বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৬ এম
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মাঠে নামছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনা। আটলান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই মহারণের আগে মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টিনা ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিলারুয়েল। তিনি ইংরেজদের ‘দখলদার জলদস্যু’ বলে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্টে তিনি লেখেন, "আমরা সেই দখলদার জলদস্যুদের বিরুদ্ধে খেলব। এটি কেবলই আরেকটি সাধারণ ম্যাচ নয়।" দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ যা স্প্যানিশ ভাষায় ‘মালভিনাস’ নামে পরিচিত, তা নিয়ে দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্ব বিরোধের প্রেক্ষাপটেই এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
ভিলারুয়েল আরও বলেন, "আমি কোনো রাজনৈতিক শিষ্টাচার বা সংযত আচরণের তোয়াক্কা করছি না। ইংরেজদের বিরুদ্ধে খেলা মানেই সবসময় অন্যরকম কিছু।” তিনি আরও যোগ করেন, "এটি মালভিনাসের বিষয়, এটি দিয়েগোর (মারাডোনা) বিষয়, এটি লিও’র (মেসি) শেষ অভিযানের বিষয় এবং এটি হলো সেই দখলদারদের রুখে দেওয়ার বিষয়।”
তিনি ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো মারাডোনা এবং বর্তমান তারকা স্ট্রাইকার লিওনেল মেসির কথা উল্লেখ করে বলেন, "এগিয়ে চলো আর্জেন্টিনা। কারণ শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমরা আমাদের অধিকারের দাবি জানিয়ে যাব।" টুর্নামেন্ট চলাকালে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের গাওয়া একটি জনপ্রিয় গানের সুরেই তিনি এই কথা বলেন।
ভিলারুয়েলের বাবা ১৯৮২ সালে দক্ষিণ আটলান্টিকের ওই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আর্জেন্টিনার সামরিক একনায়কতন্ত্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত ফকল্যান্ড যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন; দ্বীপপুঞ্জটির সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিরোধ আজও অমীমাংসিত। ৭৪ দিন স্থায়ী এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘটেছিল ব্রিটিশদের বিজয়ের মধ্যে; এতে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ নাগরিক মারা গিয়েছিলেন।
ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য আর্জেন্টিনা দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের বক্তব্যের বিপরীত; তারা এই ম্যাচের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বকে খুব একটা বড় করে না দেখার চেষ্টা করেছিলেন। স্কালোনি বলেন, "এটি নিছকই একটি ফুটবল ম্যাচ। তাই দুটির মধ্যে গুলিয়ে ফেলাটা হবে বোকামি।" মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার নিরাপত্তা মন্ত্রী আলেজান্দ্রা মন্টেওলিভা জানিয়েছেন, আটলান্টায় অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালের নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দর্শকদের স্টেডিয়ামে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ-সংশ্লিষ্ট পতাকা বা অন্য কোনো সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ শুরু হয়েছে দারুণ উত্তেজনার মাধ্যমে।শুরুতেই দুই দলের ফুটবলাররা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার প্রতিফলন মাঠের খেলায় দেখা যাচ্ছে। আটলান্টা স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেস শুরুতে কাঁধে ধাক্কা দেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই শারীরিক সংঘর্ষে প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে টলানোর মিশনে রত।
তবে প্রথম দিকে গোল আদায়ের জন্য তেমন বিশেষ কোনো আক্রমণ সৃষ্টি করতে পারেনি কোন দল। যদিও ১৯ মিনিটে এমি মার্তিনেজ কিছুটা সুযোগ ঠেকিয়েছেন, তা মূলত হাফ চান্স বলাই শ্রেয়। কিন্তু হাইড্রেশন ব্রেকের পর উভয় দল গোল আদায়ে আক্রমণ চালাতে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইড্রেশন ব্রেকের আগেই দুটি দল মিলিয়ে ১৯ ফাউল করা হয়েছে। আর্জেন্টিনা ১২টি ফাউল করেছে ইংল্যান্ডের ৭টির বিপক্ষে। প্রথমার্ধের পানি পানের বিরতির আগে ম্যাচের শারীরিক লড়াইটাই অধিক ছিল।
উভয় দলের কেউই লক্ষ্যে কোনো শট নিতে সক্ষম হয়নি। এমনকি কোন খেলোয়াড়কে শট নিতে দেখা যায়নি। দুই দল একে অপরের অর্ধে আক্রমণ চালানো সত্ত্বেও তারা কোনো সুবিধা অর্জন করতে পারেনি। উভয় দলের কিপারদেরও বড় কোনো পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়নি।
এই সময় আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল। তাদের প্রধান তারকা লিওনেল মেসিও তবে নিজের ছায়ার মতো ছিলেন। পানি পানের বিরতির আগে তার ফ্রি কিক জর্ডান পিকফোর্ড পাঞ্চ করে কর্নারে পাঠান। কর্নারেও আর্জেন্টাইন অধিনায়ক শট নেন। কিন্তু এনজো ফার্নান্ডেজ পিকফোর্ডকে ফাউল করায় সেটি কাজে লাগেনি।
৩৫ মিনিটে বিপজ্জনক একটি জায়গা থেকে ইংল্যান্ডের ফ্রি কিক ঠেকাতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। দুই মিনিট পর, ইংল্যান্ডের ফাইনাল থার্ডে তিন চারজন খেলোয়াড়ের বাধার মুখে পড়েন মেসি। এলিয়ট অ্যান্ডারসন তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখান। ফ্রি কিক থেকে মেসির পাস ধরা ইংল্যান্ডের বক্স থেকে ফিরে আসা বলে শট নেন এনজো। ৩৯ মিনিটে তার শক্তিশালী শটটি অল্পের জন্য গোলবারের উপরে দিয়ে যায়।
তিন মিনিট পর, রজার্সকে পেছন থেকে টেনে ধরে হলুদ কার্ড পান লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি নিজের আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসার কথা নতুন করে জানালেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল।’
বুধবার রাত ১টার কাছাকাছি সময়ে দেওয়া এই পোস্ট দ্রুতই ভক্তদের নজর কাড়ে। অনেকেই এটিকে রসিকতাপূর্ণ মন্তব্য হিসেবে দেখছেন এবং পোস্টটির নিচে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
কিন্তু এটি প্রথম নয়। এর আগে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে পরীমনি একাধিক পোস্ট করেছেন। ১২ জুলাই, তিনি একটি পোস্টে কেবল 'উইন' লিখে লাভ রিঅ্যাক্ট যুক্ত করেন। একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ফুটবল একটা ভালোবাসা’। তার সঙ্গে যোগ করেন লাভ রিঅ্যাক্ট ও আর্জেন্টিনার পতাকার ইমোজি।
এদিন আরও একটি পোস্টে নিজের ছেলে সম্পর্কে তিনি লেখেন, ‘ছেলে আমার কী পরিমাণ আর্জেন্টিনার ফ্যান!’ পোস্টের ভিডিওতে দেখা যায়, রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বসে তিনি ছেলের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।
পরীমনির সাম্প্রতিক পোস্টগুলো থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, তিনি আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একজন নিবেদিত সমর্থক। দলটির প্রতি তার উচ্ছ্বাস ও আবেগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার সময় মিঠামইন উপজেলা সদরের কামালপুর গ্রামে নিজের বাড়ির গেটের সামনে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। হামলা সংক্রান্ত সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। আহত বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়েছে। মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, রাতে মিঠামইন বাজার থেকে কামালপুর গ্রামে বাড়িতে ফিরছিলেন বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর। রাত সাড়ে ৮টার সময় বাড়ির গেটের সামনে পৌঁছানোর পর ৪/৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত তাকে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে গুরুতরভাবে কুপিয়ে জখম করে। তার ডাক চিৎকারে বাড়ির লোকজন দ্রুত এসে পড়লে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এখন পর্যন্ত হামলার কারণ এবং যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ