ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাথায় শাকের বোঝা, সংগ্রামী মা মমতার সন্তানদের স্বপ্ন


মাথায় শাকের বোঝা, সংগ্রামী মা মমতার সন্তানদের স্বপ্ন

‘শাক লাগবে শাক, বারো মিশালি শাক’, সকাল হলেই এমন হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে দিনাজপুরের হিলি পৌর এলাকার পাড়া-মহল্লা। মমতা বেগম (৩০) মাথায় শাক-সবজির বোঝা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। সারাদিন শাক-সবজি বিক্রি করে যে সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সংসার চালান।

মমতা বেগমের বাড়ি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জননী। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলে বর্তমানে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। ছোট মেয়েটি মায়ের সঙ্গে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী নিখোঁজ। তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেন না এবং সংসারের খরচও দেন না। ফলে সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া থেকে শুরু করে তাদের পড়াশোনার খরচ, সবকিছুর দায়িত্ব এখন মমতার কাঁধে।

নানির দেওয়া সামান্য জায়গায় ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন তিনি। অভাবের সংসারে একটু স্বস্তির আশায় প্রতিদিন ভোরে জীবিকার সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ী নিহত, আহত ২

হিলি শহর থেকে তার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। গ্রামের মাঠ-ঘাট ও বিভিন্ন স্থান থেকে বারো মিশালি শাক, কলার থোর, মোচাসহ বিভিন্ন শাক-সবজি সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর সেগুলো বস্তায় ভরে মাথায় তুলে দীর্ঘ পথ হেঁটে হিলিতে চলে আসেন। সকাল থেকে দুপুর কিংবা বিকেল পর্যন্ত পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে সেগুলো বিক্রি করেন।

মাথায় ভারী বোঝা নিয়ে এভাবেই প্রতিদিন তার জীবনসংগ্রাম চলে। দীর্ঘ পথ হাঁটা আর সারাদিনের পরিশ্রমে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তবুও থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, তার পরিশ্রমের ওপরই নির্ভর করছে সন্তানদের দুবেলা খাবার ও পড়াশোনা।

মমতার মুখে ক্লান্তির ছাপ থাকলেও সন্তানদের কথা বলার সময় তার মুখে হাসি ফুটে ওঠে। তার কাছে এই কষ্ট যেন কষ্ট নয়। সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারা এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারাই তার সবচেয়ে বড় আনন্দ।

হিলির ভীমপুর গ্রামের গৃহিণী নাহিদা আক্তার বলেন, "এই আপা অনেক ভালো মানুষ। প্রতিদিন সকাল হলেই তাকে শাক বিক্রি করতে দেখি। মাথায় করে এত দূর থেকে হেঁটে আসেন। তাকে দেখলে খুব কষ্ট হয়। সন্তানের জন্য একজন মা কতটা পরিশ্রম করতে পারেন, তাকে দেখলেই বোঝা যায়। আমি আমার পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।"

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ৬ ব্যবসায়ীর অফিসে ছাত্রদলের হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

মহিলা কলেজপাড়ার বাসিন্দা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, "বিচিত্র এই দুনিয়ায় মানুষ জীবিকার তাগিদে নানা পেশা বেছে নেয়। এই নারী আসলেই একজন সংগ্রামী মা। সন্তানদের মানুষ করতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমার দেখা এমন সংগ্রামী মায়ের সংখ্যা খুবই কম। সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদের উচিত তার মতো অসহায় মায়েদের পাশে দাঁড়ানো।"

সংগ্রামী মা মমতা বেগম বলেন, "অনেকে অনেক কথা বলে, আমি কিছুই মনে করি না। ছেলেমেয়ে জন্ম দিয়েছি, তাদের মানুষ করতে হবে। স্বামী আমাকে ছেড়ে গেছে। কিন্তু আমি তো মা, সন্তানদের গর্ভে ধারণ করেছি। তাই তাদের ফেলে রাখতে পারি না। প্রতিদিন অনেক কষ্ট করে শাক বিক্রি করি। হাড়ভাঙা পরিশ্রম করলেও সন্তানদের মুখে হাসি দেখলে সব কষ্ট দূর হয়ে যায়।"

মমতার জীবন যেন এক নীরব সংগ্রামের গল্প। স্বামীর অনুপস্থিতিতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। মাথায় শাকের বোঝা নিয়ে প্রতিদিনের এই পথচলা শুধু জীবিকার তাগিদ নয়, বরং সন্তানদের জন্য একজন মায়ের নিরন্তর লড়াই।

আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠার দুই দশকেও জনবলসহ সংকটে বরিশাল মহানগর পুলিশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইপিএলে নতুন ভূমিকায় যুবরাজ সিং, দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


আইপিএলে নতুন ভূমিকায় যুবরাজ সিং, দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হলেন

আইপিএলে এবার নতুন পরিচয়ে দেখা যাবে ভারতের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংকে। দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। খেলোয়াড় হিসেবে দীর্ঘদিন আইপিএলে কাটালেও এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে কোচিংয়ের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে যুবরাজের এই নতুন দায়িত্বের খবর প্রকাশিত হয়।

দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে যুবরাজের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০১৫ সালের আইপিএল নিলামে ১৬ কোটি রুপিতে তাকে দলে নিয়েছিল দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে সময় আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সেই পুরোনো দলেই ফিরছেন, তবে খেলোয়াড় হিসেবে নয়—কোচের ভূমিকায়।

দিল্লির কোচিং স্টাফে যোগ দিয়ে ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে আবারও কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন যুবরাজ। সম্প্রতি দলটির প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন সৌরভ। ভারতীয় ক্রিকেটের দুই পরিচিত মুখকে এবার একই ডাগআউটে দেখা যাবে, যা নিয়ে ইতোমধ্যে ক্রিকেট মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

গত কয়েক বছরে ভারতের একাধিক তরুণ ক্রিকেটারকে পরামর্শ দিয়েছেন যুবরাজ। শুবমান গিল, অভিষেক শর্মা ও প্রভসিমরন সিংয়ের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এবার দিল্লি ক্যাপিটালসের তরুণ ক্রিকেটারদের দক্ষতা বাড়াতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান তিনি।

আইপিএলে এখনো শিরোপা জিততে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। দীর্ঘদিনের সেই আক্ষেপ ঘোচাতে যুবরাজের অভিজ্ঞতা ও জয়ের মানসিকতা দলটির কাজে আসবে বলে আশা করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন যুবরাজ।

আইপিএলে নিজের ক্যারিয়ারে ১৩২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ব্যাট হাতে করেছেন ২ হাজার ৭৫০ রান, পাশাপাশি নিয়েছেন ৩৬টি উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও রয়েছে তার সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে ভারতের হয়ে ৪০টি টেস্ট, ৩০৪টি ওয়ানডে ও ৫৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এই অলরাউন্ডার।

যুবরাজকে দলে স্বাগত জানিয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসের চেয়ারম্যান পার্থ জিন্দাল বলেন, ‘যুবরাজকে দিল্লি ক্যাপিটালস পরিবারে পেয়ে আমরা দারুণ আনন্দিত। ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ম্যাচজয়ী সে। বর্তমান সময়ের অনেক প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারকে গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার অভিজ্ঞতা, জয়ের মানসিকতা ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা আমাদের দলের জন্য মূল্যবান হবে।’

নতুন দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন যুবরাজও। দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে নিজের পুরোনো সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে আমার পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে এবং মালিকদেরও আমি ভালোভাবে চিনি। সে কারণে সুযোগটি আমার কাছে বিশেষ।’

সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন ভারতের সাবেক এই অলরাউন্ডার। যুবরাজ বলেন, ‘দাদার (সৌরভ গাঙ্গুলী) সঙ্গে এবার কোচ হিসেবে কাজ করার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

কোচিংয়ের প্রতি নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কোচিংয়ের প্রতি আমার ভীষণ আগ্রহ আছে এবং এই প্রতিভাবান দলটির সঙ্গে কাজ শুরু করতে তর সইছে না।’

খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের স্বাদ পাওয়া যুবরাজ এবার কোচ হিসেবে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথম আইপিএল শিরোপা জেতানোর অভিযানে কতটা প্রভাব রাখতে পারেন, সেটিই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এটিএম আজহারুল ইসলাম: 'সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


এটিএম আজহারুল ইসলাম:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এবং রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "এই দেশ আমাদের সবার। আমরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন চাই না। আমরা সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু শব্দও শুনতে চাই না। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। নাগরিক হিসেবে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে।"

আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১টায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, "ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ব্যাপার। মুসলিমরা মুসলিমদের ধর্ম পালন করবে, হিন্দুরা হিন্দু ধর্ম পালন করবে। বাংলাদেশে প্রধান চারটি ধর্ম হলো ইসলাম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম ও খ্রিষ্টধর্ম। এ ছাড়া আরও ছোট ছোট ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে। তাদের সংখ্যা কম বলে আমরা তাদের কম চিনি বা তাদের খোঁজখবর কম রাখি। কিন্তু সবাই শান্তিতে বসবাস করে আসছে। তাহলে আজ কেন পাহারা দিতে হয়? কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এত কষ্ট করতে হয়? আমিতো এই অঞ্চলেরই সন্তান। আজ থেকে ৫০-৬০ বছর আগে তো এমনটা শোনা যায়নি।"

তিনি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের দেশ স্বাধীন হলো, অথচ আমরা নিশ্চিন্তে ধর্ম পালন করতে পারছি না; পাহারা দিতে হয়। কিন্তু কেন? আসলে আমাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। এর মাধ্যমেই আমরা সবাই মিলে যার যার ধর্ম পালন করতে পারব।"

জামায়াতের এই নায়েবে আমীর উল্লেখ করেন, "আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি। এই ধর্ম অন্য ধর্মের প্রতি আঘাত করে না। যারা ইসলামকে পছন্দ করে না, তারাই ইসলামের নাম ব্যবহার করে অন্য ধর্মের মানুষের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি করে ইসলামের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়। ইতিহাসে দেখবেন, ইসলামে কখনো কোনো ধর্মের প্রতি আঘাত করা হয়নি। এ জন্য আমরা চাই, সবাই যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করব। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।"

এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "দেশের আইন মেনে চলতে হবে, দেশের আইনের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হোক, এটা কেউ চায় না। এমনটা হলে আমরা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হব।"

ফেসবুকে নানা ধরনের গুজব ও ভুল তথ্য ছড়ানো হয় উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "ফেসবুকের সব খবর বিশ্বাস করবেন না। কোনো বিষয়ে সন্দেহ হলে পুলিশ বা উপজেলা প্রশাসনকে জানাবেন। এটি শুধু আমি হিন্দু ভাইদের বলছি না, মুসলিমদেরও বলছি।"

তিনি আরও বলেন, "মুসলিম বা হিন্দু—কেউই গোলযোগ চায় না। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশে ফেরার জন্য গোলযোগ পাকানোর চেষ্টা করতে পারে। তাদের ফাঁদে আপনারা পা দেবেন না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ জন্য সবাইকে আমি অনুরোধ করব, আমরা সবাই দেশকে ভালোবাসি। আমরা রাজনীতির মাঠে লড়াই করতে পারি, নির্বাচনের মাঠে প্রতিযোগিতা করতে পারি; তবে দেশের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে এক থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"

সভায় সভাপতিত্ব করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বদরগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. মোনাব্বর হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান জাহিদ সরকার, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শাহ মুহাম্মাদ রোস্তম আলী, সেক্রেটারি মাওলানা মিনহাজুল ইসলাম, রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আজিজুল হক প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে, রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ পূজা মণ্ডপ গুলোর প্রতিনিধিদের হাতে চাল বরাদ্দের সরকারি ডিও লেটার তুলে দেন।

জানা গেছে, চলতি বছর বদরগঞ্জ উপজেলার দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১২৫টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসব উদ্‌যাপনে সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে মোট হাজার কেজি (৭৫ টন) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশমিকা ৪০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


রাশমিকা ৪০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগ নিলেন

বিয়ের পর প্রথমবার একসঙ্গে বড় পর্দায় আসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। তাদের নতুন সিনেমা ‘রণবলী’ নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। তবে ছবিটি মুক্তির আগেই মানবিক উদ্যোগের জন্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন রাশমিকা।

সিনেমায় যোদ্ধা রণবলীর স্ত্রী জয়াম্মার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ৪০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী তিন মাস ধরে এসব পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।

নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই উদ্যোগের কথা প্রকাশ করেছেন রাশমিকা। তার সহযোগী দলের সদস্যদের পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের একটি ভিডিও তিনি শেয়ার করেছেন।

রাশমিকার আশা, এই সহায়তার মাধ্যমে পরিবারগুলো আগামী তিন মাসের বাজার খরচ বাঁচিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ সঞ্চয় করতে সক্ষম হবে।

কেন তিনি এমন উদ্যোগ নিয়েছেন? রাশমিকার বক্তব্য, সিনেমায় জয়াম্মার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে নিজের সঙ্গে চরিত্রটির কিছু মিল খুঁজে পেয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, "আপনারা অনেকেই জানতে চান, জয়াম্মার সঙ্গে আমার কোনো মিল রয়েছে কি না। আমার উত্তর, হ্যাঁ। এই জায়গাতেই আমাদের মিল। আমি বরাবরই এমন কিছু করতে ভালোবাসি, জয়াম্মাও তেমনই। আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পাই, তার প্রতিদানে ভবিষ্যতেও এ রকম কাজ করে যেতে চাই।"

এত দিন নিজের এই উদ্যোগের কথা প্রকাশ্যে আনেননি কেন? রাশমিকা জানিয়েছেন, বিষয়টি ব্যক্তিগত রাখতেই চেয়েছিলেন তিনি। তার সহযোগী দলের কয়েকজন সদস্যই এ সম্পর্কে জানতেন। তবে এবার মনে হয়েছে, নিজের উদ্যোগের কথা জানালে অন্যরাও মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত হতে পারেন।

অভিনেত্রীর কথায়, "আমি ভাবলাম, আমার এই কাজ দেখে যদি আপনাদের মধ্যে কেউ এমন কিছু করার অনুপ্রেরণা পান, তা হলে আমার খুব ভাল লাগবে।" তিনি আগামী এক বছর ধরে নিয়মিত এমন উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন।

তিনি বলেন, "আজ ৪০০টি পরিবারকে সাহায্যের দায়িত্ব নিয়েছি। আগামী এক বছর ধরে প্রতিবার ৪০০টি পরিবারকে তিন মাসের জন্য সাহায্য করতে চাই। আশা করি, তারা বাজারের খরচ বাঁচিয়ে সেই টাকা ভবিষ্যতের জন্য জমাতে পারবেন। এই মানুষগুলোর মুখের হাসি আমার কাছে অমূল্য। গত কয়েক বছরে কাজ করতে গিয়ে যত রাত জেগেছি, চোট পেয়েছি, যত কষ্ট ও চোখের জল সামলেছি, এই হাসিগুলো তার সব কিছুর মূল্য মিটিয়ে দেয়।"

রাশমিকা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার আসন্ন সিনেমা ‘রণবলী’র গল্পের পটভূমিতে রয়েছে ব্রিটিশ শাসনামলের দুর্ভিক্ষ। খরা ও ফসলহানির কারণে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়েছিল। অনাহারে প্রাণ হারিয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। সিনেমাটিতে যোদ্ধা রণবলীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয় দেবরকোন্ডা, এবং তার স্ত্রীর চরিত্র জয়াম্মার ভূমিকায় দেখা যাবে রাশমিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


‘হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রাক্কালে আয়োজিত এ সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা, বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভা শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রিয় জন্মভূমি। এদেশে আমরা কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নই। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠী আমরা সবাই বাংলাদেশি এবং এ দেশের গর্বিত নাগরিক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও বিরোধীদলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।"

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পূজামণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা যে সহযোগিতা ও ভূমিকা রেখেছেন, তা হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রশংসা করেছেন। তাদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য, বঞ্চনা ও অসুবিধার কথা সভায় তুলে ধরা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে কাজ করবে বলে বিরোধীদলীয় নেতা তাদের আশ্বস্ত করেছেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তাদের সঙ্গে ভবিষ্যতেও মতবিনিময় অব্যাহত থাকবে এবং তাদের পাশে থেকে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি এডভোকেট দীনুবন্ধু রায়, মহাসচিব এড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রেসিডিয়াম সদস্য নারায়ণ চন্দ্র সরকার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পার্থ সারথী ঘোষ এবং যুগ্ম মহাসচিব অমল চৌধুরী সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উপদাপন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সন্তোষ শর্মাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অর্পনা রায় ও সাধারণ সম্পাদক মিন্টন বৈদ্যসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস সাধনসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের সভাপতি সত্যরঞ্জন বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাশ ব্রহ্মচারীসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের (প্রভাষ-পলাশ) সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায় ও নির্বাহী মহাসচিব পলাশ কান্তি দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত ফোরামের সভাপতি রামানন্দ দাস ও সাধারণ সম্পাদক রাজ কুমার দাস সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সভাপতি আশিষ রঞ্জন দাস ও সাধারণ সম্পাদক এড. সুমন কুমার রায়সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস ফোরামের সভাপতি চাঁদমোহন রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক শিপন রবিদাস প্রাণকৃষ্ণসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, ভোলানন্দগিরি আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি এড. সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল মজুমদারসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি দিলীপ রবিদাস ও সাধারণ সম্পাদক ফুল চাঁদ রবিদাসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি মি. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ও সাধারণ সম্পাদক মি. সঞ্জিব দ্রং সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের সভাপতি কৃষ্ণলাল ও সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী। তিনি শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে শুধু বক্তব্যে নয়, বাস্তবেও সব নাগরিকের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও বঞ্চনার বিষয় তুলে ধরে এসব সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%