বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৫৩ এম
শোবিজ অঙ্গনের কাজের সুবিধার জন্য বা চিত্রনাট্যের প্রয়োজনের কারণে চরিত্রের পরিবর্তন অথবা কোনো কাজে বাদ পড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ক্যারিয়ারে যেমন নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়, তেমনি কখনো কখনো বাদ পড়ার অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয় তারকাদের। এই প্রসঙ্গে, অভিনেত্রী আইশা খান বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আইশা খান বলেছেন, কাজ থেকে বাদ পড়া একটি খুব সাধারণ বিষয়। তিনি বলেছেন, "আমার কাছে মনে হয়, এটাও এক ধরনের শিক্ষা। সবসময় যে আমি ভালো রেজাল্ট করব, এমন তো নয়। গ্রাফটা যখন উত্থান-পতন হয়, দেখতেও ভালো লাগে। আমাকে নিরহংকার থাকতে এটা হেল্প করে।"
গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখদের প্রতিনিয়তই নানা আলোচনা-সমালোচনা মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিনোদন অঙ্গনের এই বাস্তবতাকে নিজের কাজের অংশ হিসেবে মনে করেন আইশা খান। তবে, সব ধরনের মন্তব্যকে সমান গুরুত্ব দেন না তিনি। বরং, গঠনমূলক সমালোচনাকেই তিনি গুরুত্ব देकर নিজের ভুলত্রুটি সংশোধনের চেষ্টা করেন।
এই বিষয় নিয়ে আইশা খান বলেন, "আলোচনা-সমালোচনা তো হবেই। আমরা যে জায়গাটাতে কাজ করি, সেই জায়গাটার এটা একটা কালচার। সব সমালোচনাকে যেমন আমি গুরুত্ব দিই না।"
তিনি বলেন, কোনো সমালোচনা যদি নিজের ভালো বা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় মনে হয়, সেটিকেই তিনি গুরুত্ব দেন। আইশা খানের ভাষায়, "যেটা আমি বুঝি, হ্যাঁ, এই সমালোচনাটা যে হচ্ছে আমাকে নিয়ে, এটা আমার কোনো ভালো বা এটা আমার শোধরানোর প্রয়োজন সেটাকে আমি সেরকমভাবেই টেককেয়ার করি।"
অভিনেত্রী আইশা খান কাজ থেকে বাদ পড়া কিংবা সমালোচনার মুখোমুখি যাওয়াকে হতাশার কারণ না ভেবে শেখার সুযোগ হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, ক্যারিয়ারের উত্থান-পতনই মানুষকে বাস্তবতা বুঝতে শেখায় এবং নিরহংকার থাকতে সাহায্য করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং আশপাশের এলাকায় গত রাতে রুশ হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ব্যক্তি আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় পক্ষই নিজেদের হামলা জোরদার করেছে। এর মধ্যে বিশেষ করে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর ও জনপদে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে মস্কো।
কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর প্রকাশ করেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো বৃহস্পতিবার টেলিগ্রামে একটি পোস্টে লিখেছেন, গত রাতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে কিয়েভের আবাসিক এলাকা এবং গুদামগুলোতে আঘাত হেনেছে।
শহরের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার ফলে আবাসিক ভবন, একটি চিকিৎসাকেন্দ্র এবং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পাঁচজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন।
কিয়েভের আশপাশের বৃহত্তর অঞ্চলের ব্রোভারি জেলায় পৃথক হামলায় একজন পুরুষ নিহত এবং অন্য একজন আহত হয়েছেন, এ তথ্য জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর তিমুর তকাচেঙ্কো।
তিনি জানিয়েছেন, ‘একটি শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন নেভাতে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থা ঘটনাস্থলে কাজ করছে।’
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী রাজধানীর দিকে এগিয়ে আসা ‘কালিবর’ ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। এগুলো কিয়েভ অঞ্চলের কাহারলিক গ্রামের আশপাশে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রায় প্রতি রাতেই কিয়েভে হামলা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, গত কয়েক মাসে রাশিয়ার ওপর ইউক্রেন পাল্টা হামলাও জোরদার করেছে। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের পর মস্কোকে আলোচনার টেবিলে বসতে চাপ দিতে এই হামলাগুলি পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে ট্রাকের চাপায় বাহারুল ইসলাম (৩৬) নামে এক স্কুটি আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের ঢুলটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাহারুল মুসলিম ঈশ্বরদী পৌরসভার মাহাতাব কলোনি এলাকার মৃত আকিল উদ্দিনের সন্তান ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র মতে, বাহারুল শ্বশুরবাড়ি থেকে স্কুটি চালিয়ে পাবনা-ঈশ্বরদী সড়ক ধরে বাড়ি ফেরার পথে ছিলেন। পথিমধ্যে ঈশ্বরদীর ঢুলটি এলাকায় তিনি একটি ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। এসময় ওই ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে গিয়ে পিষ্ট হয়ে তিনি মারা যান।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মীর আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, বাহারুল ইসলাম নিজে একজন ট্রাকচালক ছিলেন। স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের চাপায় তার মৃত্যু ঘটেছে। তিনি আরও জানান, ঘাতক ট্রাকের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া হাটে চিংড়িতে জেলি মিশিয়ে বিক্রির অপরাধে, ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি ব্যবসায়ীকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এসময়, জেলি মিশ্রিত ৮ কেজি চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ঝলমলিয়া হাটে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযান পরিচালনা করেন পুঠিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিবু দাশ।
অভিযানের সময় চিংড়িতে জেলি ব্যবহার করে বিক্রির অপরাধে মো. আরিফুল ইসলামকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ঝলমলিয়া এলাকার মৃত জলিল মন্ডলের ছেলে।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান জনস্বার্থে অব্যাহত থাকবে।
এসময় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডা. দীপু মনি, যিনি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী, ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ঢাকার কলাবাগানের তার বাসায় পৌঁছান। সেখানে মৃত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের শেষবারের মতো মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে严깐 নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল সোয়া ৯টায় দীপু মনি কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান।
বাসায় পৌঁছে তিনি প্রিজন ভ্যানে থাকা স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখে অশ্রুসিক্ত হয়ে যান। এসময় স্বজনদের মধ্যে শোকের আবহ নেমে আসে।
দীপু মনির পক্ষের আইনজীবী গাজী ফয়সাল জানিয়েছেন, কলাবাগানে এই বাসাটিতেই দীপু মনির সঙ্গে তৌফিক নেওয়াজের প্রথম দেখা হয়েছিল। মরদেহটি পরবর্তীতে গুলশান আজাদ মসজিদে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজার পর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন তার মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ। আবেদনটি গ্রহণ করে তাকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। প্যারোলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
তথ্য মতে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে ডা. দীপু মনি গ্রেপ্তার হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ