ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শীতের আগমনে গফরগাঁওয়ে প্রস্তুতির ধুম, বাজারে শীতকালীন পণ্য আসছে


শীতের আগমনে গফরগাঁওয়ে প্রস্তুতির ধুম, বাজারে শীতকালীন পণ্য আসছে

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শীতের আগমনি বার্তা ইতোমধ্যে অনুভূত হতে শুরু করেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উত্তরের শীতল হাওয়া প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। রাতের বেলা হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, ভোররাতে ঠান্ডার পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পায় এবং দিনে আবহাওয়া বেশ গরম থাকে।

প্রকৃতিতে ঋতুবদলের আয়োজন চলছে। শরৎ শেষে হেমন্তকাল শুরু হয়েছে, এরপর শীতকাল আসবে। তবে প্রকৃতি এখনই শীতের আগমনি বার্তা জানাচ্ছে। শরতের কুয়াশায় সবুজ ঘাস ও ধানের পাতায় শিশির জমা হচ্ছে। দূর থেকে সবুজ ধানক্ষেত ও ঘাসের দিকে তাকালে মনে হয় যেন মুক্তার মতো শিশিরকণা জমে রয়েছে। সকালে সূর্যালোকে দুর্বাঘাস ও ফসলের পাতায় শিশিরবিন্দু ঝলমল করছে। ভোরের আকাশ কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে বাজারে শীতকালীন শাকসবজির আগমন শুরু হয়েছে। তবে দাম কিছুটা বেশি। আগাম শীতে সবজি বিক্রি করে কৃষকরা অতিরিক্ত দাম পাচ্ছেন, যা তাদের জন্য সুখকর। লেপ-তোশকের কারিগররাও এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তবে লেপ-তোশক তৈরির খরচ বেড়ে গেছে। আগের মতো সস্তায় কারিগররা লেপ-তোশক তৈরি করতে পারছেন না। তুলা, কাপড় ও শ্রমিকদের মজুরি বেড়ে যাওয়ার কারণে দোকানিরা লেপ-তোশক তৈরিতে বেশি খরচ দাবি করছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত

গ্রামে গ্রামে খেজুরের রস সংগ্রহের জন্য গাছিরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাদের কদর বেড়ে গেছে। আগের মতো কম টাকায় খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতির কাজে রাজি হচ্ছেন না তারা।

গফরগাঁওয়ের গ্রামাঞ্চলে আগের মতো খেজুর গাছ দেখা যায় না। চারা রোপণে আগ্রহী মানুষের অভাবের কারণে এখানে খেজুরের চারা রোপণ কম হচ্ছে। এই কারণে গ্রামাঞ্চল থেকে খেজুর গাছ হারিয়ে যাচ্ছে।

শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে গফরগাঁওয়ের বিভিন্ন হাটবাজারে পিঠার দোকান বসতে শুরু করেছে। গ্রামের বেকার শ্রমজীবী মহিলারা পিঠা তৈরি করে মানুষের রসনা তৃপ্তি দিচ্ছেন। সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন ধরনের ভর্তা। সকালে পিঠার স্বাদ নিতে অনেকে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।

পিঠা খেতে দোকানে আসা আবু বক্কর নামে একজন রিকশাচালক জানান, "সকালে পিঠা খেতে ভালো লাগে। তাই প্রতিদিন ভোরে পিঠা খেয়ে যাত্রীর সন্ধানে রিকশা নিয়ে বের হই।"

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

গফরগাঁও পৌর এলাকায় প্রাতঃভ্রমণকারী তপন খান নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ী জানান, "গত এক সপ্তাহ ধরে সকালে হাঁটার সময় বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। সকালে মনে হচ্ছে শীতের দিন চলে এসেছে। তবে রাতে ফ্যানের প্রয়োজন হয় না। ফ্যান চালালে কাঁথা ব্যবহার করতে হয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৯ অক্টোবর: ইতিহাসের নানা দিকের উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ এম


১৯ অক্টোবর: ইতিহাসের নানা দিকের উল্লেখযোগ্য ঘটনা

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে স্থান পায় এমন ঘটনা যা কিছু ইতিবাচক, যা কিছু প্রথম, এবং যা কিছু মানবসভ্যতার জন্য অভিশাপ কিংবা আশীর্বাদ। বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষ জানতে চায় সেই ইতিহাস।

আজ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬। এক নজরে দেখা যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

১৩৮৬ সালে জার্মানির সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৩৮৬ সালে ওসমানীয় বাহিনী বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া দখল করে।

১৭৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ সেনা প্রধান লর্ড কর্নওয়ালিস মার্কিন সেনা প্রধান জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করে, যা আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়।

১৮১২ সালে নেপোলিয়ন প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে মস্কো ত্যাগে বাধ্য হন।

১৮৮৮ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯২৩ সালে কামাল পাশার নেতৃত্বে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪২ সালে চলচ্চিত্রবিষয়ক প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘চিত্রপঞ্জি’ প্রকাশিত হয়।

১৯৪৪ সালে ফিলিপাইনে মার্কিন সেনাদের সাথে জাপানি সৈন্যদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৫০ সালে জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়ং দখল করে।

১৯৫১ সালে ব্রিটেন সুয়েজ খান অঞ্চল অধিকার করে।

১৯৫৪ সালে একদল অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী কর্তৃক পৃথিবীর ষষ্ঠ উচ্চতম পর্বত চো ওইয়ু বিজয় লাভ করে।

১৯৬২ সালে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৬৫ সালে চীন-নেপাল আনুষ্ঠানিক প্রত্যক্ষ ডাক-ব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৭৩ সালে স্পেনে বন্যায় ২শ’ লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭৬ সালে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলী হাসান সালামাহ্ ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মুসাদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে লেবাননে শাহাদাত বরণ করেন।

১৯৭৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮ টি বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৮৩ সালে বামপন্থী সামরিক অভ্যুত্থানে গ্রেনেডার প্রধানমন্ত্রী মবিশ নিহত হন।

১৯৮৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তে বিমান দুর্ঘটনায় মোজাম্বিকের প্রেসিডেন্ট সামোর মাশেল ৩০ জন সহযাত্রীসহ নিহত হন।

১৯৮৮ সালে ভারতে পৃথক বিমান দুর্ঘটনায় ১৬৪ জন নিহত হয়।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের অবসান ঘটে।

১৯৯৩ সালে পিপলস পার্টির নেত্রী বেনজীর ভুট্টো দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সোনারগাঁয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর-এর উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯৬ সালে পেইচিংয়ে চীনের প্রথম হট এয়ারশিপ ‘চীন ১ নম্বর’ সফলভাবে আকাশে উড়ে।

জন্ম

১৬০৫ সালে টমাস ব্রাউন, ইংরেজ সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬৪ সালে ওগ্যুস্ত ল্যুমিয়ের, ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের অগ্রদূত জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৬ সালে চারুচন্দ্র ভাণ্ডারি, প্রবীণ গান্ধীবাদী ও সর্বোদয় নেতা জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৭ সালে সেলিমুজ্জামান সিদ্দিকী, পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ সালে মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল আস্তুরিয়াস, গুয়াতেমালার নোবেলজয়ী কথাশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৩ সালে রাইচাঁদ বড়াল, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী, সংগীত পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৪ সালে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬১ সালে সানি দেওল, ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৩ সালে রেবেকা ফার্গুসন, সুয়েডীয় অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু

১৭৪৫ সালে ইংরেজ সাহিত্যিক জোনাথন সুইফট মৃত্যুবরণ করেন।

১৯২২ সালে চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়, যশস্বী বাঙালি লেখক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৩৬ সালে মহান চীনা সাহিত্যিক লু স্যুন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৩৭ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নিউজিল্যান্ডীয় নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭২ সালে কিথ জনসন, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট প্রশাসক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭৪ সালে ফররুখ আহমদ, বাঙালি কবি মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৭ সালে মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন, লোকগীতি সংগ্রাহক ও সম্পাদক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯০ সালে অশোকবিজয় রাহা, ভারতীয় বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক মৃত্যুবরণ করেন।

২০০৩ সালে বসনিয়ার বিশিষ্ট লেখক ও রাজনীতিবিদ আলী ইজ্জাত বেগুভিচ মৃত্যুবরণ করেন।

২০০৪ সালে কেনেথ আইভার্সন, টুরিং পুরস্কার বিজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী মৃত্যুবরণ করেন।

২০১৪ সালে এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের ইতিহাসবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক মৃত্যুবরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ এম


মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে, যা জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে করা হয়েছে।

রোববার এই সোলার প্যানেল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।

এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম ইরাদত, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেব আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছাদে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২৮টি সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই প্যানেলগুলোর মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত্ত অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, "বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।" তিনি আরো উল্লেখ করেন, সরকারি স্থাপনার ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

সরকার এখন সরকারি দপ্তরসহ সর্বত্র সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছে।

সর্বসাধারণকে সোলার প্যানেল ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি বলেন, "কেউ সোলার প্যানেল স্থাপন করতে চাইলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় জায়গার ব্যবস্থা করে দেবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ এম


ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন যে, ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়। তিনি সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার হাট গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া হরিমন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গোৎসবের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন, “আমার কাছে কে মুসলিম, কে হিন্দু, কে খ্রিস্টান—এমন কোনো ভেদাভেদ নেই। একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের সমান অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নে আমি কাজ করে যাব।”

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কলমাকান্দা-দুর্গাপুর অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এ অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করার পাশাপাশি সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে এবং এ কাজে তিনি সবার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে কলমাকান্দা ইউএনও এন এম আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামছুজ্জামান আসিফ, কলমাকান্দা থানার ওসি সোহেল রানা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ এম


নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

একদিকে হাসপাতালের মর্গে আগুনে পুড়ে যাওয়া ১০ পর্যটকের মরদেহ পড়ে রয়েছে, অন্যদিকে প্রিয়জনের খোঁজে স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা চলছে। কেউ স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার আশা করছেন, কেউ সন্তান কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। স্বজনদের চোখে উদ্বেগ, বুকজুড়ে অনিশ্চয়তা। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ কয়েকজনের সন্ধান এখনো মেলেনি। মরদেহগুলো অতিমাত্রায় দগ্ধ হওয়ায় পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রিয়জনের মরদেহ বুঝে পেতে আরো কয়েকদিন, এমনকি এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

কক্সবাজারের উখিয়ার মেরিন ড্রাইভ ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর রবিবার (১৮ অক্টোবর) কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গের সামনে স্বজনদের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৯) সন্ধানে অপেক্ষা করছিলেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের নেতা দেওয়ান ফয়সাল। তিনি জীবিত কিংবা মৃত যেকোনো অবস্থায় স্ত্রীর সন্ধান চান। তার শ্বশুর ঢাকার মালিবাগ এলাকায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ডিএনএ নমুনা দিতে গেছেন বলে জানান ফয়সাল।

উদ্ধার করা মরদেহ নিয়ে বিভ্রান্তি

গতকাল পর্যন্ত ১০ মরদেহ উদ্ধার হলেও নিখোঁজের সংখ্যা এখন ১১ জন। রবিবার দুপুরে কালের কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ছাত্রদল নেতা দেওয়ান ফয়সাল অভিযোগ করেন, স্ত্রীর সন্ধানের বিষয়ে কক্সবাজারের প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাননি। তিনি পরিচয় নিশ্চিত করে স্ত্রীর মরদেহ ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী দাফন-কাফন করতে চান। উদ্ধার করা ১০ মরদেহের মধ্যে আদৌ নাসরীন আকতার মুক্তার পুড়া দেহ আছে কিনা তা নিয়ে স্বামী ফয়সাল সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, একই পরিবারের ৬ জন ছাড়াও যশোরের এক পরিবারের অপর ৪ জনের মরদেহ নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধার হওয়া ১০ জন যদি দুই পরিবারের হয়ে থাকে, তাহলে ফয়সালের স্ত্রী কোথায়, এমন প্রশ্ন নিয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির শরণাপন্ন হয়েছেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘যেহেতু তাদের কাছে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে, সেহেতু এখনো কোনো পুড়ে যাওয়া মানবদেহ সেখানে রয়েছে কিনা তা ভাল করে দেখা হচ্ছে।’

যশোরের নাহিদুরের পরিবারও নিখোঁজ

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের নাহিদুর রহমান তুহিন, তার স্ত্রী আফসানা এবং তাদের দুই মেয়ে সাত বছর বয়সী রোবাইনা ও তিন বছর বয়সী সুনাইনা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বেগে রয়েছেন স্বজনরা। তাদের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছেন পরিবারের সদস্য ও নাহিদুরের সহকর্মীরা।

নাহিদুর ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করা এই কর্মকর্তা ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত টুপটুপ রিসোর্টে থাকার বুকিং করেছিলেন। রিসোর্টের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর বুকিং দেওয়া হয়েছিল এবং রবিবার দুপুর ১টায় তাদের কক্ষ ছাড়ার কথা ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এই পরিবারের অবস্থান নিশ্চিত করতে না পারায় তাদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ আরো বেড়েছে। নিহতদের তালিকা ও নিখোঁজদের তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহের বেশির ভাগ অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হওয়ায় স্বাভাবিক উপায়ে পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এ কারণে মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি স্বজনদের রক্ত অথবা মুখের ভেতরের কোষের নমুনা নেওয়া হবে। পরে দুই পক্ষের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

কক্সবাজারে এ ধরনের পরীক্ষা করার পরীক্ষাগার না থাকায় নমুনা পাঠাতে হবে ঢাকায় অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবে। পরীক্ষা সম্পন্ন করে প্রতিবেদন পেতে সময় লাগায় মরদেহ হস্তান্তরেও বিলম্বের আশঙ্কা রয়েছে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহগুলো মর্গে সংরক্ষণ করা হবে। দগ্ধ ও বিকৃত মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।

সদর হাসপাতালের আরএমও জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নিহত ১০ জনের আলামত সংগ্রহ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উখিয়া তদন্ত ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক ইমন ঘোষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ইমন ঘোষ এসব আলামত ঢাকার সিআইডি ডিএনএ ল্যাবে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন।

এদিকে, নিহতদের স্বজনদের মধ্যে কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে পাওয়া চিহ্নের ভিত্তিতে পরিবারের সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।

এক স্বজন সামুশুদ্দোহা জানান, তার পরিবারের চারজনের মরদেহ মর্গে রয়েছে। তাদের মধ্যে একটি শিশুকে হাতে থাকা ব্রেসলেট দেখে শনাক্ত করতে পেরেছেন। অন্যদের পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা করতে হবে। দ্রুত পরীক্ষা শেষ করে মরদেহ হস্তান্তরের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

কক্সবাজারে ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের দাবি

কক্সবাজারে ডিএনএ পরীক্ষার কোনো ল্যাব নেই। ভৌগোলিক কারণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা কক্সবাজারে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য একটি ল্যাব স্থাপনের দাবি উঠেছে। বিশেষ করে শনিবারের টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডির পর ডিএনএ ল্যাবের কী রকম গুরুত্ব সেটা উপলব্ধি করছেন নিহত ১০ জনের স্বজনরা। ডিএনএ ল্যাব না থাকায় কক্সবাজারের ঘটনায় নিহতদের আলামত পাঠাতে হবে রাজধানী ঢাকার সিআইডি ল্যাবে। এত দীর্ঘ সময় ধরে মরদেহের দাফন-কাফনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এসব কারণে দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে কক্সবাজারে একটি ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের দাবি উঠেছে।

বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. ছাবের আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার একমাত্র ব্যবস্থা রয়েছে ঢাকায় সিআইডির ল্যাবে। এ ছাড়াও আরো একটি ছোট পরিসরের পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্প্রতি দেশের প্রতিটি বিভাগীয় সদরে ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তবে কক্সবাজার গুরুত্বপূর্ণ জেলা হবার কারণে এখানেও একটি ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের দরকার রয়েছে।’

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইসিএ নীতিমালা সংশোধনের পক্ষে

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন কালের কণ্ঠকে জানান, মেরিন ড্রাইভ রোডে দেড় শতাধিক স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনা কউকের অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত। ২০১৬ সাল থেকে কউক-এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ইসিএর নীতিমালার কারণে কউক এসব স্থাপনা অনুমোদন দিতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আমরা নোটিশ দেওয়া অব্যাহত রেখেছি। সামনে ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে। সেই সঙ্গে ইসিএ নীতিমালা সংশোধন এবং পরিবর্তন করার জন্য কউক যথাযথভাবে ব্যবস্থা নেবে।’

তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও রিসোর্ট পরিচালনায় অনিয়ম খতিয়ে দেখতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শন শেষে তাসনীম জাহান সাংবাদিকদের জানান, পুড়ে যাওয়া রিসোর্টটির ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না। আগুনের সূত্রপাতের কারণ এবং অনুমোদন ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়গুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে এর আগে চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। তদন্ত শেষে অনিয়মের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

উখিয়া থানায় মামলা দায়ের

টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্ট মালিক তানভীর সুলতান ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোর্শেদ এবং ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে শনিবার রাতেই উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার রিসোর্ট ম্যানেজার সুমনকে রবিবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাইয়ের দাবি

দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা, আবাসন প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে এমন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঝুঁকি থেকেই যায়।

টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানি, নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজ এবং মরদেহ শনাক্তে দীর্ঘ অপেক্ষা সব মিলিয়ে এক বেদনাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এখন স্বজনদের প্রধান চাওয়া, দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করে পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রিয়জনের মরদেহ বুঝে নেওয়ার ব্যবস্থা করা। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকায় সব আবাসিক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে যাচাই করার দাবি উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%