রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৪ পি.এম
আর্লিং হালান্ড নতুন একটি রেকর্ড গড়েছেন। ম্যানচেস্টার সিটির এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত ২৫টি দলের মুখোমুখি হয়ে প্রতিটি দলের বিপক্ষে গোল করেছেন।
আজ (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সান্ডারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫-৩ ব্যবধানের জয়ে শেষ মুহূর্তে গোলটি করেন হালান্ড। এই গোলের মাধ্যমে সান্ডারল্যান্ডও তার গোলের তালিকায় যুক্ত হলো।
এর আগে প্রিমিয়ার লিগে সান্ডারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচ খেলে গোল পাননি হালান্ড। অবশেষে ২৫তম প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিনি জালের সন্ধান পেলেন।
গোলটি নিশ্চিত হওয়া সহজ ছিল না। ৮১ মিনিটে বল জালে প্রবেশ করার পর অফসাইডের কারণে তা বাতিল করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
প্রিমিয়ার লিগে ২০২২ সালের আগস্টে অভিষেকের পর থেকে হালান্ডের গোলসংখ্যা ১৩৭ ম্যাচে ১১৭। এবারের মৌসুমেও তিনি দারুণ ছন্দে রয়েছেন।
প্রিমিয়ার লিগে হালান্ডের সবচেয়ে বেশি গোল ওয়েস্ট হামের বিপক্ষে—৮ ম্যাচে ১১টি। ক্রিস্টাল প্যালেস ও উলভারহাম্পটনের বিপক্ষে তিনি ১০টি করে গোল করেছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে তার গোলের সংখ্যা ৯টি।
কমপক্ষে ২৫টি দলের বিপক্ষে গোল করার এই কীর্তিতে হালান্ডের সঙ্গে আছেন হ্যারি কেইনও। প্রিমিয়ার লিগে কেইন তার মুখোমুখি হওয়া ৩২টি দলের বিপক্ষে গোল করেছেন।
তবে সবচেয়ে বেশি দলের বিপক্ষে গোলের রেকর্ড এখনো ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের। ইংল্যান্ডের সাবেক এই মিডফিল্ডার লিগে ৩৯ প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছিলেন।
হালান্ডের সামনে তালিকাটি আরো বড় করার সুযোগ রয়েছে। প্রিমিয়ার লিগে তিনি এখনও হাল সিটির বিপক্ষে খেলেননি। ১৯ ডিসেম্বরের ম্যাচে মাঠে নামলে সেটি হবে তার ২৬তম প্রতিপক্ষ। গোল করতে পারলে ২৬ দলের বিপক্ষে গোল করার কীর্তি গড়বেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টের (ডিএফটি) সাম্প্রতিক নিরাপত্তা অডিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৮ শতাংশ স্কোর অর্জন করেছে। গত বছরের তুলনায় দুই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ডিএফটি মূল্যায়নে শাহজালাল বিমানবন্দর ৯৩ শতাংশ এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ স্কোর পেয়েছিল। এক বছরের ব্যবধানে শাহজালালের স্কোর ১ শতাংশ বেড়ে গেছে এবং ওসমানীর স্কোর ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাজ্যগামী যাত্রী, কার্গো ও মেইলের নিরাপত্তাব্যবস্থা মূল্যায়নের অংশ হিসেবে ডিএফটি এই অডিটটি পরিচালনা করে। এবারের অডিটে কার্গো পরিবহনের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে বলে জানানো হয়েছে বেবিচকের পক্ষ থেকে।
বেবিচকের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জনের ফলে ২০১৭ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম)–সংক্রান্ত অতিরিক্ত নিরাপত্তা শর্ত ও বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হতে পারে।
আসন্ন ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ডিএফটি অডিটের ফলাফল বেবিচক ও বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক ভিত্তি স্থাপন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন।
বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল বলেন, ‘বেবিচকের এভিয়েশন সিকিউরিটি ডিভিশন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
এ ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন ইনজুরির কারণে দলের বাইরে থাকার পর বাবর আজম আবারও অধিনায়কত্ব ফিরে পান। শান মাসুদকে সরিয়ে টেস্টে অধিনায়কত্ব পুনরুদ্ধার করলেও তিনি সাফল্যের অভাবে ভুগছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টানা তিনটি টেস্টে পরাজয়ের ফলে পাকিস্তান দেশে ফিরে এসেছে হোয়াইটওয়াশ হয়ে। এই পরাজয়ের পর বাবর আজমকে ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। প্রতিপক্ষের কাছে লজ্জাজনক হারের পর গোটা দলের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়াসিম আকরাম বাবর আজমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
দ্বিতীয় টেস্টের আগে সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি কোচ সরফরাজ আহমেদ ও উমর গুলকে সরানোর বিষয়ে কিছু জানার পরই আকরাম এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার এক অনুষ্ঠানে আকরাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাবর বলেছে ও নাকি কিছুই জানত না। ও যদি কিছুই না জানে, তাহলে পাকিস্তান দলে কী করছে? ছোলা বিক্রি করতে এসেছ? ক্রিকেটার বা ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বাস করি, আপনার নেতাই যদি আপনার পাশে না থাকে, তা হলে কখনোই শতভাগ দিতে পারবেন না।’
আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। আমার ভুলও হতে পারে। কিন্তু শান মাসুদের কাছ থেকে বাবরের নেতৃত্বের দায়িত্ব নেওয়া উচিত হয়নি। এত কিছুর কোনো প্রয়োজনই তো ছিল না। দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর বাবরের বলা উচিত ছিল, এবার থেকে ও কেবল খেলোয়াড় হিসেবেই দলে থাকবে বলে যোগ করেন সাবেক পাকিস্তানের অধিনায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’-এ অত্যাধুনিক এম৭৭৭ আল্ট্রা লাইট হাউইটজার ব্যবহার করে সরাসরি গোলাবর্ষণের মহড়া সম্পন্ন করেছে। রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় দুই দেশের সেনাদের কামান পরিচালনার সক্ষমতা এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, প্রথমে ভারতীয় সেনাদের কামান দল এম৭৭৭ হাউইটজারের গোলাবর্ষণ সক্ষমতা প্রদর্শন করে। এরপর সফররত মার্কিন সেনারা কামান অবস্থানে এম৭৭৭ ব্যাটারির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরিচালনাগত অভিজ্ঞতা ও যুদ্ধক্ষেত্রের কার্যকর কৌশল বিনিময় করেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুশীলনে উভয় বাহিনীর আর্টিলারি সক্ষমতা এবং যৌথ কৌশলগত সমন্বয় তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় আর্টিলারি দলের সদস্যরা এম৭৭৭ হাউইটজার কামান দিয়ে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে গোলাবর্ষণের সক্ষমতা প্রদর্শন করেন।
এম৭৭৭ আল্ট্রা লাইট হাউইটজার একটি হালকা ওজনের অত্যাধুনিক শক্তিশালী কামান, যা সর্বোচ্চ ১৫৫ মিলিমিটার দূরে লক্ষ্যে গোলাবর্ষণ করতে সক্ষম। এটি মূলত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর নকশাকৃত দূরপাল্লার অস্ত্র, যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে চুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত হয়। প্রথাগত ভারী কামানের তুলনায় এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা হওয়ায় একে ‘আল্ট্রা লাইট’ বা অতি হালকা বলা হয়ে থাকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোলাবর্ষণের সফল অনুশীলনের পর সফররত মার্কিন সেনারা ভারতের সেনা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, কৌশল ও কার্যপদ্ধতি আদান-প্রদান করেন। মূলত এম৭৭৭ হাউইটজার ব্যবহারের ওপর একটি লেকচার ও ব্যবহারিক প্রদর্শনীর ধারাবাহিকতায় এই লাইভ ফায়ারিং পরিচালনা করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অধিবেশনে এই আর্টিলারি সিস্টেমের প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল কামানের অবস্থান নির্ধারণ, স্থানীয় প্রতিরক্ষা সমন্বয়, প্রতিপক্ষের গোলাবর্ষণের মুখে বিকল্প অবস্থানে সরে যাওয়া এবং গোলাবর্ষণ করেই দ্রুত স্থান ত্যাগের অনুশীলন।
ভারত ও মার্কিন সামরিক মহড়া ২২তম ‘যুদ্ধ অভ্যাস’ গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়। দুই সপ্তাহব্যাপী এই মহড়াটি উত্তরাখণ্ডের অউলি ফরেইন ট্রেনিং নোড এবং রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে একযোগে পরিচালিত হচ্ছে। উভয় দেশের পক্ষ থেকে প্রায় ৬০০ করে সেনাসদস্য এতে অংশ নিচ্ছেন।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ গোলাবারুদ ব্যবহার করে এম৭৭৭-এর সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ২৪ কিলোমিটার। সহায়ক প্রজেক্টাইল ব্যবহার করলে তা প্রায় ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ে। আর এম৯৮২ এক্সক্যালিবারের মতো নির্ভুল নিশানাভিত্তিক গোলাবারুদ ব্যবহার করলে এম৭৭৭এ২ প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন আইনি চাপের মুখোমুখি হয়েছেন ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব পিএসজির সভাপতি নাসের আল খেলাইফি। ফ্রান্সে তার বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে একটি প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অভিযোগের সঙ্গে ২০২৪ সালে ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ-এর টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রির আলোচনা সম্পর্কিত বিষয় জড়িত। ফ্রান্সের প্রসিকিউটর কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ফ্রান্সের ক্রীড়া দৈনিক লেকিপের রিপোর্ট অনুযায়ী, তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে খেলাইফির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ। তিনি পিএসজির সভাপতির দায়িত্বে থাকাকালীন বেইন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যানও। একই সঙ্গে তিনি ফরাসি পেশাদার ফুটবল লিগের (এলএফপি) পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে টেলিভিশন স্বত্ব নিয়ে লিগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তার ভূমিকা নিয়েই মূল প্রশ্ন উঠেছে।
অ্যান্টিকোর নামের দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত এপ্রিলে তদন্ত শুরু হয়। দুর্নীতিবিরোধী ও আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী পুলিশকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অ্যান্টিকোরের অভিযোগ, বেইন স্পোর্টসের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় খেলাইফি এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের স্বার্থও জড়িত ছিল। সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, তিনি অন্যান্য ক্লাব সভাপতিদের ওপর বেইনের প্রস্তাব সমর্থনের জন্য চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।
২০২৪ সালের ওই আলোচনার পর বেইন স্পোর্টস ফ্রান্সের লিগের একটি ম্যাচ প্রতি সপ্তাহে সম্প্রচারের জন্য ১০ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দেয়। পরে এলএফপি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে।
তবে খেলাইফির আইনজীবী রেনো সেমেরজদিয়াঁ অভিযোগগুলোকে সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘নাসের আল খেলাইফির বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলোর কোনো আইনগত বা বাস্তব ভিত্তি নেই। তিনি সবসময় স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।’
নাসের আল খেলাইফির বিরুদ্ধে এটি প্রথম আইনি তদন্ত নয়। কাতারে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের বিডকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে ২০২৩ সালে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত জানায়, এ ব্যাপারে খেলাইফির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর এখতিয়ার ফরাসি বিচারব্যবস্থার নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ