ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রংপুরে ৩৩ ওয়ার্ডে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রোগ্রামের উদ্বোধন


রংপুরে ৩৩ ওয়ার্ডে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রোগ্রামের উদ্বোধন

রংপুরে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষের জন্য এই কার্যক্রমটি বিশেষভাবে উপকারী হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে রঘু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রংপুর সিটি করপোরেশন এবং কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রাইমারি হেলথ কেয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আহসান সরকার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক উল্লেখ করেন, নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঘরে ঘরে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় জনগণের জন্য চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ গ্রহণ করা সহজ হবে।

আরও পড়ুন: বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মূল উদ্দেশ্য হলো, সাধারণত মানুষ অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু এই কার্যক্রমের মাধ্যমে চিকিৎসকরা রোগীদের কাছে পৌঁছে যাবেন। রোগীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা নামমাত্র মূল্যে প্রদান করা হবে। একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে মাত্র ১০০ টাকায় আলট্রাসনোগ্রামের সুযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণের জন্য কোনো ফি দিতে হবে না।

তিনি বলেন, রংপুরের মতো পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এই দিন কার্যক্রমের আওতায় শতাধিক নারী ও শিশুকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে রুহুল কবির রিজভীর লিফলেট বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাবিতে পরিচালক নিয়োগে উত্তেজনা, ছাত্রদল উপাচার্যকে মুক্ত করল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


জাবিতে পরিচালক নিয়োগে উত্তেজনা, ছাত্রদল উপাচার্যকে মুক্ত করল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের (সিএলসি) পরিচালক নিয়োগ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান নেন ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থী। পরে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে তালা ভেঙে উপাচার্যসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বের করে আনেন।

শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার বিকেল তিনটা থেকে রেজিস্ট্রার ভবনের ফটকে তালা দিয়ে অবস্থান শুরু করেন। এ সময় তারা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব শিক্ষকদের মধ্যে থেকে পরিচালক নিয়োগের দাবি জানান।

ইনস্টিটিউটের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহজালাল মাহমুদ বলেন, "আমাদের দাবি ছিল, আমাদের ইনস্টিটিউটের শিক্ষকই পরিচালক হবেন। এটি স্বাভাবিক দাবি। আমরা কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে আসিনি। আমরা এখানে পড়াশোনা করতে এসেছি। আমাদের ইনস্টিটিউট নতুন, সেখানে অগ্রগতি দরকার। এ জন্য ইনস্টিটিউটের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের উপযুক্ত মনে করছি। আমরা পড়াশোনা ঠিকমতো চালাতে চাই। আমাদের বিভাগ থেকেই অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক।"

এর আগে, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে সিন্ডিকেট সভা শুরু হয়। সভা শেষে সন্ধ্যার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম ভবন থেকে বের হতে গিয়ে ফটকে তালা দেখতে পান। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের নেতৃত্বে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন।

পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তালা ভেঙে উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বের করে আনেন। উপাচার্যকে তার ঢাকার কর্মসূচিতে যোগ দিতে গাড়িতে তুলে দেন তাঁরা।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, "রাষ্ট্রপতি আমাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক। শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যা হলে বা প্রয়োজন হলে তারা আমার সঙ্গে দেখা করবে, কথা বলবে। কিন্তু রেজিস্ট্রার ভবনে তালা দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার এখতিয়ার তাদের নেই।"

তিনি আরও বলেন, "যে বা যারা তালা দিয়েছে এবং এর পেছনে যেসব শিক্ষকের হাত আছে বা যারা ইন্ধন দিয়েছেন, তাদের সবাইকে খুঁজে বের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, "আমরা যতটুকু জেনেছি, রোববার সিএলসির পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেখানে আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর, যারা সরাসরি শেখ হাসিনার শাসনামল দীর্ঘায়িত করার জন্য কাজ করেছে, তাদের কিছু অনুসারী প্রথম ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলে।"

তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের কথা শুনে আমলে নিয়ে বিদায় করে। কিন্তু পরবর্তীতে হামীমের লোকজন ও তার অনুসারীরা এসে সিন্ডিকেট চলাকালীন সেখানে তালা দেয়। পরে বিষয়টি শুনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নেন এবং তালা ভেঙে উপাচার্যকে তার ঢাকার কর্মসূচিতে যোগ দিতে গাড়িতে তুলে দেন।"

এর আগে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুরকে সিএলসি ইনস্টিটিউটের পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে নতুন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়।

নতুন পরিচালক নিয়োগের পর ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হক হামীম এ নিয়োগের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তার দাবি, ইনস্টিটিউটের বিষয়সংশ্লিষ্টতা ও শিক্ষকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া উচিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবি পুলিশের আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবি পুলিশের আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান

বরিশাল মহানগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক দল নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের শনাক্ত করা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বিএমপি মিডিয়া সেলের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক দল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে।


বরিশাল নগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ, মাদক ব্যবসার বিস্তার রোধ এবং নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এমন পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা পুলিশের আকস্মিক চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযানকে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আকস্মিক চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং অপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনা প্রতিরোধে কাজ করছে পুলিশ।

বিশেষ করে মাদক কারবার, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধীদের শনাক্তকরণ, মাদকবিরোধী তৎপরতা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার কার্যক্রম চলছে।


সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান দিয়ে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ করে কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পারিবারিক সচেতনতা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সুস্থ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অপরাধের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করাও প্রয়োজন।

বরিশাল মহানগর পুলিশের চলমান এ অভিযান নগরীর নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা পর্যবেক্ষণ করছেন নগরবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান যেন সাময়িক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থেকে নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়।

মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ বরিশাল মহানগরী গড়ে তুলতে বিএমপির এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের ওপর নজর রাখছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের ওপর নজর রাখছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল

পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পুরো দেশজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভারত গভীর নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়সওয়াল।

তিনি বলেন, "আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেখানে নানা ঘটনাবলি ঘটছে এবং আমরা সেসব ঘটনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের অভিমুখে কাজ করতে চাই।"

বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে প্রবাহিত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকায় সকালে কিছু কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এলে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, "আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম।"

এ ছাড়া ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে।

জয়সওয়াল বলেন, "আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে কোনও নতুন আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানানো হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক

বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাহফুজ হাসান। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তাদের নির্দেশ দিয়েছে আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খানের স্বাক্ষরিত এক আদেশে নতুন কমিটির ঘোষণা করা হয়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে জারি করা এই আদেশের কার্যকরী তারিখ থেকেই নতুন অ্যাডহক কমিটি কার্যকর হবে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের লক্ষ্যে বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ)-এর ২১ ধারা এবং ২(৪) ও ২(৮) ধারায় বর্ণিত পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে একই আইনের ১৪(৩) ধারা অনুসরণে।

কমিটিতে চারজন সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক মো. মনিরুল ইসলাম, মল্লিক গ্রুপের সিইও প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম এবং ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ তারিকুল আলম। এছাড়া বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ক্রীড়া সংগঠক মো. শহীদুল ইসলাম এবং ক্রীড়া সংগঠক শাহেদ ওয়াহেদ আলী সহসভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়, বিচারক ও সংগঠক মাহফুজ হাসান। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক মো. শাহাদাত হোসেন খান ও সাঈদ মো. আলভী। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আরবিএফসি ফাইট প্রমোশনের চেয়ারম্যান ও চ্যাম্পিয়ন এজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুল্লাহ পারভেজ। তিনি জাতীয় শিক্ষক, আন্তর্জাতিক রেফারি ও বিচারক এবং ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক হিসেবেও পরিচিত।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. তাইফুর রহমান (সুমন), ক্রীড়া সংগঠক মো. বাবুল আহমেদ রুবেল, মো. মহিউদ্দিন, তাসলিমা চৌধুরী রিতা, জাতীয় হুইট কুইন কাই প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় ও বিচারক পারভীন আক্তার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়, বিচারক, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক আমিরুল ইসলাম, সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় ও শিক্ষক হাসনা হেনা হ্যাপি। আইন নির্দেশিকা দেখুন

এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন— সাবেক জাতীয় কোচ, আন্তর্জাতিক কালো বেল্টধারী ও দক্ষিণ কোরিয়াসংশ্লিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক মো. আরিফ হোসেন, শহীদ সজলের ভাই মো. সেলিম মাহমুদ, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠক মো. নাজমুস সাকিব, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পদকপ্রাপ্ত মার্শাল আর্ট খেলোয়াড় এবং আমাস ফাইট স্টুডিওর প্রতিষ্ঠাতা নাদিম মাহমুদ, ক্রীড়া সংগঠক মঞ্জুর হোসেন বাদল, রাশ ও কমব্যাট উশুর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় ও বিচারক জুয়েল রক্ষিত।

কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাক্সো মার্শাল আর্টের প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় শিক্ষক, রেফারি, বিচারক ও সংগঠক মো. খাইরুল হাসান, ক্রীড়া সংগঠক মো. আছরার আহমেদ, এমএমএ রেফারি ও বিচারক এবং ইনফ্লুয়েন্সিং কমিউনিকেশনসের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত আরমানুল করিম আবীর, এমএমএ রেফারি ও বিচারক এবং অল বাংলাদেশ ন্যাশনাল মিক্সড মার্শাল আর্ট অ্যাসোসিয়েশনের আইন উপদেষ্টা হোসেন অংকুর আন্দালিব এবং ক্রীড়া সংগঠক মো. পলাশ।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আরও জানিয়েছে, নতুন অ্যাডহক কমিটি আদেশ জারির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%