শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৭ এম
৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত ২টা ৫৫ মিনিটে, ভারতের অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিল। তবে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় তখন ভিন্ন এক ব্যস্ততা চলছিল। মিশন কন্ট্রোল রুম, উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ট্র্যাকিং স্টেশনে প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ জন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও সহায়ক কর্মী উৎকণ্ঠা ও ক্লান্তি উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলেন।
শুধু ১৯ মিনিট পর, ভোর ৩টা ১৪ মিনিটে, উৎক্ষেপণের সফলতার খবর আসে। মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণকক্ষে স্বস্তির আবহ নেমে আসে। বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের মধ্যে হাসি, করমর্দন ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
বিজ্ঞান-বিষয়কমন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং এই সাফল্যকে ভারতের মহাকাশ অভিযানে ‘আরেকটি বড় লাফ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর পুরো দলকে অভিনন্দন জানান।
এই দিন জিএসএলভি-এফ১৭ রকেটের মাধ্যমে ইওএস-০৫ নামে একটি অত্যাধুনিক পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়। এটি জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথ থেকে ছবি তুলতে সক্ষম ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট। উপগ্রহটি দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড, মাল্টি-স্পেকট্রাল ও হাইপারস্পেকট্রাল—বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে উন্নত মানের ছবি সংগ্রহ করতে পারবে।
এই সাফল্য ইসরোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর আগে পরপর দুটি উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য পিএসএলভি রকেট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ২০২৫ সালে এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পিএসএলভি’র ব্যর্থতার পর বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে ইসরোকে দীর্ঘ তদন্ত ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
বর্তমানে পিএসএলভি বহরের উৎক্ষেপণ স্থগিত রয়েছে। প্রকৌশলীরা বিভিন্ন পরীক্ষা ও সংশোধনমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগের ব্যর্থতাগুলোতে কোনো নাশকতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রকেট উৎক্ষেপণ অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তি—এ কারণেই মহাকাশে নিয়মিত রকেট পাঠানোর সক্ষমতা বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের রয়েছে।
শ্রীহরিকোটা থেকে এটি ছিল কোনো বড় রকেটের ১০৭তম উৎক্ষেপণ।
‘নটি বয়’ এবার দিল স্বস্তি
পিএসএলভি-এর ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় এবার দায়িত্ব পড়ে জিএসএলভি এমকে ২-এর ওপর। ইসরো এই রকেটটির নাম মজা করে ‘নটি বয়’ রেখেছিল।
এর কারণও আছে। এখন পর্যন্ত ১৯টি উৎক্ষেপণের মধ্যে ৬টি ব্যর্থ হয়েছে। ফলে রকেটটির যাত্রা ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং ও নাটকীয়।
তবুও এই একই রকেট ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র শিগগিরই পতনের মুখে পড়তে পারে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে, ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দুর্বল এবং নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, "এই সরকার এখন টলমল অবস্থায় রয়েছে। এটি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দুর্বল। তারা নিজেদের টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে।"
নেতানিয়াহু আরও জানান, ইরানের এই হুমকি স্থায়ীভাবে দূর করা এবং দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করা এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি দাবি করেন, সেই লক্ষ্য অর্জন এখন আর অসম্ভব নয়; বরং তা অনেকটাই হাতের নাগালে।
দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহু ইরানের সরকারকে ইসরাইলের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানে হামলাও শুরু করে তেল আবিব। পরে এপ্রিল মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।
তবে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের পাশাপাশি জর্ডান ও ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে। তবে ইসরাইলে হামলা চালায়নি।
এ প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, "ইরান ইসরাইলে হামলা না করার বিষয়টি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।" তার ভাষায়, "তারা সবাইকে আক্রমণ করছে, কিন্তু আমাদের নয়। তারা আমাদের শক্তি, অস্ত্রের ক্ষমতা এবং আমাদের দৃঢ়তা সম্পর্কে জানে।"
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বড় ব্যবধানে বেড়েছে, যা টানা তিন দফা কমার পর ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ শুক্রবারও এই নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বুধবার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। অর্থাৎ, ভরিতে দাম বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকা। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এছাড়া, ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিনিময় বা বেচাকেনার ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা (এমইভি) ব্যবস্থায় নতুন করে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নতুন নীতির আওতায়, বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের সাধারণ পর্যটন ও সামাজিক সফরের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট চার ধরনের ভ্রমণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সফর মিললেই কেবল এ ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব হবে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সংশোধিত নীতি অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা আর সব দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে না। ২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন। ফলে নতুন নির্দেশিকার আওতায় বাংলাদেশিরাও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ছেন। সংশোধিত ভিসা কাঠামোয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
সংশোধিত নীতিতে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ মূলত চার ধরনের ভ্রমণের জন্য রাখা হয়েছে। এগুলো হলো ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ পর্যটন, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, চিকিৎসা এবং বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটন।
অর্থাৎ, যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেন, চিকিৎসার প্রয়োজনে একাধিকবার আসা-যাওয়া করতে হয়, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ ভ্রমণে অংশ নেন অথবা বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যান, তাহলে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে সাধারণ ছুটি কাটানো, বেড়াতে যাওয়া, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা কিংবা সামাজিক সফরের মতো উদ্দেশ্য যদি নির্ধারিত চার শ্রেণির মধ্যে না পড়ে, তাহলে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে নিয়মিত পর্যটকদের ওপর। পূর্বে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার মাধ্যমে নির্দিষ্ট মেয়াদে একাধিকবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সুযোগ ছিল। এখন সাধারণ পর্যটনের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা আর আগের মতো থাকবে না।
ফলে, বাংলাদেশ থেকে কোনো পর্যটক মালয়েশিয়ায় এসে দেশ ছাড়ার পর আবার সাধারণ পর্যটন উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে চাইলে নতুন করে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার প্রয়োজন হতে পারে। এতে নিয়মিত যাতায়াতকারী পর্যটকদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়ায় বাড়তি ঝামেলা তৈরি হতে পারে।
মালয়েশিয়ার ই-ভিসা ব্যবস্থার আগের নির্দেশনায় ভিসা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত ছিল। প্রতিটি প্রবেশে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের সুযোগও ছিল। নতুন নীতিতে সেই বিস্তৃত সুবিধা সীমিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন নীতিটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা প্রয়োজন এবং সংশোধিত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা কাঠামোয় ভ্রমণের উদ্দেশ্যকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত করা হয়েছে।
অর্থাৎ, শুধু বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলেই আগের মতো মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ পাওয়া যাবে না। আবেদনকারীর ভ্রমণের উদ্দেশ্য নির্ধারিত চার শ্রেণির কোনো একটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
নিয়মিত ব্যবসা, চিকিৎসা কিংবা নির্দিষ্ট পর্যটন কার্যক্রমে মালয়েশিয়ায় যাতায়াতকারী বাংলাদেশিদের জন্য এ ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হলেও সাধারণ পর্যটকদের ক্ষেত্রে এটি বাড়তি ভোগান্তি ও খরচের কারণ হতে পারে।
নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মালয়েশিয়া মূলত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসাকে সাধারণ পর্যটন সুবিধা থেকে সরিয়ে নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও পর্যটন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
একদিকে সাধারণ পর্যটনের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ সংকুচিত করা হয়েছে, অন্যদিকে ব্যবসা, চিকিৎসা, ক্রুজ এবং বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের মতো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ফলে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে এখন আবেদনকারীর জাতীয়তার পাশাপাশি ভ্রমণের উদ্দেশ্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এতে স্পষ্ট হচ্ছে, মালয়েশিয়া একাধিকবার প্রবেশের ভিসাকে এখন আর সাধারণ পর্যটনের জন্য নির্বিচারে দেওয়ার পরিবর্তে নির্দিষ্ট খাত ও প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে।
নতুন মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নীতি নিয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট, এই পরিবর্তন মূলত ভিজিট বা সামাজিক ভ্রমণসংক্রান্ত ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কিংবা অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট, সাময়িক কর্মসংস্থানসংক্রান্ত ভিজিট পাস কিংবা কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার সঙ্গে পর্যটনভিত্তিক মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার এই পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। কর্মসংস্থান ও পর্যটন ভিসা পৃথক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়।
ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পাশাপাশি মালয়েশিয়া দেশটির অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও নিয়ন্ত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নতুন ডিজিটাল অভিবাসন ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ার নতুন মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন একাধিকবার প্রবেশের ভিসা সাধারণ পর্যটকদের জন্য আগের মতো সহজলভ্য নয়। বরং কোন দেশের নাগরিক এবং কী উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন, এই দুই বিষয় বিবেচনা করেই মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে।
বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য এর সরাসরি অর্থ হলো সাধারণ বেড়ানো বা সামাজিক সফরের ক্ষেত্রে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা নিতে হবে। আর ব্যবসা, চিকিৎসা, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ কিংবা বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের মতো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকলে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ থাকবে.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর মুহুরীগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ইউনিক পরিবহণের একটি বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চালক ও হেলপার রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন ব্যক্তি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক। তাদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান জানিয়েছেন, চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি কাভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ে ছিল। পরে একটি লং ভেহিক্যালের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি বেঁধে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা ইউনিক পরিবহণের একটি বাস কাভার্ড ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।
এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক নিহত হন। আহত একজনকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ