শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৪ পি.এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে বিদ্যুৎ দীর্ঘ সময় ধরে বিচ্ছিন্ন থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের একটি নোটিশে জানানো হয়েছিল যে ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে, কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হলগুলো অন্তর্ভুক্ত—খালেদা জিয়া হল, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল এবং শাহ আজিজুর রহমান হল।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত এই পরিস্থিতি চলমান থাকায় শিক্ষার্থীরা পানি সংকট, মোবাইল ফোনের চার্জ দেওয়ার সমস্যা এবং অতিরিক্ত গরমের কারণে ভোগান্তিতে রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসে অবস্থিত ৪ নম্বর সাবস্টেশনে (জুলাই-৩৬ হলের সামনে) বৈদ্যুতিক এইচটি ক্যাবলে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। ত্রুটি মেরামতের জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নোটিশে আরও বলা হয় যে, ওই সময়ে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে না।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ১৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হলেও পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিদ্যুৎ চলে যায়। দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে মেয়েদের হল (উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল ও খালেদা জিয়া হল) এবং শাহ আজিজুর রহমান হলে এ সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে বলে তারা জানান।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আবাসিক হলগুলোতে পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অতিরিক্ত গরম, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জ দিতে না পারা এবং পড়াশোনায় বিঘ্নসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। সামনে সেমিস্টার ফাইনাল থাকায় তারা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
শাহ আজিজুর রহমান হলের শিক্ষার্থী তানজিল হোসাইন মন্তব্য করেন, "নোটিশে বলা হয়েছিল ১৭ তারিখে বিদ্যুৎ থাকবে না। সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়েছে ১৮ তারিখে। শুক্রবার জুমার নামাজে যাওয়ার আগে অনেকেই গোসল করতে পারেনি, কারণ পানি ছিল না। অনেকের ফোনের চার্জ শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে ছিল।"
তিনি আরও জানান, "গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না বলা হয়েছিল। কিন্তু বিকেল ৫টার পরও বিদ্যুৎ আসেনি। প্রায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অপেক্ষার পর জেনারেটর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, আজ আর বিদ্যুৎ আসবে না, কিছু লাইনে জেনারেটর চলবে।"
তানজিল বলেন, "জেনারেটর সব লাইনে চলে না, এমনকি সব কক্ষেও এর সংযোগ নেই। তার ওপর ভোল্টেজের যে অবস্থা, তাতে ফ্যান চালানো আর না চালানো একই কথা। গরমে শিক্ষার্থীদের অবস্থা শোচনীয়। সামনে অনেকের সেমিস্টার ফাইনাল। এমন পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে প্রস্তুতি নেবে, সেটিই প্রশ্ন।"
খালেদা জিয়া হলের লোক-প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তিশা বলেন, "নোটিশে বলা হয়েছিল ১৭ তারিখে বিদ্যুৎ থাকবে না। সবাই সে অনুযায়ী প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ১৭ তারিখ বিদ্যুৎ না গিয়ে ১৮ তারিখ সকালে বিদ্যুৎ চলে যায়। ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও বিদ্যুৎ আসেনি।"
তিনি বলেন, "মেয়েদের হলে খাওয়ার পানি নেই, এমনকি ওয়াশরুম ব্যবহারের জন্যও পর্যাপ্ত পানি নেই। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা কীভাবে আছে, প্রশাসন কি একবারও ভেবে দেখেছে? যাদের সেমিস্টার ফাইনাল চলছে, তারা কীভাবে পড়াশোনা করবে?"
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক মিয়া বলেন, "ক্যাম্পাসের ৪ নম্বর সাবস্টেশন (জুলাই-৩৬ হল সংলগ্ন) সংস্কারের জন্য পূর্বে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সেদিন (বৃহস্পতিবার) বৃষ্টির কারণে কাজ করতে পারিনি। তবে কাজ করতে গিয়ে লাইনে (ফল্ট) সমস্যা হয়েছে। গতকাল ঠিক করতে না পারায় আমরা জেনারেটরের লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুতের সংযোগ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু হলে বা বিভিন্ন জায়গায় লাইনে ফল্ট করছে। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে ডেকে দেখিয়েছি। তারের কেবল নষ্ট হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে তার আসবে। আজকের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আপাতত আমরাও সঙ্গে যাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯৬৫ সালের এক শনিবারের দুপুর। বিলেতের বিখ্যাত কেমব্রিজ শহরের একটি পরিচিত গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘ভার্সিটি’ ছিল সোনিয়ার পছন্দের জায়গা। আঠারো বছর বয়সী ইতালীয় তরুণী সোনিয়া সেখানে নিজের পছন্দের খাবার খেতে গিয়েছিলেন। নতুন দেশে এসে তার মনটা বেশ খারাপ ছিল। কিন্তু তিনি কখনো ভাবেননি, সেই সাধারণ শনিবারের দুপুরটি তার জীবনকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেবে!
যখন সোনিয়া খাবার খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁর দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রেস্তোরাঁর ১১ নম্বর টেবিলে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তরুণ রাজীব গান্ধী। সোনিয়া যখন পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেন, রাজীবের বন্ধুদের আড্ডা যেন নিমেষেই থেমে গেল। রাজীব তো প্রথম দেখাতেই একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলেন! তিনি কোনো কথা না বলে একটি কাগজের নেপকিন আর কলম তুলে নিয়ে সোনিয়ার জন্য কবিতা লিখতে শুরু করলেন।
এরপর রাজীব রেস্তোরাঁর মালিককে ডেকে পাঠালেন সেরা ওয়াইনের বোতল আনতে। রাজীবের অনুরোধে রেস্তোরাঁর মালিক নিজে গিয়ে সোনিয়ার টেবিলে সেই ওয়াইন এবং কবিতা লেখা নেপকিনটি পৌঁছে দিলেন।
সোনিয়া এবং রাজীব—দুজনেই প্রথম দেখাতেই একে অপরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। সোনিয়া পরে তার এক বইয়ে লিখেছেন, "খুব কাছ থেকে আমাদের চোখ যখন প্রথম মুখোমুখি হলো, আমি নিজের বুকের ধুকপুকানি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম। আমাদের দুজনের জন্যই সেটা ছিল প্রথম দেখাতেই প্রেম।"
এর পরের দিনগুলো তাদের জন্য বেশ আনন্দময় ছিল। পুরনো একটি গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে নৌকা চালানো এবং সিনেমা দেখতে যাওয়া—সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক সময় কাটছিল তাদের।
তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো, প্রেমে পড়ার পরও সোনিয়া জানতেন না যে রাজীব ভারতের এত বড় রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে! কিছুদিন পর এক বন্ধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখালে সোনিয়া প্রথম বুঝতে পারেন, তার মনের মানুষটি আসলে ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান।
সূত্র: নিউজ ১৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মন্তব্য করেছেন, রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠন, পরিবর্তন, টেকসই গণতন্ত্র ও উন্নয়ন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার সেই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে অনাহুত বিরোধিতা না করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সহযোগিতা করার জন্য।
আজ শনিবার কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার মুগারচর কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবীণ শিক্ষক মো. রোকনুজ্জামানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ বলেছেন, বিপর্যস্ত ও ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে প্রতিবারই রাষ্ট্রকে উত্তরণ ঘটিয়েছে বিএনপি সরকার। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার দেশে টেকসই উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। অন্যদিকে, আরেকটি দল বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাক স্বাধীনতা হরণ, মানবাধিকার ভুলুন্ঠিত ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে সুস্থ ধারার রাজনীতি, টেকসই উন্নয়ন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর কাজ করছেন।
সাবেক মন্ত্রী ও বর্তমান এমপি ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের হাতেগড়া মেঘনার বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে প্রধান অতিথি ড. খন্দকার মারুফ বলেন, ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মেঘনা উপজেলার উন্নয়নে কোনো কাজই করেনি। নদীবেষ্টিত এই উপজেলাবাসীর জীবনমান উন্নয়নে আমরা বিরামহীন কাজ করছি। ইনশাআল্লাহ, পর্যায়ক্রমে জনগণের সকল মৌলিক চাহিদা পূরণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে বর্তমান সরকার অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। বিএনপিতে অপরাধীর কোনো স্থান হবে না। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্থ ও নতুন ধারার রাজনীতিকে জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর সূচিত সুস্থ ধারার উন্নয়নের রাজনীতি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যার পরও আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সাধ মিটেনি, তাদের অপতৎপরতা থেমে নেই। বর্তমানে বিদেশে বসে ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগসহ নানা সহিংসতার মাধ্যমে দেশে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।
তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও সহিংস কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় একসাথে কাজ করার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সীট দখল, অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শনী ও রাহাজানি হয় না। লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাস গড়েছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গণে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মেঘনা উপজেলা বিএনপি নেতা মো. রমিজউদ্দিন লন্ডনী, এস.এম সালাহউদ্দিন সরকার, এম.এম মিজানুর রহমান, প্রফেসর শহীদ উল্লাহ, আবু ইউসুব নয়ন, দিলারা শিরীন এবং যুবদল নেতা আতাউর রহমান চেয়ারম্যান প্রমুখ।
বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মেঘনা উপজেলার রাধানগর এলাকার রাস্তা পাকাকরণের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন এবং রাস্তার বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কাজের খোঁজখবর নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি দেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে রাস্তার দুই পাশে এবং অনিরাপদ ও নির্জন স্থানে গাড়ি পার্কিং না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম উল্লেখ করেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ঢাকাসহ সারাদেশে চলাচলকারী সকল ধরনের যানবাহন ও পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, "যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতিসাধন বা ভাঙচুর এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।" তিনি আরও জানান, কোনো অবস্থাতেই পরিবহনগুলো রাস্তার দুই পাশে অথবা অনিরাপদ ও নির্জন স্থানে পার্কিং করা যাবে না।
এছাড়া, যানবাহনের দৈনিক চলাচল শেষে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ নিজ ডিপো, নির্ধারিত গ্যারেজ অথবা টার্মিনালে নিরাপদে রাখার জন্য দেশের সকল স্তরের মালিক ও শ্রমিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, যানবাহনের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন এবং যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌসুমের প্রথম মাদ্রিদ ডার্বিতে রোববার রাতে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসের বিপরীতে ডেভিড-লুকম্যানদের লড়াইয়ে উত্তাপ ছড়াবে।
রিয়ালের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শেষ চার ডার্বির তিনটিতে জয়লাভ করেছে অ্যাটলেটিকো। বিশেষ করে রিয়াল সোসিয়েদাদ ও ওসাসুনার বিপক্ষে টানা দুই জয়ের পর তারা আত্মবিশ্বাসী। অন্যদিকে, রিয়াল তিন ম্যাচ জিতে গেলেও এখনও সেরা সমন্বয় খুঁজে পেতে সংগ্রাম করছে।
অ্যাটলেটিকোর আক্রমণে বড় ভরসা হিসেবে দেখা হচ্ছে জুভেন্টাস থেকে আসা জোনাথন ডেভিডকে। কানাডিয়ান ফরোয়ার্ড ওসাসুনার বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে শুরুতে থাকতে পারেন আদেমোলা লুকম্যান। আক্রমণভাগে আরও উপস্থিত থাকবেন আলেক্স বায়েনা ও লি কাং-ইন। ছয় ম্যাচে অ্যাটলেটিকো ১৪ গোল করেছে।
রিয়ালের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি ফরোয়ার্ড ছয় লিগ ম্যাচে সাত গোল করেছেন। সৃজনশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন আরদা গুলের, যিনি দলের অন্য খেলোয়াড়দের তুলনায় বেশি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও আক্রমণে বড় অস্ত্র হিসেবে কাজ করছেন।
দুই দলের রক্ষণেও কিছু বড় প্রশ্ন রয়েছে। অ্যাটলেটিকোর জুলিয়ান আলভারেজের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। চোটের কারণে পাবলো বারিওস ও আলেক্সান্ডার সোরলথও থাকছেন না। রিয়ালের রদ্রিগো দীর্ঘমেয়াদি চোটে বাইরে। ফারলঁ মঁদি ও এদের মিলিতাও দলের বাইরে থাকছেন।
রোববারের এই ডার্বিতে দুই দলের লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকবে আক্রমণভাগের তারকারা—এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস ও গুলেরের বিপরীতে ডেভিড, লুকম্যান ও লি কাং-ইন।
ম্যাচটি শুরু হবে আগামীকাল (রোববার) রাত ৮ টা ১৫ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ