০৯:০৩ পি.এম
রাশিয়ার একেবারে গভীরে একটি সামরিক বিমানঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ রকেট কেন্দ্রে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা হামলা চালানো হয়েছে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে। স্পেসএক্সের ‘স্টারলিংক’-এর বিকল্প হিসেবে রাশিয়ার নিজস্ব স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করতেই মূলত এই রকেট কেন্দ্রে আঘাত হানা হয়েছে।
শনিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তার উল্লেখ করা মতে, ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই স্থাপনায় ‘ফ্লেমিঙ্গো’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে মস্কোকে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে রাশিয়ার অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে এখন হামলা চালাচ্ছে কিয়েভ।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতা কমানো অত্যন্ত জরুরি। নির্দিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষতিসাধনের মাধ্যমে তাদের শান্তির প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে হবে।
আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি’: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ অঞ্চলের বিমানঘাঁটি এবং সামারা অঞ্চলের ‘প্রোগ্রেস’ রকেট সেন্টারে সরাসরি আঘাত হেনেছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলার ফলে দুই জায়গাতেই আগুন ধরে যায়। উল্লেখ্য যে, ইউক্রেনে হামলার কাজে ব্যবহৃত রুশ বিমানগুলো ওই ঘাঁটিতেই রাখা ছিল।
সামারার ওই কারখানায় মূলত ‘রাস্বেত’ ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের রকেট তৈরি করা হয়। এটি স্টারলিংকের বিকল্প হিসেবে তৈরি করতে চেয়েছিল রাশিয়া।
এদিকে, নিঝনি নভগোরোদের কর্মকর্তারা হামলার বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও, সামারার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা একটি বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে। তবে সেখানে কিছু ক্ষতির কথা স্বীকার করেছেন তারা।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় হামলা শুরু করে রাশিয়া। শনিবার, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইউক্রেনের চেরনিহিভ অঞ্চলে দূরপাল্লার ড্রোন গুদামসহ বিভিন্ন সামরিক, জ্বালানি ও যোগাযোগ অবকাঠামোতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দুঃখজনক, পর্যালোচনা চলবে : আইনমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন