সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
মাসিক মাসোয়ারার টাকা হ্যান ক্যাশ নিতে নিরবে পেতে বসেছেন ভিন্ন কৌশল। এই কৌশলের অংশ হিসাবে ব্যবস্থাকরে দিলেন দুপুরের খাবার। রান্না হয় মতিঝিল বাস ডিপোর ভিতরে।খাবার পরিবেশন হয় বি আর টিসির হেড অফিসে বসে।সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন মতিঝিল বাস ডিপোর ভিতরে বসেই সকাল থেকেই রান্নার কাজ শুরু হয়।রান্না শেষ করে নিয়ে আসেন হেড অফিসে।এই খাবারের জন্য প্রতি মাসে বি আর টি সির মতিঝিল বাস ডিপো থেকে খাবারের ভাউচার দিয়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা কর্তন করা হয়। এটিও অবৈধ ভাউচার যাহা বি আর টিসির নিয়মকানুন পরিপন্থি।
এক কর্মচারী ছন্দে ছন্দে বলেন সবাই মিলে মিশে খাবার খাই চেয়ারম্যান স্যারের সুনাম খাই খাবারের কোন টাকা নাই মতিঝিল ডিপো থেকে খাবারের ভাউচার দিয়ে আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ভাই স্যারের মত মানুষ নাই।এসকল কাজের মাধ্যমে ই মাসিক মাসোয়ারার টাকা হ্যান ক্যাশ নিরবে পেয়ে যায় আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।
এদিকে মাসিক মাসোয়ারার পরেও ভিন্ন ভিন্ন খাদে অর্থ বরাদ্দ করে সেই অর্থই হাতিয়ে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।
গত বছর আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় অপারেটিং ব্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ধরা হয় ১৫ লক্ষ টাকা। বর্তমান চেয়ারম্যান সেখানে (আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় অপারেটিং ব্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ৫৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছেন।)অথচ ৬ লক্ষ টাকাও খরচ হবে না।
চেয়ারম্যানের রুমের ডেকারেশনের বরাদ্দ ৫৬ লক্ষ টাকা। ভাউচার দিয়ে চেয়ারম্যানের পকেটে ৪০ লক্ষ টাকা।
সাবেক চেয়ারম্যান যে রুমে অফিস করেছেন সেই রুমের ডেকোরেশন এর জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা বাজেট করেছেন অথচ সেই রুমেই বসেই বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন। মাসিক মাসোয়ারা বাদে ও বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন খাদে অর্থ বরাদ্দ করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বর্তমান চেয়ারম্যান!
বি আর টি সিতে এসেই ২৪ টি ডিপো থেকে গড়ে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন।(এখানে প্রতিটি ডিপো থেকে এক রকম টাকা নেননি কোনো ডিপো থেকে ১১লক্ষ কোনো ডিপো থেকে ১৫ লক্ষ আবার কোনো ডিপো থেকে ১৬ লক্ষ টাকা করে দিয়েছেন প্রতিটি ডিপোর ম্যানেজার ) চেয়ারম্যানকে তাদের দেয়া টাকার পরিমাণ মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। কোন প্রকার ভাউচার ছাড়া এই টাকা নিয়েছেন। বিষয়টি গোপনীয়তার সহিত করেছেন চেয়ারম্যান ।নিয়েছেন হ্যান ক্যাশ।
এসময় প্রতিটি ডিপোর ম্যানেজারদের চালকসহ সকল কর্মচারিদের বেতন দিতে কষ্ট হয়েছে সময় মত বেতন পাননি চালক কর্মচারীরা।এই বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছেন। এখানেই শেষ নয় বিভিন্ন ডিপোতে তার আনুগত্যের শিকার করে অবৈধভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যানেজার পদে তার আনুগত্যে পোষণ কারিগনদের বিভিন্ন ডিপোতে দায়িত্ব দিয়েছেন রেখেছেন ।
অন্য এদিকে জানাযায়,বরিশাল মহানগরের ১৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার নাম পুতুল তিনি তার (শাশুড়ি)। তার স্ত্রীর বড় ভাই ভিপি জসিম ছাত্রলীগের নেতা।বরিশাল নগরীর মল্লিকা স্কুলের সাথে তার শশুর বাড়ি।শশুরের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদি উপজেলায়।বরিশালে যে বাড়িটি রয়েছে সেই বাড়ির জমিসহ সেটি নির্মাণ কাজ চেয়ারম্যান করে দিয়েছেন । চেয়ারম্যানের হওয়ার পূর্বে তিনি আওয়ামী লীগের সময় তার দুর্নীতি কারনে বরখাস্ত হয়ে ছিলেন। সেই বরখাস্তর কারণ গেটে দেখেই বাস্তব সত্য ঘটনা বের হয়ে যাবে।কিন্তু সেই বরখাস্তর ঘটনা অন্য খাতে প্রবাহিত করে বৈষম্যের শিকারের কথা বলে আওয়ামী লীগের দোষরের পদ উন্নতি পেয়ে বিআরটিসিতে পদায়ন দেন বতর্মান সরকার।
আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বি আর টি সিতে কালো থাবা, দিশেহারা ডিপোর ম্যানেজার, চালকসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।
অতিরিক্ত সচিব বিআরটিসি (BRTC)র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। তিনি পূর্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন এবং সরকার কর্তৃক এই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের অনুসারী আমলাদের তালিকায় তার নাম রয়েছে।তাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলেই তিনটি পদ-উন্নতি পান। যে দপ্তরে রয়েছেন সেই দপ্তরে বসেই দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন।
আনুগত্যের শিকার করে অবৈধভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যানেজার পদে তার আনুগত্যে পোষণ কারিগনদের বিভিন্ন ডিপোতে দায়িত্ব দিয়েছেন রেখেছেন ।আর সে সকল ম্যানেজারগন সেখানে বসেই চেয়ারম্যানের জন্য প্রতি দিন বিভিন্ন রুটে গাড়ি চলে সেই গাড়ি থেকে গাড়ি প্রতি ১ হাজার টাকা করে চেয়ারম্যানের নিজেস্ব ফান্ডের জন্য জমা নেন। ম্যানেজারা সেই অর্থ হ্যান ক্যাশ সরাসরি হেড অফিসে গিয়ে দিয়ে আসেন মিটিং এর কথা বলে।
এই অর্থ দিয়ে ওয়েবিলে কম অর্থ দিয়ে বিল জমা দেয়ার সুবিধা পান চালকরা।প্রতিটি কাউন্টার থেকেও অবৈধ অর্থ নিচ্ছে ম্যানেজার সেখান থেকেই ম্যানেজারা গড়ে ৪৫ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন ।আর সেই অবৈধ অর্থ নিচ্ছেন চেয়ারম্যান।
এখানে সকল ডিপো সমান বাবে অর্থ দিচ্ছেন না এখানেও রয়েছে তারতম্য কোনো ডিপো ৫৫ হাজার কোনো ডিপো ৪০ হাজার টাকা করে দেন। যে সকল বাস ডিপো থেকে টাকা দেওয়া হয় তাহার তালিকা :
০১ যাত্রাবাড়ী বাস ডিপো।
০২জোয়ারসাহারা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৩ মতিঝিল বাস ডিপো।
০৪ কল্যাণপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৫ মিরপুর দ্বিতল বাস ডিপো
০৬ মোহাম্মদপুর বাস ডিপো।
০৭ গাবতলী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৮ গাজীপুর বাস ডিপো।
০৯ ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১০ নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো।
১১ নরসিংদী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১২ কুমিল্লা বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৩ চট্টগ্রাম বাস ডিপো।
১৪ সিলেট বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৫ বগুড়া বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৬ পাবনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৭সোনাপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৮ রংপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৯ দিনাজপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২০খুলনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২১ বরিশাল বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২২ টুঙ্গীপাড়া বাস ডিপো
২৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২৪ কক্সবাজার বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২৪ টি বাস ডিপো থেকে প্রতিদিন ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা চেয়ারম্যান পান।মাসে সেই অর্থের পরিমাণ দাড়ায় ৩ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা।
এদিকে ওয়ার্কশপ থেকেও চেয়ারম্যানের আয় প্রতি মাসে ১০লক্ষ টাকা।ওয়ার্কশপ গুলো হল
০১ আইসিডব্লিউএস।
০২ কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা (সিডব্লিউএস)।
অন্য দিকে একটি সুত্র জানায় দুটি ট্রাক ডিপো :
০১ ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁও। সেখান থেকেও প্রতি মাসে ১১ লক্ষ টাকা নেন চেয়ারম্যান।
০২ চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো থেকেও প্রতি মাসে ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরে ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁওতে চালকদের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করে।
ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকেও বাদ যায়নি মাসিক মাসোয়ারা।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের তালিকা
০১ কেন্দ্রীয় ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।
০২ তেজগাঁও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৩ টুঙ্গীপাড়া ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৪ ঝিনাইদহ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৫ যশোর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
০৬ উথুলী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৭ সিরাজগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৮ মিরপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৯ নারায়ণগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
যে বি আর টি সি ছিলো লোকসানের কবলে সেই বি আর টি সিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রেখে গেলেন। বি আর টি সি কি লোকসানের কবলে যেতেছে।এই প্রশ্ন সাধারণ চালক ও কিছু কর্মকর্তাদের মাঝে গুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)
অথচ অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিক লীগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ! থাকা সত্ত্বেও
রয়েছে বহাল তবিয়তে।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে থাকা আওয়ামীলীগের অনুসারীরা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)
কর্মস্থলে বসে অবৈধভাবে ঘুষ নেয়া তার পেশা এবং নেশায় পরিণত হয়েছে।আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা বতর্মানেও ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এখনো সক্রিয় রয়েছেন।
তার নিজ এলাকায় একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীত সাথে জড়িত তার পরিবার।
ছাত্র অবস্থায় আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা সত্য।একথা গুলো তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জানাযায়। আওয়ামী লীগে বড় নেতাদের সাথে বতর্মানে ও কথা হয়।
নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে একজন চালক বলেন বতর্মান চেয়ারম্যান আসার সাথে সাথে যারা আওয়ামী লীগের শ্রমিক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তারা সবাই ভালো স্থানে বদলি হয়েছেন টাকার বিনিময়ে। বতর্মান চেয়ারম্যান টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না ভাই আগে বেতন পেতাম ৩০ তারিখে মধ্যে। এখন ১০ তারিখে ও পাই বেতন।
নাম না প্রকাশের সত্ত্বে এক ম্যানেজার বলেন তার মাসিক মাসোয়ারা যারা দিতে পারে তারাই ভালো স্থানে বদলি হয়। যারা সততার সাথে চলতে চাই তারা তার শত্রু।
এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বসে তারা সেখানে বসেই অবৈধভাবে অর্থ নিচ্ছে রক্ষক যখন বক্ষকের ভুমিকায় ।অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন এটি কোন ছোট্ট অপরাধ নয়।দুর্নীতি কখনো ছোট বড় নয় দুর্নীতি তো দুর্নীতিই সেটি যেমনই হোক। ছোট বড় দুর্নীতিতো দুর্নীতিই জন্ম দেয়। দুদক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। দুদকের দুর্নীতির বিষয়ে আর বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন। কেননা যে তুলনায় দুর্নীতির অভিযোগ আসে সেই তুলনায় দুদক অনুসন্ধান করতে পারে না। যদি সকল দুর্নীতি দুদক অনুসন্ধান করতে পারতো তাহলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসত। তবে আমরা আশাবাদী দুর্নীতিবাজদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব সেটি একদিন হবেই।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান
বলেন,আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বসে দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেছেন কিছু বড় কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) দুর্নীতির সাথে জড়িত
থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানা নেই ।অভিযোগ পেলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে আইন আনুগব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যারাই অপরাধ করুক না কেন আমাদের অনুসন্ধানে যদি কোনোভাবে প্রমাণিত হয়।তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং প্রয়োজনীয় যত ব্যবস্থা আছে তা নেব। কোনো দুর্নীতিবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) ফোনে একাধিক বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতভর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ জন, মাদক মামলায় ১০ জন এবং অন্যান্য মামলায় ১৪ জন রয়েছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, রবিবার রাতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার পঞ্চবটি শ্মশানঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে শেখেরচক পঞ্চবটি গ্রামের জাফরের ছেলে মোঃ মহিম ওরফে মাহিমকে (২০) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১৬ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ২৭০ টাকা জব্দ করা হয়।
একইরাতে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার বশড়ী এলাকার ভাটার পুকুরপাড়ে বাবু ওরফে ঘুটু বাবুর বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: মহানগরীর বুলনপুর এলাকার মোঃ বকুল ওরফে কল্কা (৪৭), গুড়িপাড়ার মোঃ মিঠু (৪২), মোঃ রানা (৩৫), মোঃ মুন্টু শেখ (৫৫), বশড়ী এলাকার মোঃ ফরমান (৫৬) এবং লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার মোঃ শামসুল আলম (৪৯)।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার ৫২ প্যাকেট তাস, দুটি স্মার্টফোন ও নগদ ৩ হাজার ৫৭০ টাকা জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মালিক বাবু ওরফে ঘুটু বাবু (৫৫) পালিয়ে যায়। পরে তার বসতবাড়ি তল্লাশি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক বাবুর বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের নবনিযুক্ত সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নবনিযুক্ত সচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাসিক প্রশাসক ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং নতুন দায়িত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।
সাক্ষাৎকালে রাজশাহী অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান পরিস্থিতি, সেবার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়।
ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান। তিনি এর আগে দীর্ঘদিন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নবনিযুক্ত সচিবের সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাতে রাজশাহী অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো গুরুত্ব পায়।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিপুল অর্থের মালিক হয়ে গেলে জীবন বদলে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কেউ বিলাসী বাড়ি কিনতে পারেন, কেউ দামি গাড়ি বা বিদেশ ভ্রমণে অর্থ ব্যয় করবেন।কিন্তু ফ্রান্সেস কনোলির কাহিনী একটু ভিন্ন।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের প্রাক্তন সমাজকর্মী ও শিক্ষক ফ্রান্সেস ২০১৯ সালে স্বামী প্যাডির সঙ্গে ইউরোমিলিয়নস লটারিতে ১১ কোটি ৫০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড জিতেছিলেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, এর পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। এত বিশাল অর্থ পাওয়ার পরও নিজেদের জন্য সবটা রেখে দেননি এই দম্পতি।
পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর পর তারা সম্পদের একটি বড় অংশ অন্যদের জন্য ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেন। জানা গেছে, মোট পুরস্কারের প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ প্রায় ৬৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা, তারা বিভিন্ন দাতব্য কাজে দান করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে ফ্রান্সেস একটি দাতব্য ট্রাস্টও প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার পরেও উত্তর-পূর্ব ইংল্যান্ডে তুলনামূলক সাধারণ জীবনযাপন করছেন ফ্রান্সেস ও প্যাডি।
তারা একটি বড় বাড়িতে বাস করেন এবং আরাম করে ছুটি কাটান। তবে অর্থ খরচের ক্ষেত্রে তারা এখনো হিসাবি। নতুন ও অত্যন্ত দামি জিনিস কেনার পরিবর্তে ব্যবহৃত বিলাসবহুল ঘড়ি বা গাড়ি কেনার ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই।
ফ্রান্সেসের ভাষায়, তারা আগের মতোই জীবন যাপন করছেন। তবে এখন সেই জীবনটা একটু বড় পরিসরে।
তার এই মানসিকতার পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে কিংবদন্তি মার্কিন গায়িকা ও সমাজসেবী ডলি পার্টনের দাতব্য কর্মকাণ্ড। প্রেস অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্রান্সেস বলেন, "মানুষ কতটা অর্থ নিজের কাছে রাখবে, তা আসলে নির্ভর করে সে জীবনে কী চায় তার ওপর।" তিনি মনে করেন, যদি কারও লক্ষ্য বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হওয়া বা ক্ষমতাবান মানুষের ওপর প্রভাব তৈরি করা হয়, তাহলে তার কাছে বিপুল অর্থ ধরে রাখার কারণ আছে। ফ্রান্সেস বলেন, "মানুষের স্বভাবের মধ্যেই অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।" নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কিছু যখন কারও হাতে থাকে, তখন তা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছা তৈরি হয়। তবে ‘যথেষ্ট’ বলতে সবাই একই পরিমাণ অর্থ বোঝেন না বলেও মনে করেন তিনি।
লটারি জেতার সময় ফ্রান্সেসের বয়স ছিল ৫০-এর বেশি। তিনি মনে করেন, যদি আরও কম বয়সে এই অর্থ পেতেন, তাহলে হয়তো এতটা দান করার সিদ্ধান্ত নিতেন না। কারণ তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি চিন্তা থাকতে পারত। তবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার মতো যথেষ্ট অর্থ রেখে দেওয়ার পর তিনি নিজের কাছে অতিরিক্ত অর্থ ধরে রাখার প্রয়োজন দেখেননি। তার যুক্তি খুব সহজ—"সন্তানরা যদি স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন কাটানোর মতো অর্থ পেয়ে যায়, তাহলে তার চেয়ে বেশি অর্থ জমিয়ে রাখার অর্থ কী?" ফ্রান্সেসের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অভ্যাস অবশ্য লটারি জেতার পর তৈরি হয়নি।
তার দাতব্য ট্রাস্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডে বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই অন্যদের সাহায্য করার মানসিকতা ছিল তার মধ্যে। পরে কাজের জন্য ১৯৯০ সালে তিনি হার্টলপুলে চলে যান। প্রথমে ভেবেছিলেন, সেখানে হয়তো এক-দুই বছর থাকবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শহরটিই হয়ে ওঠে তার দীর্ঘদিনের ঠিকানা। সেখানে ২৫ বছরেরও বেশি সময় বসবাস করেছেন তিনি। কুইন্স ইউনিভার্সিটি ছেড়ে নতুন শহরে যাওয়ার সময়ও মানুষের পাশে থাকার সেই মূল্যবোধ সঙ্গে করে নিয়েছিলেন ফ্রান্সেস। নতুন এলাকার মানুষদের বড় পরিসরে সাহায্য করার সুযোগকে তিনি নিজের জন্য সৌভাগ্য হিসেবে দেখেন।
ফ্রান্সেসের ৬০তম জন্মদিনও তাই শুধু নিজের উদ্যাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। স্কাই নিউজ জানিয়েছে, জন্মদিন উপলক্ষে সাতজন ক্রীড়াবিদ কয়েকটি চ্যালেঞ্জে অংশ নেবেন। এসব আয়োজন থেকে ফ্রান্সেস ও প্যাডির দাতব্য সংস্থা পিএফসি ট্রাস্টের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হবে। লটারি থেকে পাওয়া সেই বিপুল অর্থ হয়তো ফ্রান্সেসের জীবনকে আর্থিকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু অর্থ পাওয়ার পর তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অন্যদের জীবন একটু সহজ করে দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাংবাদিকতা একটি মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পেশা। পেশার মর্যাদা ও মান সমুন্নত রাখতে সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি তথ্যের যথার্থতা যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
‘গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে অধিকার ও পেশাগত দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব’ শীর্ষক এ কর্মশালায় প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে এলে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্রসহ আইনসম্মত পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও পেশাগত মান উন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বিচারপতি আব্দুল হাকিম। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি পেশাগত নৈতিকতা অনুসরণের জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান।
স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামান। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর সম্পদ ব্যক্তি হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪০ জন সাংবাদিক অংশ নেন। এতে সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও দায়িত্ব, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ