শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৬ এম
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা (এমইভি) ব্যবস্থায় নতুন করে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নতুন নীতির আওতায়, বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের সাধারণ পর্যটন ও সামাজিক সফরের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। বর্তমানে নির্দিষ্ট চার ধরনের ভ্রমণ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সফর মিললেই কেবল এ ভিসার জন্য আবেদন করা সম্ভব হবে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সংশোধিত নীতি অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা আর সব দেশের নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে না। ২ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন। ফলে নতুন নির্দেশিকার আওতায় বাংলাদেশিরাও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ছেন। সংশোধিত ভিসা কাঠামোয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
সংশোধিত নীতিতে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ মূলত চার ধরনের ভ্রমণের জন্য রাখা হয়েছে। এগুলো হলো ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ পর্যটন, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, চিকিৎসা এবং বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটন।
অর্থাৎ, যদি কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত মালয়েশিয়ায় যাতায়াত করেন, চিকিৎসার প্রয়োজনে একাধিকবার আসা-যাওয়া করতে হয়, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ ভ্রমণে অংশ নেন অথবা বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যান, তাহলে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে সাধারণ ছুটি কাটানো, বেড়াতে যাওয়া, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা কিংবা সামাজিক সফরের মতো উদ্দেশ্য যদি নির্ধারিত চার শ্রেণির মধ্যে না পড়ে, তাহলে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে নিয়মিত পর্যটকদের ওপর। পূর্বে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার মাধ্যমে নির্দিষ্ট মেয়াদে একাধিকবার মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সুযোগ ছিল। এখন সাধারণ পর্যটনের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা আর আগের মতো থাকবে না।
ফলে, বাংলাদেশ থেকে কোনো পর্যটক মালয়েশিয়ায় এসে দেশ ছাড়ার পর আবার সাধারণ পর্যটন উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে চাইলে নতুন করে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার প্রয়োজন হতে পারে। এতে নিয়মিত যাতায়াতকারী পর্যটকদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়ায় বাড়তি ঝামেলা তৈরি হতে পারে।
মালয়েশিয়ার ই-ভিসা ব্যবস্থার আগের নির্দেশনায় ভিসা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত ছিল। প্রতিটি প্রবেশে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের সুযোগও ছিল। নতুন নীতিতে সেই বিস্তৃত সুবিধা সীমিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন নীতিটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা প্রয়োজন এবং সংশোধিত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা কাঠামোয় ভ্রমণের উদ্দেশ্যকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত করা হয়েছে।
অর্থাৎ, শুধু বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলেই আগের মতো মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ পাওয়া যাবে না। আবেদনকারীর ভ্রমণের উদ্দেশ্য নির্ধারিত চার শ্রেণির কোনো একটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
নিয়মিত ব্যবসা, চিকিৎসা কিংবা নির্দিষ্ট পর্যটন কার্যক্রমে মালয়েশিয়ায় যাতায়াতকারী বাংলাদেশিদের জন্য এ ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হলেও সাধারণ পর্যটকদের ক্ষেত্রে এটি বাড়তি ভোগান্তি ও খরচের কারণ হতে পারে।
নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মালয়েশিয়া মূলত মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসাকে সাধারণ পর্যটন সুবিধা থেকে সরিয়ে নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক ও পর্যটন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
একদিকে সাধারণ পর্যটনের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ সংকুচিত করা হয়েছে, অন্যদিকে ব্যবসা, চিকিৎসা, ক্রুজ এবং বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের মতো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ফলে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে এখন আবেদনকারীর জাতীয়তার পাশাপাশি ভ্রমণের উদ্দেশ্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এতে স্পষ্ট হচ্ছে, মালয়েশিয়া একাধিকবার প্রবেশের ভিসাকে এখন আর সাধারণ পর্যটনের জন্য নির্বিচারে দেওয়ার পরিবর্তে নির্দিষ্ট খাত ও প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে।
নতুন মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নীতি নিয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট, এই পরিবর্তন মূলত ভিজিট বা সামাজিক ভ্রমণসংক্রান্ত ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কিংবা অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট, সাময়িক কর্মসংস্থানসংক্রান্ত ভিজিট পাস কিংবা কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার সঙ্গে পর্যটনভিত্তিক মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার এই পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। কর্মসংস্থান ও পর্যটন ভিসা পৃথক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়।
ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পাশাপাশি মালয়েশিয়া দেশটির অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও নিয়ন্ত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নতুন ডিজিটাল অভিবাসন ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
সব মিলিয়ে মালয়েশিয়ার নতুন মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন একাধিকবার প্রবেশের ভিসা সাধারণ পর্যটকদের জন্য আগের মতো সহজলভ্য নয়। বরং কোন দেশের নাগরিক এবং কী উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন, এই দুই বিষয় বিবেচনা করেই মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার যোগ্যতা নির্ধারিত হবে।
বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য এর সরাসরি অর্থ হলো সাধারণ বেড়ানো বা সামাজিক সফরের ক্ষেত্রে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা নিতে হবে। আর ব্যবসা, চিকিৎসা, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ কিংবা বিয়েকেন্দ্রিক পর্যটনের মতো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকলে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার সুযোগ থাকবে.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর মুহুরীগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ইউনিক পরিবহণের একটি বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চালক ও হেলপার রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন ব্যক্তি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক। তাদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান জানিয়েছেন, চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি কাভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ে ছিল। পরে একটি লং ভেহিক্যালের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি বেঁধে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা ইউনিক পরিবহণের একটি বাস কাভার্ড ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।
এই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক নিহত হন। আহত একজনকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে যে, একটি ‘অতি শক্তিশালী’ এল নিনো সৃষ্টি হচ্ছে। এই এল নিনো আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী এল নিনোর কারণে আসন্ন শীতে ঠান্ডা কম অনুভূত হতে পারে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএমওর মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো বলেন, ‘এল নিনো এখন সম্পূর্ণরূপে তৈরি হয়ে গেছে এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে মানুষের জীবন এবং অর্থনীতির ওপর এটি বড় ধাক্কা দিতে পারে। খরা এবং বন্যার কারণে আমরা ইতিমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পাচ্ছি। এল নিনো শক্তিশালী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ক্ষতি আরও বাড়বে বলে আমাদের ধারণা।’
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যা তখন তৈরি হয় যখন প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অংশের পানি অত্যন্ত গরম হয়ে যায়। এর প্রভাবের কারণে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ায় পরিবর্তন ঘটে। তাপপ্রবাহ, ভারী বৃষ্টি এবং তাপমাত্রার চরম ওঠানামার জন্য এল নিনো দায়ী থাকে।
প্রশান্ত মহাসাগরের নিনো ৩.৪ অঞ্চলের পানির তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে এল নিনোর তীব্রতা নির্ধারণ করা হয়। মে থেকে জুলাই মাসে এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। জুলাই মাসে তা বেড়ে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়। এটি নির্দেশ করে যে, এল নিনো দ্রুত শক্তি অর্জন করছে।
এই গ্রীষ্মে ইউরোপে সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে রেকর্ড তাপমাত্রা দেখা গেছে।
ডব্লিউএমওর প্রধান বলেন, এই এল নিনো বর্তমানে সবার সামর্থ্যের শেষ সীমায় চাপ সৃষ্টি করছে। চরম আবহাওয়া মোকাবিলার জন্য বড় ধরনের প্রস্তুতি এবং সমন্বয় প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ডব্লিউএমওর ৫০ বছরের ইতিহাসে জাতীয় আবহাওয়া এবং জলবিজ্ঞান সংস্থাগুলোর নিয়ে এত বড় মাপের কোনো প্রস্তুতি আগে কখনো নেওয়া হয়নি। এই সংস্থাগুলো মানুষের জীবন এবং জীবিকা রক্ষায় পূর্বাভাস এবং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সামনের সারিতে থাকে।’
ডব্লিউএমও জানায়, ভারত মহাসাগরের ডাইপোল (আইওডি) সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে তৈরি হতে পারে। এল নিনোর মতো এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, তবে এটি ভারত মহাসাগরে ঘটে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
ডব্লিউএমও জানায়, ‘আইওডির পজিটিভ পর্যায়ও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মৌসুমি গড় মান হবে শূন্য দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস।’
আইওডির পজিটিভ পর্যায় এল নিনোর প্রভাব কিছুটা কমাতে পারে। আগস্টের শেষ দিকে আইওডি কিছুক্ষণের জন্য পজিটিভ পর্যায়ের দিকে ঝুঁকেছিল, তবে পরে আবার নিরপেক্ষ অবস্থায় ফিরে যায়। এর ফলস্বরূপ তীব্র গরমের শঙ্কা বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারত ও পাকিস্তানের মতো দল ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণার ফলে দলে স্থান পাননি দুইজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।
বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেবেন লিটন দাস। এশিয়ান গেমসের সকল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে জাপানের কারাওগি ন্যাশনাল পার্কে।
বাংলাদেশের ঘোষিত দলে পেস বোলার নাহিদ রানা এবং স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকে রাখা হয়নি। নাহিদ চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অংশ নিতে পারেননি এবং তার চোট এখনও পুরোপুরি সারেনি। অন্যদিকে, অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের পরও দলে অন্তর্ভুক্ত হননি।
এছাড়া, পেসার তাসকিন আহমেদ, আব্দুল গফফর সাকলাইন এবং উইকেটকিপার নুরুল হাসানকেও দলে নেওয়া হয়নি। নাহিদের অনুপস্থিতিতে পেস বিভাগকে নেতৃত্ব দেবেন মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন।
এশিয়ান গেমসে মোস্তাফিজের সঙ্গী হবেন পেসার হাসান মাহমুদ এবং শরীফুল ইসলাম। উভয়েই অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ভালো খেলেছেন। প্রথম টেস্টে হাসান ৬টি উইকেট নিয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শরীফুল ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
এশিয়ান গেমসের দলে তানজিদ হাসানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৌহিদ হৃদয়ও জায়গা পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলছেন। এছাড়া, নাজমুল হোসেন শান্তকেও দলে রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ দল: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তৌহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন, ইয়াসির আলী, রিশাদ হোসেন, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা ফুটবলার মার্কোস ইয়োরেন্তে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। স্পেন জাতীয় দলের হয়ে তিনি মোট ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন।
৩১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়, যিনি আতলেতিকো মাদ্রিদের প্রতিনিধিত্ব করেন, ২০২০ সালে প্রথমবার সিনিয়র দলে খেলেন স্পেনের হয়ে। জুলাই মাসে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে স্পেন যে বিশ্বকাপ জেতে, সেই দলে তিনি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে ফাইনালে তিনি মাঠে নামেননি এবং বেঞ্চেই বসে ছিলেন।
ইনস্টাগ্রামে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ইয়োরেন্তে লেখেন, ‘আমি জানি, আমার বয়স এখনো কম। হয়তো ভালো খেললে এই জার্সি গায়ে আরও কয়েক বছর খেলতে পারতাম।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি জানি, অনেকেই এই সিদ্ধান্ত বুঝবেন না। বাইরে থেকে দেখলে হয়তো আমিও বুঝতাম না। কিন্তু এটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অনেক ভেবেচিন্তে নেওয়া। আর সবচেয়ে বড় কথা, এই সিদ্ধান্ত এসেছে হৃদয় থেকে।’
রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই খেলোয়াড় নিজের সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান। বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিও তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, ‘আমার এত দিনের সব অভিজ্ঞতা আমি মনে রাখব। কিন্তু সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে গত ৫২ দিনের কথা।’
তিনি আরও বলেন, ‘দারুণ একটা দলের সঙ্গে ছিলাম আমি। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে স্পেনকে তারা শীর্ষে নিয়ে গেছে। আর ঠিক এটাই তারা করে দেখিয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ