বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৮ পি.এম
লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের মধ্যে টেস্ট ম্যাচ শুরু হতে এখনও আট মাসেরও বেশি সময় বাকি রয়েছে। তবে, লর্ডস কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ম্যাচটির টিকিটের জন্য আবেদন করার সুযোগ চালু করেছে।
বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের মধ্যকার একমাত্র টেস্টটি আগামী ২৮ মে ২০২৭ থেকে শুরু হবে এবং এটি চলবে ১ জুন পর্যন্ত।
২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর টিকিটের জন্য সাধারণ দর্শকদের জন্য ব্যালট আবেদন ইতোমধ্যে উন্মুক্ত করেছে লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড। টিকিটের জন্য আবেদন করার সময়সীমা আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত থাকবে।
নভেম্বরের শুরুতে প্রথম ধাপে সফল আবেদনকারীদের ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো হবে। এরপর, তাঁরা ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন। সাধারণ দর্শকদের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ ডিসেম্বর।
বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়মিত টেস্ট খেলার সুযোগ খুব বেশি পায় না। সর্বশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের মাটিতে, বিশেষ করে ঐতিহাসিক লর্ডসে খেলতে নামবে বাংলাদেশ দল।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে লর্ডসের সঙ্গে রয়েছে বিশেষ কিছু স্মৃতি। ২০১০ সালে এই মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৯৪ বলে টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম ইকবাল। তাঁর সেই শতকের পর উদযাপনের দৃশ্য এখনো বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে আছে।
বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ড সবশেষ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৬ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ১০৮ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ।
লর্ডসে ২০২৭ সালের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাবে, পাশাপাশি সমর্থকদের জন্যও এটি হতে যাচ্ছে একটি বিশেষ ক্রিকেটীয় আয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ড সফরের প্রথম দুই টেস্টে ভরাডুবির পর পাকিস্তান ক্রিকেটে অস্থিরতা চলছে। এই পরিস্থিতিতে, বাদ পড়া ক্রিকেটারদের ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে একজন সেই নির্দেশ অমান্য করেছেন।গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে ক্ল্যারেন্স হাউসে রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তান দলের খেলোয়াড়, কোচ এবং কর্মকর্তারা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলি ও লর্ডস টেস্টে পরাজয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলের মধ্যে বড় পরিবর্তন আনে। সাত ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয় এবং প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত করা হয়। নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান মিসবাহ-উল-হক।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের তথ্য অনুযায়ী, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের মধ্যে আলী উসমান, আমের জামাল, খুররম শাহজাদ এবং মোহাম্মদ আওয়াইস রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতে যান। অন্যদিকে, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আগা এবং ইমাম-উল-হক সাক্ষাতে যাননি। তাদের মধ্যে একজন ক্রিকেটার অনুষ্ঠানে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তার প্রতি বাজে আচরণের প্রতিবাদে। সেই ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করা হয়নি।সাক্ষাতে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম রাজা চার্লসকে পুরো দলের স্বাক্ষর করা একটি ব্যাট উপহার দেন। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিও রাজাকে একটি উপহার প্রদান করেন।ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া ক্রিকেট দলগুলোকে সাধারণত রাজপরিবারের সদস্য অথবা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই রীতি অনুযায়ী, এবার পাকিস্তান দলকে ডাকা হয়েছে।পাকিস্তান টানা দুই টেস্টে পরাজিত হয়ে সিরিজ হারিয়েছে। বাদ পড়াদের জায়গা পূরণে যে সাতজনকে ডাক দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনই টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছে। তাছাড়া, তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সাদা বলের কোচ মাইক হেসন।বার্মিংহামের এজবাস্টনে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের তিনটি শীর্ষ পদে রদবদল ঘটেছে। অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) এবং চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক-এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন করে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের উপসচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের আওতায়, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. সুবক্তগীণকে ঢাকার রেলভবনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অবকাঠামো (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-উন্নয়ন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মামুনুল ইসলাম পিইঞ্জকে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া, অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অবকাঠামো (চলতি দায়িত্ব) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমানকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-উন্নয়ন (চলতি দায়িত্ব) পদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি, আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান যমুনা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নারী মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ গ্লোরিয়া স্টেইনেম মৃত্যুবরণ করেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশন ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৯২ বছর। পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিউ ইয়র্ক সিটিতে নিজের বাড়িতে প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
লেখক ও ম্যাগাজিন সম্পাদক স্টেইনেম ৫০ বছরেরও বেশি আগে ‘উইমেনস অ্যাকশন অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠা করেন, যা লিঙ্গবৈষম্য বা যৌনতাভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিবেদিত ছিল। ১৯৭০-এর দশকে নিউ ইয়র্কে সাংবাদিক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। এরপর তিনি ‘মিস’ ম্যাগাজিনটি সহ-প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রকাশনাটি গৃহস্থালি কাজ ও রূপচর্চার বাইরেও নারীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোকপাত করত। ১৯৭০-এর দশকে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক অধিকারসহ বিভিন্ন দাবির পক্ষে প্রচারণায় স্টেইনেম ছিলেন অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর।
২২ বছর বয়সে লন্ডনে তিনি নিজে একটি অবৈধ গর্ভপাত করিয়েছিলেন। বহু বছর পর ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ‘রো বনাম ওয়েড’ এক রায়ের মাধ্যমে নারীদের গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার প্রদান করে। তবে প্রায় অর্ধশতাব্দী পর তিনি সেই রায় বাতিল বা উল্টে যাওয়ার ঘটনাও প্রত্যক্ষ করেন। সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতা এবং নারীদের সমান অধিকার ও সমান বেতনের পক্ষেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড ও নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণের বিরুদ্ধেও তিনি প্রতিবাদ জানান।
১৯৩৪ সালের ২৫ মার্চ ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরে জন্মগ্রহণকারী স্টেইনেমের শৈশব কেটেছিল কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে; ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পাননি। ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে তিনি একটি গবেষণা বৃত্তির আওতায় ভারতে যান। সেখানে দুই বছর তিনি নানা ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, যার মধ্যে ছিল গ্রামীণ নারীদের সরকারি নীতির বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিবাদ সংগঠিত করতে সহায়তা করা। এ কাজটি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক আন্দোলনের প্রতি তার আগ্রহ জাগিয়ে তোলে।
এরপর ১৯৬০-এর দশকের শুরুর দিকে ফ্রিল্যান্স লেখক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করতে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটিতে চলে আসেন। ‘প্লেবয় বানি’-দের কর্মপরিবেশ নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি ও সাফল্য লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ‘নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন’-এর কলামিস্ট হিসেবে কাজ করেন এবং ১৯৭২ সালে ‘মিস’ ম্যাগাজিন প্রতিষ্ঠা করেন।
তার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা জানিয়েছে, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গ্লোরিয়া সমতার জন্য কাজ করে গেছেন। গ্লোরিয়ার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল অন্যদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার ক্ষমতা। যার মাধ্যমে তিনি মানুষকে অনুভব করাতেন, যে তাদের গুরুত্ব আছে এবং তাদের কথা শোনা হচ্ছে। তার কথা, কাজ ও জীবনধারা মানুষকে নিজেদের প্রকৃত সত্তা নিয়ে বাঁচার সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। গ্লোরিয়া সর্বদা তার স্বাধীনচেতা সত্তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে জীবনযাপন করেছেন, যার মধ্যে ছিল অদম্য কৌতূহল ও রসবোধ।
সংস্থাটি আরও জানায়, জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি সমাজ ও মানুষের সান্নিধ্যে থেকে লেখালেখিতে সময় কাটিয়েছেন। এ সময় তিনি বাড়িতে ‘টকিং সার্কেলস’ (মতবিনিময় বা আলোচনার আসর)-এর আয়োজন করে অতিথিদের স্বাগত জানাতেন, যে প্রথাটি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নিজের বাড়িটিকে গড়ে তোলার উদ্যোগ এবং তার আসন্ন বই ‘অ্যান আনএক্সপেক্টেড লাইফ’ এসবই হলো গ্লোরিয়ার দেওয়া এমন সব উপহার, যা আগামী প্রজন্মের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঘিরে ‘নাশকতার’ গোপন তথ্য রয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এই আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন। নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।ব্রিফিংয়ের সময় মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা আগের চেয়ে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যখনই প্রভাবশালী আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে, অথবা রায় অপেক্ষমাণ আছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এখানে সাব্যোটাজ (নাশকতা) করবার জন্য একটা প্রক্রিয়া থাকতে পারে বলে আমাদের কাছে কিছু গোপন তথ্য আছে।’তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের সিকিউরিটি বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যারা কাজ করেন তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’এর আগে গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন একটি মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর আসামির নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। মামলার আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে এদিন হাতকড়া, ভেস্ট এবং হেলমেট পরিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল। সাক্ষ্যগ্রহণের পর জিয়াউল আহসান এ নিয়ে কিছু বলতে চান।ট্রাইব্যুনাল অনুমতি দিলে তিনি জানান, সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময় কোমর ও ঘাড়ে ব্যথা পান। তিনি উল্লেখ করেন, ইদানীং কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার সময় তাকে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট ও বুকে ভেস্ট পরানো হচ্ছে। তিনি এই বিষয় থেকে অব্যাহতি চান।ট্রাইব্যুনাল তখন প্রসিকিউশনের মতামত জানতে চাইলে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মনে হয় নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে এভাবে আনা হচ্ছে।’এ সময় ট্রাইব্যুনাল জিয়াউলকে বলেন, প্রসিকিউশন বলছে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার স্বার্থেই এ ব্যবস্থা। জবাবে জিয়াউল বলেন, প্রিজনভ্যান থেকে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানার দূরত্ব মাত্র পাঁচ গজ। এ ছাড়া গাড়ি থেকে নামানোর সময় ২০ জন পুলিশ সদস্য থাকেন।এ পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, পাঁচ গজ নয়, এক গজ থেকেও কেউ চাইলে স্নাইপারে টার্গেট করতে পারেন। জিয়াউল জবাব দেন, ‘এখানে টার্গেট নেওয়ার কোনো দিক নেই। ট্রাইব্যুনালে অনেক বেশি নিরাপত্তা। চাইলেই কেউ টার্গেট করতে পারবে না। অতএব আমি এ থেকে অব্যাহতি চাই।’
সহকর্মীর গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত পরে হাতকড়া ও ভেস্ট থেকে অব্যাহতির জন্য জিয়াউল আহসানকে একটি আবেদন করার পরামর্শ দেন ট্রাইব্যুনালের এক বিচারক। পরে জিয়াউল আহসানের বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার শিগগিরই আবেদন করা হবে বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ