বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।
ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।
লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।
কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।
কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ছলিম উদ্দিন তরফদার ও তার স্ত্রী শামীমা আক্তার শিরিনের ২৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই আদেশটি প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত উক্ত আদেশটি জারি করেন।
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শামীমা আক্তার শিরিন (৫৬) তার স্বামী মো. ছলিম উদ্দিন তরফদারের (৫৭) সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তারা এই সম্পদ নিজেদের ভোগদখলে রেখেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শামীমা আক্তার শিরিনকে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন ছলিম উদ্দিন তরফদার।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই কর্মকাণ্ড দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য।
দুদকের আবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, শামীমা আক্তার শিরিন ও ছলিম উদ্দিন তরফদার তাদের ব্যাংক হিসাবের অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা হলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবেদনটির শুনানি শেষে আদালত তাদের ২৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর পবা উপজেলায় এক কৃষককে নিজ বাড়ির ছাদে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় মধুসূদনপুর মধ্যপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পবা থানা পুলিশ মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ (৪৫) নামের ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, আবুল কালাম আজাদের মরদেহের গলা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো ছুরির আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। রাতের সময় নিহতের স্ত্রী ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না। ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারছেন না। কে বা কারা কেন এবং কিভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
তিনি আরো জানান, সকালেই নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-১ শাখা থেকে গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে স্বাক্ষরকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে রাজশাহী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের নির্বাহী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ঘোষিত নির্বাচনের পরিবর্তে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এ জন্য বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২ এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ১৯৯৪ অনুসরণ করে সংগঠনের ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে হবে। একই সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন বোর্ড গঠন করে নতুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারণ সদস্য মোঃ আসাদুজ্জামানের ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনার ফলে ২১ নভেম্বরের ঘোষিত নির্বাচনের পরিবর্তে নতুন তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা রয়েছে। তবে নতুন নির্বাচনের তারিখ কবে ঘোষণা করা হবে, তা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি।
চিঠিটি রাজশাহী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিরাই উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক জননেতা মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর অসুস্থতার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও অনুসারীরা। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
জননেতা মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক দিরাই উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দিরাই-শাল্লার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার মাধ্যমে তিনি সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বলে তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মীরা উল্লেখ করেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন পরিচিত রাজনৈতিক সংগঠক। তাঁর অসুস্থতার এই সময়ে সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।
মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি, আল্লাহ যেন জননেতা মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুককে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ