ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউরোপে দাবানল: সর্বশেষ পরিস্থিতি


ইউরোপে দাবানল: সর্বশেষ পরিস্থিতি

গ্রিসের একটি দ্বীপে দাবানলে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। স্পেনের আগুন নেভানোর সময়ে একটি সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। আর জার্মানির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বেলজিয়াম রেকর্ড দাবানল মোকাবিলায় ব্যস্ত রয়েছে। রবিবার ইউরোপের বিভিন্ন স্থানে এ পরিস্থিতি ঘটেছে।

ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে উষ্ণ গ্রীষ্মের কারণে ইউরোপে তীব্র তাপমাত্রা ও অত্যন্ত শুষ্ক পরিবেশ তৈরি করেছে। এর ফলস্বরূপ দাবানলের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে এই গ্রীষ্মে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে।

প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘বর্তমান নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধ স্থগিতে সম্মত ইউক্রেন’

সর্বশেষ পরিস্থিতি:

-গ্রিসে দুইজনের মৃত্যু-

দেশটির দমকল বাহিনী জানিয়েছে, এথেন্সের নিকটে গ্রিসের সালামিস দ্বীপে দুটি দাবানল ছড়িয়ে পড়ার কারণে দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন। জনপ্রিয় সৈকতগুলোর কাছ থেকে কয়েক শত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।

এক কোস্টগার্ড মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘কোস্টগার্ডের টহল নৌকা ও অন্যান্য নৌযানে করে ৫৭০ জনের বেশি মানুষকে সরানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত

-স্পেনে মৃত্যু-

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আরাগন অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল নেভানোর কাজের সময় রোববার একটি স্প্যানিশ সেনাসদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এ অঞ্চলের নেতা জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য কর্তৃপক্ষ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

সোমবার আগুনটি ছড়িয়ে পড়েছে। এটি একটি এক হাজার বছরের পুরোনো মঠের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে যথাযথ সহায়তা প্রদানের জন্য ফ্রান্স থেকে অতিরিক্ত জনবল পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

-পর্তুগালে দাবানল-

আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন

পর্তুগালে কয়েকটি দাবানল মোকাবিলা করছেন বেশ কয়েক শত দমকলকর্মী।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্পেনের সীমান্তের কাছে দিন নামক এক গ্রামের কাছে একটি দাবানলে একটি গাড়িতে আগুন লেগে যায়। এর ফলে পাঁচজন দমকলকর্মী সামান্য আহত হন।

দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা সংস্থা এএনইপিসি জানিয়েছে, স্পেনের সীমান্তের কাছে আরও কয়েকটি দাবানলের সঙ্গে লড়াই করছেন দমকল কর্মীরা। এর মধ্যে রয়েছে বোটিকাস ও শাভেজ অঞ্চলের আগুন।

-বেলজিয়ামের আগুন জার্মান শহরের জন্য হুমকি-

আরও পড়ুন: রাজা চার্লস উইন্ডসর ক্যাসেলে মহানবী (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করলেন

জার্মানির পাশে দুর্গম অঞ্চলে বেলজিয়ান ইতিহাসের আধুনিক সময়ের সবচেয়ে বড় দাবানল মোকাবিলায় বিমান ও কৃষকদের ট্রাক্টর ব্যবহার করা হচ্ছে। আগুনের হুমকি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সীমান্তবর্তী একটি শহরের বাসিন্দাদের আংশিকভাবে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একটি দুর্গম প্রাকৃতিক সংরক্ষণ এলাকায় আগুন জ্বলছে। এটি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সামরিক হেলিকপ্টার এবং মাটিতে ট্রাক্টর ব্যবহার করে পানি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। শুক্রবার ৮০ হেক্টর এলাকায় ছড়িয়ে পড়া আগুন রোববার প্রায় ৩ হাজার হেক্টর এলাকায় বিস্তৃত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

-ক্রোয়েশিয়ায় চারজন গ্রেফতার-

আরও পড়ুন: কিং ফাহদ বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১, আহত ৮

অ্যাড্রিয়াটিক উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া দাবানলের কয়েকটির সূত্রপাতের অভিযোগে ক্রোয়েশিয়ার পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

খরা ও তীব্র গরমের কারণে দাবানলের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, পাইনবন ও জলপাইবাগান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

-ফ্রান্সে আগুন নিয়ন্ত্রণে-

দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের লাঁদ বিভাগে ১ হাজার ৭০০ হেক্টর এলাকায় লাগানো আগুনটি বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। তিন দিন ধরে স্থল ও আকাশপথে অভিযান পরিচালনা করার পর আগুনটির নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান

স্থানীয় কর্মকর্তা জিল ক্লাভরুল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ‘অনুকূলভাবে’ এগোচ্ছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে আগুনের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার বিকেলে এটি ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে গেছে।

স্থানীয় প্রিফেক্ট জানিয়েছেন, আগুনের কারণে সরিয়ে নেওয়া ৬৫০ জনের মধ্যে প্রথম দলটি রোববার সন্ধ্যায় নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পের পর স্বজনহারা কলম্বীয়দের শেষ সম্বল ছবি ও স্মৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


ভূমিকম্পের পর স্বজনহারা কলম্বীয়দের শেষ সম্বল ছবি ও স্মৃতি

কলম্বিয়ার ক্যালির আবাসিক এলাকা টোরেস দেল লিমোনারে গত সোমবার ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে ধসে পড়া স্থানে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। এখানে স্বেচ্ছাসেবকরা নিহতদের স্বজনদের জিনিসপত্র উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। পরে স্বেচ্ছাসেবকরা উদ্ধার করা এসব জিনিস শোকাহত পরিবারের কাছে ফেরত দিচ্ছেন।

এই ঘটনার বিষয়ে খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

৭০ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত আইনজীবী মার্লেন নিনো বলেন, তিনি তাঁর বোন ডরিসকে হারিয়েছেন। মার্লেন ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি ছবি উদ্ধার করেছে, যা তাঁর বোনের। এ জন্য তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

ছবিতে তাঁর বোনের সঙ্গে নিজের এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের একটি ছবি দেখিয়ে মার্লেন এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘আমাদের কাছে এখন স্মৃতিগুলোই রয়ে গেছে। এগুলোর আবেগগত মূল্য অনেক বেশি।’

তিনি আরও জানান, তাঁর অনুভূতিতে একই সঙ্গে ‘আনন্দ, দুঃখ এবং নস্টালজিয়া’ কাজ করছে।

আশা যখন ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে জীবিত কাউকে উদ্ধারের, তখন ভবনটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ধ্বংসস্তূপ থেকে বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র উদ্ধারের কাজ পর্যবেক্ষণ করছে।

মার্লেনের বোন ডরিস নিনোর বয়স ছিল ৭২ বছর। ভূমিকম্পের সময় তিনি দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং তখনই তাঁর ভবনটি ধসে পড়ে।

ডরিসের কয়েকজন ভাগনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উদ্ধার অভিযানে যোগদান করেন। তাঁরা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর রান্নাঘরের ধ্বংসাবশেষের পাশে ডরিসের মরদেহ খুঁজে পান।

মার্লেন জানান, ‘যখন আমরা তাঁকে খুঁজে পাই, তখন তিনি মারা গেছেন। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, তাঁর কোনো কষ্ট হয়নি।’

কলম্বিয়ার চলতি শতাব্দীর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ডরিস নিনো একজন। এ ঘটনায় প্রায় ৩০০ মানুষ নিহত হয়েছে এবং এখনো ১০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তবে অনেক ভবনে উদ্ধার অভিযান ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের প্রায় এক সপ্তাহ পর স্বেচ্ছাসেবক এবং নিহত ও নিখোঁজদের পরিবারের ওপর ক্লান্তি, উৎকণ্ঠা ও মানসিক চাপের একটি বড় প্রভাব পড়েছে।

এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলম্বিয়া জাতীয় পর্যায়ে একটি মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে। এখানে অনলাইন ও সরাসরি—দুইভাবেই কাউন্সেলিং প্রদান করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মানসিক সহায়তার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষজ্ঞরাও সেখানে গেছেন।

লিমোনারে স্বেচ্ছাসেবী মনোবিজ্ঞানী মানুয়েলা বারিওস বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিগত জিনিসপত্র মানুষকে তাদের প্রিয়জনের ‘স্মৃতি ধরে রাখতে’ সাহায্য করছে।

৩৮ বছর বয়সী এই মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী আরও জানান, ‘তারা যখন কোনো একটি জিনিস খুঁজে পান, তখন তাদের মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায়। সেটিই আমার মনে থেকে যায়।’

অবশেষে, চোখের পানি মুছতে মুছতে মার্লেন নিনো জানিয়েছেন, বোনের আকস্মিক মৃত্যু তাঁকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে এবং তিনি নিজেকে অসহায় মনে করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তত তাঁর মরদেহ খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু অনেকেই তাদের স্বজনের মরদেহও খুঁজে পাননি। বিষয়টি আমার কাছে আরও বেশি কষ্টের।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কাশিয়ানী

ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অবস্থান নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সড়ক অবরোধ করে তারা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে নিজেদের বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার সাম্পান রেস্টুরেন্টের সামনে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তারা জামায়াত ও বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একপর্যায়ে যখন তারা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে তখন ওই মহাসড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

কিছু সময় মহাসড়কে অবস্থান করার পর বিক্ষোভকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ সময়ের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভের ফলে অল্প সময়ের জন্য ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘হঠাৎ কয়েকজন ছাত্রলীগের নামধারী ব্যক্তি সড়কে ব্যানার নিয়ে মিছিল করেন এবং টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যান্ত্রিক ত্রুটি : বিকল্প ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ১২৭ যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


যান্ত্রিক ত্রুটি : বিকল্প ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ১২৭ যাত্রী

নেপালের কাঠমান্ডুতে যন্ত্রপাতির ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট উড্ডয়ন করতে পারেনি।

নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও ফ্লাইটটি ছাড়তে না পারায় কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘ ৭ ঘণ্টা ধরে থাকা ১২৭ জন যাত্রী সেখানে আটকা থাকেন।

পরে তাদের একটি বিকল্প উড়োজাহাজে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

যাত্রীরা সোমবার রাত ১২টার পর ঢাকায় পৌঁছান।

 

জানা যায়, রবিবার বিকেলে ঢাকার লক্ষ্যে উড্ডয়ন করার আগে ফ্লাইটটিতে একটি ত্রুটি ধরা পড়ে। এর পর যাত্রীদের নামিয়ে উড়োজাহাজটি আবার টার্মিনালে ফেরত নেওয়া হয়।

প্রায় সাত ঘণ্টার পর বিকল্প উড়োজাহাজে করে সোমবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান যাত্রীরা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইটটির নম্বর ছিল বিজি-৩৭২। রবিবার বিকেল ৪টায় কাঠমান্ডু থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড়োজাহাজটি ছাড়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে যাত্রীদের নিয়ে উড়োজাহাজটি টার্মিনাল এলাকা ত্যাগ করে।

রানওয়ের দিকে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর সেখানে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর উড়োজাহাজটি আবারও টার্মিনালে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কাঠমান্ডুর কান্ট্রি ম্যানেজার বাবুল আক্তার জানান, উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি থাকায় যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। তবে ত্রুটি মেরামত করতে কত সময় লাগবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো সম্ভব হয়নি। বিজনেস ক্লাসের যাত্রীদের লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

অন্য যাত্রীদেরও নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য কথা উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে আটকে থাকা যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিকল্প উড়োজাহাজ পাঠানোর উদ্যোগ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের জনসংযোগ মহাব্যবস্থাপকের তথ্য অনুযায়ী, ১২৭ যাত্রীকে ফিরিয়ে আনতে রাত ১০টায় ঢাকা থেকে একটি বড় উড়োজাহাজ কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়।

 

পরে ওই বিকল্প উড়োজাহাজে করে যাত্রীদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। রাত ১২টা ১০ মিনিটে উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসে একবারও রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি : মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


ছয় মাসে একবারও রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি : মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, গত ছয় মাসে বাকস্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারে সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এখানে একটি বারের জন্যও কখনো কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটে নি।

মাহদী আমিন আরও বলেছেন, অনেক সময় বাকস্বাধীনতা সীমালঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি কীভাবে উস্কানি দেওয়া হয়েছে এবং উশোভন আচরণ করা হয়েছে। তবে, সরকারের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে -যেভাবে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেটিকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছে জনগণের সরকার।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে, রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় তিনি এই বক্তব্য রাখেন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও কৃষি উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, গত ছয় মাসে বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো, নির্বাচনী ইশতেহারকে ধারণ করে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করছে। এই ছয় মাসে সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সরকারী কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি জানান, গত ছয় মাসে জনগণের দিকে থেকে সরকারকে অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যেখানেই গমন হয়েছে, সেখানেই জনগণের ঢল নেমে এসেছে অজস্র গণসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে।

বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে ধারণ করে দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, আজকের সরকারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী দেড় দশকের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে গুম-খুন হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন পেরিয়ে সব গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বে রাজপথে ছিল। সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় প্রতিটি শ্রেণী ও পেশার মানুষ এবং গণতন্ত্রকামী প্রতিটি রাজনৈতিক দল এক হয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছিল। এই ধারাবাহিকতায় একজন সদা-সতর্ক জনগণের আকাঙ্ক্ষা হলো একটি বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের অনুশাসন নিশ্চিত থাকবে।

আমরা ঠিক সেটিই সরকারের কার্যক্রমে দেখেছি। মাহদী আমিন বলেন, গত ছয় মাসে আমরা বাকস্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারে সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন হয়েছে প্রত্যক্ষ করেছি, যেখানে একটি বারের জন্যও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি। তবে, অনেক সময় বাকস্বাধীনতা সীমালঙ্ঘন করেছে এবং আমরা দেখেছি, উস্কানি ও উশোভন আচরণ করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমেই -যেভাবে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেটিকে ধারণ করে জনগণের সরকার এগিয়ে চলেছে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও স্বতস্ফূর্ত সংসদ যেখানে সংসদ সদস্যরা একে অপরের আলোচনা করেছেন এবং সমালোচনা করেছেন। তারা যৌক্তিকভাবে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, সরকার গঠনের পর দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন সংসদের প্রথম অধিবেশনে শতাধিক অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%