ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে


ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানা থেকে আসামি ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আরিয়ান খুলুদ নামে এক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠে।

ওসি মাহবুবুর রহমানের দাবি আসামির পক্ষে আদালতের আদেশ (রি-কল) থাকায় আরিয়ান খুলুদকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

ওসির দাবিকৃত রি-কলে কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর নাম থাকলেও স্বাক্ষর না থাকায় রি-কলটি আসল নাকি নকল এনিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
তাই বিষয়টি তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহলের লোকজন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভৈরব থানার মামলা নং- ৩৭ (১) ২০২৬ ও সি. আর. মোকদ্দমা নং- ৩৭/২০২৬ ধারা: ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৫৪/৪২৭/৪৩৬/৫০৬(১) বিশেষ ক্ষমতা আইন মামলার আসামি আরিয়ান খুলুদের বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ছিলো। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) পর্তুগালের উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ আরিয়ান খুলুদকে আটক করে ভৈরব থানা পুলিশকে অবগত করেন। পরে সোমবার বেলা ১১টায় ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক শক্তি পদ মৃধা বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই আসামিকে বেলা ২টার দিকে ভৈরব থানায় নিয়ে আসে। তাকে ছাড়িয়ে আনতে ওইদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটি প্রভাবশালী মহল ওসি মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে থানা থেকে আরিয়ান খুলুদকে গভীর রাতে ছাড়িয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার মৃত বশির মিয়ার পুত্র আরিয়ান খুলুদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে। একটি সূত্র জানায়, ৪টি মামলার মধ্যে একটি মামলায় সে খালাস পেয়েছে।
রি-কলে দেখাযায়, ৩৭(১)২০২৬ নং মামলায় আসামি আরিয়ান খুলুদ গত ৩মে ২০২৬ইং তারিখে আদালতে হাজির হলে কিশোরগঞ্জ দায়রা ও জজ আদালতের বিচারকের আদেশে জামিনে মুক্তিলাভ করে। দীর্ঘদিন ৫মাস পেরিয়ে গেলেও রিকলটি ভৈরব থানায় জমা হয়নি। সোমবার দুপুরে ইমিগ্রেশন পুলিশ ভৈরব থানা পুলিশের এসআই শক্তি পদ মৃধার কাছে হস্তান্তর করার পর আসামি খুলুদকে ভৈরব থানায় দুপুরে নিয়ে আসার পর ওইদিন রাতে কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর স্বাক্ষরবিহীন একটি রিকলের অজুহাতে আসিমকে ছেড়ে দেয়া হয়। স্বাক্ষর বিহীন রিকলটি গোয়েন্দা সংস্থা ও সাংবাদিকরা ভৈরব থানা পুলিশের কাছ থেকে সংগ্রহ করেন।

রিকলের বিষয়ে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শৈলী সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন ওসিকে ফোন দিচ্ছি আপনাকে সইযুক্ত রিকলটি পাঠাতে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ পর ওসিকে ফোন করা হলে ওসি মাহবুবুর রহমান সইযুক্ত রিকল পাঠাতে পারেননি।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

ভৈরব থানার এসআই শক্তি পদ মৃধা মুঠোফোনে জানান, আরিয়ান খুলুদ পর্তুগালের উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় হওয়া মামলার বাদী তাহমিনা বেগম ইমিগ্রেশন পুলিশকে অবগত করলে তারা আসামির পাসপোর্ট ব্লক করে দেয়। তিনি বলেন, সোমবার বেলা ১১টায় ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে থেকে খুলুদকে নিয়ে দুপুরে থানায় আসি। এই মামলার রিকল থানায় জমা ছিলোনা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল রাতে রিকলটি থানায় জমা দেয়া হলে ওসি স্যার তা যাচাই-বাছাই করেন। যেহেতু যাচাই-বাছাই করে রিকলটি সঠিক হওয়ায় এসপি স্যারের নির্দেশে তাকে রাতে ছেড়ে দেয়া হয়। তিনি বলেন, তার নামে চারটি মামলা রয়েছে, এরমধ্যে একটি মামলায় আদালত থেকে খালাস পেয়েছে। বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন মারামারি মামলা ছিলো তার বিরুদ্ধে। সে কোন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। বিদেশে যেহেতু চলে যাবে এখানে একটি সুযোগ পেয়েছে। আসামি ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে মোটা অংকের টাকা লেনদেন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে স্বীকার করেননি।

এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মাহবুবুর রহমান বলেন, পাসপোর্ট লক থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। এর আগে থানা থেকে আবেদন দেয়ার পর কোর্ট থেকে পাসপোর্টটি লক করা হয়। ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছ থেকে আটক হওয়া আসামি আরিয়ান খুলুদকে ভৈরব থানায় নিয়ে এসে যাচাই-বাছাই করে দেখলাম তার বিরুদ্ধে কোন কিছু নাই, কোনো মামলাও নাই, ওয়ারেন্টও নাই। যার জন্য খুলুদকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
রিকলে বিচারকের স্বাক্ষর না থাকার
বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, রিকলটি আমার কাছে আগে থেকেই আছে। আমি তো কোর্ট থেকে খরব নিছি সে জামিনে আছে।

এ বিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান শৈলী'র সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা কোর্ট থেকে অর্জিনালটি আনছি। এবং ফোনে যাচাই-বাছাই করেছি রিকলটি সঠিক আছে। তার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা আছে, ৪টিতেই জামিনে আছে।
আপনি চাইলে রিকলের কপিটি আপনাকে দিতে পারি। ইমিগ্রেশনে যে লক থাকে সেটি খুলেনি। আবেদন দিলে ব্লকটি খুলে দিবে। রাতেই কনফার্ম হয়েছি সবগুলোতে জামিনে আছে। আপনারা যেটা পাইছেন, সেই কাগজ কে দিছে আমি জানিনা। মূলত সই ছাড়া না, এটা তো তথ্য। সই ছাড়া রিকল হয়না। অনেক সময় ফোনে নিয়ে নেয়না সেটাই হইছে মনে হয়। ওসিকে বলে দিচ্ছি সইযুক্ত কপিটি যেন আপনাকে পাঠায়।

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুর সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমবায় সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


মধুপুর সিএনজি মালিক-শ্রমিক সমবায় সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলের মধুপুরে মধুপুর সি.এন.জি মালিক ও শ্রমিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সমিতির সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা, সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়, সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সোমবার (৫ অক্টোবর) মধুপুর অডিটোরিয়ামে এ বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজী প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না ও সহসভাপতি রেজাউল করিম সিদ্দিকসহ অন্যরা।
সভায় বক্তারা মধুপুরের সিএনজি মালিক ও শ্রমিকদের পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণ, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভা শেষে সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রধান অতিথি বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
এ সময় মধুপুর সি.এন.জি মালিক ও শ্রমিক সমবায় সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার অতিরিক্ত দামেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিতালতলীতে ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার। অতিরিক্ত দামেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা। আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি। তালতলী উপজেলার কৃষকরা ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার করছেন। দিনের পর দিন ড

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


তালতলীতে ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার অতিরিক্ত দামেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা।

তালতলীতে ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার।

অতিরিক্ত দামেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা।  

তালতলী উপজেলার কৃষকরা ইউরিয়া সারের জন্য হাহাকার করছেন। দিনের পর দিন ডিলারের পিছে ছুটেও সার পাচ্ছে না। সার না পাওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পরেছেন। এ সুযোগে একটি চক্র অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছে। দ্রুত সার সরবরাহের দাবী জানিয়েছেন কৃষকরা।

জানাগেছে, তালতলী উপজেলার এ বছর আমন ধানের জমি চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ১৬০ হেক্টর। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় ওই লক্ষমাত্রার জমিতে আমন ধান রোপন শেষ হয়েছে। ধান রোপনের কয়েক দিনের মধ্যেই জমিতে ইউরিয়া সারের প্রয়োজন দেখা দেয়। তালতলীতে ইউরিয়া সারের চাহিদা দ্বিগুন হলেও অক্টোবর মাসে ১৩৫ মেট্রিকটন সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওই সার আগাম সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় ছাড় দেয় সরকার। ওই সার পাওয়া মাত্রই বিতরন করা হয়েছে  বলে দাবী করেন বিসিআইসি ডিলার খলিলুর রহমান ও নান্নু খাঁন। এরপর সারের চাহিদা দেখা দিলেও সার সরবরাহ না থাকায় তারা কৃষকদের সার দিতে পারছে না বলে আরো দাবী করেন তারা। গত ১০ দিন ধরে তালতলীতে ইউরিয়া সারের তীব্র সংঙ্কট দেখা দিয়েছে। কৃষকরা দিনের পর দিন ডিলারের পিছু ছুটেও সার পাচ্ছেন না। সারের জন্য তালতলীতে হাহাকার চলছে। উপযুক্ত সময় জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারলে আমণের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে না বলে জানান কৃষক  দেলোয়ার হাওলাদার ও শহীদুল ইসলাম। 

সোমবার তালতলী উপজেলার ছোটবগী, পঁচাকোড়ালিয়া, বড়বগী ও শারিকখালী ইউনিয়ন ঘুরে দেখাগেছে, কৃষকরা সার পাচ্ছে না। তারা হন্য হয়ে সারের জন্য ডিলারের পিছনে ঘুরছেন।

পশ্চিম গাবতলী গ্রামের কৃষক মোঃ ইসহাক হাওলাদার বলেন, ১৬৫০ টাকা বস্তা ধরে ১৫ বস্তা সার ক্রয় করেছি। কিন্তু এতে আমার হবে না সার প্রয়োজন ৩০ বস্তা।

গাবতলী গ্রামের মাছুম মোল্লা বলেন, সাত দিন ধরে সার পাচ্ছি না। এখন যদি জমিতে সার দিতে না পারি তাহলে আমনের ফলন ভালো হবে না। তিনি আরো বলেন, খুচরা ডিলারের কাছ থেকে ১৬০০ টাকা বস্তা ধরে তিন বস্তা সার কিনেছি। এখন আরো সারের প্রয়োজন কিন্তু পাচ্ছি না।

কলারং গ্রামের গোলাম ফারুক বলেন, ১০ দিন ধরে সার পাচ্ছি না।

কচুপাত্রা গ্রামের নাশির মুন্সি বলেন, ১৫ বস্তা সারের প্রয়োজন কিন্তু সার পেয়েছি মাত্র ৫ বস্তা। হন্য হয়ে ঘুরেও সার পাচ্ছি না।  জমিতে সার না দিতে পারলে আমনের ফলন ভালো হবে না।

পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়ন বিসিআইসি সার ডিলার মোঃ নান্নু খাঁন বলেন, অক্টোবর মাসের  ১৯ টন ইউরিয়া সার  বরাদ্দ পেয়েছি। ওই সার আনার সাথে সাথে বিতরন করে দিয়েছি। কিন্তু গত সাত দিন ধরে সার নেই। কৃষকদের সার দিতে পারছি না। তারা সার নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন।

বড়বগী ইউনিয়ন বিসিআইসি সার ডিলার মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, চাহিদার তুলনায় অক্টোবর মাসে ইউরিয়া সার বরাদ্দ কম। বড়বগী ইউনিয়নে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৭০ মেট্রিকটন কিন্তু পেয়েছি মাত্র ২০ মেট্রিকটন। সারের সংঙ্কটতো হবেই। 

তালতলী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু জাফর বলেন, যে সকল এলাকার সারের সংঙ্কট তৈরি হয়েছে, ওই সকল এলাকার অতিরিক্ত সার বরাদ্দ এনে সংঙ্কট সমাধান করা হবে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি অতীশ সরকার বলেন, বেশী দামে সার বিক্রির সুযোগ নেই। সরেজমিনে ঘুরে দ্রুত সার সঙ্কট সমাধান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম. মুজিবুর রহমানকে দুর্নীতি, অনিয়ম, অদক্ষতা, পেশাগত অসদাচরণ, কর্তব্যে অবহেলা ও নৈতিক স্খলনসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ০৫.১০.৭৯১৪.০০৭.২৩.০০৮.২৬-১০৩০ নং স্মারকে জারি করা অফিস আদেশে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান।

অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক এস.এম. মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অদক্ষতা, পেশাগত অসদাচরণ, কর্তব্যে অবহেলা, নৈতিক স্খলন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের ২৪ টি অভিযোগ উল্লেখ করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশের জবাবে তিনি ২৮ মে লিখিত জবাব দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন।

পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত শুনানিতে তিনি উপস্থিত হন। শুনানিতে দাখিল করা তথ্য ও বক্তব্য পর্যালোচনার পর কর্তৃপক্ষ তার জবাব সন্তোষজনক নয় বলে উল্লেখ করে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দাখিল করা জবাব ও শুনানি সন্তোষজনক না হওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের ‘নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০২৪ এর ৫৩(৩) ও ৫৩(৪) ধারা অনুযায়ী তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই প্রবিধানমালার ৫৩(৭) ও ৫৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ আজমল হোসেনকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন আছিয়া খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জুলফিকার আলী শেখ এবং ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি আব্দুল আলিম আকন।

প্রবিধানমালার ৫৩(৫) ধারা অনুযায়ী, তদন্ত কমিটিকে এক মাসের মধ্যে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির কাছে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষক অর্ধেক খোরপোষ ভাতা পাবেন। প্রবিধানমালার ৫৪(২) ধারা অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা বিদ্যালয়ে জরুরি অভিভাবক সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা বিদ্যালয়ে জরুরি অভিভাবক সমাবেশ

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এবং এর ফলে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার বিষয় নিয়ে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জরুরি অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে বিদ্যালয় চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান।

সভায় ভাণ্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন আকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, ভাণ্ডারিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মিলন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জ্বল তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মোল্লা জমাদ্দার, সমাজসেবক জুলফিকার আলী হায়দার, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. শামীম হাওলাদার এবং অভিভাবক মো. মহাসিন ও মো. লিটন তালুকদার বক্তব্য দেন।

সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষককে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত এবং এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে অভিভাবকদের অবহিত করা হয়।

এ ছাড়া অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তদন্তের বিষয়টি সভায় তুলে ধরা হয়। তদন্তের পর তার বিষয়ে বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়েও অভিভাবকদের অবহিত করা হয়।

সভায় বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%