বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৪১ এম
জাপানে বৃহস্পতিবার ট্রেনের ধাক্কায় চার শ্রমিক আহত হয়ে অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, তাদের ‘জীবনের কোনো লক্ষণ’ দেখা যাচ্ছিল না।
রাজধানী টোকিওর উত্তরে শিন-কানুমা স্টেশনে চার শ্রমিক ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন, জানাচ্ছে দমকল বিভাগ। টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবরটি নিশ্চিত করেছে।
দমকল বিভাগের এক মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে আসার সময় তিন শ্রমিক ট্রেনের নিচে আটকে ছিলেন। আর অপর একজনকে প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে চারজনই অচেতন অবস্থায় ছিলেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারো ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবারের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
চলতি সপ্তাহে ফ্লোরেস অঞ্চলে এটি একই মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প। এর আগে সোমবার, ১৭ আগস্ট, জার্মানির জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, ৫ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেটিরও উৎপত্তি হয়েছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার নিচে।
সোমবারের কম্পনটি আসে তার মাত্র দুই দিন পর, যখন শনিবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। ওই ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ফ্লোরেসে অন্তত ৫৩ জন নিহত হন।
একাধিক ভূমিকম্পের ফলে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৯০০টির বেশি বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও প্রায় ৪৫০টি ঘরবাড়ি। ফলে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে হয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহত হয়েছেন ১৩৫ জন। শুধু ফ্লোরেস অঞ্চলেই ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের সংখ্যা অন্তত ২৪১টি।
নতুন ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পরবর্তীতে সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণকর্মীরা দুর্গতদের মধ্যে চাল, প্রস্তুত খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও ওষুধ বিতরণ করছেন। বাস্তুচ্যুতদের থাকার জন্য বিভিন্ন স্থানে জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে। সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীতে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে ধর্মীয় মূল্যবোধকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ লক্ষ্যে, শিশু সুরক্ষা বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতারা অংশ নিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও শিশু সুরক্ষা’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রাজশাহী শহরের এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মুহাম্মদ ইমামুল ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেন, শিশুরা সবার আমানত। তাদের প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতন, অবহেলা বা সহিংসতা গ্রহণযোগ্য নয়। পরিবার এবং সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবার দায়িত্বশীল হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় নেতারা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে যেতে পারেন। তাই শিশু সুরক্ষায় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদ, মন্দির ও গির্জার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করে সম্মিলিতভাবে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করতে হবে।
রাজশাহী শহরের এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার রিপন হালদারের সঞ্চালনায় কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহী এডিপির প্রোগ্রাম অফিসার ফিলিপ আরিন্দা। তিনি আলোচনা করেন, শিশু সুরক্ষায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে এবং বলেন, শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজ থেকে দারিদ্র্য ও অন্যায্যতা দূর করতেও সংস্থাটি কাজ করছে।
তিনি জানান, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডে সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মীয় নেতারা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন, যার ফলে শিশু সুরক্ষা ও সহিংসতা প্রতিরোধের বার্তা সমাজের বিভিন্ন স্তরে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছানো সম্ভব।
কর্মশালায় ইসলাম ধর্মের আলোকে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা ও করণীয় বিষয়ে বক্তব্য দেন মহানগর মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহীর ফিল্ড অফিসার জাহাঙ্গীর আলম।
হিন্দু ধর্মের আলোকে বক্তব্য রাখেন রামকৃষ্ণ আশ্রমের পুরোহিত অরুণ কুমার সত্য এবং পবা উপজেলার নওহাটা শিবকালী মাতা মন্দিরের পুরোহিত শংকর চক্রবর্তী। খ্রিস্টান ধর্মের আলোকে বক্তব্য দেন উত্তম মেষপালক ক্যাথিড্রালের ভিকার জেনারেল ও পালক পুরোহিত ফাদার ফাবিয়ান মারান্ডী।
এই কর্মশালায় শিশুদের প্রতি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, যৌন হয়রানি এবং অন্যান্য ঝুঁকি প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ধর্মীয় বক্তব্য, উপদেশ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশু সুরক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেছেন- শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের মানসিকতা পরিবর্তন করাও জরুরি। ধর্মীয় মূল্যবোধ, মানবিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধকে কাজে লাগিয়ে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহীর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নীলু বেগম, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোসা. শারমিন আক্তার সুরভী ও অর্জুন রায়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের প্রতিটি উপজেলায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য দৌড়ানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বর্তমান সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
এজন্য দেশের ইতিহাসে এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বাধিক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দেশব্যাপী ওরাল কলেরা টিকাদান ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে, টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের পাশাপাশি একজন প্রতিবন্ধীকে টিকা খাওয়ানোর মাধ্যমে দেশের সব মানুষের মধ্যে এটি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
প্রতিমন্ত্রী বললেন, যদি চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার দিকে বেশি জোর দেওয়া হয়, তাহলে মানুষ সুস্থ থাকতে পারবে এবং দেশের জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর রোগীর চাপও কমে যাবে।
কলেরা এবং ডায়রিয়াজনিত অসুস্থতা দূর করতে টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই টিকা একজনের জন্য সহজে গ্রহণযোগ্য একটি ওরাল (মুখে খাওয়ার) ভ্যাকসিন। শহরের থেকে দূরবর্তী গ্রাম, দুর্গম চরাঞ্চল কিংবা পাহাড়ের প্রত্যন্ত জনপদে প্রতিটি মানুষের কাছে এই টিকা পৌঁছে দিতে হবে। এজন্য তিনি সব সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে টিকাদানকে কার্যকর একটি ‘সামাজিক আন্দোলনে’ রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি জানান, কলেরা এবং ডায়রিয়ার মতো মারাত্মক পানিবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পানীয়, রান্না এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির প্রতিটি কাজে শতভাগ বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির ব্যবহার এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শোবিজ অঙ্গনের কাজের সুবিধার জন্য বা চিত্রনাট্যের প্রয়োজনের কারণে চরিত্রের পরিবর্তন অথবা কোনো কাজে বাদ পড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ক্যারিয়ারে যেমন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়, তেমনি কখনো কখনো বাদ পড়ার অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয় তারকাদের। এই প্রসঙ্গে, অভিনেত্রী আইশা খান বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আইশা খান বলেছেন, কাজ থেকে বাদ পড়া একটি খুব সাধারণ বিষয়। তিনি বলেছেন, "আমার কাছে মনে হয়, এটাও এক ধরনের শিক্ষা। সবসময় যে আমি ভালো রেজাল্ট করব, এমন তো নয়। গ্রাফটা যখন উত্থান-পতন হয়, দেখতেও ভালো লাগে। আমাকে নিরহংকার থাকতে এটা হেল্প করে।"
গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখদের প্রতিনিয়তই নানা আলোচনা-সমালোচনা মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিনোদন অঙ্গনের এই বাস্তবতাকে নিজের কাজের অংশ হিসেবে মনে করেন আইশা খান। তবে, সব ধরনের মন্তব্যকে সমান গুরুত্ব দেন না তিনি। বরং, গঠনমূলক সমালোচনাকেই তিনি গুরুত্ব देकर নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা করেন।
এই বিষয় নিয়ে আইশা খান বলেন, "আলোচনা-সমালোচনা তো হবেই। আমরা যে জায়গাটাতে কাজ করি, সেই জায়গাটার এটা একটা কালচার। সব সমালোচনাকে যেমন আমি গুরুত্ব দিই না।"
তিনি বলেন, কোনো সমালোচনা যদি নিজের ভালো বা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় মনে হয়, সেটিকেই তিনি গুরুত্ব দেন। আইশা খানের ভাষায়, "যেটা আমি বুঝি, হ্যাঁ, এই সমালোচনাটা যে হচ্ছে আমাকে নিয়ে, এটা আমার কোনো ভালো বা এটা আমার শোধরানোর প্রয়োজন সেটাকে আমি সেরকমভাবেই টেককেয়ার করি।"
অভিনেত্রী আইশা খান কাজ থেকে বাদ পড়া কিংবা সমালোচনার মুখোমুখি যাওয়াকে হতাশার কারণ না ভেবে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, ক্যারিয়ারের উত্থান-পতনই মানুষকে বাস্তবতা বুঝতে শেখায় এবং নিরহংকার থাকতে সাহায্য করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ