বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৪০ পি.এম
রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনার মধ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে, শারীরিক অসুস্থতাকে পদত্যাগের একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। সরকার এবং বিএনপির একাধিক সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের প্রসঙ্গে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে, তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সম্পর্কিত একটি সূত্র বুধবার (২২ জুলাই) রাতের সময় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা খুব শিগগিরই রয়েছে। তবে এই বিষয়ে সূত্রটি প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অপরদিকে, রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কে আসতে পারেন, সেই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছিলেন এমন একজন সচিবের নাম নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান এবং আরও কয়েকজনের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচিত হয়েছিল।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় এটি রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব ধারণ করছে।
যদিও রাষ্ট্রপতি পদে নিজের নাম আলোচনায় থাকা প্রসঙ্গে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। তিনি বলেন, "আমি এ বিষয়ে একেবারেই অবগত নই। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অনেকের নামই আলোচনা আসতে পারে, সেটিই স্বাভাবিক।"
এদিকে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আল-জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের লিখেছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। এর চাইতেও বিস্ময়কর খবর হলো নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির শীর্ষ নেতার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নাম রয়েছে।
তবে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ সম্পর্কিত এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন অথবা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা অথবা বক্তব্য প্রদান করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিট পরীক্ষা বিতর্ক এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি ব্যবস্থার প্রতিবাদে বিরোধীদের বিক্ষোভের কারণে রাজনৈতিক পারদ বর্তমানে তুঙ্গে উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে যাওয়া বিরোধীদের এই অবস্থান বিক্ষোভকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার মারাত্মক লঙ্ঘন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপি সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত।
বুধবার সংসদ ভবন চত্বরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা অভিযোগ জানান, বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ইচ্ছে করেই আন্দোলনকারীদের প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন জনপথে প্রতিবাদ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল, তখন কেন রাহুল গান্ধী আন্দোলনকারীদের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে পরিচালিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছিলেন? আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে এই ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপকে দেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
এছাড়া, নিট ইস্যুতে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করে কঙ্গনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা এবং এই ঘটনার কারণে তার পদত্যাগের দাবি তোলা সম্পূর্ণ অবান্তর।
অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই এক বিবৃতিতে বিরোধী দলের এই প্রতিবাদকে গণতান্ত্রিক নিয়মনীতির বিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার মতো একটি সাংবিধানিক পদে থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মতো উচ্চ নিরাপত্তার সংবেদনশীল এলাকায় এ ধরনের বিক্ষোভ প্রদর্শন করা শোভা পায় না। সরকার ইতিমধ্যেই প্রশ্নপত্র ফাঁসে যুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেও একে ‘ঘোর পাপ’ আখ্যা দিয়ে স্বচ্ছতা ফেরানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে নিট পরীক্ষা বাতিল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদের পাশাপাশি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রে এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে দিল্লি পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয় এবং সাময়িকভাবে আটক করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়ে যোগদানপত্র দাখিল করতে এসে ফেস ভেরিফিকেশনে ধরা পড়া চার আসামির মধ্যে তিনজনকে শাহবাগ থানার প্রতারণার মামলায় একদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার দুই নম্বর আসামি মো. আলিমকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদেশ দেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ তদন্ত কর্মকর্তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর আগে গত সোমবার তাদের ভিন্ন আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রিমান্ডে পাঠানো তিন আসামি হলেন মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলী হায়দার (২৯) এবং মো. মাসুদ ফকির (৩১)।
আজ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার (হিমেল) আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।
এর আগে, গত রবিবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। পরদিন সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে গতকাল রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।
নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়। এ সময় চেহারায় মারাত্মক অসংগতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগপত্র পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ২০২৬ সালে পর্যটন দিবস ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভিত্তি করে উদযাপন করা হবে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিগ্রহণ এবং বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আফরোজা খানম মর্যাদা সহকারে বলেন, এবার আমরা সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করতে চাই। দেশের পর্যটনকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে আমরা দেশীয় কৃষ্টি কালচার নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজন করব। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে একই সময়ে উদযাপন করার জন্য নির্দেশনা দেন তিনি।
মন্ত্রী আরো যোগ করেন, এবারে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশীয় পর্যটনকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার আকাঙ্ক্ষা আমাদের রয়েছে। সেলক্ষ্যে পর্যটন খাতের বেসরকারি অংশীদারদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, এবারের পর্যটন দিবসে দেশের জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক প্রস্তুতকৃত টিভিসি প্রদর্শিত হবে। এছাড়া, বিদেশি দূতাবাসের অতিথিদের সম্মানে লাইভ কুকিং শো ও রান্না প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যাতে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধনশিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হয়।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও অধস্তন সংস্থার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর দিকে পেপার ওয়েট ছুড়ে মারার ঘটনায় বিচারক মো. সুজন মিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিচারকের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপের ফলে তাকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সিভিল জজ) হিসেবে প্রেষণে বদলি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ (বিচার শাখা-১) থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করা হয়েছে উপপরিচালক (প্রশাসন-১) এ. এফ. এম. গোলজার রহমানের স্বাক্ষরে।
এতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে গোপালগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজন মিয়াকে (আইডি: ২০২৪২১৬০৬২) অবিলম্বে বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি আইন ও বিচার বিভাগে যোগদান করতে পারেন।
এর আগে, গত বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ২ নম্বর আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। এজলাসে বিচার কার্যক্রম চলাকালে উপস্থিত লোকজনের শোরগোল বন্ধ করতে গিয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজের টেবিলে থাকা পেপার ওয়েট ছুঁড়ে মারেন। সেটির আঘাত লাগে এজলাসে মামলার নথিপত্র দেখতে থাকা সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর মাথায়। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি।
আহত সাবিহা সুলতানাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে সহকর্মীরা গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর, গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও উচ্চ পর্যায়ে অবহিত করা হয়। সার্বিক পরিস্থিতির পর্যালোচনায় আজ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ