বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৭ পি.এম
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল চীনের হুবেই প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের সাথে শিক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি বৈঠক আয়োজন করেছে।
একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আজ চীনের হুবেই প্রভিন্সিয়াল ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক। প্রতিনিধিদলে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব ফারহান ইশতিয়াকসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হুবেই প্রদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেন হুবেই প্রভিন্সিয়াল ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনের উপ-মহাপরিচালক দুয়ান জুহুই।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বৈদেশিক সহযোগিতা ও বিনিময় বিভাগের চতুর্থ স্তরের গবেষক ওয়াং লিয়াং, বৈদেশিক বিনিময় সেবা কেন্দ্রের উপপরিচালক হু বো এবং চীনা দোভাষী লি জুয়েজিয়া।
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন দুয়ান জুহুই। তিনি তার স্বাগত বক্তব্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় হুবেইয়ের সক্ষমতা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, বর্তমানে হুবেইয়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৩০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। হুবেই প্রদেশ বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের স্বাগত জানাতে আগ্রহী।
এছাড়া, তিনি শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে বহুমুখী শিক্ষা সহযোগিতা গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নের অগ্রাধিকারের দিকগুলো তুলে ধরে সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক বলেন, ফলোআপ সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে এবং যৌথ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উভয় পক্ষের একটি ‘রেকর্ড অব নোটস’ স্বাক্ষর করা উচিত।
তিনি শিক্ষার্থী বিনিময় ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রসারিত করা এবং হুবেইয়ে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যৎ সংলাপ ও সহযোগিতার জন্য হুবেইয়ের প্রতিনিধি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষ শিক্ষা সহযোগিতা বাস্তবায়নের বিভিন্ন বাস্তবসম্মত উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। তারা বাংলাদেশ ও হুবেই প্রদেশের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময়, শিক্ষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ একাডেমিক প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে সম্মত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিলের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সংসদের নেতারা প্রথমে উপজেলার খামার চাঁচকৈড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে গিয়ে শাকিলের কবর জিয়ারত করেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতারা শাকিলের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। এসময় ছাত্রদল সভাপতি শাকিল হত্যার পেছনে যারা ইন্ধন ও অর্থ যোগানদাতা, তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানান।
ছাত্রদল নেতাদের উপস্থিতির সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলসহ জেলা বিএনপির নেতারা শাকিলের বাসায় আসেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, "এই হত্যার সাথে যেই জড়িত থাকুক তাকে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা হবে।" হত্যার বিষয়ে তথ্য প্রদানে সবার সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, গত ১৪ আক্টোবর রাতে উপজেলার চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হেলমেটধারী সন্ত্রাসীরা শাকিলকে প্রথমে গুলি করে এবং পরে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে শাকিলকে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে উপজেলা হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল থেকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ অক্টোবর রাতে শাকিল মারা যান।
শাকিল ইসলাম হত্যার ঘটনায় নাটোর-৪ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি আব্দুল আজিজের পুত্র নুরুজ্জামান মিন্টুকে ২৬ অক্টোবর রাতেই ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। আদালত ২৭ অক্টোবর মিন্টুর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মিন্টু বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ : বাংলাদেশের কিশোররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের সেমিফাইনালে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে। আজ কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে পরাজিত করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পাভেল। বাকি দুটি গোল এসেছে বায়জিদ ও শাবকের পা থেকে।
ম্যাচের ৯ মিনিটে বায়জিদের গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। বিরতির পর ২৪ মিনিটে পাভেল ব্যবধান দ্বিগুন করেন। ৩৪ মিনিটে শাবক দলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন। দুই মিনিট পর পাভেল নিজের দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে বড় জয় এনে দেন।
আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত এই ছোটদের বিশ্বকাপে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করছে। বাছাই পর্বের খেলায় বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিল। পঞ্চম স্থানে থাকা ৩২ দল নিয়ে ‘ই’ টায়ারের নক আউট পর্ব চলছে। সেখানে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উন্নীত হয়েছে। প্রথমবারের মত আয়োজিত এই আসরে ফিফা ছয় টায়ারে ছয় চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থতা বোধ করছেন ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু (এমপি)।
নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য জানিয়ে তাঁর পূর্ণ সুস্থতা ও পরিবারের সদস্যদের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে ভূমিমন্ত্রী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি এবং আপনাদের সকলের আন্তরিক দোয়ায় আমি এখন আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থতা বোধ করছি।
তিনি আরও লেখেন, তাঁর পূর্ণ সুস্থতা এবং পরিবারের সবার জন্য যেন সবাই দোয়া করেন, যাতে সুস্থ ও সবল শরীরে সবসময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারেন।
নিজের দুই সন্তান সাইফ রহমান ও মাশফি রহমানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও কল্যাণ কামনায়ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ভূমিমন্ত্রী। সন্তানরা যেন আগামীতেও মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণ ও সেবামূলক কাজে অবদান রাখতে পারে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বার্তায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসাই তাঁর পথচলার মূল শক্তি। পাশাপাশি সবাইকে ভালো ও সুস্থ থাকার শুভকামনা জানান তিনি।
ভূমিমন্ত্রীর এই বার্তায় তাঁর সুস্থতা নিয়ে আশাবাদ এবং মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার বিষয়টি উঠে এসেছে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশের জাপানের আকর্ষণীয় বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকায় অবস্থিত জাপান দূতাবাস এ চুক্তির দ্রুত কার্যকর ও যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
বাসসের প্রশ্নের লিখিত জবাবে দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ জানায়, চুক্তির সুফল বাস্তব অর্থনৈতিক অর্জনে রূপান্তরিত করতে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন বিধান, বিশেষ করে শুল্কসুবিধা ও পণ্যের উৎপত্তির নিয়ম সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিত করা আবশ্যক।
২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ইপিএ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য একটি বিস্তৃত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
দূতাবাস জানায়, চুক্তিটি কার্যকর হলে সম্মত শুল্কসূচির আওতায় অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাওয়া যাবে। সেবা, বিনিয়োগ, শুল্কপ্রক্রিয়া, ই-কমার্স ও মেধাস্বত্বের মতো বিষয়গুলোতে বিধান থাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পূর্বানুমানযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
দূতাবাস বলেছে, ‘এ মুহূর্তে অগ্রাধিকার হলো চুক্তিটি দ্রুত কার্যকর করা এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।’ এ জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং চুক্তির সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) মধ্যে চুক্তি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছে দূতাবাস। তাদের মতে, এ বিষয়ে প্রচার ও তথ্য সরবরাহের উদ্যোগ বৃদ্ধি পেলে আরও বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নতুন বাণিজ্য কাঠামোর আওতায় আসতে পারবে এবং চুক্তির সুফল ভোগ করতে সক্ষম হবে।
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) শ্রেণি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে ইপিএ বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব পরিকল্পনায় আরও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ প্রদান করতে পারে।
দূতাবাস জানায়, চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুফল পেতে দুই দেশের সরকার ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপ অপরিহার্য।
চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর বাস্তবায়নসংক্রান্ত সমস্যা সমাধান এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উভয় পক্ষ যৌথ কমিটিসহ বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাগুলো কাজে লাগাতে পারবে।
তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণের সুযোগ
ইপিএর বাইরেও জাপানের বাজারে তৈরি পোশাকের (আরএমজি) বাইরে বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস। এ ক্ষেত্রে চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, ওষুধ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা বিশেষ সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে গাড়ির যন্ত্রাংশসহ উৎপাদনশিল্পের প্রাথমিক পর্যায়ের বিভিন্ন খাতের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
তবে জাপানের বাজারে প্রবেশ বাড়াতে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের সে দেশের বাজারের চাহিদা ও নিয়মকানুন সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা অর্জন করতে হবে। পণ্যের মান ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখা, নির্ভরযোগ্য সময়ে সরবরাহ এবং পরিবেশ, শ্রম ও পণ্যের মানসংক্রান্ত প্রযোজ্য বিধিবিধান মেনে চলাও জরুরি।
ওষুধ রপ্তানির ক্ষেত্রে জাপানের পণ্য অনুমোদন এবং উৎপাদনের গুণগত মানসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে দূতাবাস উল্লেখ করেছে।
উৎপাদন ও জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উৎপাদনশিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ভোগ্যপণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, সরবরাহ ও পরিবহনসেবা এবং জ্বালানির কথা উল্লেখ করেছে দূতাবাস।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বিএসইজেড) জাপানি কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
দূতাবাসের মতে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা গেলে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে নতুন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আরও উৎসাহিত হবেন।
দূতাবাস বলেছে, ইপিএর পাশাপাশি শিল্প খাতে সহযোগিতা জোরদার এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা গেলে বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ