ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩৫ জন লোকবল নেবে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়


৩৫ জন লোকবল নেবে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়

নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় মোট ৩৫ জনকে ৩টি ভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম ও সংখ্যা

১. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর: ৫ জন;

আরও পড়ুন: প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরির সুযোগ, এসএসসি পাশেই আবেদন করুন

২. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: ১২ জন;

৩. অফিস সহায়ক: ১৮ জন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন

১. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর: প্রার্থীদের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা আবশ্যক।

আরও পড়ুন: প্রায় দেড় লাখ টাকা বেতনের সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি, আবেদন করবেন যেভাবে

অন্যান্য দক্ষতা: সাঁটলিপিতে বাংলায় প্রতি মিনিটে ৪৫ এবং ইংরেজিতে ৭০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২৫ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে। কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং এবং ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০/-

২. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা আবশ্যক।

অন্যান্য দক্ষতা: কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং এবং ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২০ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: বিরামপুরে চাকরি মেলা, ৭০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে

বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০/-

৩. অফিস সহায়ক: প্রার্থীদের যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ২০,০০০-৪৮,৪০০/-

আবেদনের সময়সীমা: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০ লোক নিয়োগের ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেট্রোস্টেশনে হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


মেট্রোস্টেশনে হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

সকালে শরীরচর্চা শেষ করে টি–শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে যাওয়ার কারণে এক অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ওই প্রশিক্ষকের পোশাককে ‘অশালীন’ বলে মনে করে তাকে টিকিট পাঞ্চ মেশিনের সামনে ৪০ মিনিট ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে নাম উল্লেখ করা হয়েছে সাজ্জাদ হোসেনের। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ম্যারাথন ও আল্ট্রাম্যারাথনের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন এবং নিয়মিত দৌড়ান। ঢাকায় বিভিন্ন পার্কে ভোরবেলা প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।

ঘটনার পর সাজ্জাদ হোসেন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ ভিডিও পোস্ট করেন।

৫৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওর শুরুতে হাসিমুখে একজন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়। তার নেমপ্লেটে লেখা ছিল জাকির। তিনি বলেন, ‘দাঁড়ান একটু চুলটা ঠিক করি।’

পরে সাজ্জাদ হোসেন হাফপ্যান্ট পরে স্টেশনে ঢুকতে না পারার কারণ জানতে চাইলে পুলিশ সদস্য বলেন, ‘আপনাকে বলা হয়েছে আপনি একটু শালীনতার সঙ্গে যান। এইটা একেবারে পুরোপুরি শালীনতার মধ্যে পড়ে না।’

সাজ্জাদ হোসেন তখন প্রশ্ন করেন, ‘কোনটা শালীনতা, কোনটা শালীনতা না, সেটি আপনার নিয়মে লেখা আছে?’ জবাবে জাকির বলেন, ‘এটা দেখা আমার দায়িত্ব।’

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে মেট্রোরেলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মেট্রোরেলে চলাচলের জন্য কোনো ড্রেস কোড (পোশাক বিধি) নেই। তিনি বলেন, এই অপ্রয়োজনীয় হেনস্তা কেন করা হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

এদিকে ভুক্তভোগী সাজ্জাদ হোসেন জানান, সকালে রমনায় প্রশিক্ষণ শেষে ফার্মগেটে একটি কাজ ছিল। কাজ শেষে বিজয় সরণি যাওয়ার জন্য তিনি ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে যান। টিকিট কেটে স্টেশনে ঢোকার সময় দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য তাকে ডেকে নেন। ওই পুলিশ সদস্য ধমক দিয়ে বলেন, ‘এই আপনি, এই সব কি ড্রেস পরেন, এই সব অশ্লীল ড্রেস পরে মেট্রোতে ঢোকা যাবে না!’

তিনি পুলিশ সদস্যকে জানান, তিনি একজন রানিং কোচ এবং প্রশিক্ষণ শেষে মেট্রোরেলে পরবর্তী জায়গায় যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, মেট্রেলে শর্টস পরে যাওয়া যাবে না—এমন কোনো নিয়ম থাকলে তা দেখাতে বলেন।

সাজ্জাদ হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে থাকা আরও দুই পুলিশ সদস্য তাকে বলেন, এটি পাবলিক প্লেস, এখানে এভাবে যাওয়া যাবে না। তাদের একজন তাকে ট্রাউজার পরে আসতে বলেন। এমনকি শর্টস খুলে রেখে পরে ট্রাউজার পরে আসার কথাও বলা হয়। এভাবে তাকে প্রায় ৪০ মিনিট সেখানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।

সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ করেন, মেট্রোরেলের কন্ট্রোল বোর্ডের একজন নারী কর্মকর্তাও তার পোশাক নিয়ে প্রশ্ন করেন। ওই কর্মকর্তা তার ছবি তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে যান।

পরে মেট্রোরেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে মেট্রোতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

ঘটনার পর সাজ্জাদ হোসেন ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার: সালাহউদ্দিন আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার: সালাহউদ্দিন আহমদ

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার আবারও বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় আহ্বান জানিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, যদি বিরোধী দল কমিটির আলোচনায় অংশগ্রহণ করে, তবে তাদের প্রস্তাব ও মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

আজ জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ তথ্য জানান।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা এবং মো. মাহমুদুল হক রুবেল।

এছাড়া বৈঠকে জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে সংবিধান সংশোধনের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত, প্রস্তাব ও পরামর্শ প্রদান করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বারবারই বিরোধী দলকে আহ্বান জানিয়েছি। এখনো আহ্বান জানাই- তারা যখনই এই কমিটিতে যোগদান করবেন, আমরা স্বাগত জানাব। তাদের বক্তব্য ও প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।’

তিনি আরও বলেন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করলে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয় ধারণ এবং সমন্বয় করা সম্ভব হবে। সরকার চায় সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে বিভক্তি না রেখে ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজটি সম্পন্ন করতে।

সংবিধান সংশোধনের সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তারা ডিসেম্বরের মধ্যে কমিটির রিপোর্ট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এরপর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের বিল আসবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের প্রথম সংসদ অধিবেশনেই বিলটি আসতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচনা শেষ করে সংসদে রিপোর্ট দেওয়ার লক্ষ্য কমিটি আগেই জানিয়েছিল।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রথমে সংসদে বিল উত্থাপন হবে। বিলের ওপর আলোচনা, সংশোধনী প্রস্তাব ও বিরোধিতার বিষয়গুলো নিষ্পত্তির পর সংসদীয় বিধি অনুযায়ী সংশোধনী পাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এরপর যেসব সাংবিধানিক বিধানের সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

সাংবিধানিক গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণ গণভোট এবং সাংবিধানিক গণভোট এক বিষয় নয়। সংবিধানের নির্দিষ্ট কিছু বিধানে পরিবর্তন আনা হলে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী গণভোটের প্রয়োজন হতে পারে। এ বিষয়ে তিনি সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এ ধরনের গণভোটের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়েও তিনি সাংবাদিকদের ব্যাখ্যা দেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আগে সংসদে সংশোধনী পাস হবে। এরপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে যেসব অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের জন্য গণভোটের বিধান রয়েছে, সেগুলোতে গণভোট হবে। জনগণ পক্ষে ভোট দিলে এরপর রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করবেন।’

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের কিছু মৌলিক বিষয়ে সংশোধনী আনার ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান কার্যকর হতে পারে। তবে কোন কোন অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হবে, তা কমিটির আলোচনা ও পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে।

কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের মধ্যে ঐক্য থাকুক, কোনো বিভক্তি না থাকুক। জুলাই জাতীয় সনদ সম্পূর্ণরূপে যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন করব। এর বাইরেও কিছু বিষয় আছে, যেগুলো ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় আসেনি বা পরিহার করা হয়েছে। সেগুলোও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করতে চাই।’

তিনি জানান, ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনি ইশতেহারে থাকা যেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে, সেগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত ও জনসেন্টিমেন্ট থেকে সংবিধানে ধারণযোগ্য বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হবে। আর যেসব বিষয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব, সেগুলো আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই করা হবে।

সাংবাদিকদের মতামত প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজকের সভায় অংশ নেওয়া সাংবাদিকদের অধিকাংশই বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে লিখিত আকারেও তাদের প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এসব লিখিত প্রস্তাব কমিটি গ্রহণ করে আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুচ্ছেদ এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়েও সাংবাদিকরা বিস্তারিত মতামত দিয়েছেন। বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এসব মতামত নিয়ে একটি প্রতিবেদন ও পুস্তিকা প্রণয়ন করা হবে। তবে বিশেষ কমিটির মূল রিপোর্ট পৃথকভাবে থাকবে।

কমিটির সভাপতি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদই তাদের কাজের প্রধান ভিত্তি। তবে নির্বাচনি ইশতেহারে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সংবিধান সংশোধনের সুপারিশ প্রণয়নের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘প্রায়োরিটি হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। তবে আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুসারে যেসব বিষয়ে আমরা ম্যান্ডেট পেয়েছি, সেগুলোও ধারণ করব।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টিও তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ। এসব বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত না এলেও তাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার রয়েছে। ফলে সংবিধান সংশোধনের সুপারিশ প্রণয়নের সময় বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে।

বিরোধী দলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু কমিটির পক্ষ থেকে নয়, সাংবাদিকদের মাধ্যমেও তিনি বিরোধী দলকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। এর আগে সংসদে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকেও তাদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারব না। আমরা বারবার আহ্বান জানাতে পারি, আশা করতে পারি তারা এখানে অংশগ্রহণ করবে। আমরা চাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজটি করি এবং সংবিধান সংশোধনের আলোচনা করি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে জশ ইংলিশের খেলা অনিশ্চিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে জশ ইংলিশের খেলা অনিশ্চিত

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জশ ইংলিশ, যিনি ডান হাতের তর্জনিতে চিড় ধরার কারণে এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া আগামী ৯ অক্টোবর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছে।

ডারবানে গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালনকালে ৩১ বছর বয়সি ইংলিশ আঙুলে চোট পান। আঘাত সত্ত্বেও তিনি পুরো ইনিংস উইকেটের পেছনে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে ব্যাট হাতে তিনি মাত্র ৩ রান করতে সক্ষম হন।

ম্যাচ শেষে করা স্ক্যান রিপোর্টে ইংলিশের ডান হাতের আঙুলে চিড় ধরা পড়ে, যার ফলে তিনি সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। তার পরিবর্তে উইকেটের পেছনে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যালেক্স ক্যারি।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইংলিশ চিকিৎসার জন্য দেশে ফিরবেন। টেস্ট সিরিজে তার খেলার বিষয়ে পরবর্তী মূল্যায়ন এবং সুস্থ হয়ে ওঠার অগ্রগতির ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যদি ইংলিশ টেস্ট খেলতে না পারেন, তাহলে তার জায়গায় দলে সুযোগ পেতে পারেন জশ ফিলিপি বা স্যাম হার্পার। বর্তমানে উভয়েই অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের হয়ে ভারত সফরে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া যদি শুধুমাত্র ব্যাটার হিসেবে খেলার পরিকল্পনা করে, সেক্ষেত্রে দলে সুযোগ পেতে পারেন নাথান ম্যাকসুয়েনি বা পিটার হ্যান্ডসকমের মধ্যে যেকোনো একজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বিশ্ব পর্যটন দিবসে জেলা প্রশাসকের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


বরিশালে বিশ্ব পর্যটন দিবসে জেলা প্রশাসকের আলোচনা

বিশ্ব পর্যটন দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে রবিবার বরিশাল জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ মামুন খন্দকার উল্লেখ করেন, বরিশালের পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য নদীকেন্দ্রিক পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা অপরিহার্য। নদীতে বোট রাইড, পর্যটন স্পট ঘুরে দেখার জন্য সাশ্রয়ী প্যাকেজ এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এই উদ্যোগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, এখানে পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো অনেক স্থান বিদ্যমান, তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং বিনোদন সুবিধার অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, পাঁচ তারকা মানের হোটেলসহ বিভিন্ন মানের আবাসন স্থাপনা নির্মাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক। সাতলার শাপলা বিলসহ যেসব স্থানে ইতোমধ্যে পর্যটন কেন্দ্রিক কার্যক্রম গড়ে উঠছে, সেগুলোর পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।

এছাড়া, পর্যটন এলাকায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আবাসন ব্যবস্থা এবং বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করার গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বরিশাল স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের পাশে সুইমিং পুলসহ বিভিন্ন বিনোদন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।

ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, বরিশালের পুরোনো কালেক্টর ভবন, জেলা পুলিশ ভবন, জেলা স্কুল, বিএম কলেজ ও সার্কিট হাউসসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে। তিনি জানান, এসব স্থাপনার ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংরক্ষণ ও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জেলার নদী-খাল ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানকে পর্যটন পরিকল্পনার আওতায় এনে এ খাতকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ওবায়দুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাসুম বিল্লাহ, জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ট্রেনিং অফিসার ডা. সুশান্ত দাশসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%