মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৫ এম
দুর্বল পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের ৯ মাস পর সরকার রাষ্ট্রীয় মালিকানা ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারী খুঁজে বের করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কাতারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য মুসলিম দেশের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সাংবাদিকদের বলেন, "সরকার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ছেড়ে দিতে চায়। এজন্য কাতারের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনা সফল হলে কাতার ব্যাংকটির মালিকানায় যুক্ত হতে পারবে।"
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, "কাতারের পাশাপাশি অন্যান্য মুসলিম দেশও ব্যাংকটিতে বিনিয়োগে আগ্রহী হলে তাদের সঙ্গেও আলোচনা করবে সরকার। লক্ষ্য হলো ব্যাংকটির মালিকানায় বেসরকারি ও বিদেশি অংশীদার যুক্ত করা।"
সরকার মালিকানা ছেড়ে দিলে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঝুঁকি থাকবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিতুমীর বলেন, "যারা ব্যাংকের দায়িত্ব নেবেন, বিষয়টি তাদের ওপর নির্ভর করবে। এ বিষয়ে সরকার আগাম কীভাবে জানবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।"
পাঁচটি সংকটাপন্ন ব্যাংক একীভূত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছে। একীভূত ব্যাংকগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্যাংকটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মতিপত্র (এলওআই) দেয় এবং ৩০ নভেম্বর চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়। শুরু থেকেই ব্যাংকটি সরকারি মালিকানায় রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।
ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে মূলধনে যুক্ত হওয়ার কথা। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাতারের সঙ্গে আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্য বিনিয়োগের কাঠামো, অংশীদারত্বের ধরন ও মালিকানা হস্তান্তরের বিষয়গুলো আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে। এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
নবগঠিত ব্যাংকটির মোট কর্মী সংখ্যা ১৮ হাজার ৮১ জন। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ৫ হাজার ৯৯৬, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ৪ হাজার ৩৯, এক্সিম ব্যাংকে ৩ হাজার ৪৮৭, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকে ২ হাজার ৪৮৬ এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ২ হাজার ৭৩ জন কর্মী রয়েছেন। পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নেটওয়ার্কে রয়েছে ৭৬১টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৯৭৫টি এটিএম বুথ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশই খেলাপি।
সরকারের ধারণা, বিদেশি ও বেসরকারি অংশীদার যুক্ত হলে ব্যাংকটির আর্থিক সক্ষমতা ও পরিচালন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। তাই কাতারসহ আগ্রহী মুসলিম দেশগুলোর বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসন চারজন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি, একটি শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান লিটু এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান। তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। অপর শিক্ষক হলেন সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলী অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডিগ্রি না থাকায় তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে।
এছাড়াও, বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. শবনম জাহানের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিন্ডিকেট সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানকে ডাকসু ২০১৯ এর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের হলের প্রধান গেট বন্ধের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়িয়ে রাত ১১টা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল-চীন সীমান্তে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া আকস্মিক বন্যার ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার সঙ্গে আসা ঘন কাদা অনেক স্থাপনা ও অবকাঠামোকে ঢেকে ফেলায় উদ্ধারকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে নেপালে মৃতের সংখ্যা ৯৫৫ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৪৭১ জন।
নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। টানেল ও প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা কাদায় ঢেকে যাওয়ার কারণে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে উদ্ধারকারীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের ৯০০-এর বেশি শ্রমিক এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন, টানেলের ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে দেরি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কাদার ঘনত্ব ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, এই বিপর্যয় এতটাই মারাত্মক যে কর্তৃপক্ষ শত শত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহের গণকবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এসব মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
চীনের সীমান্তবর্তী গিরং বন্দর এলাকায়ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, সেখানে একটি পানির টাওয়ার ছাড়া প্রায় সব স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে।
এছাড়া নতুন করে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীনের আবহাওয়াবিদরা গিরং এলাকায় বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছেন। এতে কাছাকাছি একটি বাধা হ্রদের পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে নিখোঁজদের সন্ধান এবং জীবিতদের উদ্ধারে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম এলাকা ও কাদায় ঢেকে যাওয়া অবকাঠামো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে আতঙ্ক, ভয়ভীতি সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার পাবনা প্রেস ক্লাবে জেলা বিএনপি নেতারা পরাগের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে, পাবনা জেলা বিএনপির শীর্ষ সাত নেতা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দলের চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ পেশ করেন।
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, মাহমুদুন্নবী স্বপন, মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম মুসা, সদস্য সচিব রেহানুল ইসলাম বুলালসহ জেলা বিএনপি ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুজ্জামান প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতাকর্মী। এ বিষয়ে দলের হাইকমান্ড এবং পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এর আগে ২৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খালেদ হোসেন পরাগ নিজের পদমর্যাদার প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, নিরীহ মানুষকে মামলা করার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি সংস্থা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে সরকারি চাকরি এবং সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায় (ঘুস গ্রহণ) এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ অভিযোগকারী নেতাদের কাছে রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের আগে এই অভিযোগের ফটোকপি সাংবাদিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে খালেদ হোসেন পরাগ যুগান্তরকে বলেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। স্বার্থান্বেষী মহলের ইঙ্গিতে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "সংবাদ সম্মেলনকারীরা আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে পারেনি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৭২৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। আজকের দিনে সেই সমন্বিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ