ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকেছিলেন সঞ্জয় লীলা বানসালি


ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকেছিলেন সঞ্জয় লীলা বানসালি

বলিউডের অভিনেতা সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রেমের গল্প নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হাম দিল দে চুকে সানাম সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। সম্প্রতি অভিনেত্রী স্মিতা জয়কর সিনেমাটির শুটিংয়ের একটি ঘটনা সামনে এনেছেন। তার মতে, ঐশ্বরিয়ার হাত ছোঁয়ায় সালমানকে বকা দিয়েছিলেন পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি।

স্মিতা সিনেমাটিতে ঐশ্বরিয়ার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সিদ্ধার্থ কাননের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি শুটিংয়ের সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। স্মিতা জানান, সিনেমার ‘আঁখো কি গুস্তাখিয়া’ গানের দৃশ্যের শুটিং চলছিল। দৃশ্যটিতে সালমানের ঐশ্বরিয়ার কাছে যাওয়ার কথা ছিল টেবিলের চারপাশ দিয়ে ঘুরে। এরপর তার দাঁড়িয়ে ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকানোর কথা ছিল। কিন্তু শুটিংয়ের সময় সালমান ঐশ্বরিয়ার হাত ছুঁয়ে দেন, যা দৃশ্যের নির্ধারিত অংশ ছিল না।

স্মিতার বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি লক্ষ্য করে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি সালমানকে প্রশ্ন করেন, ‘সালমান, তুমি ওকে ছুঁলে কেন?’ দৃশ্যটিতে সালমানের শুধু দাঁড়িয়ে ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকার কথা ছিল। তাই নির্ধারিত অভিনয়ের বাইরে গিয়ে তাকে স্পর্শ করায় আপত্তি জানান পরিচালক।

আরও পড়ুন: সংস্কৃতিমন্ত্রী: 'ক্ষুদ্র' শব্দটি নৃগোষ্ঠীর জন্য অপমানজনক

স্মিতা বলেন, সালমানের ওই আচরণ দৃশ্যের পরিকল্পনার অংশ ছিল না। তার মতে, ঐশ্বরিয়ার প্রতি সালমানের ভালো লাগা থেকেই এমনটি ঘটেছিল। শুটিংয়ের সময় দুজনের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতাও তার চোখে পড়েছিল।

শুটিংয়ে দেরিতে আসতেন সালমান-ঐশ্বরিয়া

সাক্ষাৎকারে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের শুরুর দিকের আরো কিছু স্মৃতি স্মরণ করেন স্মিতা। তিনি বলেন, হাম দিল দে চুকে সানাম সিনেমার শুটিংয়ের সময় দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠছিল। তাদের পর্দার বাইরের ঘনিষ্ঠতা অভিনয়ে প্রভাব ফেলেছিল বলেও মনে করেন তিনি।

স্মিতা জানান, শুটিংয়ের সময় কখনো কখনো সালমান ও ঐশ্বরিয়া একসঙ্গে দেরিতে সেটে পৌঁছাতেন। সকাল ৭টায় শুটিং শুরুর কথা থাকলেও তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হতো অন্য শিল্পী ও কলাকুশলীদের। এ নিয়ে ইউনিটের সদস্যরা অভিযোগও করতেন।

আরও পড়ুন: এরফান গ্রুপের রাইস ইউনিটের বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্মিতা বলেন, অন্যরা অভিযোগ করতেন, সকাল ৭টার শিফট থাকলেও তারা ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন, অথচ সালমান ও ঐশ্বরিয়ার দেখা নেই। কখনো কখনো দুজনকে বেলা ১১টার দিকে একসঙ্গে সেটে আসতে দেখেছেন বলেও জানান তিনি। তবে দুজনের সম্পর্কের কথা ভেবে বিষয়টি নিয়ে তিনি খুব বেশি কিছু বলতেন না।

সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের ইতি

সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত হাম দিল দে চুকে সানাম মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। সিনেমাটিতে সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেন অজয় দেবগন। ছবিটির গান ও প্রেমের গল্প দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

সিনেমাটিতে একসঙ্গে কাজ করার সময় সালমান ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। তবে ২০০২ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পরীমণির জন্মদিনে জাঁকজমক নয়, প্রশান্তির ছোঁয়া

২০১২ সালে সিমি গারেওয়ালের এক সাক্ষাৎকারে সালমানের সঙ্গে অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাননি ঐশ্বরিয়া। তিনি জানিয়েছিলেন, অতীতের সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে এসেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা করতে চান না। তার মতে, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের কথাও বিবেচনায় রাখতে হয়।

২০০৭ সালের এপ্রিলে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের এক মেয়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গা মায়ের বিদায়ে মন খারাপ সৌরভকন্যা সানার, পাশে সৌরভ গাঙ্গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


দুর্গা মায়ের বিদায়ে মন খারাপ সৌরভকন্যা সানার, পাশে সৌরভ গাঙ্গুলি

বলিউডের অভিনেতা রাজকুমার রাও দুর্গাপূজার সময় কলকাতায় এসে হাজির হন তার আসন্ন সিনেমা ‘দাদা - দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’-র প্রচারের জন্য। মহাষ্টমীর দিন সৌরভ গাঙ্গুলির বাড়িতে তিনি উপস্থিত ছিলেন। এই অভিনেতা সৌরভ ও ডোনা গাঙ্গুলির সঙ্গে ম্যাডক্স স্কোয়ার, অ্যালেন পার্কসহ একাধিক পূজামণ্ডপে ঘুরে দেখার সুযোগ পান। লাল পাঞ্জাবিতে তিনি একেবারে বাঙালিয়ানায় সাজানো ছিলেন। বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে পরিচালিত এই বায়োপিকটি ২০২৭ সালের ১৪ মে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, দুর্গাপূজার আগে দেশে ফিরে আসেন সৌরভকন্যা সানা। পূজার দিনগুলো আনন্দে কাটলেও দশমীর দিনে তার মন খারাপ হয়ে যায়। কারণ দশমী মানে দুর্গা মায়ের বিদায়ের সময়। তাই সানার মনে বিষাদের সুর। তার চোখেমুখে হতাশা ও আবেগের ছাপ ছিল। প্রতিমাকে টেম্পোতে তোলার পর সেখানে উঠে তিনি প্রণামও করেন সৌরভকন্যা।

ভাসানে সৌরভ গাঙ্গুলির দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলিও উপস্থিত ছিলেন। যদিও বেশিরভাগ বারোয়ারি পূজা বৃহস্পতিবার ভাসানো হয়েছে। সেবড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পূজায় সানাকে নিয়ে হাজির হন সৌরভ গাঙ্গুলি। সেই সময় তাকে ঢাকের তালে নাচতে দেখা যায়। তবে সানার মন খারাপ ছিল। যখন সানার মন খারাপ, তখন সৌরভ গাঙ্গুলিকে তাকে কাছে টেনে নিয়ে মাথায় চুমু খেতে দেখা যায়।

বরাবরই মেয়ে অন্তপ্রাণ মহারাজ। দাদাগিরির সঞ্চালনার সময় প্রায় প্রতিটি এপিসোডেই তার মেয়ের প্রসঙ্গ উঠে আসতো।

২০০১ সালে জন্মগ্রহণ করা সানা গাঙ্গুলি ছোট থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি মায়ের কাছে নাচের তালিম নিয়েছেন। তবে খেলাধুলার প্রতি তার তেমন ঝোঁক ছিল না। বরাবরই বাবা-মায়ের তারকাদ্যুতি থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন সানা। একদম সাদামাটাভাবেই তাকে দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমেও তার উপস্থিতি নেই। প্রায় পাঁচ বছর লন্ডনে কাটানোর পর, সেখানে উচ্চশিক্ষা শেষে পেশাগত জীবনের সূচনা করেন।

লন্ডনে সানা সৌরভের কেনা অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন। এক সাক্ষাৎকারে ডোনা জানিয়েছেন— প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে করে অফিস যেতেন সানা। অফিস থেকে ফিরে নিজেই রান্না-বান্না করতেন।

তবে পূজার আগে কলকাতায় ফিরে এসেছেন। সৌরভ জানিয়েছেন, এবারে পাকাপাকিভাবে তাদের একমাত্র মেয়ে দেশে ফিরেছে। মায়ের সঙ্গে কলকাতার জাদুঘরে একটি নাচের পারফরম্যান্সও করেছেন।

উল্লেখ্য, সৌরভ গাঙ্গুলির সময় এখন বিশাল ব্যস্ততায় কাটছে। একদিকে তিনি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন, অন্যদিকে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন। তার ওপর বিগ বস বাংলার সঞ্চালনার দায়িত্বও রয়েছে, যা তার জন্য একদম নতুন। আবার তার ওপর তৈরি হওয়া বায়োপিক, যাতে রাজকুমার রাও মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন, সেদিকেও রয়েছে কড়া নজর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য কেনা যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য কেনা যাবে

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাংলাদেশের ফাস্টেস্ট-গ্রোয়িং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কার্টআপের সাথে একটি অংশীদারিত্ব স্থাপন করেছে। এই অংশীদারিত্বের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে অনলাইন বিক্রয় ও বিতরণকে আরও শক্তিশালী করা। ফলে, এখন থেকে গ্রাহকরা কার্টআপ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও এক্সেসরিজ পণ্য ক্রয় করতে পারবেন। সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে অবস্থিত রিয়েলমি বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এই অংশীদারিত্বের চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কার্টআপের সিইও ফুয়াদ আরেফিন তন্ময়, রিয়েলমির সেলস ম্যানেজার মারভিন এবং অনলাইন অপারেশনস ম্যানেজার আবুল হাসান।

কার্টআপ বাংলাদেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত, যা স্থানীয় ক্রেতাদের প্রতিদিনের ই-কমার্সের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উন্নতমানের পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে, প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনে স্মার্ট শপিং অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। একইসাথে, কোয়ালিটি, অথেন্টিসিটি এবং ফাস্ট ডেলিভারি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

এই অংশীদারিত্ব রিয়েলমি বাংলাদেশের ডিজিটাল রিটেইল উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি, এটি অনলাইন শপিং চ্যানেলে ক্রেতাদের স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য কেনাকাটা আরও সহজলভ্য করে তুলবে। কার্টআপের সাথে রিয়েলমি বাংলাদেশ একযোগে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা সহজ করার পাশাপাশি, দেশজুড়ে ক্রেতাদের শপিং অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উদ্ভাবন, সহজলভ্যতা এবং ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের উপযোগী পণ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রিয়েলমির প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, তারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশজুড়ে ক্রেতাদের আরও কাছে পণ্য নিয়ে যেতে চায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও নির্বাচনে কারচুপির শঙ্কা, ১১ দলের সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


ঠাকুরগাঁও নির্বাচনে কারচুপির শঙ্কা, ১১ দলের সতর্কতা

আসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে যদি ভোট কারচুপি বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সরকারকে মাগুরা নির্বাচনের ঘটনাটি থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে ১১-দলীয় জোট। একই সঙ্গে দুর্নীতি বন্ধ করার, প্রশাসনে দলীয়করণ রোধের, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ-পদোন্নতি এবং গুম-খুন ও হত্যাকাণ্ড প্রতিরোধে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে জোটের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১-দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন কমিটির সমন্বয়ক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আগামী ২৯ তারিখ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য এবং তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। সেখানে আজকে ১১-দলীয় যে প্রার্থী দেলোয়ার হোসাইনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটি আমাদের জানা আছে। আগামীকাল সেখানে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আমরা জনসমুদ্র লক্ষ্য করব। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ এসেছে। আবার ১২ ফেব্রুয়ারির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার পরিকল্পনা হচ্ছে। যদি এ ধরনের কিছু ঘটে, তাহলে মাগুরা থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য সরকারকে আমরা আহ্বান জানাব। আপনারা জানেন, মাগুরার নির্বাচন বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসের একটি কালো অধ্যায়, একটি দৃষ্টান্ত। এখান থেকে সরকার পতন আন্দোলন শুরু হয়েছিল এবং তা চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল।’

সরকারের উদ্দেশ্যে ১১-দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক বলেন, ‘যদি সরকার ক্ষমতায় থাকতে না চায়, তাহলে আমরা জোর করে ক্ষমতায় রাখতে পারব না। তাদের প্রতিটি আচরণ মনে হচ্ছে, তারা পালানোর অজুহাত তৈরি করছে। এ ধরনের পরিস্থিতি আপনারাই তৈরি করেন, জনগণের কিছু বলার নেই। তাই আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে মাগুরার পুনরাবৃত্তি চাই না। এজন্য সাবধান হন এবং সতর্ক থাকুন। যদি এ ধরনের অসৎ পরিকল্পনা থাকে, তাহলে সেগুলো ধুয়ে-মুছে ফেলুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ আজ সজাগ এবং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে কীভাবে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ঠেকানো যায়। সেই পথেই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামব, ইনশা আল্লাহ।’

সাত দলের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনা ও ১১-দলীয় জোটের ঐক্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘গতকালের মিটিংয়ের ব্যাপারে কিছু আলোচনা হয়েছে। বক্তব্য দেওয়া ছাড়াই এটি প্রমাণ করে যে, যারা সেখানে সাত দল বা যে দলেই হোক, জোট হোক, তারা আজ এখানে ১১ দলে আছেন। সুতরাং সেখানে ১১ দলকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে, ভেঙে গেছে– নানা অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। তাদের উপস্থিতিই হচ্ছে এর জবাব।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং ১১ দল আছে এবং থাকবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এবং গণভোটের রাস্তা না হওয়া পর্যন্ত যে ঐক্য হয়েছে, সেই ঐক্য অটুট রেখে আমরা এগিয়ে যাব।’

আগামী ৩১ অক্টোবর লংমার্চ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়ে জোটের পক্ষ থেকে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জমায়েত শুরু হবে। সকাল ৮টায় সমাবেশ শেষে যাত্রা শুরু হবে। ঢাকা থেকে শুরু করে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।

লংমার্চের পথে ছয়টি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে মাদারীপুর-শরীয়তপুরের নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরি চত্বর, খুলনার ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মণিরামপুর মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড। কর্মসূচির সমাপনী সভা হবে কুষ্টিয়া জেলা হাইস্কুল মাঠে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই লংমার্চ হবে শান্তিপূর্ণ, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং জনবান্ধব। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ভিত্তিতে এটি হবে। এর মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে চাই, সরকার যেন দ্রুত জনগণের ভাষা বুঝতে পারে, দেয়ালের লিখন পড়তে পারে এবং শিক্ষা নিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে যারা আছেন, হেডকোয়ার্টারে এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সবার প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে, আমরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ করব। ঢাকা থেকে শুরু করে একেবারে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ করব। প্রতিটি জায়গায় জনগণের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।’

লংমার্চে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রসঙ্গে সমন্বয়ক বলেন, ‘যদি কারও উসকানি এবং বিশৃঙ্খলা করার সামান্যতম নমুনা থাকে, তাহলে যেন আগেভাগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যদি আপনারা ব্যবস্থা না নেন, তাহলে আমরা বুঝে নেব সরকার এবং ফ্যাসিবাদী শক্তি আমাদের এই কর্মসূচির মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি না, প্রজাতন্ত্রের কোনো কর্মচারী এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কাজে জড়িত হোক। তারা জনগণের হয়ে কাজ করবেন এবং জননিরাপত্তার জন্য কাজ করবেন। শান্তিপূর্ণ এই কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা চাই।’

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, এবি পার্টির নেতারা, জাগপার নেতারা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নেতারা, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় দেশীয় অস্ত্র তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে যুবক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৮ পি.এম


কুমিল্লায় দেশীয় অস্ত্র তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে যুবক আটক

কুমিল্লার লালমাইয়ে এক যুবককে আটক করা হয়েছে দেশীয় অস্ত্র তৈরি ও বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগে। বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) অভিযানে গিয়ে তার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করার দাবি করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বেলঘর ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক যুবকের নাম আবু মোহাম্মদ তৌকিরি নেওয়াজ আসিফ, যিনি স্থানীয় বাসিন্দা শাহনেওয়াজ লাভলুর পুত্র।

এসআরবি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসিফের দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন এবং সেগুলো তৈরি ও বিক্রির বিজ্ঞাপন নিয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়। পরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে আসিফের বাড়িতে অভিযান চালানো হয় এবং তাকে আটক করা হয়।

অভিযানে ১৬টি ছোট-বড় রামদা, চাকু ও চাপাতি, দুটি এয়ারগান, এক বক্স কার্তুজ, একটি ড্রিল মেশিন, একটি কাটার মেশিন এবং একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়েছে। এসআরবি জানায়, এসব সরঞ্জাম দেশীয় অস্ত্র ও পাইপগান তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এসআরবি ১১ সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, "সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসিফের দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ আসিফকে আটক করা হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%