মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ এম
নেপাল-চীন সীমান্তে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া আকস্মিক বন্যার ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার সঙ্গে আসা ঘন কাদা অনেক স্থাপনা ও অবকাঠামোকে ঢেকে ফেলায় উদ্ধারকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে নেপালে মৃতের সংখ্যা ৯৫৫ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ৪৭১ জন।
নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। টানেল ও প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা কাদায় ঢেকে যাওয়ার কারণে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে উদ্ধারকারীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন প্রকল্পের ৯০০-এর বেশি শ্রমিক এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন, টানেলের ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে দেরি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কাদার ঘনত্ব ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, এই বিপর্যয় এতটাই মারাত্মক যে কর্তৃপক্ষ শত শত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহের গণকবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় এসব মরদেহের শেষকৃত্য নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
চীনের সীমান্তবর্তী গিরং বন্দর এলাকায়ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, সেখানে একটি পানির টাওয়ার ছাড়া প্রায় সব স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে গেছে।
এছাড়া নতুন করে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীনের আবহাওয়াবিদরা গিরং এলাকায় বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছেন। এতে কাছাকাছি একটি বাধা হ্রদের পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও মোকাবিলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে নিখোঁজদের সন্ধান এবং জীবিতদের উদ্ধারে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্গম এলাকা ও কাদায় ঢেকে যাওয়া অবকাঠামো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা জেলা জাসাসের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগের বিরুদ্ধে জনমনে আতঙ্ক, ভয়ভীতি সৃষ্টি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার পাবনা প্রেস ক্লাবে জেলা বিএনপি নেতারা পরাগের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে, পাবনা জেলা বিএনপির শীর্ষ সাত নেতা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে দলের চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ পেশ করেন।
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, মাহমুদুন্নবী স্বপন, মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক একেএম মুসা, সদস্য সচিব রেহানুল ইসলাম বুলালসহ জেলা বিএনপি ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুজ্জামান প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতাকর্মী। এ বিষয়ে দলের হাইকমান্ড এবং পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
এর আগে ২৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খালেদ হোসেন পরাগ নিজের পদমর্যাদার প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, নিরীহ মানুষকে মামলা করার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি সংস্থা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে সরকারি চাকরি এবং সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায় (ঘুস গ্রহণ) এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ অভিযোগকারী নেতাদের কাছে রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের আগে এই অভিযোগের ফটোকপি সাংবাদিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে খালেদ হোসেন পরাগ যুগান্তরকে বলেন, "আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট। স্বার্থান্বেষী মহলের ইঙ্গিতে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে এসব অভিযোগ করা হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "সংবাদ সম্মেলনকারীরা আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে পারেনি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৭২৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর ফলে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। আজকের দিনে সেই সমন্বিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ নানা কারণে দোকানপাট ও মার্কেটে চলে যায়। কিন্তু যদি তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখা যায় যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে সব চেষ্টা বিফলে যাবে।
এজন্য মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জেনে নেওয়া যাক।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় র্যাপার বাদশাহ এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি তাদের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে একটি যৌথ বিবৃতিতে তারা এই সিদ্ধান্ত জানান। এর ফলে গত এক মাস ধরে চলতে থাকা তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন জল্পনার অবসান ঘটলো।
বাদশাহ ও ইশা মার্চ মাসে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর দুজনেই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একই ধরনের বিবৃতি প্রকাশ করেন।
বাদশাহ তার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "আমি ও ইশা পারস্পরিক সিদ্ধান্তে আলাদা হওয়ার এবং নিজেদের পৃথক পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সবাইকে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখানোর অনুরোধ করছি।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনো ধরনের জল্পনা বা অনুমান না করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।"
জুলাই মাস থেকেই বাদশাহ এবং ইশার সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। ওই মাসে ইশা বাদশাহর সঙ্গে একাধিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেছিলেন।
পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, "প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।" এসময় তিনি ভাঙা হৃদয় ও প্রার্থনার ইমোজি ব্যবহার করেন। এরপর থেকেই অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ধারণা করতে শুরু করেন, তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি ইশার মা পুনম রিখি ‘কর্মফল’ বা ‘কর্মা’ নিয়ে একাধিক পোস্ট করেন। সেগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা সৃষ্টি করে।
এর আগে জুন মাসে ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ পর্বে বাদশাহর সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন ইশা রিখি।
এদিকে বিচ্ছেদের ঘোষণা এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন গুঞ্জন চলছিল—ইশা রিখি সালমান খানের উপস্থাপনায় আসন্ন ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগীদের একজন হতে পারেন।
বাদশাহ এর আগে জেসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন। ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। সাবেক এই দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ