০১:১৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, গত ছয় মাসে বাকস্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারে সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এখানে একটি বারের জন্যও কখনো কোনো রাজনৈতিক নিপীড়নের ঘটনা ঘটে নি।
মাহদী আমিন আরও বলেছেন, অনেক সময় বাকস্বাধীনতা সীমালঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি কীভাবে উস্কানি দেওয়া হয়েছে এবং উশোভন আচরণ করা হয়েছে। তবে, সরকারের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে -যেভাবে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেটিকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছে জনগণের সরকার।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে, রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় তিনি এই বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাপুটিয়া বিলে মাছ ধরতে শত শত নৌকার আগমন, আর্থিক ক্ষতির মুখে ইজারাদার
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও কৃষি উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, গত ছয় মাসে বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো, নির্বাচনী ইশতেহারকে ধারণ করে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করছে। এই ছয় মাসে সুদৃঢ় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সরকারী কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি জানান, গত ছয় মাসে জনগণের দিকে থেকে সরকারকে অভূতপূর্ব জনসমর্থন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যেখানেই গমন হয়েছে, সেখানেই জনগণের ঢল নেমে এসেছে অজস্র গণসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে।
বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে ধারণ করে দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে।
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল প্রকল্প ডিসেম্বরে চালুর পথে, ২২ জেলার যান চলাচল উন্নত হবে
তিনি বলেন, আজকের সরকারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী দেড় দশকের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে গুম-খুন হামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন পেরিয়ে সব গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্বে রাজপথে ছিল। সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় প্রতিটি শ্রেণী ও পেশার মানুষ এবং গণতন্ত্রকামী প্রতিটি রাজনৈতিক দল এক হয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছিল। এই ধারাবাহিকতায় একজন সদা-সতর্ক জনগণের আকাঙ্ক্ষা হলো একটি বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের অনুশাসন নিশ্চিত থাকবে।
আমরা ঠিক সেটিই সরকারের কার্যক্রমে দেখেছি। মাহদী আমিন বলেন, গত ছয় মাসে আমরা বাকস্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন ও মানবাধিকারে সর্বোচ্চ মানদণ্ড স্থাপন হয়েছে প্রত্যক্ষ করেছি, যেখানে একটি বারের জন্যও কোনো রাজনৈতিক নিপীড়ন হয়নি। তবে, অনেক সময় বাকস্বাধীনতা সীমালঙ্ঘন করেছে এবং আমরা দেখেছি, উস্কানি ও উশোভন আচরণ করা হয়েছে। কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমেই -যেভাবে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেটিকে ধারণ করে জনগণের সরকার এগিয়ে চলেছে।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও স্বতস্ফূর্ত সংসদ যেখানে সংসদ সদস্যরা একে অপরের আলোচনা করেছেন এবং সমালোচনা করেছেন। তারা যৌক্তিকভাবে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, সরকার গঠনের পর দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন সংসদের প্রথম অধিবেশনে শতাধিক অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছে, যা জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।
আরও পড়ুন: ছাত্রীর চিৎকারে ‘জুব্বা ও পায়জামা হাতে’ দৌড় দিলেন মাদরাসাশিক্ষক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন