদেরকে তা শিখিয়েছেন।

দোয়া ইউনুস

কঠিন বিপদের সম্মুখীন হলে যখন কোনো উপায় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় না, তখন এই দোয়া পাঠ করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়ে থাকে। হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেটে অবস্থানকালে এই দোয়াটি পাঠ করে মুক্তি লাভ করেছিলেন।

لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ-জালিমীন।

অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।

এক ব্যক্তি জানতে চেয়েছিলেন, আল্লাহর সাহায্য লাভের উপায় কী? তার প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা উত্তরার জামিয়া ইমাম বুখারীর মুফতী ও মুহাদ্দিস সাইদুজ্জামান কাসেমি বলেন, আল্লাহর সাহায্য লাভের প্রধান উপায়সমূহ হলো-

সালাত ও ধৈর্য ধারণ: কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে সালাত ও ধৈর্যের মাধ্যমে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ

‘আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী লোক ছাড়া অন্যদের ওপর কঠিন।’ (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৪৫)

একনিষ্ঠভাবে দোয়া করা: সকল ধরনের শিরক ও আত্মঅহংকার ত্যাগ করে একমাত্র আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে একনিষ্ঠতার সঙ্গে।

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

‘আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই কাছে সাহায্য চাই।’ (সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫)

তওবা ও ইস্তিগফার: নিয়মিতভাবে ইস্তিগফার করা উচিত, কারণ ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে বিপদ-আপদ দূর হয় এবং আসমানি সাহায্য নেমে আসে।

فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ۝ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا

‘অতঃপর আমি বলেছি, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন (রহমত ও সাহায্য পাঠাবেন)।’ (সূরা নূহ, আয়াত: ১০-১১)

সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ: সমাজে ভালো কাজের প্রসার ঘটানো এবং অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা উচিত।

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ

‘হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে (আল্লাহর দ্বীনকে) সাহায্য করো, তবে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পা স্থির রাখবেন।’ (সূরা মুহাম্মাদ, আয়াত: ৭)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১০ এম


আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টানা তিন দফা কমার পর দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে সবশেষ ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সবশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%